Die ersten 200 Zeilen.
দাদি!
কোথায় যাচ্ছো?
আমিও যাচ্ছি তোমার সাথে।
চলো, একসাথে যাই।
দাদি...
দাদি, চলো।
বাড়ি চলো, দাদি।
চলো।
One Fine Spring Day
অনুবাদ ও সম্পাদনা জিতু বিশ্বাস
এইযে... এইযে।
হ্যালো?
হ্যাঁ, হ্যালো?
হ্যাঁ, এদিকে তাকান। এইযে।
হ্যাঁ, আমিই ফোন দিয়েছি।
হ্যালো। আমি আরাম সাউন্ড স্টুডিও থেকে এসেছি।
আমি লি সাং-ঊ।
আমি হান ইউন- সু। দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
আমারও।
বেশ দেরি করে এসেছো, বুঝলে?
আমাকে শুনতে দিবে?
ম্যাম?
- কাজ শেষ? - হ্যাঁ।
অনেক তাড়াতাড়ি হয়ে গেলো।
- কয়েকটা প্রশ্ন করতে পারি? - অবশ্যই।
আপনার নাম কী?
ক্যাং হা-সুন।
ক্যাং...হা...সুন?
- বয়স কত আপনার? - ৭২।
এই বাঁশবনের পাশে কতদিন ধরে বাস করছেন?
৫২ বছর।
- বাঁশবনে বাতাস বয়ে যাওয়ার শব্দটা দারুণ লাগে। - জানি।
সবচেয়ে সুন্দর শব্দ কখন হয়?
যখন বরফ পড়ে এবং বাতাস বয়।
বাতাসে বাঁশগুলো যখন একে-অপরের সাথে ধাক্কা লাগে...
সেই শব্দটা খুবই ভালো লাগে।
বুঝেছি। ধন্যবাদ।
অনেক ক্ষিদে লেগেছে!
এক্ষুনি খাবার নিয়ে আসছি।
- আমরা বাইরে অপেক্ষা করছি। - আচ্ছা।
কতদিন ধরে শব্দ রেকর্ড করো?
প্রায় ৫ বছর।
তোমার কাজ খারাপ না।
আঙুল কেটে গেছে? আমাকে দেখতে দাও।
রক্ত বেরোচ্ছে।
এরকম করো... চেষ্টা করে দেখো।
- আমি ঠিক আছি। - না, এরকম করে দেখো।
উপরে, আরও উপরে। তোমার হৃদয়ের উপরে।
এটা কোথায় শিখলে?
দাদির কাছ থেকে।
তুমি তোমার দাদির সাথে থাকো?
দারুণ তো!
আজকাল ওনার শরীর ভালো নেই।
এসব কী? এরকম করে নাড়াও।
পেট ভরে খাও।
ধন্যবাদ, ম্যাম।
এতখানি পারবে তো?
পারবো না ভাবছো?
একটুও খাবার যেন ফেলা না যায়।
তার থেকে দূরে যাওয়ার পর,
মন দুঃখ-কষ্টে ভরে উঠেছিল।
মনে প্রশ্ন জাগতো...
আমি কি তাকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম?
মনের কথা কখনো তাকে বলিনি।
এটা তুমি, তাইনা?
প্রডিউসার হবার পাশাপাশি, এই ছোট্ট রেডিও স্টেশনে আরজে'র কাজও করি।
বিচ্ছেদের পরেই তারা বুঝতে পারলো, তারা একে-অপরকে কতটা ভালোবাসতো।
মনে হয় যেন, তারা একে-অপরের জন্যই সৃষ্ট।
না, আমি শুনতে চাই।
সাহস করে, একবার ফোন করেই ফেলো।
রিং...রিং
মনে হচ্ছে যেন এখনই তার কন্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছি।
প্রেম জড়ানো কন্ঠস্বর।
আপনারা শুনছেন হান ইউন-সু'র এফএম মিউজিক হল...
লজ্জাজনক অবস্থা।
লাইট জ্বালিয়ে দিতে পারবে?
ভিতরে এসো।
তৃতীয়টা বেশি ভালো শোনাচ্ছে।
আমার দ্বিতীয়টা বেশি ভালো লেগেছে।
তৃতীয়টা বেশি মৃদু শোনাচ্ছে কারণ...
যাইহোক, তৃতীয়টাই বেশি ভাল।
৫২ বছর ধরে বাঁশবনের পাশে বাস করার পর,
মিস ক্যাং বলেন, বাঁশঝাড়ের শব্দ তার মনকে শান্ত করে তোলে।
তার সব চিন্তাকে ভুলে থাকতেও সাহায্য করে।
আজকের "প্রকৃতি ও মানুষ" এ,
আমরা শুনবো,
বাঁশবনে বয়ে যাওয়া বাতাসের শব্দ।
প্রতিদিন রাত অব্দি কাজ করা নিশ্চয়ই অনেক কষ্টের।
তোমার পরিবার তোমাকে নিয়ে চিন্তা করে না?
আমার কথা ভাবার মত কেউ থাকলে ভালোই হতো!
বিয়ে কেন করছো না তাহলে?
সে চেষ্টা একবার করেছিলাম বটে।
জানো কিভাবে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ব্যাবহার করতে হয়?
সুরক্ষা পিন খুলে...
নলের মুখ আগুনের দিকে তাক করো...
আর হাতলটাকে শক্ত করে ধরো।
কফি বানানোর সময় ব্যাপারটা মাথায় আসলো।
তালি!
মা, ভালো গেয়েছি না?
এই, আগের থেকে ভালো গাই না এখন?
অনেক ধন্যবাদ, মা।
তুই কিছু দিবি না?
মা যেটা দিয়েছে, সেটাই যথেষ্ট।
তাছাড়া, টাকাটা আমিই ওনাকে দিয়েছিলাম।
তুই বাড়ি যাবি না?
তুই চাস আমি চলে যাই?
- থামাবিনা আমাকে। - আরে, আমি তো মজা করছিলাম।
দাদি, দাদা।
সাবধানে পাতা ওল্টা।
এটাতে দাদিকে অনেক সুন্দর লাগছে।
মা, মা, মা।
বাবা এই ট্রেইনটা চালাতো।
দাদিমা, এটা কে?
আমার স্বামী।
তাহলে এটা কে?
এই বুড়োটা আবার কে?
মা, এটা বাবা। বুঝেছো? বাবা।
যুবক বয়সে বাবা। বুড়ো বয়সে বাবা।
দাদিমা কী করছে?
ঘুমাচ্ছে।
মাসি...
দাদা আর দাদির মধ্যে কি...
ভালো সম্পর্ক ছিল?
অনেক ভালো সম্পর্ক ছিল।
তোর দাদা ওনার অনেক খেয়াল রাখতেন।
উনি মা'কে অনেক জামাকাপড়, কসমেটিক্স কিনে দিতেন।
অনেক ছবিও তুলে দিতেন মায়ের।
তাহলে দাদা পরকীয়া করতে গেলো কেন?
মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনা ঘটে যায়।
তাই নাকি?
সাং-ঊ...
মা বেঁচে থাকতেই তোর বিয়ে করে ফেলা উচিত।
আমি কিন্তু মজা করছি না।
হ্যালো।
হ্যাঁ?
না, আমি ঘুমাচ্ছিলাম।
ওহ, মিস হান।
হ্যাঁ।
সামনের সোমবার? আচ্ছা।
ওখানে বৃষ্টি হচ্ছে? এখানে আকাশ একদম পরিষ্কার।
আচ্ছা, শুভরাত্রি। রাখি।
আজকে একদম বাতাস নেই। রেকর্ড করা ঠিক হবে না।
হ্যাঁ, কালকে আবার চেষ্টা করতে হবে।
ওখানে কী প্রার্থনা করলে?
ভুলে গেছি।
আমাকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
তার দরকার নেই।
শোনো...
র্যামেন খাবে?
ভিতরে আসো।
কোন প্রকারের মদ বেশি ভালো লাগে?
আসলে...
কেন জিজ্ঞেস করছো?
এখানে অনেকগুলো বোতল পড়ে আছে।
কতদিন ধরে একা থাকো?
মজার কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলা যায় না?
সোজু আর র্যামেন একত্রে খেতে মজা লাগে।
বলার মত মজার কোনো বিষয় আমি জানি না।
আমি কিছুটা বেরসিক ধরনের।
সে তো দেখতেই পাচ্ছি।
আজ রাতটা এখানে কাটাবে?
আগে একে অপরের ব্যাপারে জানা যাক?
মান-ইজ্জত শেষ!
নিচে।
এখানে?
আরও নিচে।
এখানে?
আরও নিচে।
তুমি কাছে থাকলে খুবই ভালো লাগে।
হ্যালো, মি. ক্যাং? আমি সাং-ঊ বলছি।
এখানে প্রচুর বৃষ্টি পড়ছে...
কিছুই রেকর্ড করতে পারছি না।
মনে হচ্ছে আরেকটা দিন এখানে থাকতে হবে।
হ্যাঁ।
আমি কোথায়?
একটা পাহাড়ি মন্দিরে আছি।
হ্যালো? হ্যালো? আপনার কথা শুনতে পাচ্ছি না।
এবার আমার পালা।
এক সুন্দর বসন্তের দিনে...
আমার নতুন গোলাপী পোশাকে...
বসন্ত বাতাস দোলা দিয়ে যায়।
আমি যাচ্ছি তাহলে!
আহ, মিও।
এটা সর্দারের বর্শা না?
এটা তোর জন্য।
তোর পিপো'কে খুঁজে বের করতে হবে!
আচ্ছা, মা।
আমি কথা বলছি।
শুনুন, এটা "পিপো" না, "পাপো"।
বুঝেছেন?
আবার করা যাক।
শুরু করলাম।
তোর কি কোনো চক্কর চলছে নাকি?
মানে?
বুঝেছিস তো।
কিছুই চলছে না।
আমিও তোমাকে মিস করি।
ইউন-সু।
ইউন-সু।
ইউন-সু।
No comments yet. Be the first to leave one.