Die ersten 200 Zeilen.
....Bangla Subtitle By Rakib Mahmud Roktim....
....Bangla Subtitle By Rakib Mahmud Roktim....
....Bangla Subtitle By Rakib Mahmud Roktim....
Join Our Facebook Group ★ Bangla Subtitle
যা! টোগো! যা!
ভালো ছেলে!
ছেড়ে দে ওদের।
যাস না ওদিকে।
ভালো ছেলে!
সাবাশ টোগো!
খুব ভালো করেছিস সবাই।
আজ রাতে ভরপুর খেয়ে নরম বিছানায় ঘুমাবি সবাই।
ঠিক আছে, টোগো! হাট!
হুও!
ডিপথেরিয়ার মহামারী দেখা দিয়েছে।
কতদিন ধরে?
- প্রায় এক সপ্তাহ হলো। - কন্সটান্সের কী খবর?
ভালো আছে, উনি ভালো আছেন।
শিশুরা আক্রান্ত হয়েছে বেশি।
পাঁচজন মারা গেছে।
স্বর্গবাসী হোক।
এই নম'এ আরও বিশজনের মতো অসুস্থ।
ইনুট গ্রামে যে কত অসুস্থ তার কোন হিসাব নেই।
তাঁরা ফেয়ারব্যাংকে প্রতিষেধক পেয়েছে।
কিন্তু ওখান থেকে কীভাবে আনবে সেটা বুঝতে পারছে না।
যাইহোক, সবাই ডেক্সটারের ওখানে আছে। তোমাকে খুঁজছে।
হাট!
বাচ্চাদের উপর যে মহামারী দেখা দিয়েছে,
তাতে যদি প্রতিষেধক না দেয়া হয় তাহলে,
সবাই না হলেও বেশিরভাগই মারা পড়বে।
ভালো খবর হচ্ছে,
ফেয়ারব্যাংক রেইলরোড হাসপাতালে প্রতিষেধক পাওয়া গিয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরের ট্রেনেই সেটা নিয়ানায় পাঠিয়ে দিতে তৈরি।
তারপরও যাওয়া আসা মিলিয়ে প্রায় ৬০০ মাইলের যাত্রা!
ফায়ারব্যাংকে বিমান আছে, তাতে করে প্রতিষেধক আনাতে পারি আমরা।
আসার সময় দিগন্তে কালো মেঘ দেখেছ না?
দেখেছি, কিন্তু অতটা খারাপ নাও হতে পারে।
সেপলা, তুমি তো ওইদিক দিয়েই আসলে। কী মনে হচ্ছে তোমার?
পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে।
কতটা খারাপ?
স্বরণীয় রকমের খারাপ।
কেন এমনটা মনে হলো তোমার?
ঝড়টা দেখতেই ভয়ানক
তাছাড়া ব্যারোমিটারের কাঁটা অনেক খারাপভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে।
কিন্তু কী?
সকালে আমরা একদল বলগা হরিণ দেখেছিলাম,
আমাদের প্রায় দুইশ গজ ডানে টোগো ওদের দেখে।
আমি ব্রেক করতে যাচ্ছিলাম, কিন্তু টোগো হরিণদের অগ্রাহ্য করে দৌড়াতে থাকে।
তখুনি বুঝতে পারি ঝড়টা খুব ভয়ানক হতে চলেছে।
দুঃখিত! বুঝতে পারলাম না।
টোগো হরিণদের পিছু নিতে পছন্দ করে।
এখনো বুঝলাম না।
গত বারো বছরে এমন কখনো হয়নি টোগো হরিণ দেখে পিছু ছুটেনি।
কখনো যদি কোন প্রাণী তার প্রকৃত বিরুদ্ধ কাজ করে
ঘড়ের দিকে ছুট লাগায়, তাহলে বুঝতে হবে ঝড়ের জন্য সে ভয় পাচ্ছে।
সুতরাং মানুষদেরও সেই ঝড়কে ভয় পাওয়া উচিত।
বুঝলাম এবার।
এই ঝড়ের মাঝে কত দ্রুত তুমি ওখানে গিয়ে আসতে পারবে?
"কত দ্রুত" এর প্রশ্ন এটা নয়,
কথাটি হচ্ছে, "যদি যাই"
তাহলে এরোপ্লেনই আমাদের শেষ ভরসা।
ককপিট খোলা এয়ারপ্লেন?
পানি দিয়ে ঠান্ডা করতে হয় সেই ইঞ্জিন? ফেয়ারব্যাংকসের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছ?
তারা বিবেচনা করছে বিষয়টি।
তাহলে আর হয়েছে।
আমার মনে হয় না আকাশপথে তেমন সুবিধা করা যাবে।
কিন্তু তোমার "কত তাড়াতাড়ি?" প্রশ্নের উত্তর যদি দিতে হয়,
সেপলা একবার আমার একটি কাজের জন্য নিয়ানায় গিয়েছিল মাত্র চারদিনের মাঝে।
একদম সত্য কথা।
আসলে স্লেজ ডগের পরবর্তে যদি
মেশিন ব্যবহার করা হয় তাহলে আমার কিছু যায় আসে না,
কিন্তু আজ আমি অনেক দূর এগিয়েছি।
চলে আয়, বাছা
সেপলা, হাসপাতালের ওদিক হয়ে যাবে?
উঠে পড়ুন।
হাট!
থাম!
অসংখ্য ধন্যবাদ। 75 গুড লাক, ডক্টর
একটি শহর গড়ে উঠে তার যোগাযোগ ব্যবস্থা, নদী...
এবং সড়ক ব্যবস্থাপনা কতটা ভালো তার উপর।
কিন্তু নোম গড়ে উঠেছিল ভাগ্যের উপর।
এনভিল ক্রিকের সোনা?
খালি চোখে দেখা যেত,
হাত দিয়ে সে সোনা তোলাও যেত।
সোনা শেষ হয়েছে,
ভাগ্যও হারিয়ে গেছে।
ও এত শক্তি কই পায়?
যেভাবে ছুটছে এখন, তাতে দশ সপ্তাহ পিছিয়ে আছে।
তুমি যাচ্ছ তাহলে?
মাত্রই বাড়ি আসলাম, এখনই ভাগিয়ে দিতে চাচ্ছ?
হমম... তাই ভাবছি।
ভাগিয়ে দেয়ার পেছনে কোন কারণ আছে নাকি?
- আমার অনেক প্রেমিক আছে। - তাই নাকি?
গুণলে শেষ হবে না।
অবশ্য আমারই দোষ এসবের জন্য।
মানুষজন বলেছিল এত সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে কোরো না।
কারা বলেছিল?
যাদের চোখ আছে সবাই।
তারমানে তুমি যাচ্ছ?
এখনো সেরকম কোন চিন্তাভাবনা করিনি।
তাহলে স্লেজ ঘষামাজা করছ কেন?
ঘষামাজা দরকার তাই করছি।
এই আবহাওয়ায় কি যাওয়া সম্ভব?
সবকিছুই সম্ভব।
এইবার অন্তত ওরা অন্য কাউকে বেছে নিক।
- ওখানে অনেক স্লেজ চালক ছিল। - তা ঠিক।
কিন্তু সবসময় আমার স্বামীকেই কেন বেছে নিতে হবে।
অন্য কাউকে বলুক যার ঠ্যাকা বেশি।
আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম, ওখানে যতগুলো বাচ্চা ছিল সবাইকে আমরা চিনি।
আমি জানি।
সেই ছোট মেয়েটা যে মালানের পাশে থাকে, আমার কুকুরদের আদর করে সবসময়।
স্যালি, ও তো সব কুকুরদেরই আদর করে।
আমরা এই বাচ্চাদের চিনি, ওদের মা-বাবাদেরও চিনি।
আমি বুঝতে পারছি, আগামীতে হয়তো এই কারণে আমি লজ্জিতও হবো।
কিন্তু এই মুহুর্তে তোমাকে নিয়ে চিন্তা হচ্ছে।
আলাস্কাতে তো আর এটা প্রথম ঝড় নয়!
আমাকে বুঝ দিও না।
ঠিক বলেছ।
টোগোকে নিও না, ফ্রিজ দলের নেতৃত্ব দিক।
বিশেষ দরকার পড়লেই সেটা চিন্তা করব।
ওর বয়স ১২, তুমি বলেছ এলওয়াল্ডে যাবার জন্য বুড়িয়ে গেছে।
আর এটা তো তারচেয়ে চারগুন বেশি পথ।
তুমি অহেতুক চিন্তা করছ।
ঘুমাও এখন।
তুমি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিও না যার জন্য আজীবন পস্তাতে হবে।
তুমি ওর প্রতি বেশিই দুর্বল হয়ে পড়েছ, তুমি ওকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিবে।
আর ও মারা যাবার পর তোমার কী হবে সেটা তুমি নিজেও জানো না, বলে দিলাম আমি।
আর কিছু?
ও অবশ্যই তোমার কুকুর, কাজের কুকুর।
আমি যদি বাস্তববাদী হতাম, তাহলে ওকে ভালোবাসতাম না। কিন্তু আমি ওকে ভালোবাসি।
আর আমার খুব খারাপ লাগছে এই ভেবে শেষবারের মতো ওর সাথে সময় কাটাচ্ছি।
দুইটি কথা বলব।
একঃ ওকে ছাড়া যদি আমি নিয়ানায় যাই,
তাহলে তোমার সাথে এটাই হবে আমার কাটানো শেষ মুহুর্ত।
দ্বিতীয়ত: এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
কী যেন বলছিলে?
জর্জ?
সুপ্রভাত, জর্জ।
মনে হচ্ছে তোমার ভবিষ্যতবাণী ঠিকই ছিল,
এজন্যই আমি এখানে এসেছি।
বাতাসে প্রায় উড়েই যাচ্ছিলাম।
আমি ফেয়ারব্যাংকে কথা বলেছি, আকাশপথে নোমে ওষুধ পাঠানো অসম্ভব।
বলা যায় কুকুরদের যুগ শেষ তো হয়ইনি, আমাদের একমাত্র অবলম্বন এটা এখন।
তো তুমি এত পথ পাড়ি দিয়ে এই খবর জানাতে এলে?
কিছু কিছু কথা একেবারে সরাসরি বলা ভাল,
তাই না, মিস্টার মেয়র?
হ্যাঁ
কফি না হুইস্কি?
হুইস্কি হলে ভালো হয়, যদি পারা যায়
না, না, সমস্যা নেই। আমি দুটোই নিচ্ছি।
এইবার আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে।
তুই তখুনি স্লেজ টানবি যখন আমি বলব।
এবার অন্তত যা বলব তাই শুনবি।
আরেকটা রাইড নিতে পারবি না, সোনা?
হয়ে গেছে।
ভালো বাচ্চারা।
এরচেয়েও খারাপ আবহাওয়া দেখেছি।
পিকনিক করা যাবে এই আবহাওয়াতে।
দেখতে দেখতে চলে আসব।
আমি বিছানা গোছানোরও সুযোগ পাব না।
হেই,
তুমি ওকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনবি, তাই না?
তুইও ফিরে আসবি।
ভালো ছেলে।
ঠিক আছে, টোগো!
হাট!
কাম অন টোগো!
সাবাশ টোগো!
সাবাশ!
হাট!
এসে পড়েছে!
তুমি তোমার কাজ করো, আমি আমার।
এটা কীভাবে আমার কাজের মধ্যে পড়ে না? বেডরুমে কোন কুকুর আনা চলবে না।
ও অনেক অসুস্থ।
আর এখন ও আমাদের বেডরুমে।
আকার বাদ দিলেও অন্যদিকে ওর অনেক দুর্বলতা আছে।
প্রকৃতি এসব ব্যাপার নিজেই সমাধান করে নেয়।
তাহলে একে পানিতে চুবিয়ে মেরে ফেলি, তাই বলতে চাচ্ছ?
বলতে চাচ্ছি দুর্বলদের জন্য আলাস্কা মাঝেমধ্যে কঠিন জায়গা হয়ে পড়ে।
সেটা আমাকে মনে করিয়ে দিতে হবে না।
বাচ্চাটাকে বাঁচিয়ে তুললে কি ক্ষতি হচ্ছে তোমার?
বেঁচে গেলেও কী করতে পারবে ও?
একটা লড়াকু হৃদয় দিতে পারবে।
তোমার মন অনেক নরম।
আর তুমি একটু বেশিই নরওয়েজিয়ান।
ভাগ!
তুমি ওকে খাঁচায় রাখছ না কেন?
যতবারই রাখি, গর্ত করে বের হয়ে যায়।
এখন আমার নিজের কাজ বাদ দিয়ে গর্ত ভরাট করা লাগছে।
যদি ধরতে পারি, খবর আছে তোর।
সব তোমার দোষ।
আমি ভাবতাম তুমি কুকুরদের খুব ভালো পোষ মানাতে পারো।
ও একটা আস্ত ইবলিশ।
সেইন্ট ফ্রান্সিস এর দেবতারাও ওকে গুলি মারত।
হেই!
- ও অনেক দ্রুত। - ওর মাথায় সমস্যা আছে।
সাইজে ছোট, বুদ্ধিও কম, ওকে প্রশিক্ষণ দেয়া অসম্ভব।
কিন্তু ও অনেক দ্রুত।
আমার মনে হয় ওকে স্লেজে লাগিয়ে দিলে ভাল করবে।
থামো, ও কোন স্লেজ কুকুর না।
No comments yet. Be the first to leave one.