Die ersten 183 Zeilen.
-সমস্যা? -আমার খাওয়া সবথেকে বাজে কবলার।
মনে হচ্ছে একেবারে সত্যিকারের গুড়ো করা মুচি থেকে বানিয়েছে।
চমৎকার। কবলার শব্দের দুই রকম অর্থ নিয়ে রসিকতা।
এই সবাই, বলো তো, এলএএক্স এ কাকে পেয়েছি, আমার ছোট বোন প্রিয়া।
মাফ করবে, আপত্তি তুলছি।
তুমি একটা অনুমান করার খেলা দিলে অথচ অনুমান করার যথেষ্ট সময় দিলে না।
আর জানিয়ে রাখছি, আমি "তোমার বোন, প্রিয়া" ই বলতাম।
ও শেল্ডন, তুমি একদমই পাল্টাও নি, তাই না?
আমি পাল্টাবো কেন?
ও আশা করেছিল হয়তো লোকের মতামতে কিছুটা পাল্টাতে পারো।
তো, এল এ তে হঠাৎ কী মনে করে?
টরোন্টো তে যাওয়ার আগে এক রাতের বিশ্রাম।
-কর্পোরেট সম্মেলন। -বিশ্বাস করতে পারো?
প্রিয়া এখন ভারতের সবথেকে বড় গাড়ির কোম্পানির প্রধান উকিল।
আমাদের যখন ওর সাথে প্রথম দেখা হয়েছিল, তখন ও আইনের পড়া শেষ করে...
বড় একটা ভারতীয় গাড়ির কোম্পানীতে ইন্টার্নশীপ করার পরিকল্পনা করছিল...
আর সেই মতে এর সম্ভাবনাই প্রচণ্ড।
আর তোমার জনমতামতের ভোট শুধু কমছেই।
তোমাদের সবার খবরাখবর নেবো কিন্তু তার আগে আমার সত্যিই টয়লেটে যেতে হবে।
আমিও যাচ্ছি। চলো তোমাকে দেখিয়ে দেই কোনদিকে।
এটা বলার কোনো দরকার ছিল না, কিন্তু তাও আমি বলে রাখি...
আমার বোনের গায়ে হাত দেবে না।
আমি ওর গায়ে কেন হাত দেবো? ওর শরীর ভর্তি প্লেনের জীবাণু।
তোমাকে বলছি না রে ভাই। ওকে বলছি।
এই, আমার এখন গার্লফ্রেন্ড আছে।
ওহ, প্লিজ... আমার বোন তোমার গার্লফ্রেন্ডের থেকে অনেক বেশি হট, আর সেটা তুমি জানো।
আচ্ছা যাও, ওরা দুজনই হট।
কী? ভাই, তুমি আমার বোনকে নিয়ে কথা বলছ।
আচ্ছা, কে হট এসব আলাপ বাদ দাও। প্রিয়া এল এ তে প্রথম আসার পর...
আমি আর লেনারড আমাদের বন্ধুত্ব আর তোমার প্রতি সম্মানের খাতিরে একটা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম...
যে আমরা কখনোই ওকে লাইন মারবো না।
কড়ে আঙ্গুল দিয়ে প্রতিজ্ঞা করেছ?
হ্যাঁ।
তাহলে, ঠিকাছে।
কবলার। এখনো আমার হাসি পাচ্ছে।
তোমার সাথে দেখা হয়ে ভালো লাগলো, লেনারড।
হ্যাঁ, তোমার সাথেও।
-এই যে। -ধন্যবাদ।
ঠিকাছে।
S04 E06 - The Irish Pub Formulation
তোমার বোনের সাথে কোনো বিশেষ পরিকল্পনা আছে?
তেমন কিছু না। এমনি ঘুরবো।
আমি সবসময় সবাইকে বলি এক দিনের জন্য এল এ আসলে...
ট্রেন ডে করতে।
"ট্রেন ডে"?
মজার শুরুটা হবে স্টুডিয়ো সিটির কার্নি থেকে...
একটা রূপান্তরিত রেলরোড ডাইনিং বগিতে একটা হট ডগ স্ট্যান্ডে।
পরের স্টপ, ট্রাভেল টাউন...
১৮৮০ দশক থেকে ১৯৩০ দশক পর্যন্ত ৪৩ টা রেলরোড ইঞ্জিন,
বগি আর অন্যান্য রোলিং স্টকের একটা জাদুঘর।
তারপর সবার শেষে, আমরা হলিউডের গ্লিটজ অ্যান্ড গ্ল্যামারে যাবো...
একদম ঠিক ধরেছ, হলিউড কার্নিতে ডিনারের জন্য কিন্তু এবার...
অন্য একটা রুপান্তরিত রেলরোড ডাইনিং বগির হট ডগ স্ট্যান্ডে।
আমার মনে হয় না আমরা এসব করবো।
তাহলে তোমরা মজা করতে চাও না।
প্রিয়া এখনো আসে নি? সেটা অবশ্য অস্বাভাবিক কিছু না।
মহিলা, পুরুষ, বসা-ওঠার যে পুরো ব্যাপারটা।
তো, আমরা কী নিয়ে কথা বলছি?
প্রিয়ার সাথে আমার পরিকল্পনা।
ও ট্রেন ডে চাচ্ছে না।
তুমি কি পরিষ্কারভাবে দুটো আলাদা আলাদা বগির হটডগ স্ট্যান্ডের কথা বলেছ?
বিস্তারিতভাবে।
তাহলে মনে হয় ও মজা করতে পছন্দ করে না।
এটাই বলেছি আমি।
আচ্ছা, তাহলে, তোমাদের নতুন কোনো খবর আছে?
-আমার এখন গার্লফ্রেন্ড আছে। -আচ্ছা, খুব ভালো খবর।
হ্যাঁ, বলে রাখলাম আর কি...
যাতে আমার দিক থেকে তোমার প্রতি অসাবধানতা বশত কোনো ইঙ্গিত না যায়।
খুশি?
তো প্রিয়া, এখানে তোমার পরিকল্পনা কী?
জানি না, মাত্র এক দিন আছে হাতে।
তোমার ট্রেন ভালো লাগে?
খুব একটা না।
তাহলে তোমার বিমানবন্দরে বসে ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করলেই ভালো হবে।
"আপনি একটা বনে আছেন।
এর পশ্চিমে চোরাবালি এবং পুর্বদিক দিয়ে একটা রাস্তা গেছে।"
পুর্বে যাবো।
"আপনার রাস্তায় একটি লোহার গেট পড়েছে।"
গেট খুলবো।
"তালাবদ্ধ"।
তাহলে, পণ্ডশ্রম হলো খামাখা।
-এত দেরি হয়ে গেছে, তুমি জেগে আছ যে? -অনলাইনে একটা এমুলেটর পেয়েছি...
এতে ১৯৮০ দশকের ক্লাসিক টেক্সট লিখে গেম খেলা যায়।
-দারুণ তো। -একদম।
দুনিয়ার সবথেকে শক্তিশালী গ্রাফিক চিপ দিয়ে এটা বানানোঃ
কল্পনাশক্তি।
তোমার আসলেই আরও বাহিরে যাওয়া উচিত।
উত্তরে যাবো।
"আপনি ওইদিকে যেতে পারবেন না।"
পশ্চিমে যাবো।
"একটা ট্রল আপনার রাস্তা আটকে আছে।"
আচ্ছা, তৈরি হয়ে যাও।
ট্রলকে মেরে ফেলবো।
"কী দিয়ে?"
তলোয়ার দিয়ে।
"আপনার কাছে তলোয়ার নেই।" আরে কী আশ্চর্য...
মনে হচ্ছে সত্যি সত্যি এসব আমার সাথে হচ্ছে।
রাজ অবশেষ ঘুমাতে গেছে।
শেল্ডন এখনো সজাগ।
তুমি বলেছিলে ও নয়টায় বিছানায় যায়।
হ্যাঁ, কিন্তু একটা অনলাইন গেমে আটকে গেছে।
ট্রলকে কুড়াল দিয়ে মারবো।
ট্রলকে কুড়াল দিয়ে মারবো।
ওরে বাপরে, কী মারাত্মক ট্রল।
তুমি কী ওকে পাঠাতে পারবে না?
অতীতের ইতিহাস যদি টানি, না।
লেনারড, আমি চোরাবালিতে আটকে গেছি। কুড়াল আমাকে টেনে নামাচ্ছে।
-কুড়াল ফেলো। -কুড়াল ফেলবো। চমৎকার।
একটা মিনিট দাও।
-শেল্ডন। -দাড়াও।
আমাকে বের করতে হবে ওই বালতি কিভাবে নেবো...
যাতে ড্রাগন পার হয়ে কাদা নিয়ে যেতে পারি।
-শেল্ডন, তোমাকে সকালে অফিসে যেতে হবে। -জানি।
-তাহলে বিছানায় যাও, মিস্টার। -আর পাঁচ মিনিট।
সত্যি? তুমি তোমার থার্মোডায়নামিক...
ওঠানামার ওপর সম্মেলনে ঘুম ধরার ঝুঁকি নেবে?
তুমি তো জানো তুমি পাবলিক জায়গায় হাই ছাড়লে কি হয়।
সবাই আমার কিম্ভুতকিমাকার আলজিভ দেখে ফেলবে।
আর তুমি সেটা চাও না, তাই না?
না।
কিন্তু আমাদের সমাজের ভিন্ন আলজিভ নিয়ে তামাশা করা, সত্যিই দুঃখের ব্যাপার।
কে এসেছিল?
বিল্ডিং ম্যানেজার।
ওদের একটা পাইপ ঠিক করতে হবে, তাই কালকে দুপুর ২ টা থেকে পানি থাকবে না।
আশ্চর্য তো। আমাদের লিখিত নোটিস দেয়ার কথা ছিল।
না, ব্যাপার না। আমরা এমনিতেও অফিসে থাকবো।
আমি যদি আমার শার্টে টমেটো সুপ ফেলে দেই, আর বাসায় এসে পাল্টাতে হয়,
পরে যদি দেখি শার্ট সাবানে ভিজিয়ে রাখার জন্য পানি নেই, তখন?
দ্বিখণ্ডিত আলজিভ, শেল্ডন।
আমি চিকেন নুডলস খাবো। শুভ রাত্রি।
একদম আস্তে আওয়াজ করতে হবে।
বুঝতে পেরেছি কিভাবে বালতি নিতে হবে।
কুড়ালটাকে উল্টো করে ওইটাই হাতল দিয়ে ধরতে পারি।
দেখা যাক...
উত্তরে যাবো।
"আপনি একটি বনে।"
উত্তরে যাবো।
"আপনি একটি বনে।"
উত্তরে যাবো। "আপনি একটি বনে।"
হায় রে, আমি তো মনে হয় হারিয়ে গেছি। কালকে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।
না, না, না, তুমি... তোমাকে এটা এঁকে নিতে হবে। দেখো, আমি সাহায্য করছি।
তো তুমি জলপ্রপাতের এখানে থেমেছ, আর তিনবার উত্তরে গিয়েছ, তাই তো?
-হ্যাঁ। -ঠিকই বলেছ, তুমি হারিয়েই গেছ। শুভ কামনা।
-লেনারড, ওঠো। -কী? আমি দুঃখিত।
-কী জন্য? -জানি না।
আমি যখন একটা মেয়ের সাথে বিছানায় থাকি, এটাই আমার প্রথম উত্তর হয়।
ছয়টা বাজে। আমি এখানে, সেটা রাজ ঘুম থেকে উঠে বুঝে ফেলার আগে আমার ফিরতে হবে।
ওহ, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই।
-ইশ, তুমি যদি আরেকটু সময় থাকতে পারতে। -আমারও ইচ্ছা।
জানো, আমি ভাবছিলাম...
ভারতেও কিন্তু অনেক ভালো ভালো গবেষণা কেন্দ্র আছে।
কোনদিকে যাচ্ছ তুমি, লেনারড?
ওহ, বলছিলাম আর কি, মানে, আমার তো এখানে কোনো বন্ধন নেই...
তাই আমি যদি নয়া দিল্লিতে চলে যাই, আমরা বোঝোই তো, প্রেম করতে পারতাম।
লেনারড, আমরা কি পাঁচ বছর আগেই এ ব্যাপারে কথা বলি নি?
হ্যাঁ, কিন্তু সবকিছু বদলে গেছে। তুমি বড় হয়েছ, আমি হয়েছি।
দেখো, বিছানায় আর কোনো সুপারহিরো চাদর নেই।
সোনা, আমি শহরে আসলেই আমরা মজা করি, তার মানে এই না...
যে আমি কোনো সিরিয়াস সম্পর্ক চাই।
তাই?
আর তাছাড়া, আমি কখনোই একটা সাদা চামড়ার ছেলেকে আমার বাবা মায়ের সামনে নিতে পারবো না।
ওরা তার থেকে একটা গরু আনবে। ভারতে ওটাই অনেক বড় ব্যাপার।
আমি কিন্তু অতও সাদা না।
আমার প্র-প্র-প্রপিতামহী আধা চেরোকি ছিল।
যদিও সেটা প্রকৃত ইন্ডিয়ান হয় না, তাও কিছু তো।
মজার কথা বলো তুমি।
লেনারড।
-কী? -আমি মেয়ের হাসির শব্দ শুনলাম।
ওহ, হ্যাঁ, আমি চেষ্টা করে দেখছিলাম, মেয়েদের মতো হাসা যায় নাকি।
ওহ, আচ্ছা, ভালো হচ্ছে। সত্যিকারের মতো মনে হচ্ছে।
-পারফিউমের গন্ধ পাচ্ছি। -এয়ার ফ্রেশনার।
আর তোমার গালে গলায় এগুলো কি লিপস্টিকের দাগ?
র্যাশ হয়েছে। খুবই বাজে র্যাশ।
সহানুভূতি জানাচ্ছি।
আমার কাছে এসব চর্মরোগের মতো রক্তের প্লেগরোগ নতুন কিছু না।
তোমাকে কি আমার লোশন আর মলমের সংগ্রহ থেকে টপিক্যাল স্টেরয়েড এনে দেবো?
হ্যাঁ, হ্যাঁ, ভালোই তো হয় তাহলে।
খুব ভালো। আমি নিশ্চিত তোমার এই চুলকানি নিরোধের জন্য আমি কিছু খুঁজে পাবো।
আচ্ছা, ও বাথরুমে। চলো।
তুমি কি মলম চাও নাকি ক্রিম?
-ক্রিম। -ব্যাথা কমানোর এজেন্ট সহ নাকি ছাড়া?
-ছাড়া। -আসলেই, লেনারড?
চামড়ার জ্বলুনি কমানোর জন্য আর কোনো হিরো আসে নি।
No comments yet. Be the first to leave one.