Die ersten 200 Zeilen.
:.:.: RAADO :.:.:
বেশি টানিস না ছিড়ে যাবে।
ঠিক তোর গায়ের গন্ধের মতো, কোন মন্দির থেকে আনলি?
আরে, তুই কেন এসেছিস?
হুদাই বাসায় বসে থাকতে বিরক্ত লাগছিল।
তোর পা'টা দেখা।
জলদি চল।
ওই খোড়া মনু, এটা ধর।
আমাকে ১টা হকস্টিক দে।
ভাইস চ্যান্সেলর ভিতরে আছে, না?
জি, তবে শীঘ্রই চলে যেতে পারে। তাড়াতাড়ি যেতে হবে।
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - :.:.: F L A M Y T U H I N :.:.:
হ্যালো, মহেন্দ্র শুনতে পাচ্ছ...
বল শুনতে পাচ্ছি।
একদিকে তুমি আমাকে নির্বাচনের ঘোষণা দিতে বলছ...
অন্যদিকে বিরজু ঘোষণা না দেয়ার জন্য বারবার কল করছে।
আমি খুব চাপে আছি।
তুমি বিরজুর কথা শুনবে না আমার?
তা নয়, উভয় দিক থেকেই আমার উপর চাপ আসতেছে।
তারউপর, সেনেটের শিক্ষার্থীরা পুরো কলেজ দখল করে নিয়েছে।
সমস্যাটার সমাধান কর
নতুবা প্রধানমন্ত্রীকে আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করতে বল। হ্যালো?
আরে আরে, তোমরা যাচ্ছ কোথায়?
হেই ল্যাংড়া, ওকে দূরে থাকতে বল।
ছাত্র ঐক্যের
জয় হোক! জয় হোক!
ছাত্র ঐক্যের
জয় হোক! জয় হোক!
ছাত্র ঐক্যের
হেই! কী করছ তোমরা?
সিকিউরিটি!
ওহ! চেয়ার! আমার সংকেত। যাই নেকলেসটা দিয়ে আসি!
ওঠার চেষ্টা করলে মেরে তক্তা বানিয়ে দেব।
কী করছ তোমরা?
সিকিউরিটি!
সরা হালার পো'রে! প্লিজ!
সিকিউরিটি!
- চুপ! - সিকিউরিটি!
শুরু কর, আমি প্রস্তুত।
ধর ওকে! মালটার মুখ বন্ধ কর। পুলিশকে ফোন কর!
রেকর্ড হচ্ছে?
হ্যাঁ।
৩ মাস হয়ে গেছে, আমরা তাকে অসংখ্যবার অনুরোধ করেছি...
কিন্তু ও শুধু বিরজুর কথা শুনবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে কী হবে বিরজু তা নির্ধারণ করার কে?
বিরজুর কথায় নাচতে চাইলে সোনাগাছি যা...
ভাইস চ্যান্সেলর হয়ে আমাদের মাথায় চড়ে বসেছিস কেন?!
নির্বাচন করতে দিবি না, তাইনা?
শিক্ষার্থীদের সামনে ক্ষমতা দেখাতে চাস, হাহ? নন্দা, দে ওটা।
রঙ মাখ। ওর মুখে রঙ মেখে দে।
ধর শালারে!
এদিকে তাকা, কাকা। এইদিকে।
ভালো করে রঙ মেখে দে।
ছাড়ো আমাকে, ছাড়ো।
যত ছটফট করবি, তত কষ্ট পাবি।
হেই, রঙ মাখ।
চুপ কর নইলে বুকের লোম ছিড়ে ফেলব!
ছিড়বো তোর বুকের লোম?
নড়াচড়া করবেন না, স্যার।
ছাড় নয়তো জুতো মুখে গুজে দেব।
মুখটা নষ্ট করে দে।
এইদিকে।
কাঁদিস না। ছবিতে তোকে খারাপ লাগবে না।
নন্দা, জিহ্বা দেখাস নে।
ভুলেও আর আমার কল কাটবি না!
কাল ১২ তারিখের আগে নির্বাচনের ঘোষণা দে, নইলে...
ভিডিওটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যাবে।
খবরদার পদত্যাগ করবি না।
হ্যাঁ, কিন্তু ঠিক কোথায়?
ঠিকাছে আমি দেখছি।
জি, স্যার।
ভূষণ, ইসকন চত্বরে পুলিশ আমার ভাইকে ধরেছে, একটু দেখো।
জি, স্যার দেখছি।
আর শোনো, ডিউটিতে থাকা অফিসারকে বল তাকে ৩টা থাপ্পড় মেরে
মদ খেয়ে গাড়ি চালাতে বারণ করতে বল।
- নামটা কি ছিল যেন? - সাহিল।
জি স্যার, বিষয়টা আমি দেখছি।
হ্যালো, স্যার। হ্যালো।
বাবা!
হেই বিশ্ব!
দেখো, V দিয়ে বিশ্ব।
আর V দিয়ে Very nice.
এটা আরোহী বানিয়েছে।
দারুণ তো, আরোহীকে থ্যাংকস বলেছ?
হ্যাঁ, বলেছি।
লক্ষ্মী মেয়ে।
কফি দেই, স্যার?
হ্যাঁ, অল্প দিও।
ঠিকাছে।
এটা তুমি এঁকেছ?
হ্যাঁ।
খুব সুন্দর হয়েছে।
বাবা, আরেকটা ছবি এঁকেছি, দেখবে?
হ্যাঁ, দেখাও।
আরোহী, আমার স্কেচবুকটা দাও তো।
বাবাকে কফি দেয়ার পর দেব, ঠিকাছে?
ব্যথা এখনও আছে?
তেমন না। হাই।
বাবা, দেখো।
বিশ্ব দেখো, আমি বাবাকে কিস করতে যাচ্ছি।
না।
চেঁচাচ্ছ কেন বিশ্ব?
স্যরি, স্যার। বিশ্ব এসো।
- না। - না, ওকে ছেড়ে দাও।
ঠিকাছে।
বিশ্ব দেখো, কিস করছি।
না। কিস করবা না! মা'র কাছ থেকে দূরে থাকো!
আগামী সপ্তাহে মুম্বাই যাবো।
সাবধানে বিশ্ব।
কী হয়েছে?
আরেহ বিশ্ব...আরোহী।
মা, ড্রয়িংটা শেষ করতে দাও।
- জি, ম্যাম। - ওকে একটু পরিস্কার করে দাও।
কী করেছ বিশ্ব? এসো, ওঠো।
- এটা ধর। - তুমি আমাকে সাহায্য করবে আরোহী?
হ্যাঁ আমরা নিচে গিয়ে ড্রয়িং করব, চল।
তখন কী যেন বললে?
আগামী সপ্তাহে মুম্বাই যাবো।
ওকে।
শুনুন, এগুলো সব গুজব।
সব স্থাপনা অবৈধভাবে নির্মিত।
তাই নাকি? তাহলে ওরা বিদ্যুৎ এবং ড্রেনের সংযোগ পেল কীভাবে?
স্যার, আপনি বলছেন তাদের...
...পরিচয়পত্রে উল্লেখিত ঠিকানা অবৈধ?
ওরা ওদের বাড়ি এবং দোকানপাট রাস্তায় নিয়ে এসেছে।
ওটা আমার প্রশ্ন না, স্যার।
আপনার প্রশ্নের একমাত্র উত্তর হলো যে...
...রাস্তার উপর ব্যবসা করা যাবে না।
বল শুনছি।
একদিকে তুমি আমাকে নির্বাচনের ঘোষণা দিতে বলছ...
অন্যদিকে বিরজু ঘোষণা না দেয়ার জন্য বারবার কল করছে।
আমি খুব চাপে আছি।
তুমি বিরজুর কথা শুনবে না আমার?
তা নয়, উভয় দিক থেকেই আমার উপর চাপ আসতেছে।
তারউপর, সেনেটের শিক্ষার্থীরা পুরো কলেজ দখল করে নিয়েছে।
সমস্যাটার সমাধান কর নতুবা প্রধানমন্ত্রীকে আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করতে বল।
স্যার, ১৫ বছর ধরে ওরা রুজিরোজগার করে সেখানে বসবাস করছে...
...আর আচমকা সব বদলে গেল!
২০০ পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে, ওরা কোথায় যাবে?
১ মিনিট। আপনার তথ্যগুলো যাচাই করা হয়নি।
ওরা গৃহহীন নয়, সরকার তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে।
হ্যাঁ তবে শহরের বাইরে।
প্রথমত, তাদের বাড়িগুলি অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল এবং দ্বিতীয়ত...
...প্রতিদিন প্রায় ১৫০০-২০০০ গাড়ি সেই সংকীর্ণ রাস্তায় দিয়ে যেত।
প্রতিদিন ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টার ট্রাফিক জ্যাম, পেট্রোলের অপচয় এবং দূষণ!
১৫০০-২০০০ যাত্রীদের এবং ৫০টি পরিবারের মধ্যে
...বাছাই করা আমাদের জন্যও খুব কঠিন ছিল।
তবে আমার বিশ্বাস সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নালায়েক! আমাদের গৃহহীন করেছিস, যা মর তুই...
...আমাদের গৃহহীন করে তুই সুখী হবি না।
তোকে অভিশাপ দিলাম!
স্যার, প্লিজ। স্যার এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনার জন্য দুঃখিত।
আমি সত্যিই দুঃখিত।
শো'কে লাইমলাইটে নিয়ে আসার এটাই তোমার পন্থা?
স্যার, সত্যি বলছি আমি এসবে জড়িত নই।
আমি তোর বাড়ির সামনে গায়ে আগুন দেব।
তুই সুখে থাকতে পারবি না। ছাড় আমাকে।
স্যার...
ফুটেজটা বাইরে গেলে চ্যানেলের জন্য ভালো হবে না।
আমাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছেন?
- তুষার - স্যার।
ক্যামেরা এবং পুরো টিমকে জব্দ করে...
... ফুটেজ ডিলিট করার পর ছেড়ে দিও।
স্যার।
কমলেশ, আরেকটা সমস্যা আছে।
শ্রেয়াংশ পদত্যাগ করার কথা বলছে।
ওসব তুমি দেখো, এতে আমাকে জড়িও না।
এইসব কথা শুনলে মাথাব্যথা করে।
ভুপি গাড়ি চালু কর।
জি, স্যার।
ভূষণ, ইসকন চত্বরে পুলিশ আমার ভাইকে ধরেছে, একটু দেখো।
জি স্যার, আমি দেখছি।
আর শোনো,
ডিউটিতে থাকা অফিসারকে তাকে ৩টা থাপ্পড় মেরে
মদ খেয়ে গাড়ি চালাতে বারণ করতে বল।
নামটা কি ছিল যেন?
সাহিল।
ঠিকাছে স্যার, আমি দেখছি।
হ্যালো সৈলেশ।
জয় হিন্দ, স্যার!
সাহিল নামের কাউকে ধরেছ?
জি, মদ খেয়ে গাড়ি চালাচ্ছিল।
২/৪ টা থাপ্পড় মেরে ছেড়ে দাও।
জি, স্যার।
বাবা এসে গেছে, আমি আর খেলব না।
বাবা, আমি ঘোড়ায় চড়বো।
ঘোড়ায় চড়বি?
আয় আমিই তোর ঘোড়া চল।
না বাবা, সবসময় তুমি এমন কর।
আমিই তোর ঘোড়া, ওঠ।
হ্যাঁ বাবা, একদিন আমরা ঘোড়ার পিঠে চড়ব বিদ্যা তোমার হয়েছে?
হ্যাঁ, আসছি।
জামাই বাবাজি, চারটে ডালভাত খেয়ে যাও।
না মা, আমার তাড়া আছে। হ্যাঁ, দাঁড়াও।
সব লাগেজ আমরা আজই নিয়ে যাব?
ঠিকাছে।
বাবা, তোমার খাবার বেড়ে দিই? টিভি মিউট কর।
না, অন্যকোনো দিন খাব। এক্ষুনি আমাদের বেরোতে হবে।
ছেলেটা ভীষণ পাজি হয়ে গেছে।
কী করেছিস তুই?
No comments yet. Be the first to leave one.