Die ersten 200 Zeilen.
অনুবাদ ও সম্পাদনা আরমান আল মাহমুদ
কোরিয়ার শীর্ষ ওয়েবটুন সিরিজ W।
প্রধান চরিত্র খাং ছুল, ওহ ইয়ন-জুর কাছ থেকে জানতে পারে
সে একটি ওয়েবটুনের প্রধান চরিত্র।
খুনিকে ধরতে, আগে তার পরিচয় তৈরি করতে হবে।
এটাই আমার চেহারা?
ইয়ন-জু এবং নিজের পৃথিবীকে বাঁচাতে সং-মুর সাথে হাত মেলায় ছুল।
তুমি আমাকে মারতে চাচ্ছো। এটা বিশ্বাসঘাতকতা।
সব ঠিক করার আগেই...
কিছু লাইন লেখো। প্রথমে ছুলের লাইন।
এটা তোমার মাথাব্যথা নয়, বাবা। নিজেকে কী ভাবো?
- তুই মাতাল হয়ে... - সব মিথ্যা।
সন হিউন-সক খুন হয়, যে ছিল ছুলের বাবার মতো।
এই! দাঁড়াও!
- আর ছুল ফেঁসে যায়। - কোথাও লেগেছে?
কোথায় আমরা?
মোটেলে।
ছোটখাটো একটায় উঠেছি।
তবুও চিন্তা হচ্ছে।
ফেঁসে গেছো, তাই না?
অস্বাভাবিক কিছুতে?
তাই পালিয়েছো, তাই না?
কী হয়েছে এবং কীভাবে সমাধা করা যায় বের করার চেষ্টা করবো।
সিরিয়াস কিছু হয়েছে বোধহয়।
এখনো জানি না।
এখানে থাকাটা বিপজ্জনক।
তোমার আরও ওষুধও লাগবে।
তাই আমাকে এখানে থেকে বেরুতে হবে।
একা থাকতে পারবে তো?
দেখো, ইয়ন-জু।
আমার জন্য এখানেই অপেক্ষা করো।
তোমার কথা একটুও বুঝিনি।
কীসের কথা বলছো?
আমাকে কীভাবে সাহায্য করবে?
আমি তাদের একজন...
যারা তোমার জীবনের হ্যাপি এন্ডিং চায়।
তাই আমাদের বিচ্ছেদ নিরর্থক নয়।
ইয়ন-জু।
তুমি...
কে?
আমাকে এখান থেকে যেতে হবে।
তাই...
আশাকরি এতে আবার কাজ হবে।
সু-বং।
সু-বং!
বাবা?
বাবা।
এমন করলে কেন? বলেছিলে হ্যাপি এন্ডিং দিয়ে শেষ করে দিবে।
তাহলে সবাইকে মেরে...
ছুলকে ফাঁসালে কেন?
ওকে এবার খুশিতে থাকতে দেয়া যায় না?
বাবা।
বাবা?
স্যরি।
স্যরি।
হ্যালো?
ইয়ন-জু, কোথায় তুমি?
হাসপাতালে এসেছি। তুমি নেই কেন?
আমি স্টুডিওতে এসেছি, কিন্তু বাবার...
কী হয়েছে?
ওনাকে দেখেছো? ওনার...
ওনার চেহারা অদৃশ্য হয়ে গেছে।
দেখেছি! হয়েছেটা কী?
ওনার চোখ, নাক, ঠোঁট অদৃশ্য হয়ে গেছে।
সনের বুকে গুলি করো।
ছুলের হাতে একটা বন্দুক এঁকে দাও।
উনি পাগলের মতো আঁকছিলেন।
তাহলে খুনির কথামতো বাবা আঁকছিল?
জানি না।
আমার...
আমার...
ভীষণ ভয় করছে।
বাবার এখন কী হবে?
বাবাই খুনি? তাহলে কীভাবে...
জানি না।
ওখানে থাকা বিপজ্জনক। জলদি চলে এসো।
ছুল গুলি খেয়েছে। ওকে একা ফেলে গেলে মারা যেতে পারে।
কিন্তু তুমি আগে মারা যেতে পারো! স্যার আর স্যার নেই!
ওখানে ওটা স্যার নয়!
দরজাটা লাগিয়ে চলে আসো।
এক্সকিউজ মি?
- ডাক্তার সাহেব। - জি।
ডাক্তার সাহেব, খুব ভয় করছে।
কেউ আসতে পারে, ডাক্তার সাহেব। ভেতরে চলুন।
- আচ্ছা, চলুন। - জলদি চলুন!
খুলুন।
দরজা খুলেছে।
মি. স, আপনাকে আমাদের সাথে আসতে হবে।
বেশ লম্বা তদন্ত হবে।
কীভাবে বোকা বনে আপনাদের সাহায্য করেছি তা ভাবলে,
ইচ্ছে করে...
তারপর আবার, আপনি বোধহয় জানতেন না।
মি. সন ৩০ বছর ধরে ছুলকে চিনতো,
তবুও তিনি খুন হয়ে গেলেন।
স্যার।
- ছুল কোথায় পালিয়েছে জানা গেছে। - কোথায়?
এক ঘন্টা আগে ইয়নগিন মোড়ের ক্যামেরায় তার গাড়ি দেখা গেছে,
কিন্তু বেকবং মোড়ে পৌঁছার আগে উধাও হয়ে গেছে।
দূরত্ব ৩ কি.মি. তাই শীঘ্রই তাকে পেয়ে যাবো।
গুলি খেয়েছে, তাই বেশিদূর যেতে পারবে না।
আপনার গাড়ি তল্লাশি করতে হবে।
আমরা এক পলাতককে খুঁজছি।
ট্রাঙ্ক দেখতে পারি?
কী? খাং ছুল এখানে?
জানি না আসলে। আমার শিফট মাত্রই শুরু হলো।
- গেস্ট লিস্টটা দেখি। - অবশ্যই।
- কত নাম্বার রুম? - ২০৯
- কে? - পুলিশ।
- কী ব্যাপার? - আমরা এক খুনের সন্দেহভাজনকে খুঁজছি।
- একটু দেখি। - জি।
কে?
পুলিশ। আপনার রুম তল্লাশি করার ছিল।
- কী ব্যাপার? - একটু দেখি।
ধন্যবাদ।
এরপর?
২১৩
কী ব্যাপার? ২১৩ তো নেই।
কোনো ভুল হয়েছে হয়তো।
সেকেন্ড ফ্লোর দেখা শেষ। থার্ড ফ্লোরে যাচ্ছি।
সহ্য করো। একটু সহ্য করো।
তুমি নেশাগ্রস্ত থাকায় মনে না থাকলে?
আপনি কি...
আমাকে সন্দেহ করছেন?
আমি সত্যিটা জানতে চাই।
স্যার।
আমি খুনি নই।
আমি খুনি নই, স্যার।
ইয়ন-জু।
তুমি নাকি?
জবাব দাও।
কোথায় তুমি?
চোখ মেলে তাকাও।
আমি এখন ওখানে যেতে পারবো না।
তাই...
তোমাকে তোমার ক্ষতের চিকিৎসা করতে হবে।
প্লিজ ওঠো।
কে তুমি?
ওহ ইয়ন-জু?
কখন বের হলে?
বাবা?
বাবা।
তাহলে এখানে কাজ করে?
ভেতরে চলুন।
দাঁড়ান।
ইয়ন-জু?
- এক্সকিউজ মি? - হ্যাঁ?
আমাদের সবে পরিচয় হয়েছে।
এভাবে হাত ধরাটা বেশি হয়ে যায় না?
- আমি... - ধীরেসুস্থে আগান।
- এক্সকিউজ মি। - হ্যাঁ?
স্যরি।
ইয়ন-জু?
ইয়ন-জু...
খোদা।
ভাবলাম তোমার কিছু হয়েছে।
ঠিক আছো? তোমার ঠোঁট ঠিক আছে?
স্যারের কী অবস্থা?
বিছানায় শুইয়ে দরজা লাগিয়ে দিয়েছি। আর কোনো উপায় ছিল না।
চমৎকার অফিস।
খাং ছুল।
এটা বাথরুম নাকি?
পাওয়ার অফ করায় বাবা শান্ত হয়েছে।
কেন?
ওটা বন্ধ করায় বোধহয় খুনির সাথে ওনার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
আমারও তা-ই ধারণা।
নিশ্চিত না যদিও।
স্যারের এখন কী করবো?
সেবারের মতো আবার স্বপ্ন বানিয়ে দিতে চাচ্ছি।
স্বপ্ন? স্বপ্ন?
হ্যাঁ। স্বপ্ন বানিয়ে দেয়া দরকার।
এবার আরও আগে গেলে কেমন হয়?
১০ বছর আগে, ছুলের পরিবার মারা যাবার আগে।
খুনি আসার আগে দেখা স্বপ্ন বানিয়ে দাও।
তাহলে ওকে শুরুতেই সরিয়ে দেয়া যাবে, তাই না?
কিন্তু...
এটা চালু করতে পারছি না।
খুনি যদি চালু করার অপেক্ষায় থাকে?
এটার সাহায্যে এখন কিছু আঁকা যাবে না।
তাহলে কী করবো?
হ্যালো?
ওয়াও, তাহলে এটা ওর বাবার অফিস।
ইয়ন-জু কোথায়?
এইতো।
কোথায়?
কী?
কী হলো?
কী?
দাঁড়ান, সক-বম।
এটা বলিনি। দাঁড়ান, সক-বম।
ওহ ইয়ন-জু?
ওর আসল নাম ওহ ইয়ন-জু?
এই ওহ ইয়ুন-জুটা কে?
ওর সাথে কেন ছুল পালালো?
তাই নাকি? তাহলে ওকে ধরার জন্য আগে মেয়েটাকে ধরতে হবে।
ইট মারলে পাটকেল খেতে হয়।
এর মানে ধর্ম ন্যায়ের পক্ষে।
আরও মানে পৃথিবী নিজের নিয়মে চলছে।
বলেছিলাম খাং ছুল একটা সাইকোপ্যাথ।
হ্যাঁ।
ছুল এরেস্ট হলে, প্রসেসে অনেক লম্বা সময় যাবে।
No comments yet. Be the first to leave one.