Die ersten 200 Zeilen.
তুমি কিছুই পাবে না।
কী বলছেন?
আমার ছেলে আমার মৃত্যু চায়।
তাই, আমি মরলে,
তোমাকেই দায়ী করা হবে।
ARTHDAL CHRONICLES ⚔️ S01 E05 ⚔️
কী খবর?
তাগন একা গেছে সানুং নিরুহাকে বাঁচাতে।
একা?
একা?
হ্যাঁ, একা গেছে।
সানুং বিপদে আছে।
অসম্ভব।
আমাদের গিয়ে ওকে থামাতে হবে।
এবার আপনার কথা রাখুন,
আর্থদাল সমাজপতি।
কথা?
তুমি আসলেই আসা হনের ছেলে?
তোমাকে ও ওয়াহানের সবাইকে যেতে দিবো।
তোমার মায়ের কাছে
আর্থদালের মানুষ ঋণী।
সমাজপতি হিসেবে কথা দিচ্ছি।
পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন শুধু নিজেকেই বাঁচাতে চান।
মনে হচ্ছে
দারাবুরুর দৈববাণী সত্যি।
- আপনাকে কথা রাখতে... - সাহস কত!
তুমি আর ধূর্ত আসা রন মিলে
আমাকে চিরতরে সরাতে চেয়েছো।
সমাজপতি!
যা কথা দিয়েছিলেন আপনার লোকদের তা বলুন।
বলুন ওয়াহানের সৈনিক আপনাকে এই লোকের হাত থেকে বাঁচিয়েছে।
একবার নিজের মাকে মারতে চেয়েছিলে
এখন আমাকেও মারতে চাচ্ছো।
আমি শুধু বাঁচতে চেয়েছি।
না।
বাঁচতে চাইলে,
তখনই চলে যেতে।
আর্থদাল থেকে চলে যাও।
দয়া করুন।
আর্থদালে থাকতে দিন।
আমি পারবো।
ওদের সবাইকে মারতে পারবো।
আমার হাতে উপায় আছে।
সমাজপতি!
এক্ষুণি জানালা খুলে
তাদেরকে বলুন।
লাভ নেই।
তুমি...
সানুং এর ব্যাপারে
কিছুই জানো না।
তাগন।
বাবাকে মারতে চেয়ে ঘোরতর পাপ করেছো।
আর্থদালবাসী কখনো তোমাকে ক্ষমা করবে না।
আমি...
ক্ষমা চাচ্ছি।
উনসম কি ওখানে আছে?
হ্যাঁ, আছে।
আছে না?
হ্যাঁ। আমাদের বাঁচাতে এসেছে।
সত্যিই আমাদের বাঁচাতে এসেছো?
আমরা এবার বাড়ি যেতে পারবো। খেতে পারবো।
না।
উনসম ওদের বাবাকে মেরে ফেললে,
ওরা আমাদের উপর শোধ তুলবে।
উনসম।
উনসম...
আপনার ছেলে নতজানু হয়ে ক্ষমা চাচ্ছে।
পৃথিবীর সব ছেলেরাই ভুল করে।
আমাকে ক্ষমা করে দিয়ে আবার আমার হাত ধরুন।
এ সেই ছেলে
যে কিছুক্ষণ আগে আমাকে মারতে চেয়েছে।
আর এখন ক্ষমা চেয়ে হাত ধরতে বলছে।
জ্বী।
আমার হাত ধরে বুকে টেনে নিন...
সেইদিনের মতো।
দুঃখিত বাবা। আমি দুঃখিত। সব আমার দোষ।
সেদিন তোমাকে ফিরিয়ে নেয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল।
তোমাকে মারা কিংবা
তাড়ানোর পরিবর্তে বাবার ভালোবাসা দিয়ে কাছে রেখেছিলাম।
আর তাই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো।
জ্বী, বাবা।
আমি আপনার ছেলে।
দুজুমসেংটার পক্ষ নেয়ার চেয়ে,
ছেলের হাত ধরুন।
ভেবেছো ভুলের পুনরাবৃত্তি করবো?
পরিস্থিতি এখন ভিন্ন।
আপনার ভালোবাসা চাই না।
চাই ক্ষমতাসীন হয়ে শাসন করতে।
অতৃপ্ত আকাঙ্ক্ষা আমাদের দুজনের মধ্যেই আছে।
আমার হাতে আপনার হাত রেখে
মানুষের সামনে গেলে,
আমাদের নিয়ে তাদের মাঝে থাকা ভুল ধারণা
শেষ বসন্তের তুষারের ন্যায় উবে যাবে।
যারা আমার নাম জপে
তারা আমার সামনে আপনার নাম জপবে।
আগে, সবকিছুর বিনিময়ে শুধু
পালটা আঘাত সহ্য করতেন।
আর এখন,
মাথা উঁচু করে বাঁচবেন।
বাবা,
আমি এখন দেবতাদের আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী।
এটাকে আপনি কাজে লাগালে,
আসা রন আপনার কিছুই করতে পারবে না।
সমাজপতি!
জানালা খুলে যা বলেছিলেন তাই করুন।
বলুন আপনার ছেলে আপনাকে মারতে চেয়েছিল
আর ওয়াহান সৈনিক আপনাকে বাঁচিয়েছে।
জানালা খুলতে বললাম!
সেরকমটা করলে...
নিজ ছেলেকে ধোঁকা দিলে,
ভেবেছেন আমি বসে বসে দেখবো?
ওকে আমি থামাবো। আপনাকে বাঁচাবো!
- দরকার পড়লে মরবো। - ও আমার সাথে পারবে না।
আপনি আমার ক্ষমতা জানেন।
আমি কি...
ওকে থামাতে পারবো?
দুজুমসেংটা একটু আলাদা।
ক্ষিপ্র ও শক্তিশালী।
আমি একটু দেরিও করলে, সবার সামনে বাবাকে মেরে বসবো।
কীভাবে...
তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি?
সমাজপতি।
আপনি আমার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা জানেন।
ওটা আমারও দুর্বলতা।
হ্যাঁ, ওই সত্যিটা আমাদের দুজনেরই ক্ষতি করতে পারে।
বোধহয়...
শুরু থেকেই আমাদের
একে অন্যের সাথে লড়া উচিত ছিল না।
শুধু একবার।
একবার দয়া করুন...
আমার
হাতটা ধরুন, বাবা।
না।
সমাজপতি।
সেরকমটা হতে দিবো না।
ওকে আমি দেখছি।
হাতটা ধরুন।
তারপর বাইরে গিয়ে
সস্নেহে
আমার নাম ধরে ডাকুন
ঠিক যেভাবে ডাকতেন।
আমি দুঃখিত।
বেচারা আমার।
সেদিনও দুঃখিত বলেছি।
এখনো বলছি।
তবুও,
অনেক আগেই তোমাকে মেরে ফেলা উচিত ছিল।
হ্যাঁ।
আমি ছোট আর দুর্বল থাকতেই
মেরে ফেলা উচিত ছিল।
মেরেছি।
মেরে ফেলেছি।
শেষপর্যন্ত মেরেছি, তেয়ালহা।
কিছু হয়েছে।
কী হয়েছে?
আইরুজু,
কীসের ইঙ্গিত দিচ্ছেন?
এতদূর কীভাবে গড়ালো?
ছেলেকে এত ঘৃণা করে কেন?
সানুং নিরুহা।
নিজের ছেলেকে এত ঘৃণা করছেন কেন?
আসলেই ভেবেছিলে সমাজপতিকে ধরলে
নিজের লোকদের নিয়ে যেতে পারবে?
জায়গাটা সম্পর্কে তোমার কোনো ধারণা আছে?
দেশ কী জানো?
দেশ?
কখনোই তোমার লোকদের বাঁচাতে পারবে না
কারণ এই জায়গাটা সম্পর্কে
তোমার কোনো ধারণা নেই,
দেশ সম্পর্কে ধারণা নেই,
নেই দুনিয়াদারি সম্পর্কে কোনো ধারণা।
তুমি অন্ধকারে হাতড়ে বেড়াচ্ছো।
কীভাবে...
কীভাবে তুমি...
তুমিও
জানো না।
শেষপর্যন্ত নিজেই নিজের লোকদের মারবে।
তুমি যে পতিকে মেরেছো
সবাইকে বলে দিবো।
বিশ্বাস করবে কে?
যখন কেউ দেখেইনি!
তাহলে...
আমার লোকদের কী হবে?
ওদের?
মেরে ফেলা হবে।
জানি
তুমি সাধারণ নও।
তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন।
দেকান বাহিনীর মার্শাল আর্ট কীভাবে শিখলে
তা ভেবেই অবাক হয়েছি। কিন্তু জানো তো,
পৃথিবীতে নানা ধরণের মানুষের বাস।
- রক্ষীবাহিনী! - জ্বী!
বিভাগ একের সোদাং, বিভাগ দুইয়ের ফিয়নমি,
বিভাগ তিনের গিলসন।
- জ্বী। - জ্বী।
অপেক্ষার পালা শেষ।
এবার ভেতরে যাচ্ছি।
কিন্তু ভেতরে কী হয়েছে আমরা তা জানি না।
যথেষ্ট সময় গড়িয়েছে।
শুধু তাগনের উপর আস্থা রাখলে চলবে না।
No comments yet. Be the first to leave one.