Die ersten 200 Zeilen.
অনুবাদ ও সম্পাদনা জিতু বিশ্বাস
এই!
জনি, ওঠো ভাই।
দ্রুত কাজ শুরু করতে হবে।
উঠে পড়ো।
এই!
জেমস!
জেমস, সকাল হয়ে গেছে। উঠে পড়ো!
ওঠো!
যত্তসব!
এই, মোনাই। এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে।
চলো, ওঠো।
এই, ওঠ!
মুভিতে বিজিএমের তেমন কাজ নেই। তার বদলে ডিরেক্টর বিভিন্ন সিনের ব্যাকগ্রাউন্ডে টিভিতে চলা কোনো সিনেমার সিন বা রেডিওতে চলা গান ব্যাবহার করেছেন, যেগুলি ঐ সিনের সাথে অনেকটা যায়। যতদূর সম্ভব চেষ্টা করেছি সেগুলি অনুবাদ করার।
ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা এসব সিন বিভিন্ন তামিল মুভির। ফলে তামিলিয়ানরা এই মুভিটাকে অধিক উপভোগ করতে পারবেন, যেখানে আমরা হয়তো ততটাও পারবো না কারণ আমরা সেসব সিনের কনটেক্সট ধরতে পারবো না।
হালেলুইয়াহ!
হালেলুইয়াহ!
আমার প্রভু এসেছেন!!
আমায় আপন করে নিয়েছেন।
ঠিক কোনো ময়ূরপঙ্খীর মত...
হালেলুইয়াহ!
হালেলুইয়াহ!
প্রশংসা করি আপনার... প্রভু, প্রশংসা করি আপনার।
আপনার কৃপা কতই না মধুর।
আপনার প্রেম কতই না মধুর।
উঠে পড়ো! এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে!
এই, জনি, ওঠো। দোকান খুলতে হবে আমাকে।
তুমি কি ঘুমাতে পারো না?
শুধুশুধু জ্বালাচ্ছো আমাকে।
সকাল সকাল দোকান খুলতে হবে! উঠে কাজে লেগে পড়ো।
আলসেগুলো একদম কথা শোনে না।
জেমস! ওঠো!
যত্তসব!
তুইও রাতে ঘুমাসনি?
দেখ, যা হয়েছে ভুলে যা।
আজকাল, নায়কদের ভাগ্যেই মেয়ে জোটে না৷
তাহলে, তোর কি আর চান্স আছে?
শোন...
মোনিকা কেমন হয়? কী বলিস?
ওর একটা মাত্র মেয়ে আছে।
চেষ্টা করে দেখবো?
এখন গিয়ে তৈরি হ।
তোর ভাইকেও উঠে তৈরি হতে বল।
জনি, যাও তো গিয়ে লোকটাকে ডেকে আনো।
তাতে কেমন যেন কাজ হবে!
কোথাও যাওয়ার হলে, ও-ই সবার শেষে আসে।
আরে! তোমরা দু'জন তো অন্তত বাসে উঠে বসো।
- চলো - ও আসুক ধীরে-সুস্থে।
এইযে, জনি ভাই।
কালকের ঘটনার রেশ এখনো কাটিয়ে উঠতে পারোনি?
ওসব ভুলে যাও।
তুমি গিয়ে জেমসকে ডেকে আনো।
দেখাচ্ছি তোমাকে।
- আমাকে… - আমি নিজেই দেখাচ্ছি।
না, ছাড়ো।
- কেন দেখাতে চাইছো না? - আমি দেখাচ্ছি…
- দেখাও! নাহলে আমাকে দেখতে দাও। - দেখাচ্ছি।
আমাকে দেখতে দাও।
ফেলো ওটা।
কী করছো ওখানে? ভিতরে এসো।
হ্যাঁ, আসছি। তুমি চুপ থাকো।
তাহলে, আসো।
রাম ভাই, এদিকে আসো।
ব্যাথা করছে?
মানা করেছিলাম করতে।
তুমি আর তোমার মানত।
এত রাগ করছো কেন?
আমাদের ছেলে যখন ৫ বছরের ছিল তখন এই মানত করেছিলাম।
এত বছর ধরে জিজ্ঞেস করেছি তোমাকে।
তখন করলে এত ব্যাথা করতো না।
চার্চ অব্দি হাটু গেঁড়ে গেলে, যে বয়সেই করো না কেন, ব্যাথা করবেই।
দেখি, পা টা দেখাও তো।
এত বিরক্ত হচ্ছো কেন?
ভিড়ের সিজন শুরু হবার আগেই,
সবাইকে ভেলানকান্নি'তে তীর্থযাত্রায় নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম।
জানিনা এসব কিছুর টাকা কোথা থেকে জোগাড় হবে।
ওদের মদের দাম আমি দিতে পারবো না।
এসবের খরচা ওরাই দেবে।
- জ্বলছে? - অল্প।
এসব কেন নাও?
ফ্লু আছে না আমার?
যা, দ্রুত তৈরি হয়ে নে।
অনেক খেজুর আর মিষ্টি নিয়ে এসেছি। চাইলে কিছু খেতে পারো, মোনিকা।
আমি ওকে খেজুর আর মিষ্টি দিয়ে দেবো।
তুমি এপাশে এসে বসো।
না, এখানেই ঠিক আছি।
বললাম তো এপাশে বসো।
ওঠো।
- এই, মোনাই, আমাকে কয়েকটা খেজুর দেওয়া যায়? - হ্যাঁ, অবশ্যই।
মোনিকা।
অর্ঘ্য নিবেদন করেছো?
হ্যাঁ, করেছি।
মালাবারের প্রস্তাবের কী হলো?
কাজ হয়নি।
আটটা রুম।
আর সাথে দুটো বাড়তি বিছানা।
দেরি হয়ে গেছে নাকি?
না।
বাকিরা তো যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।
হ্যাঁ।
রাতে ঘুমাননি?
না।
জানিনা কেন...
শোবার আগে গোসল করলে, রাতে ভালো ঘুম হবে।
এমনিতে ভালোই ঘুম হয়। জানিনা কালকে কী হয়েছিল।
এখানে কী লেখা?
“মৃত্যু হলো গভীর তন্দ্রায় নিমগ্ন হওয়া। জন্ম হলো ঘুম থেকে জেগে ওঠা।”
- কী?! - ঘুম অর্থাৎ মৃত্যু।
আর ঘুম থেকে জেগে ওঠা অর্থাৎ জন্ম।
"থিরুক্কুরাল" এর একটি পঙক্তি।
ওহ, "থিরুক্কুরাল!" নাটকের টাইটেলের জন্য ভালো নাম।
কন্যাকুমারীতে বিবেকানন্দ পাথরের কাছে ওনার মুর্তি রয়েছে না?
যখন সুনামি হলো, ঢেউ ওটার উপর আছড়ে পড়ছিলো!
কোনো ঢেউই এই মূর্তির উপর দিয়ে যেতে পারে না।
এই নিন।
এই!
ওটা আমাকে দে।
শব্দ কোরো না।
এই, ইতোমধ্যে দুপুর হয়ে গেছে। আমার আবার ফিরে দোকান খুলতে হবে।
তাহলে হোটেলের বিল কি তুমি মিটাবে?
সব গাদিয়ে ভরেছো, এটা কোথায় রাখবো এখন?
- তুই এখানে বসবি? - তুই এখানে এসে বস।
ধীরে চালিও, বুঝলে?
এখানকার লোকজন, সোজা এসে ধাক্কা লাগিয়ে দেয়।
নানপাকাল নেরাথু মায়াক্কাম।
এই, মোনাই!
আমার জন্য একটা রুটি আর দুধ নিয়ে আসতে পারবে?
জনমানবহীন জায়গা একেবারে।
কাছাকাছি লোকালয়ও নেই।
এখানে ভালো ভাত পাওয়া যায়।
- ভাই, একটা রুটি আর দুধ নিয়ে আসতে পারবে? - যা, ভাগ!
ও সবসময় এরকম করে!
সম্ভবত কমিশন পায়।
নিজের ইচ্ছামত ভাজাপোড়া অর্ডার দেয় আর তার বিল আমার দিতে হয়।
আমিও ভাজাপোড়া খেতে চাই।
তুমি না চাইলেও।
শোনো, ২ টা বেজে গেছে।
এখন এলে, কিছু খেতে পাবে।
জেমস, একটা রুটি আর দুধ নিয়ে আসতে পারবে?
রুটি আর দুধ? দিবাস্বপ্ন দেখছিস নাকি?
যা পাস, তাই খা।
আপনার হয়েছে?
- বাপরে, ভিতরে কী গন্ধ! - শেষ হয়েছে তো?
- যার যেতে হবে, যাও। - হ্যাঁ।
নাহলে, মনে নেই ত্রিপ্রায়ার থেকে নাটক করে ফেরার পথে কী হয়েছিল?
খোলা জায়গায় প্রস্রাব করতে হয়েছিল!
আর গাড়ির হেডলাইটের আলো দেখলে ঝোপ থেমে দৌড়ে বেরোতে হচ্ছিল।
আমি যাই এবার।
কী নিয়ে হাসাহাসি করছো তোমরা?
ত্রিপ্রায়ারের ঘটনার কথা বলছিলাম।
জলদি আরেক গ্লাস দাও। দোকান খুলতে হবে আমাকে।
আর কতবার ঐ এক কথা বলবে, বাবু ভাই! তুমি আর তোমার রেশনের দোকান।
দোকান তো সন্ধ্যায়ও খুলতে পারো।
আমার এলাকার লোকেদের চেনো না তুমি!
বাবা যেদিন মারা গেলো, দোকান খুলতে পারিনি ঐদিন।
এক বজ্জাত বাড়ি এসে, আমাকে বলছিল,
তোমার বাবা মারা গেছে বলে কি মানুষ রেশন না কিনে থাকবে!
- এই, এসে একটু ড্রিংক কর। - না, থাক।
ও ডিপ্রেশনে আছে।
থাকতে দাও।
কেমন যুবক রে ও?
এই, এসে ড্রিংক কর, ভাই। কিছু হবে না।
আলসেরা এসব রোগের ভঙ ধরে।
তোমরা সবাই চার্চে যাও এবং ঈশ্বরের ভক্ত।
কিন্তু চার্চ ত্যাগ করা মাত্রই মদ খাওয়া শুরু করো।
কেউ কিছু বললে, তাকে বেশি কথা শুনিয়ে দাও।
শুনুন...
আপনার জামাই এরকম হলো কবে থেকে?
তুমিও তো সবসময় চার্চগামী ধর্মপ্রাণ লোকদের নিন্দা করে বেড়াও।
তাহলে হঠাৎ ভেলানকান্নি'তে তীর্থযাত্রায় যাওয়ার শখ জাগলো কেন?
কিছু তো ব্যাপার আছে!
কে বলেছে কিছু নেই? তবে আমরা বলার কে?
আমি চার্চে তেমন যাই না, তবে যখনই যাই, ভক্তির সাথে যাই।
কেমন যুবকরে ও?
কাকা, আপনার কী আমাদের বুড়ো মনে হয়?
একে দেখুন।
এর মেয়ে কলেজে পড়ে।
সামনের বছর তার বিয়ে দিয়ে দিবে।
এটা কি আমাদের দোষ যে আপনার এক্সপাইরি ডেট পেরিয়ে গেছে।
আরেক গ্লাস দে।
উনি আমার শ্বশুর বলে বলছি না...
আরেকটু দে।
উনি এক দুর্লভ জিনিস। ওনার বাবা দেরভেপু, ১২০ বছর বয়সেও মরার নাম নেই!
অবশেষে ব্রিটিশরা ভাবলো, এ তো বিজ্ঞানের জন্য হুমকিস্বরূপ।
তাই ওনাকে জঙ্গলে নিয়ে, বিড়ি খাইয়ে, গুলি করে মেরে ফেললো।
সত্যি বলছি!
তামিল খাবার মোটেই ভালো লাগে না!
কী এটা? চিনির-সিরাপ?
চিৎকার কোরো না, খেয়ে ফেলো।
অত্যাধিক মিষ্টি।
ছাড়ো তো।
হ্যালো!
দেখো, আমি কিন্তু আমার মাছ ভাজির দাম দিয়ে দিয়েছি, ঠিক আছে?
আচ্ছা।
ভালো! চালিয়ে যাও!
আমার ছেলে!
আমার ছেলে!
কোথায় আমার ছেলে?
১৭ বছর পরে নিজের বাবার সাথে দেখা করে,
এটা জিজ্ঞেস করছো তুমি?
No comments yet. Be the first to leave one.