Die ersten 200 Zeilen.
হে সমাজপতি, ইগুতুর রূপে আমাদের নিকট আসা আরামুন, আমাদের পথ দেখান।
শুভ্র-শৃঙ্গ পর্বত চিত্ত।
ওরা কীভাবে জানলো?
কীভাবে জানলো আমি ইগুতু?
নেয়ানথাল!
হারিম আর নুনবিয়ল।
দুজনকে বাঁচাতে পারবো?
ARTHDAL CHRONICLES ⚔️ S01 E11 ⚔️
তোমাকে চিনতে পেরেছি।
একজন দেকান যোদ্ধাকে মৃত পাওয়া গেছে। তোমরা মেরেছো ওকে?
ও একজনকে মেরেছে,
আমাদের আক্রমণ করেছে আগে।
আর আমাকে সেটা বিশ্বাস করতে বলছো?
আতুরাদের সেদিন থেকে
মানতিভের সেদিন পর্যন্ত,
সারামদের আমরা কখনো আগে আক্রমণ করিনি।
এমনকি এখনও,
কে আক্রমণ করতে চাচ্ছে?
আতুরাদে...
আসা হন শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত অবিশ্বাস করে গেছে
তোমার যুদ্ধক্ষেত্রে থাকার কথা।
আর্থদালে কেন এসেছো?
একজনকে খুঁজতে।
পেয়েছো?
পেয়ে যাবো,
শীঘ্রই।
আমাদের আবার দেখা হতে হতে।
না, আর্থদালের মাটিতে আর পা রাখবে না।
নুনবিয়ল, ঠিক আছো?
লেগেছে কোথাও?
ভয় পেয়েছো নিশ্চয়ই।
শান্ত হোন।
আমাকে... আমাকে বলতে দিন।
কিছু শুনতে চাই না।
- ও নেয়ানথাল! - শুনুন।
দয়া করে কথা শুনুন!
মানতিভ যুদ্ধের সময়কার কথা।
চিকিৎসক হিসেবে সৈন্যদের সাথে ছিলাম।
সেদিন, পথ হারিয়ে ফেলি।
তোমার মাথা খারাপ?
ওকে মেরে ফেলতে হবে!
ও এত সুন্দর কেন?
ওকে আমার বোন বানাতে চাই।
কিচ্ছু হবে না।
ওর চোখদুটো
কী মায়াবী।
চোখে যেন তারা হাসছে।
এখন থেকে তোমার নাম, নুনবিয়ল।
আমার ছোট্ট বোন, নুনবিয়ল।
তলোয়ার চালানো।
কীভাবে শিখলো?
নেয়ানথালদের রক্ত আর শ্বাসক্রিয়া আমাদের চেয়ে ভিন্ন।
তাই, ওরা সারামদের হাতিয়ার চালানো শিখতে পারে না। তাহলে কীভাবে...
কারণ ওর সবকটা শিরা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছি।
নেয়ানথাল হয়ে সারামদের মাঝে
ওর সহজাত শারীরিক শক্তি এবং দ্রুততা নিয়ে থাকতে গেলে সমস্যা হতো।
তাই, ওর আটটা শিরা-ই কেটে দিই।
ওর মাঝে কোনো শক্তিই নেই!
একটা পাথরও তুলতে পারে না,
বড়জোর এক থলি চাল তুলতে পারে।
দিনে ৪০০ রি দৌড় তো অনেক পরের কথা।
ঔষধ আনতে অনেক কষ্টে পাহাড় বায়।
ওর মাঝে কোনো শক্তিই নেই।
আমাদের হুমকিও হয় না।
ওকে তলোয়ার চালানো শিখিয়েছি
যাতে নিজেকে বাঁচাতে পারে।
না!
নুনবিয়ল!
দেখলেন তো? নুনবিয়ল
সারামদের চেয়েও দুর্বল।
নেয়ানথালরা কেন এসেছিল?
আমাকে ওদের সাথে নিয়ে যেতে চাইলো।
বলে গেলো...
ভেবে দেখতে।
কিন্তু...
আমি যেতে চাই না।
বোন,
বাবা, মা।
ওদেরকে ছেড়ে যেতে চাই না।
হ্যাঁ, হ্যাঁ।
আমরা তোমাকে যেতে দিবো না।
দয়া করে কাউকে এটা বলবেন না।
মুবেক, আপনি নিজেই একটা ইগুতুকে বাঁচিয়েছেন।
বোধহয়
আসা হনের মৃত্যুই এসবের কারণ।
আমি একটা নেয়ানথালকে মানুষ করলাম,
আপনি একটা ইগুতুকে বাঁচালেন।
কিন্তু দেখুন, মুবেক,
ইগুতুটাকে বাঁচানোটা একেবারে আলাদা বিষয়।
কী করতে চাচ্ছেন আপনি?
অদ্ভুতভাবে,
পৃথিবীর ভুলগুলোকে শোধরাতে চাই।
ভুল শোধরাবেন?
মিথ্যা বিশ্বাস ভেঙে,
নিজের বাবার খুনি সমাজপতিকে, শাস্তির আওতায় আনবো।
তাহলে শুভ্র-শৃঙ্গ পর্বত চিত্তের সাম্প্রতিক বিদ্রোহের সাথে
আপনি জড়িত আছেন?
আর যাজকটাকেও আপনি মেরেছেন?
না, আমি মারিনি।
আমি মেরেছি।
তুমি মেরেছো?
কেন?
সময় এসেছে বলে।
আর্থদালবাসীর সময় এসেছে ধোঁকাবাজদের ছেড়ে
আসা সিনের আসল শিক্ষা অনুসরণ করার।
বহু লোক আঘাত পেয়ে মরবে।
আট বছর আগের ওলমাদের ঘটনাটা মনে আছে?
সামান্য অঙ্কনের কারণে কত কি না হয়ে গেল।
যাজক মারলে কী করে?
- ওদের বিপক্ষে জিতবো। - কীভাবে?
কারণ তিনটা।
এক।
গুরুমা, আসা সিনের
প্রত্যক্ষ বংশধর ফিরে এসেছে।
কীভাবে,
উনসমকে চিনো?
উনসমকে চিনো কীভাবে?
তোমাকে বাঁচাতে আর্থদালে আসার পর
আমার সাথেই ওর প্রথম দেখা হয়।
আমি চিকিৎসক ছেউন।
উনসমকে সাহায্য করেছিলাম।
তাহলে উনসম যখন...
ও যখন মারা গেলো,
দেখেছো তুমি?
ও বোধহয় ভেবেছে উনসম বেঁচে নেই।
কী হলো এটা?
ওর ঠোঁট তো নড়েনি।
এইমাত্র কী শুনলাম আমি?
সেদিন উনসম মরেনি।
তাহলে...
কোথায় ও?
উনসম এখন কোথায়?
সেটা জানি না। তবে আমি নিশ্চিত
সেদিন ও মরেনি।
তুমি জানোও না ও কোথায়।
তাহলে কীভাবে জানো ও সেদিন মরেনি?
যেদিন নকল উনসমকে মারা হয়,
উনসম আমাদের ঔষধালয়ে ছিল।
ধন্যবাদ।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
কী বললে?
ওরা আমাদের ভাষায় কথা বলে,
তাই ওদের ওখান থেকে হেসুলা এসেছিল,
আর ওয়াহানের পরবর্তী গুরুমা
আসা সিনের প্রত্যক্ষ বংশধর?
হ্যাঁ। আর তাই, সবাইকে গিয়ে জানানো উচিত,
আসা সিনের প্রত্যক্ষ বংশধরের ফিরে আসার কথা।
হ্যাঁ, শাস্তি তো পাবোই।
কিন্তু,
আর কোনো পরিকল্পনা না থাকলে সেটা হবে না।
এখন সমাজের মানুষের নির্ভর করার মতো কিছু আছে।
আচ্ছা, ওয়াহানের পরবর্তী গুরুমা
আসা সিনের তারকা ঘণ্টা কোথায় আছে জানে?
নিশ্চিত নই।
নিজেকে প্রত্যক্ষ বংশধর দাবি করে
সেটা খুঁজে না পেলে, মরবে!
আর শুভ্র-শৃঙ্গ পর্বত চিত্তও ধুলোয় মিশে যাবে।
তাহলে?
ওসব খোঁজার দরকার নেই।
পবিত্র কিছু পেয়ে আরামুন দেবতা হয়েছিল?
আরামুনের প্রয়োগ করার মতো ক্ষমতা ছিল।
আমাদের কোনো ক্ষমতা নেই।
ক্ষমতা। সেটার ব্যবস্থা আমি করবো।
এটাই দ্বিতীয় কারণ।
আর্থদালের সবচেয়ে ভয়ংকর এবং কার্যকরী ক্ষমতা।
সেটা কী?
সমাজপতি, তাগন।
তাগন নিরুহাকে চেনো তুমি?
ওনার মুখোমুখি হওয়ার ব্যবস্থা করবো।
তাগন নিরুহার।
এক মহিলা এসেছিল।
হাতে একটা চামড়ার কাগজ নিয়ে আবেদন কার্যালয়ের দিকে যায়।
মহিলা? কে হতে পারে?
নিরুহা, মহা মন্দিরে বার্তাবাহক পাঠিয়ে দিয়েছি।
যাবেন না?
যাচ্ছি।
সম্ভবত সারারাত ঘুমাতে পারোনি।
বাবা এটা তোমার কাজ?
তুমিই করেছো?
এই বন্দীশালার ব্যাপারে শুনলাম।
বন্দীরা বসতে, শুতে পারে না। শুধু দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।
বেশ কয়েক রাত নির্ঘুম কাটানোর পর,
ঠাণ্ডা ও নোংরা পানিতে ঢলে পড়ে,
শেষপর্যন্ত হার মেনে নেয়।
তাই?
তোমার জানা কথা,
নোংরা আমি ভালোই সহ্য করতে পারি।
সেভাবেই তো মানুষ করেছো।
নোংরা বানিয়েছো আমাকে।
নিরুহা শুধু চায় একটা কথা স্বীকার করে নাও।
গোসালে আক্রান্তদের মারার এবং
ধর্মবিরুদ্ধ গুজব ছড়ানোর আদেশ দিয়েছিল তাগন।
তাগন শুভ্র-শৃঙ্গ পর্বত চিত্তের লোক।
এসব স্বীকার করলে, তোমাকে শাস্তি পেতে হবে না।
বরং, তাগন শাস্তির আওতায় আসবে।
তুয়াকের কথায় গুজব ছড়িয়েছে
এমন একজনের জবানবন্দি নিয়েছি আমরা।
তুয়াককে একটু ওষুধ দিলে,
তোমার আদেশ মানার কথা গড়গড় করে বলে দিবে।
আমরা কেবল তাগনকে হারাতে চাই।
No comments yet. Be the first to leave one.