Die ersten 200 Zeilen.
চার, এক।
দৌড়াবে না।
চার, দুই।
চার, তিন।
বাবা।
- হাতের অবস্থা কেমন, সোনা? - হাতের অবস্থা ভালো।
- সবাই ভালো আছে? - অবশ্যই।
আমার খুব চিন্তা হচ্ছে।
মা, তুমি, আর রোমানের জন্য।
- তোমার পুলিশের কাছে যাওয়া উচিত। - গিয়ে কী বলবো?
তোমার পরিবার জেলের ভেতর থেকে হুমকি পাচ্ছে?
আমাদের নিরাপত্তা দিতে তারা কোনো অফিসার পাঠাবে না।
তুমি এখানে টিকে থাকায় মনোযোগ দাও, বাইরেরটা আমার উপর ছাড়ো।
বাবা, ওরা একজন কর্মকর্তাকে মেরে ফেলেছে।
জানি।
সিমনের সাথে কী করছিলে?
সত্য বের করছিলাম।
এখন জানি ও তোমাকে ঠকিয়েছে।
ধুর, ছোটো বাক্সটাই খুঁজে পেলে?
টাকা নেয়ার চেষ্টা করেছি।
ওর চুরি করা টাকা থেকে ১ মিলিয়ন চেয়েছিলাম।
ওকে কয়েক ঘন্টা সময় দিই তারপর ওর বাসায় যাই।
- কিন্তু ও সেখানে ছিল না। - সেখানে ছিল না মানে?
মনে হলো তড়িঘড়ি করে চলে গেছে। ও লাপাত্তা, সোনা।
তাই শুনানির আগে আমরা তোমাকে এখান থেকে বের করতে পারবো না।
আমি খুবই দুঃখিত।
আরেকটা উপায় আছে হয়তো।
কিন্তু সেটা অবৈধ। তাই আমাকে জ্ঞান দেওয়ার কথা ভুলে যাও।
বলো কী সেটা।
এখানে আমার প্রথম রাতে যে মেয়েটাকে ওরা মেরেছিল...
সে ৯ মিলিয়ন ইউরো ভর্তি একটা ভ্যান চুরি করে লুকিয়ে রেখেছিল।
আর আমার মনে হয় একটা ক্লু আছে।
আসলে হতে পারে। একটা সিম কার্ড।
মেয়েটার নাম কী ছিল?
ইয়োলান্ডা মনতেরো।
বাবা, সিমটা কোথায় আমি জানি।
কিন্তু লুকিয়ে সিমটা নিতে পারবে?
হ্যাঁ।
আর কেউ জানে?
তোমাকে কেউ ফলো করছে
কিংবা বিপদে আছো মনে হলে, ভুলে যাও ওটা। কেমন?
তোমাকে খুব সাবধান থাকতে হবে, সোনা।
বন্ধ করে দিচ্ছি।
সব ঠিক আছে?
হ্যাঁ, কেউ আমার প্যাচ খোঁড়াখুঁড়ি করা ছাড়া।
তোমাকে ঘাঁটাতে এরকমই করে থাকবে ওরা।
ডাইনিং রুমে চলে যাও, এখন বন্ধ করার সময়।
দাঁড়াও! মুখ মুছে নাও।
ধন্যবাদ।
ঠিক আছে?
ধন্যবাদ। স্যরি, ময়লা হয়ে গেছে।
- সমস্যা নেই... - আমি ধুয়ে দেবো।
- লাগবে না... - আমার সমস্যা নেই।
- ধুয়ে দেবো। - ওকে।
- ধন্যবাদ। - সমস্যা নেই।
ফেরেইরো। গভর্নরের অফিসে চলো।
- আসো। - যাও।
একটা খারাপ খবর আছে। জুলেমার ব্যাপারে।
ও নির্জনবাসে।
সাক্ষ্যের জন্য তোমার উপর প্রতিশোধ নেওয়া এড়াতে ওকে সেখানে পাঠিয়েছি।
কিন্তু এখন ছেড়ে দিতে হবে।
অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
কালকে ম্যাচটা দেখতে চাও?
- হ্যাঁ, ওকে। কখন? - ১০ টায়। এখানে দেখা যাবে।
পারফেক্ট, আমার সমস্যা নেই।
তুমি বাসায় দেরিতে গেলে কারোলিনা মাইন্ড করবে না?
একদমই না। তাছাড়া, উইকেন্ড কাটাতে ওর মা'র বাসায় গেছে।
যাইহোক,
সেদিন ডিনারে গিয়ে তোমার বাসায় বোধহয় আমার ফোন ফেলে এসেছি।
- গতকাল কল দেয়ায় রিং হলো। - এখন চেষ্টা করে দেখবো?
গভর্নরের সাথে কথা বলতেই হবে। আমার স্পেশাল ডায়েট দরকার।
এমন করো না, টেরে।
ওদের দেওয়া ঠান্ডা মাংস খেতে পারবো না। আমার টক্সোপ্লাজমোসিস হতে পারে।
আমি প্রেগন্যান্ট, নিজের খেয়াল রাখতে হবে তো।
- প্রেগন্যান্ট হওয়ার ব্যাপারটা কী...? - ডক্টরকে জিজ্ঞেস করুন গিয়ে।
ওনার সাথে কথা বলবো এখন। এরমধ্যে, তুমি যাও।
অন্যায় নির্জন কারাবাসের জন্য জুলেমা জেল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে
অভিযোগ দায়ের করেছে। আর সত্যি বলতে, এটা নিয়ম লঙ্ঘনই।
তাই সকালে ওকে ছেড়ে দিচ্ছি।
কিন্তু সে ছাড়া পেয়ে আমার পেছনে পড়বে।
তোমাকে সবসময় নিরাপত্তা দেওয়া হবে।
কিছু হবে না তোমার।
কথা দিচ্ছি।
তুমি হয়তো চাপে আছো, কিন্তু তোমাকে শক্ত হতে হবে, মাকারেনা।
শোনো। তুমি সাক্ষ্য দেওয়া মাত্র, ট্রান্সফারের আবেদন করতে পারবে
আর তোমাকে বিশেষাধিকার দেওয়া হবে।
শান্ত হও। পুনর্বিচারে তোমাকে বিশেষাধিকার দেওয়া হবে।
জুলেমার বিরুদ্ধে খুনের তদন্ত শুরু করার জন্য তোমার সাক্ষ্য অপরিহার্য।
সেটা তো তুমি করবে, তাই না?
হ্যাঁ। তার বিরুদ্ধে আমি সাক্ষ্য দেবো।
মাফ করুন, অসুস্থ হয়ে পড়বো। এক্সকিউজ মি।
যেতে দাও। রাতটা ওকে শান্তিতে থাকতে দাও।
তবে কালকে ওকে একা ছাড়বে না।
গভর্নর, জানি আপনি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন...
পালোমার মৃত্যুতে। ব্যাপারটা...
সবার জন্যই বেশ কঠিন।
তার উপর আপনার ডিভোর্স। সাহায্যার্থে আমি কিছু করতে পারলে,
প্লিজ, আমাকে জানাবেন।
কৃতজ্ঞতা, ভালবুয়েনা।
আমার মনে হয় বিচ্ছেদ উন্নতির ক্ষেত্রে একটি সুযোগ হতে পারে।
ধন্যবাদ।
এটা পালাসিওসের কাছ থেকে চুরি করেছি গতকাল। কী করবো?
- হ্যালো। - হ্যালো।
হাই, আমি এই ফোনের মালিক।
হ্যালো, হ্যাঁ। আপনার কলের অপেক্ষায় ছিলাম।
এটা বাসে পেয়েছি। ১২২ নাম্বার।
ওই বাস ধরেই কাজে আসি। ওখানেই নিশ্চয়ই হারিয়েছি।
এটা ফেরত দেওয়ার জন্য কালকে দেখা করতে পারি।
হ্যাঁ, প্লিজ।
অশেষ কৃতজ্ঞতা... কোথায় দেখা করবো আমরা?
উমম...
সোটিলো ট্রেন স্টেশনে।
ট্যাপ আকৃতির স্ট্যাচু নিয়ে একটা মোড় আছে।
হ্যাঁ। কোন জায়গার কথা বলছেন জানি, অশেষ কৃতজ্ঞতা।
- আমার নাম অ্যান্টোনিও। - আমার আসুন।
আলাপ করে ভালো লাগলো। আমার বর্ণনা দিচ্ছি, এতে চিনতে পারবে।
হ্যাঁ, অবশ্যই।
বেশ, আমি কালো। সুঠাম দেহী।
- আর চশমা পরি। - আচ্ছা।
আমি...
আমি... ব্লন্ড,
স্লিম...
আর খুব আকর্ষণীয়।
আচ্ছা বেশ, কাল দেখা হবে তাহলে।
- ওকে, কাল দেখা হবে। - আমাকে অ্যান্টোনিও ডাকো।
ওকে, অ্যান্টোনিও। কাল দেখা হবে।
কাল দেখা হবে, আসুন।
প্রভু, ইয়োলান্ডাকে ওখানে ততটা খুশি থাকতে দিন...
যতটা এখানে ছিল। ওকে বলুন আমি ওকে খুব মিস করছি।
"কিন্তু আমি এখন লন্ডনে থাকি।
"আর তুমি?"
আর তুমি?
আর তুমি?
আর তুমি?
আর তুমি?
কী দেখছো? আমাকে কিছু বলার আছে?
প্রথম লেসবিয়ান অভিজ্ঞতা হয়েছে, হয়তো?
না, মোটেই না।
দাপাদাপি পছন্দ করো বোধহয়, তাই না?
হ্যাঁ, আমার সব সম্পর্ক পুরুষের সাথে ছিল।
কিছু কয়েদি তোমার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছে, আর তাদের কেউ কেউ...
খুবই আগ্রহী।
আনাবেল ওর ফষ্টিনষ্টি আর কুটনিগিরির জন্য নিশ্চিত স্বর্গে যাবে।
ঈশ্বর ওকে ক্ষমা করুক!
"আমি একটা বড়ো ফ্ল্যাটে থাকি।
"আমার একজন ফ্ল্যাটমেট দরকার।
"এসে দেখে যাও।
"এটা আমার নাম্বার।"
আনাবেল...
হোয়াট?
আমার কিছু চুরি গেছে। যা লুকিয়ে রেখেছিলাম।
কে নিয়েছে দেখতে সিকিউরিটি ক্যামেরা চেক করতে পারবো?
কী চুরি গেছে?
- ফোন। - কোথায় ছিল?
গ্রিনহাউজে।
কোনো ওয়ার্ডেনকে লাগাতে হবে তোমার,
তাও বেশ কয়েকবার,
কারণ ঘন্টার পর ঘন্টার ফুটেজ দেখতে চাইলে তোমাকে খুব ভালো হতে হবে।
মানে খুবই ভালো। ডিপ থ্রোটও দিতে হবে।
বাদ দাও। পে ফোনই ব্যবহার করবো।
আমার হেরোইন হাতছাড়া করার ২,৬০০ ইউরো না দিয়ে
মোবাইল কিনছো?
তোমাকে আমার বন্ধু ভেবেছিলাম, তাই সময় দিয়েছিলাম ফেরত দেওয়ার জন্য।
বিনিময়ে, আমাকে মিথ্যা বলে অন্য কয়েদির কাছ থেকে ফোন কিনেছো।
বেশ।
আমার টাকা চাই।
২৪ ঘন্টার মধ্যে দিবে নয়তো খুব খারাপ হবে।
- এখনো এখানে আছো? - হ্যাঁ।
- কী হয়েছে, লিওপোলদো? - কিছু হয়নি।
তোমার ব্লাড প্রেশার দেখি তো। অনেক হাই।
- অ্যাম্বুলেন্স ডাকছি। - না, কাউকে ডাকছো না!
আসো, বাবা।
তোমরা এখানে কী করছো?
- বাবা অসুস্থ। - আমি অসুস্থ না!
আমি অসুস্থ না! আমি চিন্তিত।
জেলে থাকা যেকোনো মেয়ের বাবা ঠিক যেমনটা হবে।
লিওপোলদো, আমাদের মেয়ে নির্দোষ।
- ঠিক হয়ে যাবে। - না হলে?
ও সাত বছর জেলে কাটালে?
জেল কখনো ভালো মানুষ বানায় না, এনকারনা।
জেল মানুষকে খারাপ বানায়। সেখানে সাত বছর থাকলে
- জীবন একদম শেষ। - বাবা, প্লিজ।
আচ্ছা। হ্যাঁ, ঠিক আছে।
বাবা।
শান্ত থাকা যাক।
দেখি আমরা কী করতে পারি।
আসো।
দেরি করেছো!
সহজ হবে না
এমন কোনো জেল নেই...
যেখানে তোকে হাতে পাবো না, শালী বেইমান
আমার কয়টা হার্ট অ্যাটাক হয়েছে জানো?
তিন।
তাই তিনবার মরেছিলাম।
পৃথিবীর সবচেয়ে আনন্দদায়ক অনুভূতি এটা।
অন্য মৃত ব্যক্তিদের কথা জানি না, কিন্তু আমি উড়ে যাই...
আমার শৈশবের দিকে, বাড়ি ফিরে যাই,
ছোটাছুটি করি সৈকতে, সুন্দর ও সাদা বালিতে....
আর একটু একটু করে চোখে নামে ঘুম।
শরীর মরে যায়, কিন্তু মস্তিষ্ক...
No comments yet. Be the first to leave one.