Die ersten 200 Zeilen.
আইসোলেশন
নিউ ইয়র্ক
এই শহরের বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে
হৈচৈ আর কোলাহল,
কিন্তু এখন প্রথমবারের মত
রাস্তাঘাটে শুধু পাখির ডাক শুনতে পাচ্ছি
আর এখনও বসন্ত আসেনি
সামাজিক দূরত্বের নির্দেশিকা
ব্রিজ
মনে হচ্ছিল আমি আমার অতীতকে পিছনে ফেলে চলে যাচ্ছি।
সে শহর ছেড়ে চলে যাচ্ছি যেখানে আমি যেখানে বড় হয়েছি
আর বিয়ে করেছি আর একটা বাচ্চা বড় করেছি
রওনা হচ্ছি নতুন বাস্তবতার উদ্দেশ্যে
বাইরে গেলে আপনার মুখ ঢেকে রাখুন
আমি জানতাম আমাদের শহর ছেড়ে যেতে হবে
আমরা ভাগ্যবান যে আমরা যাবার একটা জায়গা পেয়েছিলাম
স্যাম আর কারেন, তারা যাবার জন্য প্রস্তুত ছিল না
কিন্তু আমি জানতাম এখন সময় হয়েছে
২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে
দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে
জ্বর সারতে দশ দিন সময় লাগবে
এই সংখ্যাগুলো কে নির্ধারণ করে?
আমি আমার মনে বারবার এই প্রশ্নটা আসছিল
আমি কিভাবে এতে আক্রান্ত হলাম?
আমি কিভাবে ভুল করে বসলাম?
যেন খেলার কোন একটা চাল ভুল দিয়ে ফেলেছি
আমি কারেন আর স্যামকে বলতে চাইনি।
পরাজয় স্বীকার করার মতো ফিল হচ্ছিল
মনে হচ্ছিল আমি শেষ হয়ে গেছি
এটা আমাকে পেয়ে বসেছিল
আমার খুব একা লাগছিল
লজ্জিত বোধ করছিলাম
আমার পৃথিবী ক্রমশ ছোট হয়ে আসছিল
একসময় পুরো শহর, তারপর আমার বাড়ি
এখন শুধুই বেডরুম
কিন্তু বহু গল্পের মধ্যে আমার একটাই গল্প ছিল
আমার আইসোলেশনে
আমি শহরের লোকদের সংগ্রাম সম্পর্কে ভাবতাম
রোগটার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণ করার ব্যাপারে
কতজন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে?
আমরা সবাই এখন একা।
এটা দ্রুত এসেছিল আমার জীবনে
কুয়াশার মতো আমার মন দখল করে নিচ্ছিলো
আমার শরীর ভিতর থেকে গরম করে ফেলছিল
আমার শ্বাসরোধ করছিল আর আমাকে পিষ্ট করে ফেলছিল
আমি খুব দুর্বল হয়ে গিয়েছিলাম, যেন আমি আবার একটা শিশু হয়ে গিয়েছি
সময় যেন তার অর্থ হারিয়ে ফেলেছে
কয়েক দিন পার হয়েছে নাকি কয়েক সপ্তাহ, নাকি মাত্র কয়েক মিনিট?
এই মুহূর্ত পর্যন্ত মনে হয়েছিল আমার পুরো জীবনটা
যেন একটা ক্ষণস্থায়ী স্বপ্ন ছিল,
আর এখন মনে হচ্ছে আমি একটা দুঃস্বপ্নে জেগে ছিলাম
আমাকে ওদের থামাতে হতো।
হয়তো আমি ওদের রক্ষা করতে চেয়েছিলাম।
তখনই বুঝলাম আমাকে কি করতে হবে
যাতে তারা সংক্রমিত না হয়
পুরো পৃথিবী যেন উল্টে গেল,
পৃথিবীর সবকিছু আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল
সব ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল। কোনকিছুই জায়গামত থাকছিল না।
তারা বলে সবচেয়ে অন্ধকার সময়টা হয় ভোরের আগে,
আর সেই জ্বর আমাকে সেখানে নিয়ে গেল যেন পুরো শহর
ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে, কিন্তু যদি তুমি ভাগ্যবান হও,
তুমি আলো খুঁজে পেতে পারো
কখনও কখনও এটা জাস্ট একটা রিমাইন্ডার
তুমি যে একা নও এটাই যথেষ্ট,
আর আমার জন্য,
একটা গান নিয়ে পড়ে থাকাই যথেষ্ট
আর এটাই ঠিক আছে
স্যান ডিয়েগো
হ্যালো.
এইটা কোয়ারেন্টাইন বা
"লকডাউন" এর যততম দিনই হোক না কেন
কিছুদিন গৃহবন্দী অবস্থায় আছি,
আর এখানে আমার নতুন বেষ্ট ফ্রেন্ডকে ধন্যবাদ,
আমি আমার নিজের দরজার বাইরে ৫০ ফুট দূরত্বেও যেতে পারছি না
যদি না গেস্টাপোরা এসে আমার গোয়া মারে
আপনার একাউন্ট ব্লক করা হয়েছে
হ্যাঁ, এটা পুরাই ফ্যাসিবাদ, দোস্ত।
এটা আসলেই এরকম
আমি বলতে চাচ্ছি, এটা এমন নয় যে তারা আমাকে চিরতরে বন্ধ করে দিতে পারে, যদিও,
তুমি জান?
এটা সব বাইরে আছে.
মানুষ শুধু গডড্যাম বিন্দু সংযোগ আছে.
গ্রোসারি ষ্টোরে কাশি দেওয়ার জন্য স্যান ডিয়েগোতে একজন ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে
হ্যাঁ, আমি জানি, তাই না?
এই শোন.
আমি যেহেতু তোমাকে ফোনে পেয়েছি,
আমি ভাবছিলাম যে তুমি আমার ভিডিও পোস্ট করতে পারবে কিনা।
আমি জানি আমি একটু বেশিই আবদার করে ফেলছি
কিন্তু আমি মনে করি এটাই সবচেয়ে ভালো সময়
আমার গল্পটা বাইরে প্রকাশ করার
মানুষকে সত্যটা জানার সুযোগ দেওয়া উচিত
তাদের নিজেদের জন্যই, তাই না?
প্লিজ ভাই, আমার জন্য এটা করো
আমি গৃহবন্দী।
তোমার পেজে জাস্ট পোষ্ট করে দাও এটা!
কেন না?
ওহ, ভাই, আমারে উল্টাপাল্টা বুঝ দিও না
পাছে লোকে কি ভাববে এটা নিয়ে তুমি যদি সত্যিই এত উদ্বিগ্ন হও...
আচ্ছা বাদ দাও
না, তোর গুষ্টি চুদি
সেই কারণে,
আমি আসলে এ সম্পর্কে একটা গান লিখব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি
চুপ কর, ছাগল
শহর অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা যেহেতু অব্যাহতভাবে
বেড়ে চলেছে
আবারও নিউইয়র্ক সিটি হয়ে উঠেছে
ভাইরাসের জন্য একটা হটবেড,
যার ফলে অনেক নাগরিককে তাদের আপস্টেটের বাড়িতে পালিয়ে যেতে হচ্ছে
তুমি কিছুই জানো না।
আর তুমি জানলেও আমাদের বলবে না
ফাইভ জি টাওয়ার। গোটা সাউথল্যান্ড জুড়ে ওরা ছড়িয়ে আছে
কিন্তু সেটা নিয়ে কি তোমার উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত?
এখন ফ্লোরিডায় ভাইরাসটি রূপান্তরিত হয়েছে
মানুষের কৃতকর্মের কারণে আল্লাহ্র গযব পড়ছে
মহামারীর প্রথম শিকার ছিল স্বাধীনতা
তুমি সবচেয়ে বিপজ্জনক ভাইরাস বহন করছ
তা হচ্ছে সত্য
এটাই যা তুমি...
ওহ
স্বাধীনতা।
আমি জানি তুমি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো।
এবার দেখো
তোর গুষ্টি চুদি, শালার বড় ভাই.
তর গুষ্টি চুদি!
আউ
চ্যাড
কি একটা অবস্থা?
তুমি কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছ?
কে কথা বলছে?
এখানে নিচে, চ্যাড
নিচে কোথায়?
এখানে.
ওহ!
তুমি কে?
আমি কে সেটা গুরুত্বপূর্ণ না,
কিন্তু তুমি যে আমাকে শুনতে পাচ্ছো, এটাই আসল ব্যাপার
তুমি সিগন্যালকে ব্যাহত করেছ,
কিন্তু আমি জানি না আমাদের হাতে কতটা সময় আছে
তারা তোমাকে সংক্রমিত করার জন্য এখন তোমার দিকে এটা নিক্ষেপ করছে
এটা বন্ধ করার একটাই উপায় আছে
এটা বন্ধ করতে হবে...
আমরা অনেক চেষ্টা করেছি
তোমার সাথে যোগাযোগ করার,
কারণ তুমি সঠিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছিলে
তুমি কি উত্তরের জন্য প্রস্তুত?
আমার মাথায় নিশ্চয়ই খুব বাজেভাবে আঘাত লেগেছে।
চ্যাড, চ্যাড
আমি সত্যিই আশা করেছিলাম তুমি এটা অনেক গুরুত্ব সহকারে নিবে
হ্যাঁ, ঠিক আছে, আমি যদি পারতাম, সেটা করতাম
কিন্তু আমি পারছি না, কারণ এখানে কেউ নেই।
চ্যাড, আমার কথা শোনো
শোনো, চ্যাড
এটা খুব জরুরী
আমি তোমার কথা শুনতে পাচ্ছি না, কারণ আমি পাগল নই!
অবশ্যই না
যদিও তোমার পালস আর তাপমাত্রা অনেক বেড়েছে
তোমার কি ভালো লাগছে, চ্যাড?
না.
মানে হ্যাঁ.
না, আমি ভালো আছি।
ঠিক বলছ তো?
আসলে তুমি খুব অসুস্থ হয়ে যাচ্ছ,
তোমার ব্যাপারে ঠিক যেমনটা তারা চায়
আমি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি না।
এটা কোন প্লেগ না
এটাই তোমাকে তারা বিশ্বাস করাতে চায়
তুমি কি জানো?
তুমি যদি সত্যিই আসল ঘটনা সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে,
তাহলে কেন তুমি সবকিছু আমাকে খুলে বলছ না?
বলো, বলতে থাকো
হিসাব মেলানোর চেষ্টা করো, চ্যাড
যদি সত্যিই একটা কোন প্লেগ হয়?
যদি ফাইভ জি টাওয়ারগুলো আমাদের ডিএনএ ফ্রাই করে ভাইরাসটা উৎপাদন করে?
এটা পাগলামি
কেন তারা এটা করতে চাইবে?
খুব সহজ। দুর্বলদের বিদায় করে দেবার জন্য
আর অর্থনীতি ধ্বংস করে দেবার জন্য
যেহেতু সবাই লকডাউনে আছে
তাদের ঝেটিয়ে বিদায় করা অনেক সহজ হবে
আর তারপর জাদুর মত, একটা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে
আর সবাই এটা পেয়ে খুব খুশি হবে,
এর ভেতর আসলেই কি আছে তারা কেউ প্রশ্নও করবে না
এর ভিতর কি আছে?
নিয়ন্ত্রণের পরবর্তী ধাপ
মাইক্রোচিপ রিসিভার, যা সরাসরি ফাইভ জি সিগন্যালকে রিলে করতে পারবে
আমাদের মস্তিষ্কে আর আমাদের চিন্তাভাবনার প্রক্রিয়া
আমাদের কথা বলা, কাজকর্ম আর কেনাকাটা পর্যন্তও এটা নিয়ন্ত্রণ করবে
একবার সবগুলা অপ্রয়োজনীয়,
আকাইম্মা লোকজন সব দূর হয়ে গেলে...
যারা কিনা তোমার মত, চ্যাড
আমি আকাইম্মা না
তা ঠিক, মোটেও তুমি সেরকম না
তুমি এখনও নিজেকে বাঁচাতে পারো
হ্যাঁ, বুঝসি
আমি আর পারতেসি না
চ্যাড!
আমি তোমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছি, চ্যাড
আমি মানুষের জীবন বাঁচাতে তোমাকে সাহায্য করার চেষ্টা করছি
আমি জানি না.
হয়তো তুমি ঠিকই বলছ
No comments yet. Be the first to leave one.