Die ersten 200 Zeilen.
Early Summer
- দাদু, নাস্তা। - সুপ্রভাত।
- জলদি আসো। - আসছি।
ডেকেছি।
দাঁড়াও, এটা নিয়ে যাও।
- আচার। - ধন্যবাদ।
ইসামু কোথায়?
ইসামু!
- খাবারের জন্য ধন্যবাদ। - ইসামু?
ইসামু!
- মুখ ধুয়েছো? - ধুয়েছি।
ধোওনি কিন্তু। মুখে এখনও ময়লা।
ইসামু, জলদি করো।
- ধোয়া শেষ? - ধুয়েছি!
বিশ্বাস না হলে, তোয়ালে দেখতে পারো।
তাই?
সত্যি তো?
- নাও। - খাবারের জন্য ধন্যবাদ।
- আমরা শুরু করে দিয়েছি। - এটা একটু পোস্ট করে দিতে পারবি?
ভালো করে চিবিয়ে খাও।
- আজকে তো তাড়াতাড়ি যাচ্ছিস। - একজন গুরুতর রোগী আছে।
- বড়ো চাচাকে সাথে নিয়ে ফিরবো। - ভালো হয় সেটা।
- আচ্ছা, আসি। - বিদায়।
বিদায়!
ভাইয়া, জলদি যাও! সাত মিনিট আছে আর।
তুমিও আসবে? কোথায় দেখা করবো?
নোরিকো আর আমি মিলে একটা জায়গা ঠিক করে রেখেছি।
সাবধানে যেয়ো।
নাস্তার জন্য ধন্যবাদ!
ইসামু, জলদি খাও।
বাবা, বড়ো চাচা কী খেতে পছন্দ করেন?
বিশেষ কিছু করতে হবে না, তবে উনি মটরশুঁটি পছন্দ করেন।
- আমিও! - চুপ করে খেয়ে নাও।
এত আস্তে খাও না, ইসামু।
নাস্তার জন্য ধন্যবাদ।
- আমি আসি। - দিন ভালো কাটুক।
- সাড়ে ৫টায় দেখা হবে। - আচ্ছা। যাও।
তোমার স্কুলের দেরি হয়ে যাবে।
ভুলে যাচ্ছিলে। বাবার চিঠিটা পোস্ট করতে হবে।
ধন্যবাদ। আসি এখন।
সাবধানে যেয়ো।
সোনা, কী করছো?
- আসি! - দিন ভালো কাটুক।
- সব নিয়েছো তো? - হ্যাঁ!
বিদায়!
- সুপ্রভাত। - সুপ্রভাত। তোমার ভাই কোথায়?
- আগের ট্রেনে গেছে। - ওহ।
- গুরুতর এক রোগী নাকি এসেছে? - হ্যাঁ, গতকাল রাত ১১টা পর্যন্ত ছিলাম।
- “Les Thibault” দারুণ। - কদ্দূর পড়লেন?
- ৪র্থ ভলিউমের মধ্যভাগে আছি। - আচ্ছা।
দেখলে? এখন তোমার আঙুল একদম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন।
এবার তোমার পুরস্কার।
এই নাও। দাদুকে ভালোবাসো?
বেশি ভালোবাসলে আরও পাবে।
- তোমাকে ভালোবাসি। - সত্যি? নাও।
তোমাকে ভালোবাসি।
- নাও। - তোমাকে ভালোবাসি।
আচ্ছা, হয়েছে।
- ঘৃণা করি। - এই!
- ভীষণ ঘৃণা করি! - থামো!
আমাদের নতুন প্রোডাক্টের একটা অর্ডার এসেছে।
- আর আসাহি প্রসেসিং? - ওটা এখনও পেন্ডিং।
ভালো কোনো ক্যাফে চেনা আছে?
হ্যাঁ, পশ্চিম গিনজা'র লুনায় যেতে পারেন।
- যদিও ক্যাফেটা ছোটো। - লুনা?
ডিরেক্টর সাহেবের সাথে দেখা হয়েছে?
হ্যাঁ, কেন?
ঠিক আছে তবে।
ইয়েস?
- হ্যালো। - এইযে, এসে গেল ঋণ সংগ্রহকারী।
- হ্যালো। - হ্যালো।
- ব্যস্ত নাকি? - অনেক ব্যস্ত।
তারমানে ব্যবসা ভালো চলছে।
ধন্যবাদ।
সেদিন কেমন গিয়েছিল?
ভালো না। ইয়াদা সাহেব আবার গাইতে শুরু করেছিলেন।
“কানজিনকো,” নিশ্চয়।
তাতে মা'র বুকের ব্যথাটা আবার বেড়েছে।
ভাববেন না, বুড়িটা পটল তুলতে দেরি আছে।
খবর শুনেছিস? ছাকো বিয়ে করছে।
না তো। কাকে?
- চিনিস বোধহয়। সুমুরা সাহেবকে। - সুমুরা সাহেব?
ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটির হয়ে বাস্কেটবল খেলতো।
চিনি না। লাভ ম্যারেজ?
ও অনেকদিন থেকে ওনাকে পছন্দ করতো।
তোমাদের হিংসা হচ্ছে, অবিবাহিত রয়ে গেছো তো!
নিন, আশাকরি বাড়বে না।
- ধন্যবাদ। - স্বাগত।
- আমি বেরোচ্ছি। - কোথায়?
হোটেলে। রবার্ট সাহেব কল দিলে বলবে ২টায় থাকবো।
আমাকে নামিয়ে দিতে পারেন?
- অন্য পথে যাবো। - ওখানে নেমে নাহয় বাসায় যাবো।
- অফিস শেষে আসবি? - আজকে পারবো না রে।
- আচ্ছা। বিদায়। - বিদায়।
অপেক্ষা করানোর জন্য দুঃখিত। ধন্যবাদ।
এটা কী?
- এক জাতীয় সীফুড। - ওহ, ম্যান্টিস চিংড়ি।
- আরেকটু খাবে? - আর না।
- ভালোই তো ড্রিংক করো। - খেতে ভালো।
- ভাবি, আরেকটু খাবে না? - একটু করে দাও।
জিনিসটা আর অপচয় করছি না। জোর করে খেতে হবে না।
- কী? - ভাইয়া এমনই।
- সবসময় এমন করে। - কেমন করি?
মানুষকে কিছু সেধে সেটা আবার ফিরিয়ে নেয়ার অভ্যাস আছে তোমার।
ও-ই তো বললো, “আর না”।
- এটাই তো শিষ্টাচার। - কোনটা?
- ভাবি, টেম্পুরা খেতে ভালো? - খুব ভালো।
তোমরা সবকিছুতেই শুধু শিষ্টাচার জিনিসটা টানো,
যেন পুরুষকে নারীর সাথে ভালো ব্যবহার করতেই হবে।
এটা তোমাদের ভ্রান্ত ধারণা।
নারী-পুরুষ উভয়েরই একে-অপরের প্রতি সম্মান থাকতে হবে।
এটাই আসল শিষ্টাচার।
তাহলে জানো দেখছি। ভালো কথা।
- ভাবিনি জানতো। - যত্তসব!
- নোরিকো, ভাত লাগবে? - হ্যাঁ, দাও।
যুদ্ধের পর থেকে অবস্থা শোচনীয়।
নারীরা অনেক এগিয়ে গেছে, শিষ্টাচারের সুবিধা নিচ্ছে।
ভুল বললে। আমরা শুধু নিজের জায়গাটা নিয়েছি।
- এদ্দিন পর্যন্ত পুরুষরা বেশি এগিয়ে ছিল। - শাবাশ!
এজন্যই বিয়ে করতে পারছিস না।
“পারছি না” নয়, বলো “করছি না”! চাইলে যেকোনো সময় করতে পারি।
মিথ্যা কথা!
- শুধু কোনো ডাক্তারকে বিয়ে কোরো না। - কক্ষণোই না!
কী? তোমারা দু'জন অসহ্যকর।
তুমি গিনজায় যেতে চাইলে আমাদের তাড়াতাড়ি করা উচিত।
তাই?
৯টা ৪৫ এর ট্রেনে আসছে। হাতে অনেক সময়।
শেষ কবে বড়ো চাচা এসেছিলেন?
যুদ্ধের এক বছর পর। স্টেশনে যা জটলা ছিল।
হ্যাঁ। আমার পরনে তখনও যুদ্ধের পায়জামা ছিল।
এতকিছুর মধ্যেও উনি সুস্থ-সবল আছেন।
ভাতটা খেতে ভালো।
তোমার ইয়ামাতোর বাড়িতে ওটা ঝুলতে দেখেছিলাম।
পাখা আকৃতির আরেকটা যে ছিল সেটার কী হয়েছে?
- পাখা আকৃতির যেটা ছিল... - আহ, বেচে দিয়েছি।
তাই নাকি?
এটাও খারাপ না।
দাম বেড়েছে সবকিছুর, সময়টাও এখন কঠিন।
রবিবারেও কাজ করছিস?
হ্যাঁ। আসার পথে চাচার জন্য কিছু কি নিয়ে আসবো?
উনি তো শক্ত কিছু খেতে পারেন না।
আচ্ছা, তাহলে আমি যাই।
সাবধানে যাস।
বিদায়!
নোরিকো, এটা বড়ো চাচার কাছে নিয়ে যা।
এতে হবে, ভাবি?
বড়ো চাচা, চা খান।
নোরিকো মা, তোমার বয়স এখন কত?
আটাশ।
- ওর বয়স এখন আটাশ। - তাই?
একদম বিয়ের বয়স।
বধূ সাজতে চাও না? স্বামী চাও না?
বিয়ের ভোজ খেতেও চাও না?
- আমার ভাগ, ৫৭০ ইয়েন। - খুচরো আছে।
- লাগবে না। - লাগবে। আছে তো।
- নাও। - ধন্যবাদ।
ওই টাকার তিনভাগের এক ভাগ দিয়ে একই খাবার রান্না করতে পারতাম।
- অত মজা হতো না যদিও। - তবে গোটা পরিবার খেতে পারতো।
ভুলেই গিয়েছিলাম। গিনজা'র কফিটা কত ছিল?
ওটা আমার তরফ থেকে।
- না, কত? - লাগবে না।
সত্যি? ধন্যবাদ।
- ফুফু। - কী?
কী?
- কী? - বড়োদাদু কি বয়রা?
মোটেই না।
কিন্তু কথা তো শোনেন না।
শোনেন।
গাধা!
জোরে বল!
গাধা!
গাধা!
- বড়ো চাচা, ক্লান্ত লাগছে না? - হয়তো...
তোমার বয়স কত এখন?
আটাশ।
বিয়ের বয়েস তো হয়ে গেল, তাই না?
ইয়ামাতো'র কোনো ভালো পাত্র চেনা আছে আপনার?
ধনী কেউ...
যে আমাকে সুখী করতে আর সহজ কোনো জীবন দিতে পারবে।
এমন কাউকে চেনেন?
কী সুন্দর দিন!
- শুভ অপরাহ্ন। - শুভ অপরাহ্ন।
দাদির সাথে হাঁটতে বেরিয়েছো, মিতসুকো? কোথায় যাচ্ছো?
গায়ে রোদ লাগাতে বেরোলাম।
- তোমার বাবা কি বাসায়? - না, তোমার ভাইয়ের সাথে।
আহ, কনফারেন্সে?
আশাকরি ও তোমার ভাইয়ের অসুবিধার কারণ না হয়ে কোনো কাজে আসছে।
ব্যাপারটা ঠিক তার উলটো।
কী সুন্দর জামা।
- শুনলাম তোমাদের একজন অতিথি এসেছেন। - আমার সাথে এখানেই আছেন।
আহ, তাই?
ইসামু, বড়োদাদুকে ক্যারামেল দে।
নাও।
আরে! কাগজও খেয়ে ফেলছে।
ওনার নিশ্চয় ভালো লাগছে।
কিন্তু শুনতে কি পাচ্ছেন? কানে একদমই শোনেন না তো।
সেজন্যই তো একদম সামনের সিট নিয়ে দিয়েছি।
তাকাকো অনেকক্ষণ হলো গোসলে গেছে।
- বাড়ি থেকে চলে এসেছে কেন? - উম...
শহর থেকে বাসায় এসে দেখি ও এখানে বসে কাঁদছে।
No comments yet. Be the first to leave one.