Die ersten 200 Zeilen.
"ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস্ বাংলাদেশ গ্রুপ- এ আপনাকে স্বাগতম"
- আমি খুব অস্বস্তিবোধ করছি - কেনো এমন চিন্তা করছিস?
ডিস্কো মানে কেবলমাত্র যুগলদের জন্য বোঝানো হয়, আমাদের কি ছেলেদের ছাড়া ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দেবে?
এটা কোনো সমস্যা না। রিসিপশনে ভাড়া দিয়ে অনেক ছেলেদের পাওয়া যায়।
- আমরা সেখান থেকে যে কোনো ছেলেদের নির্বাচন করে সহজেই ভেতরে প্রবেশ করতে পারবো। - ওয়াও এটা একটি অদ্ভুত ব্যাপার হবে!
- আপনাদের কতো জন ছেলের প্রয়োজন? - প্রথমে ছেলেদেরকে ডাকুন। আমরা তাদের দেখে তারপর বলবো।
কামলাকেও তো নির্বাচন করা উচিৎ
তোমাকে ডাকা হয়েছে, ভেতরে যাও, যেতে বলছি না...
আমাদের ছেলেরা যতদূর জানি তারা পাগলদের মতো নাচানাচি করে না।
আপনি কাকে নির্বাচন করবেন?
আমাদের বালু? বালু... চলে আয়
বালু, তুই পালিয়ে যাচ্ছিস কেনো?
- বাবা, তুমি কীভাবে এখানে আসলে? - বোকা! এমনকি সকাল ৬ টা অবধি ঘুমাস?
আমি কি ঘুমাচ্ছি? আপনি রাবিশের মতো কথা বলছো কেনো?
বোকা। আমি সাইরেনের মতো চিৎকার করছি। তুই এখনও ঘুমাচ্ছিস?
সকাল ৬ টা বাজে। তোকে জাগানো কি আমার উচিৎ? ওঠ, বলছি
হায় খোদা! আমাদেরকে রক্ষা করো।
এই যে সাধু ভাই! আপনাদের এইসব কাহিনীর মানে কী? আপনারা দুই ভক্তিমণ্ডলীর কাছে আমি হয়ে গেছি বলির পাঁঠা।
নিরাপদে পৌঁছানোর পরে একটি চিটি দিস। আমার প্রভু শিব! আমাদের ত্রাণকর্তা!
''মা তোমায় সালাম''
- আজকে হচ্ছে শিবরাত্রি। নেয় গায়ে মেখে পবিত্র হয়ে যা। - আমি এই সব পছন্দ করি না, তুমি জানো না?
- এটা শুনলে তোর বাবা তোকে ধমকাবেন। - আমিও ধমকাবো
এদিকে তাকাও, তোমার স্বামীকে তুমি ভয় পাও, কিন্তু আমি পাইনা। বুঝেছো ব্যাপারটা?
- কী হয়েছে? - কিছু না বাবা, আজকে হচ্ছে "শিবরাত্রি", তাই না?
আমি মায়ের কাছে জিজ্ঞাসা করছি যে, আমাকে কোন কোন শ্লোক পাঠ করে ঈশ্বরের প্রশংসা করা উচিৎ।
কে এটা কপালে লেপন করবে?
গাধার বাচ্চা গাধা
ভক্তি হৃদয় থেকে আপনাআপনি উদয় হওয়া উচিৎ, এটা কারোর বল প্রয়োগের মাধ্যমে আসে না।
আমি বড় চাচার একজন উত্তরাধিকারী, তুমি জানো না? আমি একজন নাস্তিক। বুঝেছো?
- তোর বড় চাচার? - হ্যাঁ
যা উনাকে গিয়ে দেখ
- হে সিমহাদ্রি আপ্পান্না! - বড় চাচা!
তুমিও বদলে গিয়েছো? আমরা উনার ছেলে হিসাবে উনাকে ভয় করি। তুমি কেনো ভয় করো উনাকে?
তুমি হচ্ছো বাবার বড় ভাই, তাই না? তার উপর, তুমি একজন এক্স-কর্নেল।
এরকম না রে বাবা।
তোর বাবা আমাকে পিতার মতো এবং পরিবারের প্রধান হিসাবে সম্মান করে।
তাই, আমি আমার সমস্ত ইচ্ছাকে সিন্ডিকেট ব্যাংকের একটি লকারে তালাবদ্ধ করেছি।
এটা বাদ দাও তো।
আমি একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখেছি। ছেলেদের জন্য মেয়েরা লাইন ধরেছিলো, চাচা।
- তুই কি পাগল? - আমি যদি পাগল হই তাহলে তুমি হলে একজন দালাল।
তুমি হচ্ছো একজন মেয়েদের জোগানদার।
তাদের মধ্যে একটি সুন্দর মেয়ে আমাকে ছেয়েছিলো, চাচা।
- কী ঘটেছিলো? সে কি তোকে বুকে জড়াইয়া ধরেছিলো? - তা আর হলো কোথায়। মধ্যখানে বাবা এসে ব্যাঘাত ঘটালেন।
- সেখানেও সে? - হ্যাঁ, চাচা। আমি যেখানে যাই, তিনিও সেখানে চলে আসেন।
তোর বাবার মেজাজ গরম দেখেছিস কিন্তু সে তোকে কতো ভালোবাসে, সেটা কি তুই জানিস?
প্রতিদিন এই উপাসনার ব্যাপারে তুই কী জানিস?
তোর জন্য বাইরে অপেক্ষা করছে একটা নতুন ইয়ামাহা বাইক, তুই কি দেখেছিস?
বাইক!
আমাকে বাইকটি কিনে দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, বাবা।
তাই নাকি
তোমার বড় ভাই ইঞ্জিনিয়ারিং করেছিলো। আমি তার জন্য এমনকি একটি সাইকেল কিনে দেই নি।
দ্বিতীয় ছেলে এমসিএ পড়ছে, আমি তার জন্য এমনকি একটি "TVS 50" কিনে দেই নি।
তুমি অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে, এখন "বিএ"তে যোগদান করেছো।
শুধুমাত্র ঈশ্বর বোধয় জানেতেন, তুমি "বিএ"তে যোগদানের উপলক্ষে এই বাইকটা পাবে।
আমাকে আন্তরিকভাবে বলো তো,
তোমার কি সত্যি সত্যি একটি বাইকের প্রয়োজন?
বাইকটা তোমার জন্য কেনা হয় নি। এটা পারিবারিক কাজে ব্যবহার করার জন্য কেনা হয়েছে। যাও।
বাইকের চাবিটা দেয় তো।
ভাইয়া
বলছি না, চাবি দিতে।
বালু
দাঁড়া তো
আমি চাই না।
দাঁড়া।
- বলছি না দাঁড়াতে? - না।
দাঁড়া। তুই আমার কথা শুনতে পাচ্ছিস না?
- আমার কথা শুনবি না - না
এদিকে তাকা, কেনো তুই তোর বাবার কথায় মন খারাপ করছিস?
আমি তোর জন্য, আমার প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে টাকা তুলে এই বাইকটা কিনেছি। হ্যাঁ।
সত্যি চাচা?
আমি চেয়েছিলাম তোর বাবার হাত দিয়ে তোকে এটি দিতে।
সে এটা দেখে হাসছিলো।
তোমাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ, বড় চাচা।
তুই হচ্ছিস আমার উত্তরাধিকারী।
যদি তুই এটাতে আজেবাজে স্টিকার লাগিয়ে সার্কাস বাইকের মতো করিস...
...তাহলে আমি এটা পুরনো লোহার দোকানে কেজি হিসাব করে বিক্রি করে দেবো।
- আমি যদি তোমাকে ঠকাই তাহলে তুমি আমাকে কী করবে? - আমি জানি তুমি এটা করবে।
সেজন্যই আমি তোমার বোনের কাছেও ভালোবাসার চিঠি লিখেছি
মালা দেওয়া! পূজা করা! আজেবাজে কথাবার্তা!
জোসেফ, কালেকশন কতো হয়েছে?
কালেকশন কিছুই হয় নি, বালু আমার বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে সংগ্রাম করা উচিৎ।
সুব্বু! আমাদের বন্ধুবান্ধব কেউ আসেনি?
বালু, তাড়াতাড়ি ভেতরে আয়
- কী হয়েছে? - ভেতরে আয়
- আমি তোকে বলছি না, ভেতরে আয় তাড়াতাড়ি - হয়েছে টা কী?'
কাহিনী আছে, ভেতরে আয়
বালু
এদিকে আয়
সে আসছে
তোমরা এখানে কেনো?
কী ঘটেছে, জানিস?
কী?
আমাদের শাকিলাকে তুই চিনিস?
শাকিলা কে?
- এল কোয়ার্টারে ডিএসপির মেয়ে। - হ্যাঁ, শাকিলা। তো কী হয়েছে?
আমাদের বজ্ঞু সুরিয়া রাও, তাকে লাভ লেটার লিখে দিয়েছে।
- ও খোদা! তারপর? - সে হয়তো তার বাবা মাকে এ ব্যাপারে জানিয়েছে।
তারা আমাদেরকে মারার জন্য প্রস্তুত হয়ে বসে আছে। সেজন্যই আমরা এখানে লুকিয়ে আছি।
- কোথায় বজ্ঞু হারামজাদা? - দাঁড়া
উঠে আয়, হারামি
তোর কি কোন জ্ঞান-বুদ্ধি নেই? এটা করতে গেলি কেনো?
আমি যখনই তার দিকে তাকাতাম, সে আমার দিকে চেয়ে হাসতো, বালু।
- সে হয়তো তোকে জোকার ভেবে হাসতো। - তুই ভেবেছিস সে তোকে ভালোবাসে।
দাঁড়া, তারা এখন এসে, তোকে মেরে কিমাকিমা বানিয়ে ছাড়বে।
তোর বন্ধুত্ব রাখতে গিয়ে, আমাদেরকে এখন মরার ফাঁদে পড়তে হলো।
এই সালার দিকে তাকা, সে টেনশনের বদলে শরীরচর্চা করছে।
কীসের জন্য?
পালাবার জন্য আরকি।
আমি কিচ্ছু জানি না। যদি তারা আমাদেরকে মারতে আসে, তখন আমিও তাদের সাথে যোগ হয়ে তোকে মারবো।
- এইটা খুব ভালো উপায় বাঁচার। - সেজন্যই তো দিলাম।
দেখছিস বালু, তারা সবাই আমাকে নিয়ে মশকরা করছে।
এই চুপ থাক।
ডিএসপির মেয়েকে তার ভালোবাসা উচিৎ নয়, এমন নিয়ম আছে নাকি এখানে?
এই চিন্তা করিস না। আমি সব কিছু দেখে নেবো।
এই দিকে দেখ, শাকিলা আসছে।
দেখ এসে
- কী? - সে দেখতে খুব সুন্দরী।
দেখ তোর গায়ের রঙ আর তার গায়ের রঙ মিলিয়ে, বামন হয়ে চাঁদে হাত বাড়াতে গেলি কেনো?
এটা এমন ভয়ের ব্যাপার না তারপরও তোরা ভয়ে ডুবে আছিস সে একাই আসছে, তুই দেখছিস? - হ্যাঁ
সে একটা পুলিশের মেয়ে। তারা তাকে প্রথমে পাঠিয়েছে যাতে আমরা তাকে ফলো করি, তারপর তারা আমাদেরকে মারবে।
বাইরে যেয় না রে।
চিঠি রে!
সুব্বু, আমার বন্ধুরা যা চায়, তাদের...
প্রথমে চিঠিটা পড়
এইটা হচ্ছে আমার জীবনের প্রথম লাভ লেটার রে বন্ধু।
জীবনে এইগুলো সব স্বাভাবিকভাবেই হয়।
প্রথমে চিঠিটা পড়
চিঠিটা পড়
বজ্ঞু হারামজাদা তো হিরো আলম থেকেও কম না।
তোকে জুতা দিয়ে মারবো!
এই কী হয়েছে তোর?
তুই কি তোর মুখ জীবনে আয়নায় দেখেছিস? এই মহান ইংলিশ লাভ লেটার লেখার কি দরকার?
সব লেখার মাঝে বানানের ভুর আর ভুল? তোকে এই উপদেশ কে দিয়েছিলো?
সে মরার আগে, তাকে প্রথমে মার।
কেনো তুই তাকে মারছিস?
যদি আমি চাইতাম তাহলে আমার বাবাকে বলে তোকে জেলে ঢুকিয়ে দিতাম, কিন্তু আমি এটা করি নি।
কেনো এটা করি নি তুমি জানো?
যদিও তুমি বিচ্ছিরির মতো দেখতে, তুমি তোমার ভালোবাসাটা আন্তরিকভাবে প্রকাশ করে, আমাকে মুগ্ধ করেছো।
আগামীকাল ইন্দিরা পার্কে এসো। তোমার জন্য আমি অপেক্ষায় থাকবো।
আমিও তোমাকে ভালোবাসি।
- চল - চল মানে কী?
আমি তোকে পরে বলবো, আগে বাইকটা চালা।
সিগনাল দেখছিস না
সিগনাল দিয়ে দেবে, বাইক চালা আগে।
যা...
হুট করে এসে বাইকে বসে তুই আমাকে বলছিস বাইক চালু করতে, কী এমন জরুরি?
আমি তোকে বলবো, আগে তাড়াতাড়ি যা...
কী এমন জরুরি?
- আমি খুব ভয়াবহ চিন্তার মাঝে আছি, তাড়াতাড়ি চালা। - এহ, মরার জন্য তাড়াহুড়ো করছিস!
ও খোদা! আমি জানি না সেখানে কী হয়েছে! আরো দ্রুত চালা।
- সিগনালের জন্য থামিস না, ওই দিকে যাও। - ও খোদা!
এখানে, থামা।
প্রিয়া চলে এসেছে।
ঊষা, টিকেট পেয়েছিস?
হ্যাঁ পেয়েছি।
সৌভাগ্য আমার! কতো অস্বস্তিতে ছিলাম আমি টিকেটের জন্য, তোমরা জানো?
বাসও সময় মতো আসে নি।
সময় মতো ওই বোকাটাকেও পেয়ে গেলাম, এখানে নিয়ে আসার জন্য।
তোমরা চেনো তাকে? সে আমার ভাইয়া
ভাইয়া সাবধানে বাড়ি ফিরে যাও। আমি পরে আসবো।
- বাড়িতে আয়, তখন না ট্যার পাবি। - এই যা তো।
হ্যালো, বড় চাচা।
হাই!
হাই চাচী।
কী ব্যাপার?
বড় চাচা ওখানে নীরব বসে আছেন আর তুমিও এখানে নিশ্চুপ।
তোমাদের সমস্যা কী?
আমার সঙ্গে কথা বলিস না।
তাহলে আমি চললাম।
গত সাপ্তাহে প্রতিজ্ঞা করেছিলি আসবি, আসলি না কেনো?
তাহলে এই ব্যাপার?
আমি আরো ভয় পাচ্ছিলাম অন্যকিছু নিয়ে।
দেখো, চাচী আম্মা...
যদি আমাকে প্রায়ই আসতে হয়, তাহলে আমার হোস্টেলে থাকা উচিৎ কেনো? আমি তো এখানেই থাকতে পারি।
জ্বী না, এটার দরকার নেই।
যদি তুই তোর বড় চাচা আর ভাইয়ের সাথে মিশে যাস, তাহলে তোর পড়ালেখার সর্বনাশ হবে।
তার চেয়ে ভালো তোর হোস্টেলেই থাকা।
তাহলে তুমি বোঝতে পেয়েছো?
চাচী আম্মা, এখানে আসো।
কী ব্যাপার?
দুইটা পাকা চুল, কেনো তুমি কালার করো না?
চুপ কর! যা স্নান করে নেয় আমি নাস্তা দিচ্ছি।
দীপাবলির আর দুই দিন বাকি, সকল কাজ পড়ে আছে।
বালু কোথায়?
সে স্টেশনে গিয়েছে, আজকে তোর বাবা মা আসছেন, জানিস না?
নমস্কার চাচা মিয়াঁ
কবিতার কী হয়েছে? আপ্পি, ন্যাকামো করিস না।
নমস্কার, চাচী আম্মা।
- কেমন আছো, দামু? - খুব ভালো।
- তোমার দাঁত গুলো এতো নোংরা কেনো? - না! আমি মেহেদি দিয়েছি দাঁতে, এটা এখনকের ফ্যাশন।
এটা মেহেদির রঙ না, এটা হচ্ছে মানিকচাঁদের গন্ধ।
আচ্ছা যাইহোক, তুমি কী বালুর কাছে এসেছো, কোনো ব্যাপারে?
আমি বালুর সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পড়তে এসেছি।
পড়ালেখার প্রতি তোমার কতো আগ্রহ! বালুকে তুমি জিজ্ঞাসা করো না কেনো তোমার মতো পড়ালেখা করতে?
সে সবসময় তার বাবার কাছে বকা খায় এই ব্যাপারে।
আমি তাকে যে কতোবার বলেছি পড়ালেখার কথা! আমি তাকে সাইকুমারের বজ্র কণ্ঠস্বরেও বলেছিলাম।
কিন্তু সে কানেই নেয় না।
আমি সারাটা সময় পড়ালেখা নিয়ে বসেই থাকি।
যখনই আমি ফ্রি থাকি, তখন আমার বাবাকে একটু সাহায্য করি।
তোমার মতো ছেলে পেয়ে তোমার বাবা মা'রা খুব ভাগ্যবান।
No comments yet. Be the first to leave one.