Die ersten 200 Zeilen.
অনুবাদেঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
মা, এখানে!
- বং পাল! - মা!
সোনা!
মা।
বং পাল।
তোমার বন্ধুদের সাথে কখনো খেলো না কেন?
সবসময় একা একা খেলো।
চলো।
দেখো।
বন্ধুদের সাথে খেলা করা কত্ত মজার।
অপু, দশ, বিশ...!
ত্রিশ, চল্লিশ, পঞ্চাশ...
ষাট, সত্তর, আশি...
নব্বই, একশ!
আমার ভুল হয়ে গেছে! আমাকে ক্ষমা করবেন ম্যাম!
আমাকে মাফ করবেন! আমি দুঃখিত!
আমাকে মাফ করবেন! আমি দুঃখিত!
আমার ভুল হয়ে গেছে! ক্ষমা করবেন ম্যাম! আমাকে ক্ষমা করবেন।
সারারাত কোথায় ছিল? এতক্ষণে আসছে কেন?
এতক্ষণ কীসে লাগলো? জানো কতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি?
এখানে কী করছ? আমার ঠিকানা জানলে কী করে?
তুমি কি ভুলে গেছ? আমি একটা ভূত।
তো এখানে এসেছ কেন?
একটা জিনিস নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তো একটু চুপ করে দাঁড়াও, ঠিক আছে?
- কী করছ তুমি? - এক সেকেন্ডের জন্য চুপ থাকো, আচ্ছা?
- আমার ইজ্জত নিয়ে ছিনিমিনি খেলার সাহস হয় কীভাবে! - ঐ!
- কী? - আমার একটা জিনিস চেক করা দরকার।
তুমি তো অসভ্যের মতো কথা বলছো।
তুমি আমার থেকে ছোট।
আমাকে ইয়াং (অল্পবয়স্ক) ভাবার জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু আমার মরা ৫ বছর হয়ে গেছে।
তুমি সবে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আমি তোমার থেকে বড়।
তুমি আমার থেকে বয়সে বড়?
বাদ দাও। তোমার সাথে কথাই বা বলছি কেন?
আমি ক্লান্ত। যাও এখন।
এত বিরক্তিকর!
আহ, ভুলে গেছি।
কী হলো?
টা ডা।
তোমাকে ভেতরে যাওয়ার অনুমতি কে দিয়েছে?
তুমি কি "ধন্যবাদ" জানাতে পারো না?
অনেক অনেক ধন্যবাদ। এখন যাও।
তোমাকে দেখে মনে হয় না তুমি এত গোছালো।
প্লিজ যাও। যাও।
তো আমার একটা উপকার করে দাও না।
এটা অত কঠিন না। তোমাকে ব্যস চোখটা বন্ধ করতে হবে।
ভুলে যাও। তুমিই প্রথম ভূত নও যে আমার কাছে এভাবে কাকুতি-মিনতি করছে।
জানি না তোমার উদ্দেশ্য কী, এর থেকে ভালো অন্য কাউকে খুঁজে নাও।
আমি কি তোমার সাথে কারো পরিচয় করিয়ে দিব?
আমার শুধু তোমাকে চাই।
আমাকে এই একবার সাহায্য করে দাও। প্লিজ? প্লিজ?
না! না! না!
তুমি ভূত নামে কলঙ্ক।
তুমি আমার ১০ মিলিয়ন উয়নও দাওনি।
আমার বিশ্বাস হচ্ছে না তুমি মাত্র ১০ মিলিয়ন উয়নের জন্য মন খারাপ করছ।
মাত্র... ১০ মিলিয়ন উয়ন মাত্র?
আমার ভূত ভাগানোর কবজটা কোথায় গেল?
এই যে।
নাও!
ওটা ছুঁবি না। ভেঙে গেলে আর ওয়ারেন্টি পাবো না।
আমরা সবকিছু হারিয়েছি, তাই সাবধান।
চল এটা সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যাই?
ছুন সাং! ছুন সাং, পেয়েছি! পেয়েছি!
ওয়াও! আমি ঠিক ছিলাম, না? সে একটা ভূতকে মেরেছে, তাই না?
- আমরা ভুল দেখিনি, ঠিক? - হতে পারে। আমি নিশ্চিত না।
আমি ঠিক ছিলাম! সেখানে ভূত ছিল।
- তুইও দেখেছিলি। - হ্যাঁ দেখেছিলাম।
এই ছেলে সত্যিই ভূত দেখতে পায়।
সে ভূতের মুখে জোরে একটা ঘুষি মেরেছিল।
আমাদের ছোট ভাই কোনো যদু মধু নয়!
কিন্তু সং ছুল, আমরাও তো ভূত দেখেছিলাম।
তোর কী হয়েছে বল তো? ঐটা সিলভার কোড ছিল!
সিলভার কোড?
যখন কোনো মানুষ খুবই আতংকিত হয়ে পড়ে, তখন ভূত দেখতে পায়।
ভূতের সাথে তোর এই সংযুক্তিকে সিলভার কোড বলে।
- ওহ সিলভার কোড! - তুই কি পড়ালিখা করিসনি?
তুই সত্যিই এই ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট?
হ্যাঁ।
ব্যাপার হলো, আমাদের ছোট ভাই সিলভার কোডের সাথে ভূত দেখেনি।
দেখ সে ভূতের দিকে তাকিয়ে আছে।
একারণেই সে ভূতটাকে পিটাতে পেরেছে!
সে খুবই ট্যালেন্টেড। তাকে আমার দরকার।
সে কি আমাদের কলেজে যায়?
তাড়াতাড়ি খুঁজ তাকে। আমরা তাকে হারাতে পারবো না। খুঁজ তাকে।
- পেয়ে গেছিস? - হ্যাঁ।
অর্থনীতির ২য় বর্ষের ছাত্র, পার্ক বং পাল।
- হ্যালো! - হাই।
তিনি কত্ত জোস। প্রত্যেক ছেলের তেমনই দেখতে হওয়া উচিত।
তুমি কী? স্কুইড?
তোমারও একটা কুকুর নেওয়া উচিত।
কী এগুলো? একা একা খাচ্ছো।
কুকুর না ছাই।
তুমি কত অসভ্য!
আমি এমনই।
আমার এগ রোল সেই লাগে!
যাও নিজের জন্য কিছু কিনো গা।
তুমি বারবার ভুলে যাচ্ছো কেন যে আমি একটা ভূত।
কীভাবে কিনব? আমি কিনতে পারব না!
ভূতেরা শুধু খেতে পারে যা তাদের দেওয়া হয়।
আগে কখনও শেষকৃত্য পালন করোনি?
এখন জানলে তুমি, আমাকে ঐ এগ রোল আর রাইস বলটা দাও।
হ্যাঁ অবশ্যই। এই নাও।
ওহ এটা এত্ত টেস্টি।
- তুমি আবার একা একা খাচ্ছো। - আহারে।
চলো আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের পরিচয় করিয়ে দিই।
আমি ছোই ছং সাং, শারীরিক শিক্ষায় একজন জুনিয়র।
আমি ছোই ছং সং...
আর এ হচ্ছে...
আমি কিম ইন রাং, কম্পিউটার সাইন্সে একজন জুনিয়র।
- তো? - তো...
কী বুঝাতে চাও "তো" দিয়ে?
ছোট ভাই, গত রাতের সেই আতঙ্ক থেকে আমরা বের হয়ে এসেছিলাম না?
আমরা দেখেছি। আমরা দেখেছি ভূতের সাথে তোমার সেই সাহসী যুদ্ধ!
তো...
কেমন হয় যদি আমরা এটা একসাথে করি?
চলো একসাথে লড়ি অশুভর বিরুদ্ধে!
আমি চাই না।
- সে খুব জেদি। - হ্যাঁ।
ওরে বাপরে কত ঠান্ডা!
- তুই তো ঘামছিস। - ঘামছি?
হ্যাঁ।
বাহ, অনেক ছাত্রছাত্রী তো।
আমার হাজিরায় ২২ জন ছাত্রছাত্রী আছে, কিন্তু ওয়েটলিস্টেরগুলোও দেখছি এখানে।
জ্বি।
আমার ক্লাস বোরিং হতে পারে। বেশি আশা রেখো না।
প্রথমে আমার পরিচয় দিই।
ব্যক্তিগত কারণবশত, প্রফেসর লি জি সং এই ক্লাস আর নিবেন না।
সুতরাং, সেমিস্টারের বাকি অংশ এই ক্লাসটা আমি নিব।
আমি জো হেই সং, এই কলেজের একজন ভেটেনারি প্রফেসর। তোমাদের সাথে আলাপ হয়ে ভালো লাগলো।
স্যার, কাল আপনি পুরো ফাটিয়ে দিয়েছেন।
আপনার হাত কেমন আছে? ব্যাথা পাননি তো?
হ্যাঁ, ঠিক আছি।
মনে হচ্ছে আমি একটু ফেমাস হয়ে গেছি। আমার তো লজ্জা লাগছে।
তবে ক্লাস শুরু করা যাক।
এই কোর্সে ভর্তিরত ছাত্রছাত্রীরা বিভ্রান্ত হতে পারে, তো বাকিরা রুম থেকে চলে যাও।
তোমাদের সাথে পরের সেমিস্টারে দেখা হবে।
২২ জন ছাত্রছাত্রী একটা ক্লাসের জন্য পারফেক্ট, কী বলো?
এখন আমি তোমাদের সবার নাম ডাকবো।
- নো হিয়ুন যু। - ইয়েস স্যার।
আলাপ হয়ে ভালো লাগলো।
- পার্ক বং পাল। - ইয়েস স্যার।
- ইম সেও হিয়ুন। - ইয়েস স্যার।
আলাপ হয়ে ভালো লাগলো।
জং শি আহ।
- ইয়েস স্যার। - ওকে পছন্দ করো?
হ্যাঁ, সুন্দর আছে।
তোমার ইম সেও হিয়ুনের মতো মেয়ে পছন্দ? সব পাতলা আর লুতুপুতু টাইপের।
প্লিজ যাও!
- তোমার কি কোথাও যাওয়ার নেই? - না, নেই।
সত্যিই আমার মাথাটা খারাপ করে দিলে!
এই যে ৩য় সারিতে।
পার্ক বং পাল।
- জ্বি? - কোনো সমস্যা?
না, আমি দুঃখিত।
তো কান্টিনিউ করা যাক।
না যিন সো।
আলাপ হয়ে ভালো লাগলো।
এক সপ্তাহে আমাদের র্যাংকিং অনেক পড়ে গেছে... ও মোর খোদা!
আমাদের র্যাংকিং অনেক নিচে নেমে গেছে! এই সাডুকো মালটা এত নেগেটিভ কমেন্ট করে কেন?
মনে হয় না আমরা মেইন্টেনেন্সের ফি শোধ করতে পারব।
আমরা এখন কী করব? জানিস ক্যামেরাটা কত দামি?
কেউ আছেন? আমি হাউজিং এজেন্সি থেকে এসেছি।
আমি জানি আপনারা ভেতরে আছেন। দয়া করে আগামী সপ্তাহের মধ্যে রুমটা খালি করে দিবেন।
যদি খালি না করেন আমরা অনুমিত ছাড়া ঢুকতে বাধ্য হব। বুঝা গেছে?
- তো এখন কী করব? - আমরা কী করতে পারি?
পার্ক বং পালকে যে ভাবেই হোক আমাদের দলে টানতে হবে।
তোর কি মনে হয় না এটা খুব কঠিন হবে?
দেখে তো মনে হয় সে তার ক্লাসমেটদের সাথেও সেইরকম ক্লোজ না।
তাকে কি সবাই একঘরে করে দিয়েছে?
আমার তো মনে হয় সে তার ক্লাসমেটদের একঘরে করে দিয়েছে।
এই নির্জন পৃথিবীর এক একাকী রক্ষক। সে আমাদের ক্লাবের সাথে একদম পারফেক্ট ফিট খাবে।
তার সাথে কাঁঠালের আঠার মতো লেগে থাকতে হবে আর তাকে বুঝাতে হবে যে সেই আমাদের রক্ষক।
সঙ্গে সঙ্গে কাজ হবে না তবে আমরা যদি হাল না ছাড়ি তবে সে আমাদের দলে এসে পড়বে।
যখন এমনটা ঘটবে...
টাকা আর খ্যাতি তখন আকাশ থেকে পড়বে।
আমাদের জনপ্রিয়তা শীর্ষে থাকবে।
আর তখন অনেক নতুন নতুন সদস্য আমাদের ক্লাবে যোগ দিবে।
- তাদের মধ্যে... - অনেক মেয়েও থাকবে।
- তারা কারেন্টের লাইন কেটে দিয়েছে। - কত অন্ধকার!
- প্রথম ক্লাসের জন্য এতটুকুই। - ধন্যবাদ।
প্রথম ক্লাস সবসময়ই কঠিন হয়।
শুনলাম এই ক্লাসে আমার একজন সহকারী আছে। কে সে?
আমি।
- ইম সেও হিয়ুন? - জ্বি।
আমার মনে হয় একজন হলে বেশি চাপ পড়ে যাবে।
কেউ কি তাকে সাহায্য করতে চাও?
এখানে।
পার্ক বং পাল?
তাহলে প্লিজ ইম সেও হিয়ুনের সাহায্য কোরো।
ঠিক আছে আগামী ক্লাসে আবার দেখা হবে।
ধন্যবাদ।
তুমিও অর্থনীতির ছাত্র, তাই না? ২য় বর্ষে আছ?
- জ্বি। - আমাকে খুব একটা চিনো না, তাই না?
- আমিও অর্থনীতিতে পড়ি। - সে তোমাকে ভালোমতোই চিনে!
আসলে ডিপার্টমেন্টের বিভিন্ন ইভেন্টে সেরকম উপস্থিত হই না তো তাই।
মিথ্যুক।
আমি ইম সেও হিয়ুন। সিনিয়র অর্থনীতিতে মেজর।
জ্বি, আলাপ হয়ে ভালো লাগলো।
আমি তোমার সাথে কাজ করার জন্য উদ্বিগ্ন।
No comments yet. Be the first to leave one.