Die ersten 200 Zeilen.
🎫 অনুবাদ ও সম্পাদনায় 🎫 শান্ত কুমার দাস
💮 💮 Extraordinary You (어쩌다 발견한 하루) 💮 💮 🔸 🔷 অসাধারণ তুমি 🔷 🔸
নেটফ্লিক্স ভার্সন : এপিসোড-০৮
আমি নিজেই আমার উত্তর তৈরি করবো।
তোমার সাথে।
হা-রু?
ডান-য়ো।
হেই, ডান-য়ো।
গেয়ং এইমাত্র বের হলো।
গেয়ং?
তুমি তো আমাকে মনে রেখেছো...
শুধুমাত্র গেয়ংয়ের বাগদত্তা হিসেবে যার হার্টের অসুখ আছে।
শুধু এটুকুই মনে রেখেছো আমার সম্পর্কে?
তোমার সম্পর্কে আর বেশি কিছু জানা উচিত কি?
না।
তোমার আর সেটা করতে হবে না।
আমি ভেবেছিলাম যে হা-রু আমাদের ক্লাসের সবচেয়ে সাদাসিধে ছেলে।
কোনো মজার ব্যাপার নয়। ওর স্ম্যাাশ সাকসেস রেট ৯৫.৯২%।
দেখে মনে হচ্ছিলো ও আর গেয়ংই হলো কোর্টের একমাত্র খেলোয়াড়।
- ঠিক বলেছো। - দারুণ খেলেছে ওরা।
-গেয়ং কি কখনো ক্লান্ত হয় না? - ঠিকই তো?
ডান-য়ো।
মনে হয় তোমার র্যাকেটটাতে নতুন করে টেপ করা দরকার।
থামো। আমি নিজেই করে নেবো।
ঠিক আছে। পরে দেখা হবে।
বন্ধুরা, চলো।
হেই, এবার তোমাকে আমি হারাবোই। একটা বাজি ধরা যাক।
আমার কথায় হাসছো নাকি?
এটাতো অনেক খারাপ।
এটা কি? তুমি শুধু ডান-য়োর পরিবারকে ব্যবহার করার জন্য ওকে পছন্দ করার নাটক করছো?
গেয়ং, তুমি তো একদম ডাস্টবিনের ময়লার থেকেও ঘৃণ্য।
তুমি কি জানো না যে স্টেজ আর শ্যাডো সম্পুর্ন আলাদা?
লেখক ওভাবেই ওটা এঁকে রেখেছেন। আমি না চাইলেও সেটা তো আমাকে করতে হবে।
জানি সেটা। কিন্তু ব্যাপারটা এতটা খারাপ হওয়া সত্ত্বেও আমি সাহায্য করতে পারছি না।
তুমি নিজের কাজ করো না।
ডান-য়ো যখন থেকে ওর আত্মসচেতনতা পেয়েছে, তখন থেকেই এসব বুঝতে পেরেছে।
কিন্তু নাম-জু তো আর বুঝতে পারে না। তোমাদের ক্রমাগত গল্প বদলানোর কারণে এখন ও ভুগছে।
আমি অলরেডি সেটা জানি এবং নাম-জুর জন্য আমার খারাপও লাগে। খুশি এবার?
তো তোমার কখনো গল্প বদলাতে ইচ্ছা করেনি?
তুমি কি সত্যিই তোমার চরিত্র নিয়ে খুশি যে নাকি বাগদত্তাকে পিছন থেকে ছুরি মারছে?
বেচারা ডান-য়ো।
আমি কখনো এগুলোকে গুরুত্ব দিইনি, কিন্তু...
সিক্রেট
কিন্তু অন্য একজনের জন্য এই গল্পটা পরিবর্তন করার ইচ্ছা হচ্ছে।
তো তোমার কখনো গল্প বদলাতে ইচ্ছা করেনি?
তুমি কি সত্যিই তোমার চরিত্র নিয়ে খুশি যে নাকি বাগদত্তাকে পিছন থেকে ছুরি মারছে?
হেই, এখনো তো লাঞ্চের সময় হয়নি।
আমি ভাবছিলাম ডান-য়ো কেন প্রায়ই এখানে আসে।
মানে? তুমি কি বোঝাতে চাইছো?
একি?
তুমি দেখছি অবাকও হওনি?
তো তুমি অলরেডি জানো যে আমার আত্মসচেতনতা এসেছে।
তোমাকে কি নামে ডাকা উচিত? চি মি-চেই?
নাকি তোমার সাথে আকস্মিকভাবে কথা বলবো...
যেমনটা দো-হোয়া করে?
আমি কখনোই চাই না তুমি তেমনটা করো।
আমাদের বন্ধু হওয়া উচিত। কারণ, আমরা আত্মসচেতন।
আত্মসচেতন না থাকা ঐ গর্দভগুলোর সাথে থাকা অনেক বিরক্তিকর।
হা-রুর সাথে যা হয়েছে সেটা সত্যিই চমকপ্রদ। আমার মনে হয় যে এই কমিক বইয়ের দুনিয়াটা...
বেশ মজার।
তুমি কি কিছু ভাবছো?
- না। - কাম অন। আমি বুঝতে পারি।
কি ভাবছো? আবার কি তোমার ঐ বন্ধুর কথা ভাবছো?
সেই মেয়েটা যে কোন একটা ছেলেকে দেখলে তার হৃদয়ে ঝড় বয়ে যায়?
- ও বলেছে ওর হার্ট নাকি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। - বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলতে কি বোঝাতে চাইছো?
আমি দেখতে পাচ্ছি যে তুমি ভালোবাসার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছো।
ঠিক আছে, বন্ধুরা। আমি ভেবে বলছি যে ও কার ভালোবাসার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে।
এটা তো একদম সহজ। তুমি শুধুমাত্র একজন ছেলের কথাই ভাবতে পারো।
সে আর কেউ নয়...
- গেয়ং! - গেয়ং!
- যাই আমি। - হেই, দাঁড়াও।
ঠিক আছে। এবার অন্যদেরকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে হবে।
সাথেই থাকুন।
এটা একবার দেখে নিতে পারো।
- হা-রু, আমি তোমার সম্পর্কে এতখানিই ভাবি। - হেই, সরো।
- হা-রু। - হা-রু?
হা-রু। তোমাকে এই সাদা গাউনটাতে দারুণ মানিয়েছে।
- হা-রু, আমাকে একটু এটা করতে সাহায্য করতে পারো? - না, ও পারবে না।
- ও তোমার মতো মেয়েকে পছন্দ করে না। - আমার মতো মেয়ে?
- ক্লাসের... - থামো।
- হারু তোমার মতো একটা মেয়েকে পছন্দ করে না। - ও একদম ঠিক বলেছে।
বন্ধুরা, এক্সপেরিমেন্ট টুলসগুলো এসে নিয়ে যাও।
আমি এটা নিজে নিজেই খুলতে পারি।
আমাকে তো বেহুদাই জ্বালাচ্ছো।
আমি জানি তোমার কিছু মনে থাকবে না, কিন্তু তাও কখনো এমনটা কোরোনা।
কি মনে থাকবে না আমার?
কখনো আমাকে ভাবতে বাধ্য কোরো না যে তুমিই সেই হা-রু যাকে আমি চিনতাম।
এক মুহুর্তের জন্যও না।
প্লিজ... কখনো আমাকে বাধ্য কোরো না।
- তুমি কি আমার গ্রুপে? - না।
তাহলে এখানে কী কোরছো?
- কিছু না। - কিছু না?
- এটা কি তোমার চরিত্রের করার কথা? - আমার চরিত্র?
তাহলে বরং তুমিই ওর খেয়াল রাখো।
হা-রু! কার সাথে লাঞ্চ করবে?
আমাদের সাথে লাঞ্চ করবে?
আমার খাওয়ার প্রয়োজন নেই। আমি তো শুধু ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকবো...
হা-রু সত্যিই অনেক পপুলার।
- তাই নাকি? -হ্যা। কিন্তু ও আমার নাম-জুর মতো পপুলার না,
কিন্তু ও সত্যিই হ্যান্ডসাম। সকলের নজর ওর দিকে।
ও টেনিস ক্লাবে গেয়ং এর সাথে বন্ধুত্ব করেছে।
গেয়ং শুধু ওর সাথেই টেনিস খেলে কারণ একমাত্র ও-ই গেয়ংয়ের সমকক্ষ।
এটাও তো শোনা যাচ্ছে যে ওকে A3 এর নতুন সদস্য বানানো হবে।
আমার অজান্তেই?
একি? তোমাকে দেখে কেন মনে হচ্ছে যে তোমার মন ভেঙে গেছে?
- তাই নাকি? - হ্যা। দেখে মনে হচ্ছে যেন তোমার মন ভেঙে গেছে।
ব্যাপারটা কি?
ও হ্যান্ডসাম না বলো? আমি জানি ও হ্যান্ডসাম।
আমাকে যেতে হবে।
ডান-য়ো?
একটু তো সরো।
ও আমাকে নাম ধরে ডেকেছে, "এ-সাম"।
কিন্তু তুমি তো বলেছিলে তোমার নাম নাকি অনেক জঘন্য তাই নাকি বদলে ফেলবে।
কথা বোলো না।
- আমি সারাজীবন এই অনুভুতিটা কাছে রাখতে চাই। - কি?
আমি এইমাত্র সিদ্ধান্ত নিলাম যে আর গেয়ংয়ের উপর আমার ক্রাশ থাকবে না।
আমি জানি যে তুমি সবসময় আমাকে নিয়ে চিন্তায় ছিলে।
এখন থেকে, গেয়ং সম্পুর্ন তোমার।
হেই, বেশিদিন হয়নি তুমি গেয়ংয়ের উপর ক্রাশ খেয়েছো। এরমধ্যে বাদও দিয়ে দিলে?
জানো, হা-রু একদম সবুজ আঙুরের মতো।
এখন থেকে, আমি শুধুমাত্র হা-রু'কেই পছন্দ করবো।
- মানে? হা-রু'কে? - ও মা গো! ডান-য়ো, সমস্যা কি তোমার?
না। হা-রু'তো...
- হা-রু'তো... - কি ও?
তুমি গেয়ংয়ের ভালোভাবে খেয়াল রেখো। আমি হা-রু'র খেয়াল রাখবো।
চলো হা-রু'কে দেখতে যাই।
ধুর ছাই!
দেখতে পাচ্ছো না আমি লাইভ ব্রডকাস্টিং করছি? সবাই ভাববে তুমি একটা ভুত।
হেই, সু-চেওল। অনেক কমেন্ট এসেছে।
ওহ, শিন-হো! বেশ কিছুক্ষণ হলো লাইভে এসেছি।
আমাকে এত তাড়াতাড়ি ক্রেডিট দিচ্ছেন?
না!
না, ও সেটা বলতে চায় নি। আমি রিসিভ করতে প্রস্তুত আছি...
- হেই, উনি চলে গেছেন। - ডান-য়ো, সিরিয়াসলি!
ডান-য়ো, কোনো সমস্যা হয়েছে?
সাই-মি, আমার কি করা উচিত?
খেতে ভালো? বলেছিলাম তো সুস্বাদু কিছু খেলেই তোমার মন ভালো হয়ে যাবে।
গেয়ংয়ের কারণে এরকম করছো, তাই না?
যখন ভালোবাসার সময় আসে তখন কোনো কিছুই ঠিকমতো কাজ করে না। এটাই তো ভালোবাসার মজা।
নাম-জু আর আমার অবস্থাও ঠিক তোমাদের মতোই।
কিন্তু টুরু লাভ আর হ্যাপি এন্ডিংয়ের জন্য এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া সাধারণ ব্যাপার।
সুতরাং চিন্তা কোরো না। শেষপর্যন্ত গেয়ং তোমারই হবে।
তোমার দশ বছরের অপেক্ষাকে ও কখনো ইগনোর করতে পারবে না।
আমি তো জানিও না যে আমার কাছে আর কতটুকু সময় বেঁচে আছে।
দশ বছর? সেটা দিয়ে কি আর হবে?
এমনটা বোলো না। দশ বছর আমাদের বয়সের অর্ধেকের তুলনায় অনেক বেশি।
তাহলে কেন এটা দিয়ে কিছু হবে না?
হেই, ওদিকে দেখো।
আমার মনে হয় ও ওই মেয়েগুলোর থেকে অ্যাটেনশন পাওয়াটা এনজয় করে।
ও সেই একই হা-রু, কিন্তু আমার সম্পর্কে ওর কিছুই মনে নেই।
দেখছো ই-জিন ওর দিকে তাকিয়ে কিভাবে হাসছে?
কিন্তু আমার মনে হয় ওর থেকে এটা আমাদের শেখা উচিত। হেই, আমাকে কেমন দেখাচ্ছে?
আমিই ওকে নামটা দিলাম...
ডান-য়ো, তুমি এতটা মনমরা হযে আছো কেন? এমনটা তোমাকে মানায় না।
তুমি চাও আমি গিয়ে গেয়ংকে বকা দেই? ওকে আমার ঘুষির মজা বুঝিয়ে দিয়ে আসবো?
ঠিক আছে, আমি আর কখনো ওর কথা ভাববো না।
একজন সাধারণ অতিরিক্ত চরিত্র থেকে....
লেখকের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়া অতিরিক্ত চরিত্রে পরিণত হওয়া যে কতটা খারাপ তা কখনো বুঝতে পারবে না।
তোমাকে তো বলেছি একটা প্রমাণ যোগাড় করো।
ওর আর নাম-জুর একসাথে থাকার একটা ছবি চাই আমার।
আমি খুবই দুঃখিত।
দরকার নেই। তোমার সার্ভিসের জন্য ধন্যবাদ।
তোমরা এখানে যে কাজ করো তার সবকিছুর জন্যই ধন্যবাদ।
এরকমই কাজ করে যাও।
লেখকের নিয়ন্ত্রিত একটা অতিরিক্ত চরিত্র হওয়া....
সত্যিই অনেক জঘন্য।
হ্যালো।
হাই, জু-দা।
আমি তোমাকে নতুন জুতা পাঠিয়ে দেবো।
না থাক... আমি ঠিক আছি।
তুমি তো অলরেডি অনেক জিনিস নিয়েছোই। আরেকটা নিলে তেমন কিছু হবে না।
কোনো ব্যাপার না।
ওহ, আচ্ছা। শুনলাম তুমি আর ডান-য়ো নাকি খুবই ভালো বন্ধু।
গেয়ং খুব স্মার্ট। ও এরমধ্যেই ওর পারফেক্ট জীবনসঙ্গী খুঁজে নিয়েছে।
যদি নাম-জুরও কোনো গার্লফ্রেন্ড থাকতো তাহলে ভালোই হতো।
আচ্ছা, তুমি কি কাউকে চেনো যাকে ওর সাথে সেট-আপ করে দেয়া যায়?
হয়তো এমন কেউ...
যে নাম-জুর যোগ্য।
মামনি!
হাই, সাই-মি।
- ভালো আছো তুমি? - অবশ্যই।
সোনা, তুমি তো প্রতিনিয়ত আরো সুন্দর হয়ে উঠছো।
লোকে বলে যে, মেয়েরা যখন প্রেমে পড়ে তখন নাকি তারা আরো সুন্দর হয়ে ওঠে। তোমার কি কোনো বয়ফ্রেন্ড আছে?
আমি এখনও কাউকে খুঁজছি।
হয়তো সে তোমার ভাবনার থেকেও অনেক কাছেই আছে।
আমার বাড়িতে মাঝে মাঝে যেতে পারো না?
- অবশ্যই, আমি যাবো। - ঠিক আছে।
আরে, আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে। ঠিক আছে। আমার বাড়িতে তাহলে দেখা হচ্ছে, ঠিক আছে?
- ইয়েস, ম্যাম। - বিদায়।
- জু-দা। - হ্যা?
তোমার নতুন জুতা...
আজকেই তোমার কাছে পাঠিয়ে দেয়া হবে।
একজন সিউলি হাইস্কুলের স্টুডেন্টের নোংরা জুতো পড়া উচিত না।
মামনি, আমি তোমাকে এগিয়ে দিচ্ছি।
নাম-জু, তুমি ক্লাসে কখন আসছো? আমি কি তোমার কাছে আসবো?
না। তোমার মা আমাকে তোমাদের বাড়িতে নিমন্ত্রন করেছেন। তাই--
হ্যালো, হ্যালো ?
জু-দা, তুমি জানো এটার মানে কি?
ও জানবে কিভাবে? ও তো আর এক্সট্রা ক্লাস করে না।
ও যদি কখনো বিদেশেই না যেতে পারে তাহলে অন্য ভাষা শিখে কি লাভ?
No comments yet. Be the first to leave one.