All of Us Are Dead

All of Us Are Dead (지금 우리 학교는)

Download Bengali Untertitel

Staffel 1

Release Info

All of Us Are Dead S01E05 WEB-DL x480p x720p x1080p
Ein Kommentar von Sayed_Fahmidul_Islam
🔴🔵মাতৃভাষায় উপভোগ করুন নেটফ্লিক্সের কোরিয়ান সিরিজ অল অব আস আর ডেড।🔵🔴

Tags

Web-DL
web-dl
web
WEB-DL
720p
720
1080
480p
480
Veröffentlicht am: 2022-01-29
Downloads: 114
Hörgeschädigt: No

Bengali Untertitel-Vorschau

Die ersten 200 Zeilen.

• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম

আমাদের থেকে দূরে থাক।

দূরে থাক!

ধুর বাল। আমরা আর স্বর্গে যাবো না।

আমরা বেঁচে আছি, তো এটাই স্বর্গ।

"জুং ইয়ং-হিয়ন"

কিছু কিছু দেশে, মানুষ বাচ্চাদের চেয়ে বড়দের মৃত্যুতে বেশি দুঃখ পায়।

আর কিছু দেশে, বাচ্চাদের মৃত্যুতে বেশি দুঃখ পায়।

কী মনে হয় আমাদের দেশ কোন দলে পড়ে?

কী বলতে চাও?

বাচ্চারা মরলে, মানুষ আশা হারায়।

আর বড়রা মরলে, বিজ্ঞতা হারায়।

আশা আর বিজ্ঞতা।

কোনটার মূল্য বেশি?

কী?

কাল থেকে ওরা উড়ে বেড়াচ্ছে।

যদি আমাদের বাঁচাতেই চাইতো, তবে এতক্ষণে বাঁচিয়ে ফেলতো।

আর যদি ওরা আসেও, আমাদের আগে বাঁচাবে না।

আমরা ততটাও গুরুত্বপূর্ণ না।

আমরা শুধুই স্টুডেন্ট। এর চেয়ে বেশিকিছু না।

চপার এক থেকে বলছি।

হোসান সিটি কাউন্সিলে সাতজন জীবিত নিশ্চিত করা গেছে।

"রেসকিউ হেডকোয়ার্টার"

সবাই আমাদের সাথে আছে। আমরা এখন কোয়ারেন্টিন ক্ল্যাম্পে যাচ্ছি।

সকাল ১০টার দিকে, সরকার ঘোষণা দিয়েছে যে

হোসানের পরিস্থিতি সামাল দিতে

তারা সেখানে মার্সাল ল জারি করেছে।

গতকাল বিকাল থেকে, এক অদ্ভুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া শুরু করেছে,

যার কারণে পুরো শহর জুড়ে

লকডাউন দিতে হয়েছে।

১৯৮০ সালের ১৮ মে এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পর,

৪১ বছরে এই প্রথম মার্সাল ল ঘোষণা করা হয়েছে।

আবারও বলছি। হোসানের পরিস্থিতি সামাল দিতে

তারা সেখানে মার্সাল ল জারি করেছে।

হোসানের মহামারী সঙ্কটের কারণে

স্টক মার্কেটেও খারাপ প্রভাব পড়েছে।

কভিড-১৯ এর কারণে যে ক্র্যাশ হয়েছিল...

তার খোরপোষের জন্য কোসপি আর কোসডাক…

আমরা হোসানের রিফিউজিদের চাই না!

- আমরা ওদের চাই না! - আমরা ওদের চাই না!

হোসানের বাসিন্দা, নিজের ঘরে ফিরে যা!

আমরা ঈশ্বরের বান্দা যারা তার ছায়াতলে রয়েছি।

মানুষ মানুষের মতোই মরবে,

আর শয়তান শয়তানের মতো মরবে।

- আমিন! - আমিন!

দূরে থাক!

- সবাই মরবে! - সবাই মরবে!

কী হচ্ছে?

- দাঁড়ান। - এখানের সবাই মরবে!

- আমাদের ভেতরে আসতে দিচ্ছ না কেন? - ধ্যাৎ।

- আমরা ওদের গ্রহণ করব না! - আমরা ওদের গ্রহণ করব না!

এখানে আসবে না! এখানে আসছ কেন?

- প্লিজ আমাদের সাহায্য করো! - ফিরে যাও!

ফিরে যাও!

"সরকারের পতন চাই!"

আমাদের প্রভু জিশু খ্রিস্ট

জিজ্ঞেস করবেন না যে তুমি তার সন্তান নাকি শয়তানের সন্তান।

জিজ্ঞেস করবেন না।

"সবাই মরবে!"

যারা ভালো কাজ করে না

নিজের ভাই-বোনেদের ভালোবাসে না…

"সরকারের পতন চাই!"

…তারা ঈশ্বরের বান্দা হতে পারে না!

- আমিন! - আমিন!

- আমিন! - আমিন!

১ মিলিয়ন ভিউজ তো আরামসে মিলবে।

হোসানের মহামারী সিউলে ছড়িয়ে পড়ার ভুয়া গুজব রটার কারণে,

ইঞ্চন এয়ারপোর্টে দৈনিক কোরিয়া ছেড়ে যাওয়া লোকের সংখ্যা

এখন ২,২৮,০০০ এ ঠেকেছে।

হ্যালো। আমি ক্ষমা চাচ্ছি

সেসব মানুষ আর ভিউয়ারদের কাছে

যারা ট্রেনে আমাদের জম্বি প্র‍্যাংকের কারণে ভয় পেয়েছিলেন।

আমি নতজানু হয়ে সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি

মহামারীর ব্যাপারে অজান্তেই ভুল বুঝাবুঝি সৃষ্টি করার জন্য…

এমনটাই শুনতে চাচ্ছিলে? সত্যিই?

"ট্রেনে জম্বি প্র‍্যাংক করার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনার ভিডিও"

মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে আমাদের মার্সাল ল জারি করতেই হবে।

গুজব রয়েছে যে নিউক্লিয়ার বোমার তেজস্ক্রিয়তার কারণে

সবাই জম্বিতে পরিণত হচ্ছে।

দেশের শীর্ষ ৩০ কর্পোরেশন দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।

অধিকাংশ মিডিয়াই ভুয়া খবর রটাচ্ছে

সোসাল মিডিয়ারে এসব ঘুরে বেড়াচ্ছে কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়া,

এতে পরিস্থিতি আরও ঘোলা হচ্ছে।

মিডিয়াকে সরকারের নিয়ন্ত্রণ করা উচিত নয়।

মানুষের উচিত মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা।

আমাদের নাগরিকের যথেষ্ট ক্ষমতা আছে এমনটা করবার।

আমরা মার্সাল ল আর বাড়াবো না।

মহামারীর সংক্রমণ রোধ আর অসংক্রমিতদের উদ্ধারে মনোযোগ দিতে হবে।

এটাই হওয়া উচিত আমাদের লক্ষ্য।

- সু-হিয়ক। - এই, বের-সু।

তুমি ঠিক আছ?

- ফোন কোথায়? - চেওং-সান কোথায়?

সু-হিয়ক।

চেওং-সান কোথায়?

টিচার্স রুমে আমরা আলাদা হয়ে পড়েছিলাম।

ওর কিছু হবে না।

আলাদা হয়ে পড়েছিলে? ধুর!

মাফ কোরো… একা এসে পড়া ঠিক হয়নি।

কোথায় পালাচ্ছিস!

তুমি কামড় খেয়েছ? কামড় খেয়েছ কি?

না, আমি...

থাম এবার।

ফোনটা দে আমাকে।

তুই একজনকে মেরেছিস, খুনি কোথাকার।

তোর জন্যই ওকে মারতে হয়েছে।

- তুই না বলেছিলি আমি লুজার? - শালা পাগলাচোদা।

ছাড় আমাকে!

বাঁচতে চাস?

চাস?

তাহলে প্রাণের ভিক্ষা চা।

মারা খা।

শালা!

বাঁচা আমাকে!

চেওং-সান!

শালা!

প্লিজ!

চেওং-সান!

তোকে মেরে ফেলব।

মেরে ফেলব।

মেরে ফেলব।

তোকে…

মেরে ফেলব।

ধুর বাল।

একটাও স্বাভাবিক নেই। সব শালা জম্বি হয়ে গেছে।

এই! তোমাদের সামনে একটা আছে!

ধুর। মার শালাকে!

তোমার ভাইকে খুঁজে পাবার আগেই আমরা সব মারা যাবো দেখছি।

চলো, হা-রি।

সত্যিই...

ধুর বাল।

বলেছিলাম আমাদের আসা ঠিক হচ্ছে না।

ওর ভাইকে খুঁজতে আসা এক প্রকার পাগলামি।

আর ওর সাথে আসাটাও পাগলামি।

- বলেছিলাম আমি... - হা-রি!

- কী? - এখানে একটা কম্পিউটার আছে।

অন করো ওটাকে।

ইন্সটাগ্রাম বা ফেসবুকে সাহায্য চেয়ে পোস্ট করো।

ধ্যাৎ।

মার্সাল ল কমান্ড দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে।

অন্যান্য জায়গায় মহামারী ছড়ানো

আটকাতে হোসানকে সিল করে দিয়েছে।

যদি আপনি মার্সাল ল এলাকার বাইরে থাকেন,

তবে নিজেদের স্বাভাবিক জীবন চালিয়ে যান।

মার্সাল ল কমান্ড সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সংক্রমিতদের সনাক্ত করে কোয়ারেন্টিনে রাখার

আর যারা সংক্রমিত হয়নি

তাদের উদ্ধার করে রক্ষা করার।

"ইমার্জেন্সি কল"

প্রতিটা কাজ পুরোপুরি

নিয়ম-কানুন মেনে করা হচ্ছে।

"ইমার্জেন্সি কল কানেক্টিং"

হোসান মহামারীর ব্যাপারে ভুয়া খবর

অনিয়ন্ত্রিতভাবে ছড়াচ্ছে।

মার্সাল ল কমান্ড সকল প্রকারের

অনিশ্চিত গুজব বন্ধ করবে, আর একই সময়ে,

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে,

এই মূহুর্ত থেকে,

হোসান থেকে সকল প্রকারের যোগাযোগ, যেমন সেল ফোন সার্ভিস,

ল্যান্ডলাইন সার্ভিস, আর ইন্টারনেট সার্ভিস

বন্ধ করা হচ্ছে।

- কেবল তো কানেক্ট আছে। তাহলে কাজ করছে না কেন? - আমি তো রিফ্রেশও করছি, কিন্তু…

- ফোন ট্রাই করো তো। - আচ্ছা।

ধ্যাৎ। বানচোতের দল।

ওরা আমাদের ফোন আর ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে।

আমরা মার্সাল ল কমান্ড সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি

মহামারির বিস্তার ঠেকাতে।

আমরা এখন, ফেঁসে থাকা লোকেদের

উদ্ধার করায় মনোযোগ দিচ্ছি।

যদি আপনি হোসানে থাকেন আর এটা দেখছেন,

প্লিজ ভরসা রাখবেন আমরা আপনাকে বাঁচাবো।

"কোনো সিগনাল নেই"

"২১ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার"

"ওয়াটার ফ্লো ডিটেক্টর"

এখন কী হবে? ওন-জো আর চেওং-সানের মধ্যে সত্যিই কিছু চলছে।

ওরা প্রেম করছে।

ওন-জো তো বলছিল করে না।

আরে আমি বলছি ওরা করে।

সবসময় দুজনে একসাথে থাকে।

তাই?

"নাম ওন-জো"

বেচারি ওন-জো।

আশাকরি চেওং-সানের কিছু হয়নি।

জানো তো ও কত ফাস্ট।

ও কখনোই আমার কথা শুনে না।

ছোট থেকে কখনোই ও আমার কথায় গুরুত্ব দেয়নি।

ওকে যেতে মানা করেছিলাম কিন্তু ও গেছে।

মাফ কোরো।

আমার ওকে নিয়ে আসা উচিত ছিল।

কী মনে হয়…

ও কোথায় আছে?

নিশ্চয়ই নিরাপদ কোথাও লুকিয়ে আছে।

জুন-ইয়ং। তুমি না বলেছিলে তোমার সাইন্স ক্লাব ড্রোন বানিয়েছে?

ড্রোনের সাহায্যে চেওং-সানকে খুঁজতে চাচ্ছ?

- কেন করা যাবে না? - করা যাবে, কিন্তু ওটা সাইন্স ল্যাবে আছে।

আমরা গিয়ে নিয়ে আসতে পারি।

ওখানে যাবো কীভাবে? বাইরে তো জম্বিতে ভর্তি।

ঐযে।

ওটায় চড়ে উপরে যেতে চাচ্ছ?

সাইন্স ল্যাবও তো জম্বিতে ভর্তি।

সাপ্লাই রুমে কেউ ছিল না। তাই না?

তা ঠিক, কিন্তু…

Kommentare

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left