Westworld

Westworld

Download Bengali Untertitel

Staffel 1

Release Info

ওয়েস্টওয়ার্ল্ড [টিভিরিপ] ১x০৫ বাংলা সাবটাইটেল - ফুয়াদ আনাস আহমেদ
ওয়েস্টওয়ার্ল্ড ১x০৫ বাংলা সাবটাইটেল অনুবাদে ফুয়াদ আনাস আহমেদ
ওয়েস্টওয়ার্ল্ড [ওয়েবরিপ] ১x০৫ বাংলা সাবটাইটেল - ফুয়াদ আনাস আহমেদ
Ein Kommentar von FuadAnasAhmed
ওয়েস্টওয়ার্ল্ড - এ পার্ক আর দশটা সাধারণ অ্যামিউজমেন্ট পার্কের মতো নয়। ছুটি কাঁটাতে আসা ধনীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এ পার্কের আকর্ষণ মানুষরূপী 'হোস্ট' রা। কৃত্রিম এ পার্কে মানুষ খুজে পায় অকৃত্রিম জীবনের স্বাদ। বাস্তবে রূপ দিতে পারে তার কল্পনাকে, তা যতো

Tags

other
Veröffentlicht am: 2018-04-27
Downloads: 117
Hörgeschädigt: No

Bengali Untertitel-Vorschau

Die ersten 200 Zeilen.

একটা গল্প বলবে নাকি, বন্ধু?

হ্যা, বলা যায়।

আমার দেখা সবচেয়ে দু:খজনক ব্যাপার কি জানো?

ছোটবেলায় একবার, আমি আর আমার মা একটা কুকুর পালতে চেয়েছিলাম।

তাই, বাবা একটা বড় গ্রে-হাউন্ড নিয়ে এলো।

তুমি তো কখনো গ্রে-হাউন্ড দেখোনি, তাই না, বিল?

এ জীবনে কত কিছুই তো দেখলাম।

গ্রে-হাউন্ড হলো রেসের কুকুর।

শিকার ধরার মেকি অনুভূতির পেছনে বৃত্তাকার রেসের মাঠে ছুটতে ছুটতেই এদের জীবন কেটে যায়।

তো, একদিন আমরা ওকে নিয়ে পার্কে যাই।

বাবা আগেই আমাদেরকে এ ব্যাপারটা বলেছিলেন।

তাও আমরা নিজেদের চোখে দেখার লোভ সামলাতে পারিনি।

তাই, আমার ভাই ওর বেল্ট টা খুলে দিল।

তখনই ওর নজর পড়ে...

একটা বিড়ালের ওপর।

সাথে সাথেই মাথায় চেপে বসলো শিকারের নেশা।

ও ছুটল।

শিকারের পেছনে একটা বৃদ্ধ কুকুরের ছুটে যাওয়ার দৃশ্য যে,

এতটা সুন্দর হতে পারে, কোনো ধারণাই ছিল না আমাদের।

একসময়, ও ঠিকই বিড়ালটাকে ধরে ফেলে।

কিন্তু, আসল ভয়ানক ঘটনা শুরু হলো তারপর।

ছোট্ট বিড়ালটাকে ও মেরে ফেললো।

ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করলো।

তারপর, টুকরো গুলো সামনে নিয়ে হতবাক হয়ে ও বসে থাকলো।

যে জিনিসটা পাবার আশায় জীবনভর সে ছুটে চলেছিল,

একসময় সেটা পাবার পর, তার আসলে কী করা উচিৎ...

সেটাই সে বুঝে উঠতে পারলো না।

বাহ... চমৎকার গল্প বললে, বন্ধু।

সাদা জুতোর পায়ে সুন্দরী সেই নারীর স্মরণে আরেকবার পান করা যাক?

খুঁজে বের করো আমায়।

আমায় পথ দেখান।

চলে এলাম।

পারিয়াহ্...

চোর, খুনি, পতিতা, অপরাধী আর নির্বাসিতদের শহর।

শহরে প্রবেশ করা মাত্রই,

আমাকে সহিহ্ সালামতে ফিরিয়ে আনায়

এল-লাজোর তরফ থেকে তোমার প্রাপ্য সম্মান বুঝে পাবে।

তুমি ঠিক আছো?

অবশ্যই।

আবারও, কিছু হয়েছে নাকি?

একটু আগে, মনে হলো, তুমি কারো সাথে কথা বলছো।

বাতাসের আওয়াজ হবে হয়তো।

এদিক দিয়ে আসুন।

সুইটওয়াটার থেকে যত দূরে যাবে,

ন্যারেটিভ গুলোর মাঝে তত বেশি...

রাজকীয়তার ছোঁয়া পেতে শুরু করবে।

মনে হচ্ছে, এর নিজস্ব সৌন্দর্য রয়েছে।

একদম, খাঁটি কথা।

পার্কের কিছু জায়গা দেখলে মনে হয়,

খুব যত্নের সাথে কৃত্রিমতায় গড়া।

কিন্তু, এখানে যা পাবে, সব একদম খাঁটি মাল।

কিন্তু, এগুলো এতোটা সস্তাও না।

গুজব আছে, এখানে নাকি পয়সা খসালে সব মেলে।

তাই, আমরা ওদের কিনে নিবো।

শুনেছি, পার্কটা পার্টনারশিপের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।

কিন্তু, পার্ক খোলার ঠিক কয়েকদিন আগে

একজন পার্টনার ঠিক এখানেই আত্মহত্যা করে।

এতে, পার্কের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

অবশ্য, অতো খুঁটিনাটি জানি না।

এমনকি ওর নামটাও জানি না।

উকিলদের দিয়ে আগে ভালোমতো ব্যাপারগুলো খুঁটিয়ে দেখতে হবে তাহলে।

দেখেছে, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।

সে পুরো ভোজবাজির মতো উবে গেছে। একটা ছবি পর্যন্ত নেই।

বোঝা গেলো, যারাই এ জায়গাটার ডিজাইন করেছে,

মানুষের অনুভূতি নিয়ে তারা অত বেশি ভাবে না।

ওরা কারা?

ওরা নিজেদেরকে "নিউ ভার্জিনিয়ার আর্মি" বলে।

কিন্তু, সবাই ডাকে "দ্য কনফেডেরাডোস" নামে।

বাবার কাছে ওদের কথা শুনেছিলাম।

যুদ্ধের পর যেসব কনফেডারেট সৈন্য আত্মসমর্পণ করে নি,

তারা এখন সীমান্তের কাছে ভাড়াটে সৈন্য হিসেবে কাজ করে।

- ওরাই এ খেলার আসল ঘুঁটি। - কোন খেলা?

আহা... এখানকার সবচেয়ে বড় খেলা... যুদ্ধ।

সম্ভবত, এটাই পার্কের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ।

আগে কখনো এতো দূর আসতে পারিনি, সুযোগটা তাই কাজে লাগাতে হবে।

আমি জীবনে অনেক অনেক...

ত্যাড়া পাবলিক দেখেছি।

কিন্তু, তোমার তুলনায় ওরা কিছুই না।

এই লোক? থিওডর ফ্লাড?

ও ছিল ওয়াইটের বন্ধু।

পুরনো ঐ সম্পর্কের কারণেই তো আমাদের কাছে, ও এত মূল্যবান।

ও-ই আমাকে সরাসরি রাঘব বোয়ালটার কাছে পৌঁছে দিতে পারবে।

মনে হয় না পারবে।

ওহ্...হো।

আগে কখনো তোমায় এতটা দয়ালু মনে হয়নি।

ওকে গাছেই মরার জন্য ফেলে আসলে ভালো হতো।

ভাগ্যে বিশ্বাস করো, লরেন্স?

ভাগ্য নামের হারামিটা যদি সত্যিই থাকতো,

তাহলে সবার আগে, ওর নাকে দিতাম একটা।

এভাবে বলো না।

আমার অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে।

যেমনটা আমার পুরনো এক বন্ধু বলতো,

"প্রতিটি মানুষের জন্যই একটা পথ আছে।"

তোমার পথই তোমাকে বারবার আমার কাছে ফিরিয়ে আনে।

কখনো ভেবে দেখেছো, পুরো সফরজুড়ে কেন তোমাকে আমার সাথে রাখলাম?

হারামি হলেও তুমি আমার সঙ্গ পছন্দ করো,

সেকারণেই হবে হয়তো।

মনে হয়।

এ দুনিয়ায় তুমি ছাড়া আর কেউই আমার সাথে...

ঐ সুরে কথা বলার দু:সাহস করবে না।

অতীত জন্মের স্মৃতির কারণেও হতে পারে।

টেডি, মনে হচ্ছে আর বেশিক্ষণ টিকবে না।

সবচেয়ে কাছের লোকালয় হলো পারিয়াহ্।

কিন্তু, ও-তো ততোক্ষণও টিকবে না।

প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে ওর।

আপনারা কি পথ হারিয়েছেন?

আমার এই বন্ধুটার অবস্থা খুব একটা সুবিধের না।

কাছাকাছি পানি পাওয়া যাবে, বাবু?

খাঁদের ওপারে পাওয়া যেতে পারে।

এনে দিতে পারবে?

একটু তাড়াতাড়ি কোরো।

না হলে, ও হয়তো আর বাঁচবে না।

যাও!

হবে না।

অনেক ছোট।

মানে কী এসবের?

ওকে পানি আনতে পাঠালে কেন?

সকালেই না আমাকে দিয়ে বড় ব্যাগে পানি ভরালে।

ব্যাপারটা আসলে লজ্জাজনক।

তোমার সাথে সবসময়ই আমার সময় দারুণ কাটে, লরেন্স।

কী বলছো? মানে কী এসবের?

মানেটা হলো, আমি ভুল করেছি।

আসলে, তোমাকে তোমার পথ আমার জন্য আনে নি।

এনেছে ওর জন্য।

সরি, লরেন্স।

হয়তো ওপারে আবার দেখা হবে।

পারবি না, দেখিস।

- আমার প্রায় শেষ। - বাদ দে, আমি জিতে গেছি।

আমি সবসময়ই জিতি।

ঠিক না এসব।

তুই তো শুধু থুঁতনি আর একটা কান ঠিক করলি।

আমার যে কত পরিশ্রম করা লেগেছে, সেটা তো বলবি না।

কী করেছিস তুই?

কয়েকটা বুলেটের ফুঁটা ঠিক করেছিস?

আর একটা ছুঁড়ির জখম।

অবস্থা তো বেশি সুবিধের ছিল না।

যেন কোনো হিংস্র প্রাণী চেপে বসেছিল।

মাথা ঠিক আছে তোর?

সত্যিই মনে হয়, এই খেলনাটা তোকে ধরতে আসবে?

- হাহ্? - এটা টেবিল থেকে উঠে দৌড় দিয়েছিল।

কারণ তুই ওকে স্লিপ মুডে দিতে ভুলে গিয়েছিলি।

নাহ, আমার তো মনে আছে, স্লিপ মুডে দিয়েছিলাম।

শোন, আসল সমস্যাটা ওখানেই।

তোর মনে হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তুই আসলে করতে ভুলে গিয়েছিলি।

- ব্রেক টাইম। - হ্যা!

আজকে হ্যাম স্যান্ডউইচ আর ভিআর ট্যাংকে

আমার নির্দেশের অপেক্ষায় বসে থাকা বিবাহযোগ্য

লালচুলো সুন্দরীটাকে দিয়েই লাঞ্চটা সারবো।

হ্যা।

ওয়েলকাম ব্যাক।

মনে হচ্ছে তোমার ভেতর কয়েক গ্যালন লরেন্স...

বেশ ভালোই কাজ করছে।

খেলায় ফিরতে তৈরি?

তারচেয়ে, দয়া করে, আমায় একটা গুলি মেরে দিলেই ভালো করতে।

কে বলল, আমি দয়ালু?

তোমার এ কষ্টের জন্য আমি দায়ী নই।

তোমায় তো আগে আরও সুন্দর লাগত।

যখন জায়গাটা নতুন চালু হয়,

তোমাদের একটাকে খুলে দেখেছিলাম।

লাখও নিখুঁত টুকরোর অপূর্ব সমন্বয় তোমরা।

কিন্তু, তারপর ওরা তোমাদের পাল্টে দিলো।

এমন দু:খি, রক্ত-মাংসে গড়া শরীর দিলো...

ঠিক আমাদের মতো।

বলল, এতে নাকি পার্কের অভিজ্ঞতা আরও চমৎকার হবে।

কিন্তু আসল কারণটা কী ছিল জানো?

এতে খরচ কম হয়...!

তাই, তোমরা অনেক সস্তা।

ঠিক, তোমাদের কষ্ট গুলোও।

জানিনা, কী চান,...

কিন্তু, দেখুন, আমি তেমন মূল্যবান কেউ নই।

তাহলে তো কিছুটা সমস্যাই হয়ে গেল, টেডি।

তোমার সাথে ঝামেলা বাঁধার পরেই,

ওয়াইট স্থানীয় এক পরিবারকে নৃশংসভাবে খুন করেছে।

ওদের সুন্দরী মেয়েটাকেও তুলে নিয়ে গেছে।

চিনবে হয়তো মেয়েটাকে...

নাম ডোলোরেস।

ডোলোরেসের গায়ে হাত দিয়েছে?

এই তো।

জাদু কাজ করেছে।

আরে, বাবু.. তুমি তো খুবই ভালো ছেলে।

ওকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করো না।

ওকে নিতে শীঘ্রই লোকজন চলে আসবে।

মা!

তুমি ঠিক আছো?

বাড়ি থেকে পালানোর সময়,

আমার বিশ্বাস ছিল, এটাই হয়তো একমাত্র পথ।

কিন্তু, তারপর, প্রতিমুহূর্তে মনে হতে লাগল, কে জানে, হয়তো আমার সামনে...

আরও অনেক পথ খোলা ছিল।

সবসময়ই... আমাদের সামনে নানান রকম সুযোগ ঘুরে বেড়ায়।

কোনোভাবে একবার সেটা বুঝে নিলে,

হয়তোবা চাইলে জীবনটাও পাল্টে নেয়া যায়।

জীবন পাল্টে যাক, এটাই চাও তুমি?

সবাই তো সেটাই চায়, তাই না?

তাই-ই তো মনে হয়।

হয়তো এজন্যই তারা এখানে আসে।

কারণ, এখানে তাদের অতীত সব পরিচয় অর্থহীন।

নেই কোনো বিধি-নিষেধ।

তাই, নিজেদের গল্পটা তারা নিজেদের হাতেই লিখে নেয়।

ঠিক যেমনটা তারা চায়।

কেউ কারো ভালো মন্দ বিচার করতে আসবে না।

Kommentare

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left