Die ersten 200 Zeilen.
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ★ Bangla Subtitle
এসব ছেড়ে তোমাদের দেখতে আসছি,
আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না!
এই ট্যাক্সি, এইদিকে আসো।
ট্যাক্সি!
দুঃখিত, ক্ষমা করবেন।
এক্সকিউজ মি!
- গিলপিন! - আহ্!
এখনও টুথপেষ্ট নিয়ে পড়ে আছ? কাজ না করে মোবাইল টিপছ?
আসলে আমি আজ রাতে বাড়ি যাবো, তাই...
এখনও কি রাত হয়েছে?
আমার কাছে এটা এখনও দিন।
- জলদি টুথপেষ্টগুলো সাজিয়ে রাখো। - আচ্ছা! মাফ করবেন।
বাবা, আমরা এসেছি।
আমি রান্নাঘরে আছি।
জ্যান, স্পেনসার!
আমি রান্নাঘরে!
বাবা, তুমি মইয়ের উপর উঠেছ কেন?
- তুমি করছটা কি? - নানাভাই!
- কি করছি দেখতে পারছ না? - নিচে নামো!
আমি লাইটটা লাগাচ্ছিলাম।
দশ মিনিটের জন্য তোমাকে একা রেখে গিয়েছি, সেই সুযোগে তুমি মইয়ের উপর উঠেছ?
তোমার এসব করা উচিত হচ্ছে না।
তোর কি মনে হয়, আমি একটা লাইট লাগাতে পারব না?
ওরে! না, না, না!
আরে আমি ঠিক আছি!
আমার নাতিটা!
নিউইয়র্ক কেমন লাগল?
- অসাধারণ! - স্কুলের কী অবস্থা?
ভালোই! তোমার কী অবস্থা?
মারাত্মক অবস্থা! আমি এখানে কী করছি সেটাই জানি না।
তোমার কোমরের অস্ত্রপচারের কারণে বিশ্রাম নিচ্ছ।
ধুর! কয়েকদিন পরেই আমি এখান থেকে চলে যাবো।
এটা কোন জেলখানা নয়।
আমি আমার বাসায় ফিরে যেতে চাই।
- ওটা কি খুব বাজে? - তোমার বাসা? হ্যাঁ, ওটা খুবই বাজে।
শুধু কি আমার কাছেই বেশি ঠান্ডা লাগছে?
নিচের তলার হিটারটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
- সকালে মিস্ত্রি আসবে। - মনে হচ্ছে যেন ফ্রিজ এর মধ্যে আছি।
তুমি কি মাইলো চাচ্চুকে কল করেছিলে?
একদম না!
বাবা! ও পাঁচবার কল করেছে। কল দিয়ে ওর সাথে কথা বলো।
আমি ওকে কল দিতে পারব না। আমি ওর সাথে কথা বলতে চাই না।
চলো, তোমার ব্যাগগুলো নিয়ে আসি।
তুমি এই রুমেই থাকো?
আমরা রুমমেট!
যদি চাও, আমি নিচ তলায় থাকতে পারব।
কি? বাজে বকা বন্ধ করো তো।
মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যাপার। কোন সমস্যা হবে না।
ভিতরে এসে আরাম করো।
- ওহ! তুমি... - ওরে!
- তুমি ঠিক আছ? - তোমার আম্মুকে বোলো না।
এটা ঢুকবে এখানে!
আর এটা ওখানে!
এখানে দিয়ে দেখি কেমন হয়।
এইতো হয়ে গেছে!
নীল লাইট, লাল লাইট, সবুজ লাইট।
আহা, তোমাদের দু'জনকে কতো সুন্দর দেখাচ্ছে।
তোমরা ঘুম থেকে উঠার আগেই আমি অফিসে চলে যেতে পারি।
হিটার মিস্ত্রি সকালে আসবে।
আমি দশটার দিকে বন্ধুদের সাথে দেখা করতে যাবো।
খুব ভালো! তো কোথায় যাবে?
- নোরা'তে! - ওখানেই কেন যেতে হবে?
ব্রান্টফোর্ডে এতগুলো রেস্টুরেন্ট থাকতে,
- তোমাকে ওখানেই যেতে হবে? - জায়গাটা আমি ঠিক করিনি।
বাবা, এতে সমস্যা কোথায়? প্রায় এক বছর হতে চলল।
আই লাভ ইউ, সোনা। তুমি বাড়িতে আসায় খুব ভালো লাগছে।
লাভ ইউ, আম্মু।
বুড়ো হওয়াটা জঘন্য একটা ব্যাপার, কেউ মানুক আর না মানুক!
তোমার পিচ্চি গার্লফ্রেন্ডটা এখনও আছে?
না!
আমরা আর একসাথে নেই।
তোমার ইচ্ছায় নাকি তার ইচ্ছায়?
- ব্যাপারটা একটু জটিল - বলেই দেখো না।
দেখি কিছু বুঝতে পারি কিনা।
যখন সম্পর্কে জড়াই
তখন আমরা...
একটু ভিন্ন ধরণের মানুষ ছিলাম।
গত বছর অসাধারণ সময় পার করেছি।
স্কুলের একজন সিনিয়র ছাত্র ছিলাম।
আমার একটা গার্লফ্রেন্ড ছিল।
আমি নিজেকে ভালোভাবে চিনতে পেরেছিলাম।
আবার ওই সময়টা উপভোগ করতে চাই।
জানি না!
দূরের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা একটু কঠিন।
জানি সবাই এই কথা বলে কিন্তু আমি বাস্তব প্রমাণ পেয়েছি।
একটা ছোট উপদেশ দিতে পারি? মনযোগ দিয়ে শোন...
প্রত্যেকদিন নিউইয়র্কের প্রতিটি গাড়িতে অসংখ্য মহিলা যাতায়াত করে।
তাদের প্রতি পাঁচ জনের একজনকে আমি চোখ বন্ধ করে বিয়ে করতে রাজী আছি।
এটা তোমার জীবনের সেরা সময়।
- তাই? - হ্যাঁ, তাই!
নিজেকে মুক্ত করো! এর চেয়ে ভালো সময় পাবে না।
দিন যত যাবে খারাপ হতে থাকবে।
ব্রেভস্টোন!
হাই!
ইয়ে, ইয়ে, ইয়ে!
- ওহ! - কি অবস্থা তোমার?
- ওরে আল্লাহ, তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে। - ধন্যবাদ!
- ফ্রিজ! - ফ্রিজ!
আমরা দুই মাস ধরে বাড়ি বানাই,
আর তারপর ফেরার পথে আমরা কিছুদিন কোস্টারিকাতে থাকি।
ওখানেও অনেক মজা করেছি।
অস্থির ব্যাপার! আমি তোমার জন্য খুব খুশি!
অসাধারণ!
তো, "এম"! এখন থেকে তোমাকে এই নামেই ডাকতে হবে?
কোন দরকার নেই। এটা শুধু একটা ডাকনাম।
কলেজের এক বন্ধু এই নামটা দিয়েছে।
তোমাদের এই নামে ডাকার দরকার নেই।
"এম"! ভালো লেগেছে নামটা! হট হট ভাব আছে।
- আচ্ছা! - তুমি আর স্পেনসার..
- তোমাদের কি এখনও একসাথে? - না! আমাদের...
আমাদের কথা হয় না।
ও কোথায়?
খোদা রে!
কি চাস তুই, মাইলো?
তোর সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগল।
হ্যাঁ, এক কাপ কফি হলে মন্দ হয় না।
জিজ্ঞেস করার জন্য ধন্যবাদ।
কিছু মনে না করলে, ডিমের অমলেট করব?
যা ইচ্ছা কর। আমার কিছু আসে যায় না।
যা করার তাড়াতাড়ি কর। সারাদিন বসে থাকতে পারব না।
কোথাও যাবি নাকি?
উম...?
তোমাদের কি স্পেনসারের সাথে কথা হয়?
হ্যাঁ...
আসলে!
তেমন একটা কথা হয় না!
আমি ওকে অনেকবার মেসেজ দিয়েছি কিন্তু ও তেমন রিপ্লে দেয় না।
জানি!
আসলে ক্লাস, প্র্যাক্টিস এসব নিয়ে সবসময় প্যারার মধ্যে থাকি,
আর তাছাড়া ছুটির দিনে গেইমস তো আছেই।
হ্যাঁ! সেটাই!
আমি... আমি আসলে ওকে নিয়ে কিছুটা চিন্তিত।
আচ্ছা, দেখা যাক! এই শালা আসলে আছে কোথায়?
ভালো হয়েছে?
- মেহ্! - "মেহ্"! এটা আবার কি?
মেহ্! তুই চাসটা কি?
সারাদিন খালি কল দিতেই থাকিস।
১৫ বছর পরে হঠাৎ করে উদয় হয়েছিস।
কেন? ডিমের অমলেট বানানোর জন্য?
মনে আছে? যখন আমরা প্রথম রেস্টুরেন্ট চালু করি,
মরিস নামে একটা ছোট ছেলে ছিল, যে বাসন পরিষ্কার করতো?
হ্যাঁ, অবশ্যই! মরিসের কথা মনে আছে আমার।
রাতের শিফটে কাজ করতো।
সপ্তায় ৬ দিন রাত দুটো পর্যন্ত!
- বাসন পরিষ্কার করা ছেলেটা! - ছোট্ট মরিস! হাহ!
সবগুলো বাসন পরিষ্কার না করা পর্যন্ত সে একটা কড়াইতেও হাত দিত না।
হ্যাঁ, ছেলেটা কাজ জানত।
ছোট্ট মরিস!
আচ্ছা, ধুরো...
আসল কথাটা বলবি?
সবসময় এত প্যাঁচিয়ে কথা বলিস কেন?
আমি জানি তুই কি চাস। তুই ক্ষমা চাইতে এসেছিস।
অনিচ্ছা স্বত্তেও বলতে হচ্ছে, এ ব্যাপারে আমার আর কোন মাথাব্যথা নেই।
তুই ভাবছিস যে, আমি তোর কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি?
হিটার মিস্ত্রি এসেছে।
- এডি নানু? - এন্থনী?
হ্যাঁ, স্যার! আমিই!
এন্থনি!
কি অবস্থা তোমার?
ভিতরে আসো! ভিতরে আসো!
- কী অবস্থা আপনার? - বুড়ো হওয়াটা জঘন্য একটা ব্যাপার,
কেউ মানুক আর না মানুক!
মার্থা আর ও বেথানি।
উনি স্পেনসারের নানাভাই, এডি।
মার্থা? তুমিই সেই পিচ্চি গার্লফ্রেন্ড?
- উহ... - শুভ সকাল!
শুভ সকাল, স্যার! আপনাদেরকে বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত।
তোমরা বিরক্ত করছ না। ও বিরক্ত করছে।
মাইলো ওয়াকার!
মাইলো? মানে... মানে "মাইলো এন্ড এডি'স"?
- তোমাদের সাথে পরিচিত হয়ে ভালো লাগল। - আমার বাবা বলেছিলেন,
আপনাদের রেস্টুরেন্টটা ছিল শহরের সেরা রেস্টুরেন্ট।
আমরা এতক্ষণ ওখানেই ছিলাম। এখন অবশ্য ওটার নাম "নোরা'স"।
লল! নোরা'স! ওটা এখন আর রেস্টুরেন্টও নেই!
লোকে যায় কেবল নাস্তা করতে!
তোমরা কি এতক্ষণ স্পেনসারের সাথে ছিলে?
না! আমরা ওকে খোঁজার জন্যই এখানে এসেছি।
ক্ষুদা পেয়েছে? তাওয়াতে ডিমের অমলেট আছে।
- একটু দেখা উচিত। - হেই, ম্যান!
শুধু দেখা না, চাখতেও পারবে।
আচ্ছা, আচ্ছা!
- আপনার কি সাহায্য লাগবে? - দেখে কি তাই মনে হচ্ছে?
মার্থা?
হেই!
ও কোথায়?
- আওয়াজটা শুনতে পাচ্ছ? - হ্যাঁ!
কিছু শুনতে পাচ্ছিস?
হয়তো হিটার এর শব্দ। ওটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
এটা এখানে এলো কিভাবে?
জানি না!
হয়তো ও... আমি নিশ্চিত না...
হয়তো ও এটা আবার ফিরিয়ে নিয়ে এসেছিল।
ও কি এটা ঠিক করার চেষ্টা করেছিল?
কোন দুঃখে কেউ এই বালটা ঠিক করতে চাইবে?
জানি না!
জানি না! হয়তো ও এটার কোন পার্টস কিনতে গিয়েছে।
আচ্ছা, আমি ওকে আবার কল দিচ্ছি।
আমি নিশ্চিত, সব ঠিকঠাক আছে।
১৪টা মেসেজ আর ৪টা মিসকল।
No comments yet. Be the first to leave one.