Die ersten 200 Zeilen.
মাদক থেকে দূরে থাকুন, টাকার অপচয় রোধ করুন। কেননা আপনার জীবনের মূল্য না থাকলেও, টাকার মূল্য অনেক!!!
সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারদের সম্মিলিত ফেসবুক পরিবার "ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ"
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
Music Shahabaz Aman
- সুরেন্দ্রবাবু... - ওপরে আছেন।
ভাস্কর, সুরেন্দ্রবাবুর কাছে নিয়ে যা তো...
চলো...
আসেন।
এইযে উনি।
- নমস্কার। - নমস্কার। বসুন।
- আমি রামা রাই। - তো আপনিই কল করেছিলেন...
তা ফোনে তো কিছু বললেন না।
আমি মঙ্গলপুরাম থেকে এসেছি...
কাস্তুর্বা সেবা মন্দির নামের এতিমখানা থেকে...
এটা বৃদ্ধ আর অসুস্থদের জন্য, যাদের দেখাশোনার কেউ নেই।
আমরা দুইজন সেখানকার কর্মচারী।
আমরা জয়প্রকাশের সাথে দেখা করতে এসেছি।
- উনি আপনার পরিচিত... - ও... বুঝেছি।
কিছু মনে করবেন না... ও নিশ্চয়ই আপনাদের থেকে টাকা মেরে চম্পট দিয়েছে?
না! তাঁকে আমরা দেখিইনি কখনও। শুধু কিছু কথা বলব ওনার সাথে।
তাহলে ভালো।
ওনার ঠিকানাটা, আর ওনার সম্পর্কে কিছু ডিটেইল চাই।
কারণটা আপনাকে পরে বলব।
তাহলে কিছু ডিটেইল দেই ওর সম্পর্কে।
"কয়েকদিন আগে"
- জয়ভাই আছে? - আছে, তো?
ডাকবে একটু? একটু আর্জেন্ট কাজ আছে।
মা! ভাইয়া উঠছে?
একটা... না, দুইটা "আর্জেন্ট কাজ" আসছে!
গিয়ে ডাক ওকে। জানিসই তো ও কেমন!
না ডাকলে এক ঘুমেই দুই রাত কাটাবে!
প্রকাশ! বাবা ওঠ। উঠবি না বাবা?
সাবটাইটেল রূপান্তর ও সম্পাদনায় ফিহাদ আর-রহমান
- কী রে? - দুজন লোক দেখা করতে আসছে।
মালদার মনে হয়।
জমির দালাল মিঃ জয়প্রকাশের রেসিডেন্স এটা কিনা জিজ্ঞেস করতেছিল।
বাবা! তোর তো সোনায় সোহাগা!
- জয়প্রকাশের রেসিডেন্স? - মানে বাসস্থান... বাসা।
সেটা জানি আমি। কারা হতে পারে?...
- এখানে ডাকব? - সর।
কাজ হাসিল হলে আমার কমিশন দিতে ভুলিস না!
পারলে মুখটা আগে ধুয়ে নিস।
কাল রাতের কারসাজির সুগন্ধ কিন্তু লেগেই আছে।
জেপি ভাইয়া, পালালে কেন?
তোকে দেখে নিব!
মা, চা দাও...
- কী চাস তোরা? - নদীর ধারের প্লটটা বিক্রি হয়ে গেছে না?
মনে হয়। কেন?
রাইনিবাবু আর জয়ীদা ওইখানে আইসা পড়ছে।
এখনই কিছু মাল-কড়ি দিয়া দেন আমাগো।
রাইনিবাবুকে তো জানেনই।
এই কাজটায় জন্য ম্যালা খাটছি। জেপিভাই, জানেনই তো।
এটা আর এমন কী ব্যাপার?
শুধু তো এই জমি দেখানো আর ওই জমি দেখানোই তোদের কাজ।
এভাবেই অল্প-স্বল্প টাকা হাতাই, জেপিভাই।
এখানেও কিছু পাবো।
সক্কাল সক্কাল কী...
রাইনিবাবুকে ডেকে বলবো। তোরা যা।
তুমি ছাড়া ঘোড়ার ডিম হবে!
কী আপদ রে!
তোরা যা। আমি ওখানে যাচ্ছি।
আঠার মতো লেগে থাকে, এরকম লোককে বাড়িতে ডাকিস কেন?
আমি ডাকিনা। নিজেরাই উড়ে এসে জুড়ে বসে।
তুই তো মাথায় তুলে নাচিস!
আমার সোনা মা!
এসব কাজে চায়ের দোকানের মতিনকেও রাশিয়ার পুতিন ভাবতে হয়,...
...আর বারেক খানসামাকেও মনে করতে হয় বারাক ওবামা! তোমার মাথায় কি আছে কিছু?
- কীরে? রাইনিবাবুকে বলছিস? - আমরা কইলে কাজ হইবো না।
সর।
- ইরিঞ্জি ব্রিজটা কোথায়? - ওইখানে!
দাম পুরা আঠারো আনা! ওইদিকে নজর না দেওয়াই ভালো।
- রাইনিবাবু... এক মিনিট। - বল। - একটু এদিকে আসুন...
ওদেরকেও একটু কিছু দিতে হবে।
- কাদেরকে? - ওখানে যারা দাঁড়িয়ে আছে।
কারা ওরা?
এই জায়গাটার খোঁজ ওরাই দিয়েছিল।
তোরা দুইজনই তো আমাগোরে জায়গাটার খোঁজ দিছিলি না?
ওরাই আমাদেরকে খুঁজে দিয়েছিল।
এইদিকে আয় তো। তুই এহনও দুনিয়াটারে চিনোস নাই!
এইরকম আরও ম্যালা লোক থাকবে। ভাত ছড়াইলে কাকের অভাব হয়না। তার মধ্যে কতজনের পকেট ভরামু?
রাইনিভাই, কী সমস্যা?
এরা দুজন ব্যবসা করতেছে, এদের আবার দুজন অ্যাসিস্ট্যান্টও আছে!
ওদেরও চাই কমিশন! কী ঝামেলা!
তুমি আর হামিদ যেটা পাবে, সেটা থেকেই ওদেরকে দেওয়া লাগবে।
এসব আজাইরা ব্যাপার নিয়ে আর এসো না এখানে।
আসুন রাইনিবাবু।
অন্যদেরকে আহার দিসনা, যখন নিজেরাই অনাহারে থাকিস... তুইও।
কাল নদীতে আসিস।
আমরা কিছু পেলে তা থেকে তোরাও কিছু পাবি।
- এখন যা। - আসি তাহলে।
আর কতদিন দৌঁড়াব এই রাইনি আর জয়ীর পিছে?
দালালদের ম্যানেজ করা যায়, কিন্তু এই খাবিস লোকগুলোই যত্তসব।
যদি কেউ জিজ্ঞেস করে, আমরা বলি আমরা দালাল, ওরাও দালাল।
জানিস ওরা একমাসে কত টাকা কামায়?
- কত? - দেড় কোটি টাকা!
আমাদেরকেও এদের মতো কিছু একটা খেল দেখাতেই হবে।
হায় ভগবান! উনি আবার এখানে।
- ভাসুমামা! - এই প্রকাশ!
আমি কিছু করতে বললে তো তুই কানেই তুলিসনা।
- কী ভাসুমামা? - তো তুই জানিসই না?
বীনার জন্য পাত্র খুঁজতে বলেছিলাম কতদিন আগে।
ওই ছেমড়ি তো গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
আমি ভুলিনি। দেখছি...
মেয়ে ডাক্তার বললে কাজ হয়না।
- পাত্রকেও তো ডাক্তার হওয়া লাগবে না অন্তত? - সেরকম নাা। বিজনেসম্যান হলেও চলবে।
ব্যবসায়ীদেরই টাকার গাছ থাকে আজকাল।
তুইও তো জমির ব্যাপারী।
বলো ওকে কমিশন দিব। তাহলেই গা লাগাবে।
ও তো পর নয় আমাদের।
ওর মা আমার দিদির মতো ছিল।
- আমি ওকে কোনো টাকা দিলে ও নিবে? - নাচতে নাচতে নিবে।
এটাই তো ওর পেশা।
ওর জন্য আমিই পাত্র আনব।
রিয়েল এস্টেটে আমার জানা-শুনা কয়েকজন ভালো ছেলে আছে।
তাদের মধ্যেই কারও বদৌলতে খুব তাড়াতাড়ি কোটিপতি হওয়ার চান্স আছে আমার!
কোটিপতি তাড়াতাড়ি? কী করে?
এটাই মামা, এই ফিল্ডের বিশেষত্ব।
- চোখের পলকে কোটিপতি... - ফকিরও হতে পারে!
মা তোমাকে খুঁজছে। প্যাচাল পারা বাদ দিয়ে তার কাছে যাও।
আচ্ছা! আমি মামীর সাথে দেখা করে আসি...
তোমার জন্য পাত্র খুঁজলে আমাকে কমিশন দিবে?
তাহলে আর কী করব?
কোটিপতি কোনো বর পেলে আমি চুপ করে থাকব নাকি? বিয়ে করব না মনে করেছ?
বিয়ে করবে? এখন আমি কিছু করব। দেখবে?
কী রে?
লুকিয়ে লুকিয়ে তোদের ইটিশ-ফিটিশ এতদূর এসেছে যে এখন এটাকে বাড়ির ভেতর পর্যন্ত নিয়ে এসেছিস?!
রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে একটু বাড়ির ভেতরে উঁকি মারছিলাম আরকি...
তা সেই রাস্তাটা কি বাড়ির ভেতর দিয়ে?
আমাকে বড়ভাইয়ের মতো কাজ করতে বাধ্য করিস না।
তুমিই একমাত্র লোক যে আমার পক্ষে ছিল।
- তুমিও পার্টি বদলে ফেললে? - আমি ছাড়াও এর আরও দুই ভাই আছে।
একজন ডাক্তার, আরেকজন ইঞ্জিনিয়ার!
তুমি এই দুইটার একটাও না। তুমি বাজারে ধানের ব্যাপারী।
একজন জমির দালাল তোমার দুলাভাই হলে তুমি সাপোর্ট করবে না সুরেন্দ্রদা?
ধানের ব্যবসায় ঢোকার আগে আমি গুরুভয়ারাপান কলেজ থেকে বি.কম গ্রাজুয়েট ছিলাম।
- আর তুই? - ক্লাস নাইন পাস!
মেট্রিক ফেল বলার চেয়ে এটা বলা ভালো না?
- কে এসেছে? - কী মামী? - প্রকাশ?
কতদিন আগে বলেছিলাম আমাকে একটা বাছুর এনে দিতে...
আগে বলো কমিশন কত দিবে?
বাছুরের সঙ্গে বাঁধার দড়িও ফ্রি পাবে তাহলে!
ও আমার থেকে কমিশন নিবে না। ওর মায়ের মতো না আমি?
মা, চা নিয়ে এসো।
- ভাত খাবিনা তুই? - খেতে তো হবেই।
জমির দালাল... বিয়ের দালাল... আর এখন বাছুরের দালাল!
একটা জরুরি কথা বলব। বাহিরে বেড়োবে একটু?
আচ্ছা। তুমি যাও, আমি আসছি।
টাকা চেয়ো না কিন্তু। এ মাসে হাত খালি আমার।
চিন্তা কোরো না, টাকা চাইব না। দেরি কোরো না।
রয়চানের হোটেল বন্ধ আজ, না? দলবল নিয়ে অর্কেস্ট্রা বাজাচ্ছে!
- কী জেপি! কয়েকদিন দেখা যায়নাই তোমাকে... - অনেক ঝামেলায় আছি ভাই।
ম্যালা দিন হইছে তোমার গান শুনিনাই।
গান গাওয়ার কি সময় আছে? দৌঁড়ের উপর আছি!
- সেই গানটা গাইবে নাকি? - গলা তো বাঁশের মতো হয়ে আছে।
- দুই লাইন মাত্র... - ভগবান! মাইকটা দাও।
Oh! My lover! Your thoughts!
This river, twilights, and
...blue eye lids
With the feathers spread in the memories
...and have come running
Oh! My lover! Your thoughts!
This river, twilights, and
...blue eye lids
in the memories...
আর না। বীনা এসেছে, জরুরি বৈঠক আছে।
শুধু এই গানটাই জানো নাকি? সবসময় এইটাই গেয়ে বেড়াও!
হাজার হাজার গান জেনে কি আমি গানের স্কুল খুলবো?
মানুষের একটাই গান জেনে সেটাই ভালো করে গাইতে জানা উচিত।
ডাক্তারদের তো কোনো উৎসাহই নেই সঙ্গীতে। গান গাইতে পারে এমন একটাও ডাক্তার কেরালাতে আছে?
- আছে! ড. কে জে যেসুদাস। - এমবিবিএসদের কথা বলছি।
- উনি এমবিবিএস না? - না! তিনি সিদ্ধ বৈদ্য।... ছাড়ো তো তুমি!
এতো জরুরি কী দরকার পড়েছে?
বলেইছি তো তোমাকে।
- ডঃ শীলা কশির কফির বাগান, ভিরাজ পেত্তাইতে... - সেই পার্টিটার কী হলো?
যখনই ডাকি তখনই বলি।
আমরা চেষ্টা তো করছি। কিন্তু লোকগুলো কেন জানি সন্দেহ করে।
তোমরা যে জোচ্চর, সেটা সবাই জানে!
তা আমি কী করব?
জমিটা বেচার দায়িত্ব আমাদের উপর পরেছে- ম্যাডামকে সেটা লিখে একটা সই করে দিতে হবে...
তাহলেই পার্টি আমাদের বিশ্বাস করবে।
তাহলে অন্য কোনো দালালের খপ্পরে পরা লাগবে না।
আমি কথা বলে দেখি। তাঁকে তো ম্যানেজার আর উকিলের সাথে আলোচনা করতে হবে।
আগেই বলেছি...
স্বামীর হঠাৎ মৃত্যু! বাচ্চা-কাচ্চা নেই!
এইজন্যই এই সম্পত্তি বেচে ব্যাঙ্গালোরে সেটেল হতে চাচ্ছেন।
তুমি তো এইসব কারবার জানোই। মালিক যদি আজ বিক্রি করতে চায়...
...দালালেরা একদিন আগেই সেটা বিক্রি করে বসে থাকে।
ওকে! এইকাজে আমার কী লাভ?
একটা... মস্ত অংক... কমিয়ে দিব তোমার যৌতুক থেকে!
বদমাইশ!
ডঃ কে জে যেসুদাস (Kattassery Joseph Yesudas) অনেক বড় একজন সঙ্গীতশিল্পী। ভারতের প্রায় সবকয়টা ভাষা ছাড়াও রুশ, আরবি, ল্যাটিন, ইংরেজি মিলিয়ে ৫০,০০০এরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন তিনি!
- হ্যালো, এটা কেটিসি ফিল্ম? - এইটা এহন আর কেটিসি ফিল্ম নাই।
এখন এইটা রিয়েল এস্টেট।
এস্টেট? কীসের এস্টেট?
এস্টেট মানে হইলো গিয়া জমি কেনা-বেচা।
জেপি এন্ড সিএইচ রিয়েল এস্টেট গ্রুপ
কেটিসি ফিল্ম তল্পিতল্পা গুটাইয়া চইলা গেছে।
আর সেটার মালিক চান্দু কুটি উইড়া গেছে।
ফোনটা রাখেন ভাই।
- দাদা! চা! - তিনটা দেন।
No comments yet. Be the first to leave one.