Die ersten 200 Zeilen.
দাড়াও!
তোমার পিছনে!
লোকটা মরে গেছে তো।
অ্যাগ্রন!
তাড়াতাড়ি লুট করো।
মূল্যবান সবকিছু নিয়ে নেও।
স্পার্টাকাস, তার ধোন কেটে ফেলবে নাকি?
না।
একটা বার্তা পাঠাবো...
পুরনো বন্ধুর কাছে।
কোন সহায়তা ছাড়া
সার্টোরিয়াসের সঙ্গে লড়াইয়ে নেমে পম্পেই বোকামি করেছে।
পম্পেই জীবনে কোনো কাজ
যুক্তি দিয়ে করেছে নাকি?
বয়স বাড়লেও সেই কিশোরের মতো কসাইগিরি করছে।
যেখানে যৌবন শেষ হয়,
পরিপক্বতা সেখান থেকেই শুরু হয়।
পম্পেইয়ের বাহিনীকে বিদ্রোহীর বিরুদ্ধে
শক্তিশালী করা না হলে রোম পুরো হিশপানিয়াকে হারিয়ে বসবে।
আর এরকম এক গৌরবময় বাহিনীকে কে নেতৃত্ব দিবে?
নতুন নিযুক্ত হওয়া প্রেটার নাকি?
আমি জনতার পক্ষে কাজ করি, মার্কাস।
প্রয়োজনে, আদেশ পেলে— আমি তার শত্রুদের বিরুদ্ধে
অস্ত্র ধরব।
তার প্রেটারের পোশাকে এখনো ভাঁজ পড়ল না,
কিন্তু যুদ্ধ আর গৌরবের স্বপ্ন যেন আকাশ ছোঁয়া।
আমি কেবল জরুরি বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলছিলাম।
জরুরী বিষয় খুঁজতে এখন আর বিদেশে যেতে হবে না, তাই না ভ্যারিনিয়াস?
যখন স্পার্টাকাস আর তার বন্য দল
এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে ঘুরে বেড়ায়।
সে এখন আর আমার চিন্তার বিষয় নয়।
স্যাপিয়াসের আরো সৈন্য
কাপুয়া যাওয়ার রাস্তায় মারা পড়েছে।
আমার কাছে সে চিঠি পাঠিয়েছে, যেখানে তোমার নাম উল্লেখ আছে।
একজনের বুকে খোঁদাই করে লিখে দিয়েছে।
দুর্ভাগ্যজনক এক বন্ধন।
খুব দ্রুত তা ছিন্ন করা হবে।
কসুটিয়াস আমার জন্য অপেক্ষা করছে।
আপনার কন্যার কাছে ক্ষমা-প্রার্থী,
যে আমি ঠিক মতো তার খেয়াল রাখতে পারিনি।
এই হতাশাটুকু ভবিষ্যতে দেখা হওয়ার প্রতিশ্রুতিতে
মুছে যাক, কী বলো?
চলুন, একসাথে খাওয়া যাক।
সভাসদরা তোমাকে অবিলম্বে
কাপুয়ায় পাঠানোর প্রস্তাব তুলেছে।
এটা তো ঠিক নয়, আলবেনিয়াস।
একজন প্রেটারকে দিয়ে এই ধরণের কাজ করানো উচিত না।
তুমিই ওই থ্রেসিয়ানকে এই রোমের মাটিতে এনেছিলে, গায়াস।
বাটিয়াতাসের বাড়িতে
গণহত্যার আগে তুমিই তাদের
পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে এসেছিলে।
যেই গণহত্যায় আমার মেয়েটা কোনভাবে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এসেছে!
ভ্যারিনিয়াস স্যাপিয়াসকে সম্পূর্ণ সমর্থন করে।
যদি সে-ই স্পার্টাকাসকে ন্যায়বিচারের মধ্যে আনতে পারে,
তাহলে সেটা তোমার জন্য সবচেয়ে লজ্জাজনক ব্যাপার হবে।
ঠিক ভাবে কাজটা করো,
না হয় সিনেটের উচ্চপদে নিজেকে কল্পনা করা বন্ধ করে দেও।
তলোয়ার নামাবে না।
আরও ৮জন রোমানকে ভোগে পাঠিয়ে দিয়েছি।
প্যারাস্টিস!
যাদের প্রশিক্ষণ হয়ে গেছে, তাদেরকে এই ইস্পাতের তলোয়ারগুলো দিয়ে দেও।
ভিটাস, ফিরাস, লিজ্যান্দ্রস,
দক্ষতা অনুযায়ী এগুলো ভাগ করে নেও।
"আর বাকিগুলোকে প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত করো।"
আমি আরো রোমানকে মারব।
অবশ্যই, তা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।
প্রশিক্ষণে ফিরে যাও।
স্পার্টাকাস, আমাদের খাবার লাগবে,
অস্ত্র আর লাগবে না।
তারা শুধু মুদ্রা আর তলোয়ার নিয়ে এসেছিল।
ওহ!
অসাধারণ, আজকে মাছ খাবো।
ক্রিক্সাসের লোকেরা তো ভালোই সুবিধা পাচ্ছে।
র্যাসকস।
ক্রিক্সাস কোথায়?
মারসেলাসকে খুঁজতে গেছে, যেই লোকটা মাগী বেচে।
তোমাদের লোক তো দেখি ভালোই জোগাড় করেছে।
সবাইকে সমান ভাগে ভাগ করে দেও।
বাল!
ইঁদুরের বাচ্চাদের নিজের খাবার নিজে খুঁজে আনতে বলো।
তোমাদের তো বেশি আছে।
ঝুঁকি নিয়ে রক্ত দিয়ে তবেই অর্জন করেছি।
শুয়ে থাকা ছাড়া তারা আর কী করেছে?
যা আছে ভাগ করে দেও।
আমি দ্বিতীয়বার বলব না।
হারামি ফরাসীর দল।
রাসকজ একটা স্বার্থপর লোক,
নিজের ইচ্ছা ছাড়া আর কিছু চোখেই দেখে না।
আজ রাতে কেউ খালি পেটে বিছানায় যাবে না।
এটাই এখন গুরুত্বপূর্ণ।
কাল কী হবে?
এখনও অনেক রোমানকে মারতে হবে।
আমিও সেটাই চাই,
কিন্তু তোমার যেন কোনো ক্ষতি না হয়।
আমাকে মারা এতো সহজ না।
তোমার মতো পরাক্রমশালী আর কেউ নেই।
হুম।
কিন্তু যারা একটু কম দক্ষ,
তাদের নিয়ে পশ্চিমে পাহাড়ের দিকে গেলে
তাদের খুব স্বস্তি হতো,
সেখানে শিকারেরও অভাব নেই।
আর রোমানরা নেই বললেই চলে।
তাহলে তো ভালোই হয়।
তাহলে আমরা এখানে পড়ে আছি কেন?
আমাদের কী আঁটকে রেখেছে,
এতো ঝুঁকি নিয়ে এই কাপুয়ার কাছে--
স্পার্টাকাস।
শুনলাম, আমার লোকদের নাকি তুমি আদেশ করেছ।
না।
আমি তাদের উচিত কাজটাই বুঝিয়ে দিয়েছি।
উপস্থিত থাকলে তুমি নিজেও একই কাজ করতে।
আমি তাদের সাথে কথা বলে নিতাম।
তাহলে তো তারা আরো আগেই শুনত।
আবার শহরে গিয়েছিলে।
ঝুঁকি বাড়াচ্ছ তুমি।
কেউ দেখেনি আমাকে,
মারসেলাস ছাড়া,
আর সে এই ব্যাপারে কখনো মুখ খুলবে না।
কোনো খবর দিতে পেরেছে?
একজনের নাম বলেছে।
ট্রেবিয়াস।
দাস-ব্যবসায়ী?
সে তার খোঁজ দিতে পারবে?
মারসেলাস বলেছে, সে-ই নাকি নেভিয়াকে বিক্রি করেছে।
কোথায় পাবো তাকে?
সে না কি মাঝে মাঝে কাপুয়ায় দাস-দাসী বিক্রি করতে আসে,
আর আরম্যানিয়াসের বেশ্যা-পাড়ায় নিজের খায়েশ মিটাতে যায়।
সেখানে যাওয়াটা বিপজ্জনক।
নেভিয়াকে না পাওয়া পর্যন্ত আমি থামব না।
আমি তাদের সাথে কথা বলে নিবো।
ক্রিক্সাস।
ডক্টরের কোনো খোঁজ পেয়েছ?
লুডুস তার প্রাণ ছিল।
যারা সেখানে রক্ত ঝরিয়েছে, তাদের চোখের সামনে দেখাটা —
তার জন্য হয়ে উঠবে কাঁটা গায়ে লবণ ছিটানোর মতো।
মহিলার মতো লড়ছ তুমি!
মেরে ফেল তাকে!
প্রদর্শনী খুবই দুর্বল,
ভলকানালিয়ার সবচেয়ে ছোটো লড়াইয়ের জন্য হলেও।
দুঃখিত, ম্যাজিস্ট্রেট।
আজ শুধু এদেরকেই জোগাড় করা গেছে।
জনতা তো এর চেয়েও বেশি চমক চায়, মার্কাটো।
হুম?
তাদের মনোযোগ অন্যদিকে নিতে হবে,
না হয় শহরটা অস্থিরতা আর আতঙ্কে ভেঙে পড়বে।
যোদ্ধাদের লড়াই দেখছে সবাই,
যেখানে কিনা স্পার্টাকাস আর তার খুনি দল রোমানদের খুন করে বেড়াচ্ছে।
তোমার ভাই সেটা ভালো ভাবেই সামলাচ্ছে, সেপিয়া।
নিজেই নিজেকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন,
আজ সকালেও ৮জন মৃত রোমানকে পাওয়া গেছে।
৮জন?
হ্যাঁ!
দুঃখিত।
একটা জরুরী কাজে আটকে গেছিলাম।
এটা কি সত্যি, স্যাপিয়াস?
স্পার্টাকাস তোমার আরও ৮জন সৈন্যকে মেরে ফেলেছে?
এটা কোনো বিষয় না।
খুব শীঘ্রই স্পার্টাকাসকে আইনের আওতায় আসতে হবে।
আর আমাদের ভালোবাসার কাজিন স্যাক্সটাসের প্রতিশোধও নেওয়া হবে।
সে যদি তোমাকেও মেরে ফেলে,
তাহলে তো আমি খুব একা হয়ে যাবো গো!
আমি কি আমার রক্তের সম্পর্কের বোনকে,
এতো কষ্টে একা রেখে যেতে পারি?
বাটিয়াতাস বেঁচে থাকলে
সে অন্তত নিজের দোষটা স্বীকার করত।
স্পার্টাকাস আর তার দলবল খুব শীগ্রই ধরা পড়বে।
আমি ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে সাহায্য চেয়ে —
রোমে বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি।
আরেকটা ভালো লড়াইয়ের আয়োজন করলে ভালো হতো,
এখনকারটা দেখে অসম্ভব বিরক্ত লাগছে।
না! না! না!
না! না!
জঘন্য লাগল।
আমার কাছে মূল্যবান কিছু নেই।
কথা বলতে পারলেই হবে।
তারা কোথায় আছে, আমিও জানি না।
তুমি তো বাটিয়াতাসের লোক ছিলে, তাই না?
তোমরা ভুল করছ।
না, আমি তাকে দেখেছি,
সেই বালির ময়দানে যোদ্ধাদের আদেশ করতে দেখেছি তাকে।
পম্পেই-এর খেলার সময় থিওকোলিসকে ফাঁকি দিয়ে
কোনো মতে বেঁচে আসতে দেখেছিলাম তাকে।
অ্যানোমেয়াস ছিল তার নাম।
তুমি সেই ব্যক্তি না হলে তো বেঁচেই যেতে।
যে নিজের ডমিনাসের সাথে বেইমানি করেছে।
তাকে ধরিয়ে দিলে মোটা অংকের একটা অর্থ দেওয়া হবে।
স্পার্টাকাসকে ধরলে আরও বেশি অর্থ পাওয়া যাবে।
যদি তাকে ধরতে পারি,
তোমার মতো একজন মানুষের উচিত...
সবসময় নিজের পরিচয় গোপন করে রাখা।
যেমনটা বললাম,
আমার কাছে মূল্যবান কিছু নেই।
শুধু তোমাকে ধরার অর্থটা পেলেও হবে।
দুঃখিত।
আপনি বাটিয়াতাসের লোক নয়।
এখন বাহিরে থাকাটা উচিত না।
চাঁদ দেখতে এসেছিলাম।
জানুস চাঁদ দেখতে খুব ভালোবাসে।
ভারো কাঁধে নিয়ে তাকে হাত বুলিয়ে দিত।
আর সে তার বাবার হাত খামছে ধরত,
No comments yet. Be the first to leave one.