De første 200 linjer.
HOWL'S MOVING CASTLE
সোফি দেবী।
আমি দোকান বন্ধ করে দিয়েছি।
সোফি, চলো একসাথে বের হই।
আমার এটা শেষ করা দরকার, আপনারা যান মজা করুন।
আচ্ছা, গেলাম তাহলে।
আমি যাচ্ছি।
- একটু দাঁড়াও! আমি তৈরি। কেমন লাগছে আমাকে? - ওই দেখো, হাউলের প্রাসাদ!
কী? হাউল? কোথায়?
- দেখো কতো কাছে এসেছে! - ওহ, না।
ভাবছি হাউল শহরে এলো কিনা?
উধাও হয়ে গেলো তো...
আরে না, সে শুধুমাত্র ওই কুয়াশার পেছনে গিয়ে লুকিয়েছে।
শুনেছো, সাউথ হেভেনের মার্থা নামের ওই মেয়েটার কি হয়েছিলো?
ওরা বলে হাউলকে নাকি মেয়েটার হৃৎপিণ্ড ছিড়ে ফেলেছে!
কী ভয়ঙ্কর!
চিন্তা নেই, সে শুধু সুন্দরী মেয়েদেরই শিকার করে।
জলদি চলো।
সত্যি?
ওহ, থামো তো...
এই যে, ইঁদুর ছানা, পথ হারিয়ে ফেলেছো?
ওহ, না... একদমই পথ হারাইনি।
তাহলে এককাপ চা চলবে?
যাবে নাকি আমার সাথে?
না, ধন্যবাদ, আমি ব্যস্ত আছি।
ইঁদুর ছানাটা আসলেই কিউট।
যাকগে, তোমার বয়স কত? আশেপাশেই থাকো?
আমাকে যেতে দিন!
দেখেছো? তোমার গোঁফ দেখেই ক্ষেপে গেল।
রাগলে তাকে আরো সুন্দর দেখায়।
এই তো তুমি, দুঃখিত।
কোথায় ছিলে তুমি?
কে রে তুই?
আমি ওর সঙ্গী।
দু'জনে একটু হেঁটে আসছো না কেন?
কী রে...?! এই, কী...
তাদের ওপর রাগ রেখো না।
তারা অতোটাও মন্দ না।
কোথায় যাবে? আমি তোমাকে পৌঁছে দেবো।
না, আসলে, আমি বেকারির দিকে যাচ্ছিলাম।
স্বাভাবিক থাকো, আমাকে অনুসরণ করা হচ্ছে।
সোজা হাঁটো।
দুঃখিত, তোমাকে জড়িয়ে ফেললাম।
এইদিকে।
শক্ত করে ধরো!
পা সোজা করে হাঁটতে থাকো।
এই তো, ভয়ের কিছু নেই।
শাব্বাস।
আমি ওদের সরিয়ে নিচ্ছি...
বিপদ না কাটা পর্যন্ত এখানে অপেক্ষা করো।
আচ্ছা।
এই তো লক্ষ্মী মেয়ে।
- এই নিন। ধন্যবাদ। - লেটি, ওই চকলেটগুলো আছে?
এদিকে তাকাও, লেটি।
- এই, সরো দেখি। - চলো না একটু হেঁটে আসি, লেটি।
আমার বোন?
লেটি, জলদি ফিরে এসো।
আপা!
- লেটি। - ওভাবে বারান্দায় নামলি কী করে?
ডানাকাটা পরী হয়ে গেছিস নাকি?
মনে হচ্ছে যেনো স্বপ্ন দেখছি...
লেটি, আমার অফিস ব্যবহার করছো না কেন?
আমার আসলে কাজে যেতে হবে। তবু ধন্যবাদ।
কী? তুই নিশ্চিত সে কোনো জাদুকর ছিল না?
সে খুব দয়ালু ছিল...
আমাকে উদ্ধার করেছে...
আবার বলিস না সে তোর হৃদয় হরণ করেছে!
ওটা জাদুকর হাউল হলে, জায়গায় সেটা চিবিয়ে খেতো।
ভাবিস না, হাউল শুধু সুন্দরীদের ধরে।
আবারো শুরু হলো।
শোন, আমরা বিপজ্জনক সময়ে বাস করছি।
এমনকি উইচ অফ দ্য ওয়েস্টও নাকি শিকারের সন্ধানে ফিরে এসেছে।
আপা?
ধুরো...
লেটি, চকলেট বিস্কিটগুলো বানানো হয়ে গেছে।
আচ্ছা, এক্ষুনি আসছি।
ঠিক আছে।
আমি বাড়ি চললাম।
তুই ভালো আছিস দেখে স্বস্তি পেলাম।
- হ্যালো, লেটি। - দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
শোন, তুই কি সারাজীবন ওই দোকানেই কাটিয়ে দিবি?
দোকানটা বাবার অনেক পছন্দের ছিলো। তাছাড়া আমি বড়ো...
আমি সেটা বুঝাইনি। তুই নিশ্চিত তুই টুপির কারিগর হতে চাস?
আসলে...
লেটি, বিদায়।
পরেরবার দোকানে আসবেন কিন্তু।
আচ্ছা।
আমিও যাই রে।
আপা, তোর নিজের দিকেও খেয়াল রাখা উচিত।
দুঃখিত, দোকান এখন বন্ধ।
ভেবেছিলাম দরজাটা বন্ধ করে দিয়েছি।
কী জঘন্য একটা দোকান, জঘন্য সব টুপি দিয়ে সাজানো।
আর তুমিও দেখতে বেশ জঘন্য বৈকি।
এটা শুধুই সামান্য এক টুপির দোকান।
চলে গেলেই বোধহয় ভালো করবেন।
কী সাহসী গো তুমি, উইচ অফ দ্য ওয়েস্টের সাথে পাঙ্গা নিচ্ছো!
উইচ অফ দ্য ওয়েস্ট?
এই অভিশাপ সম্পর্কে কাউকে বলতে পারবে না তুমি।
হাউল'কে আমার শুভেচ্ছা জানিয়ো।
এ-এটা কি সত্যিই আমি!?
আমাকে শান্ত হতে হবে।
অবশ্যই শান্ত হতে হবে।
উত্তেজিত হয়ে লাভ হবে না, সোফি।
আমি ঠিক হয়ে যাবো, ঠিক হয়ে যাবো,
আমাকে শান্ত হতে হবে।
অবশ্যই শান্ত হতে হবে।
আমি ফিরে এসেছি!
বাড়িতে স্বাগতম, দেবী!
- বাড়িতে স্বাগতম! - কেমন লাগছে পোশাকটা?
কিংসবিউরিতে এটা খুব চলছে।
অসাধারণ!
আপনাকে মানিয়েছে।
চমৎকার লাগছে না?
সোফি!
মিসেস হ্যাটার, সোফি এখনো কাজে আসেনি।
আবার কী হলো ওর?
সোফি?
সোফি?
সোফি!
ভেতরে এসো না।
আমার খুব ঠান্ডা লেগেছে।
আমি চাই না তোমারও হোক।
তোর আওয়াজ তো ভয়ঙ্কর শোনাচ্ছে ... ৯০ বছর বয়সী মহিলার মতো।
আমি আজ শুয়েই কাটাবো।
তাই? ঠিক আছে, তাহলে।
এবার ওঠা যাক...
ব্যাপার নারে, বুড়ি।
তুই এখনো স্বাস্থ্যবতী আর পোশাকগুলোও অবশেষে তোকে মানিয়েছে।
কিন্তু এখানে থাকা যাবে না।
ওরে রে রে!
বুড়ো বয়সে হাঁটা কঠিন।
ওরা বলছে এই যুদ্ধটা ভয়াবহ হবে...
আপনার কি সাহায্য লাগবে, দাদীমা?
কী ভদ্র ছেলে, তবে আমিই পারবো।
অবশ্যই, বুড়িমা, কিন্তু আপনি যাবেন কোথায়?
তুমি যেখানে যাচ্ছো তার থেকে একটু দূরে।
পাগল হলেন নাকি, দাদীমা!
ওখানে ডাইনি আর জাদুকর ছাড়া কিছুই নেই।
ধন্যবাদ।
এই অসময়ে উপত্যকায় যাচ্ছেন?
বলছে ওখানে তার ছোট বোন আছে।
খুব বেশিদূর এগোতে পারিনি দেখছি...
ভাগ্য ভালো দাঁতগুলো এখনো পড়ে যায়নি।
ভালো একটা হাতের লাঠি হবে ওটা।
ওঠ তাহলে।
বোধহয় একটু বড় হবে।
ওরে রে!
কী নচ্ছার ডালরে।
দাদীমা সোফি'কে তাচ্ছিল্য করিস না।
হেইয়ো!
একটা কাকতাড়ুয়া? ভেবেছিলাম তুমি ডাইনীটার গুপ্তচর।
কিন্তু নিজে নিজে দাঁড়িয়ে আছো কী করে?
তোমার মাথাটা শালগমের মতো।
শালগম একদম দেখতে পারি না আমি।
যাকগে তোমাকে আর উল্টো হয়ে থাকতে হবে না।
বিদায় তাহলে।
কী ঠান্ডা।
শহরটা তো এখনো অনেক কাছে।
আমাকে অনুসরণ করো না, তোমার কোনো ঋণ নেই।
তুমি নির্ঘাত জাদুকরী টাইপের কিছু,
ওসব ডাইনী আর তুকতাকে অতিষ্ঠ আমি!
তাই যেখানে খুশি গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকো!
লাঠিটা একদম পারফেক্ট, অনেক ধন্যবাদ।
সাহায্য যেহেতু করতেই চাইছো, ঘুমোনোর জন্য একটা বাড়ির ব্যবস্থা করতে পারবে?
বয়সের সাথে বুদ্ধিটাও ভালোই বাড়ে মনে হচ্ছে।
কতোবড়ো যুদ্ধবিমান!
বৃদ্ধ হলে এতোটা দুর্বল লাগে কখনোই ভাবিনি।
ধোঁয়ার গন্ধ পাচ্ছি, হয়তো আশেপাশে বাড়ি আছে।
আরে শালগম, ওটা হাউলের প্রাসাদ না?
আশ্রয়ের জন্য মোটেও এরকম কিছু চাইনি আমি!
এসব কী?
এটাকে লোকে প্রাসাদ বলে?
ওটাই কি ঢোকার রাস্তা?
একটু থামো।
এই, থামো!
আমাকে ঢুকতে দেবে কি দেবে না!
আমার শাল!
ভেতরটা অনেক উষ্ণ। শালগম, আমি ভেতরে যাচ্ছি।
ধন্যবাদ।
হাউলও আমার মড়চে মরা হৃৎপিণ্ড খেতে চাইবে না।
এবার, সত্যিই বিদায় নিচ্ছি।
তুমি শালগমের মতো হলেও, অনেক ভালো শালগম।
তোমার জীবনে আনন্দ আসুক।
এটা আবার কেমন জায়গা? দেখে তো আবর্জনার ভাগাড় মনে হচ্ছে।
যাকগে, বুড়ো হওয়ার একটা ভালো দিক হচ্ছে কোন কিছুতেই আর ভয় লাগে না।
কঠিন এক অভিশাপেই পড়েছো তুমি...
ওটা ভাঙা খুব একটা সহজ হবে না।
আগুন দেখি কথা বলছে!
আবার কাউকে কথাটা বলতেও পারবে না।
তুমি কি হাউল?
ভুল। আমি হচ্ছি গিয়ে অগ্নিদানব, ক্যালসিফার!
আচ্ছা, ক্যালসিফার, তুমি আমার অভিশাপ ভাঙতে পারবে?
ওয়ান-টু'র কাজ।
যদি তুমি আমাকে এখানে আঁটকে রাখা অভিশপটা ভাঙতে পারো,
এক চুটকিতে তোমার অভিশাপ ভেঙে দেবো।
অন্যভাবে বললে, দানবের সাথে চুক্তি করো।
প্রতিজ্ঞাটা রাখতে পারবে নিশ্চিত তো?
দানবেরা প্রতিজ্ঞা করে না।
তাহলে অন্য কাউকে খোঁজো।
কিন্তু আমি এক নির্যাতিত দানব।
No comments yet. Be the first to leave one.