Die ersten 200 Zeilen.
কিছু পিয়াজ দেন ত।
- ৩৭ টাকা কেজি। - এত দাম কেন!
এত দাম মানে! এগুলোই সবচেয়ে সস্তা এখানে।
দাম বেড়ে গেছে পেয়াজের। জানেননা আপনি!
- আর এগুলো একদম খাটি! - তাতে কি!
বক-সুন কে বোকা মনে হয়?
- চালাক হয়ে গেছিস তুই। - শসা আর বেগুন ফ্রিতে দিলাম।
আমার বেলফ্লাওয়ার মূল কত সাদা
আমার মনের মত নেই ত কোনো কাদা
বক-সুনের একদরে বেচাকেনা!
ছোট পেয়াজ ৩৫ টাকা!
বড় পেয়াজও ৩৫ টাকা!
শসা মাত্র ২০ টাকা!
ঘুমাচ্ছে নাকি?
বক-সুন? কেমন আছো তুমি?
ইন-জাং ভালো আছে?
বেচারা।
তোমার মা তোমাকে ফেলে চলে গেছে যখন তুমি ছোট ছিলে।
এভাবেই কেমন জেনো হয়ে যাও তুমি।
স্কুলে যেয়ো না। পরিশ্রম কর আর অনেক টাকা কামাও।
তোমাকে তোমার ছোটবোনের পাশে দাঁড়াতে হবে, ঠিক আছে?
এই বোকা মেয়েটাকে রেখে কিভাবে আমি চলে আসলাম?
বক-সুন?
দাদিকে মিস করলে, এই গানটি গাইবে।
- নুডলস? - হ্যা।
তুমি আগে ২০ টাকা ধার নিয়েছিলে আমার থেকে।
কিন্তু...
শসা দেওয়া রাখো ত। টাকা দাও আমার।
- ধুন্দুল ও দিলাম। - নুডলস।
আরে ওগুলো না!
আমি বায়োং-জু কে কাজ করতে দেখেছি এখানে।
এইখানে আরো কত আত্মীয় কাজ করে জানিস?
আমার দূরের আত্মীয় আছে আর কাজ করার জন্য অনুরোধ করে তারা।
বিল্ডিং বানিয়েছিস তুই?
হ্যা।
কিন্তু আমার এই ছোট বিল্ডিংটা ভাড়া দেওয়া যাচ্ছেনা।
আজকাল খুব কঠিন হয়ে পড়ছে এগুলো।
কিছুই সহজ না।
ইক-সাং?
হ্যা?
আমার ফ্যাক্টরিতে একটা মেয়ে আছে।
সে শুধু সমস্যার কারন হয়ে দাঁড়ায়।
ব্যবসা করাটা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে ইদানীং।
অগ্নিনির্বাপক কর্মী নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না আমার।
কিন্তু সে প্রতিবাদ করে যাচ্ছিল আর অন্যদেরও উৎসাহিত করছিলো।
তাই আমি তার সাথে কথা বলার জন্য ডাকি।
তাকে থামতে বলি।
সে শুনছিলো না।
তাই তাকে কয়েকবার চড় মেরেছিলাম।
দিতে চাইনি আমি।
কিন্তু সে তার মোবাইল দিয়ে এটা রেকর্ড করছিলো।
এটা ছড়িয়ে দেবার হুমকি দিচ্ছিলো আমাকে।
সে কত টাকা চায়?
৩ লক্ষ!
কয়েকটা চড়ের জন্য ৩ লক্ষ?
আমি কাওকেই বিশ্বাস করতে পারবো না।
তাকে এটা দিস আর ফোন টা নিয়ে আসিস।
ইক-সাং?
টাই-সু'র সাথে কি মেলামেশা করিস তুই?
না।
তার সাথে কোনোকিছু ঠিক হচ্ছেনা।
সে আসার পরে, তর বাবা রহস্যজনকভাবে মারা গিয়েছিল।
দূরত্ব বজায় রাখিস। আর তাকে আমার নাম্বার দিস না।
একদিনে ৩ লক্ষ টাকা কোথায় পেলি তুই?
এটা ত বিশাল পরিমাণের টাকা।
যাওয়ার পথ পরিষ্কার। আগেই কেন পরিশোধ করলিনা?
ভেবে দেখ তর স্ত্রী কঠোর পরিশ্রম থেকে বাচবে।
তুই যে আসলেই একটা কি জিনিশ। যখন তুই জানিস সে কোথায় কাজ করে...
ভাইয়া?
শয়তানটা আবার তোমাকে মেরেছে?
তুমি কি...
চাও যে আমি তাকে মেরে ফেলি?
তুমি কি খেলবে আমার সাথে?
গাধা।
তুই কিভাবে তাকে মারবি?
দূর হ!
কীটনাশক
ভাইয়া!
খেলা কর আমার সাথে।
তুমি কথা দিয়েছিলে!
ভাইয়া!
কথা রাখো তোমার! ভাইয়া!
মনস্টার
বক-সুন! তারা এসেছে!
দূরে সর!
শালা হারামী!
এটা শুধু পার্ক বক-সুনের জায়গা!
আমার ১০ বছর বয়স থেকে এখানে কাজ করি আমি!
দাদীও বলেছে যে আমি এখানে কাজ করতে!
এখন তার কথা অমান্য করি কিভাবে!
দুর্বলদের সাথে লাগতে ভালো লাগে?
*** নাকি তুই?
***!
সরে পড়!
শালা ***!
ইন-জাং!
ইন-জাং!
দিদি! তর চেহারার কি হয়েছে?
ব্যথা পেয়েছি আমি।
আবার?
পরেরবার জায়গাটা ছেড়ে দিস। মারপিট করিস না।
কিন্তু ওটা আমার জায়গা।
না, তর জায়গা না।
এটা সবসময়ই আমার জায়গা হয়ে আসছে।
সেখানে মালিক আছে ওটার।
দাদীমা বলেছে ওটা আমার জায়গা!
তর কোনো বুদ্ধিই নেই! তাই তারা তোকে গাধা ডাকে।
গাধা?
পাগলি! রাগ করেছিস!
ভাই? অনেক দিন হয়ে গেলো।
কেন?
কি ব্যপারে?
ঠিকানাটা দে।
হু, টাই-সু?
জিজ্ঞেস করার জন্য সুযোগ পেয়েছি আমি।
একটা মেয়ে জরুরি একটা মোবাইল ফোন দিচ্ছেনা।
বাদ দাও ত!
আস্ত একটা বজ্জাত সে।
হুটহাট তার মোবাইল দিয়ে ছবি তোলে আর লোকজনকে ব্লেকমেইল করে।
টাকার জন্য।
তার কাছ থেকে এটা নিয়ে আসতে পারবি?
খুব দরকার।
অনুগ্রহ কর একটু।
কিভাবে?
কিভাবে মানে কি?
কিভাবে এটা করাতে চাস?
যদি সেখানে তুই থাকিস, তাহলে কি সে দিয়ে দিবে না?
আমি কেন?
আমার জন্য কর।
তুই নাম্বার বদলাস, ভবঘুরে থাকিস আর ৫ বছরে একবার ফোন করস।
সমস্যাটা কি?
ঠিক।
দুঃখিত আমি।
কথাগুলো ভুলে যা।
আহ.. এই *** শব্দে আমার!
চাস যে তাদের মেরে ফেলি?
কোন *** এখানে শব্দ করে!
মিস্টার, সে ত মজা করছিলো।
শান্ত হোন, মিস্টার। সে মজা করছে।
মিস্টার! সে ত এমনিই আর কি বলছে।
ভুলে যান এটা।
একটু ঠাট্টা করছিলো আর কি!
আম্মা কেমন আছে?
সে ভালোই আছে।
তাকে ঔষধ কিনে দিস কিছু।
আচ্ছা। ধন্যবাদ।
- ঠিকানাটা? - এইযে।
তোমার বোন কোথায়?
জানিনা আমি।
তুমি কেন সবসময়ই জানো না?
জানিনা।
তাহলে, মনে করে তাকে আমার কথাগুলো বলবে।
যদি সে শীঘ্রই পরিশোধ না করে...
তোমাদের তাড়িয়ে দিতে হবে আমার।
বুঝেছ?
হ্যা।
এই *** শুধু মাথা খাচ্ছে আমার!
চোখ ধাধাচ্ছো কেন?
নামাও বলছি!
নামাও!
***। নাহ, কত সুন্দর ব্যবহার!
যদি তাড়াতাড়ি পরিশোধ না করি, আমাদের তাড়িয়ে দিবে।
তাতে কি? এই বাড়িটা কিনতে পারবো আমি।
কিসের টাকা দিয়ে?
ন্যারি?
তিনটা জিনিশ বলো যা তুমি চাও।
একটি কুকুর পোষা আর তোমার সাথে আমাদের নিজের বাড়িতে থাকা।
এতটুকই?
বেশ। তোমার ইচ্ছা পূর্ণ হলো।
সত্যি?
কখনো মিথ্যা বলতে দেখেছ?
অবশ্যই।
এটা সত্যিকারের।
আমাদের বাড়ি খুঁজে পেয়েছি।
সত্যিই এটা কিনে নিবে?
হ্যা, কিনে নিবো!
কুকুর কিনতে যাবে নাকি?
সত্যি?
সে যায়নি?
গিয়েছিল ত।
ইয়ন-হি?
হ্যা।
ফোনটা নিতে এসেছি আমি।
টাকা কোথায়?
কিসের টাকা?
বস খালি হাতে তোমাকে পাঠিয়েছে?
ওই লোকটার মত যে গতকাল এসেছিল?
টাকাটা ভুলে যাও। আর সুন্দর করে ফোনটা দিয়ে দাও।
চলে যাও।
যাও বলছি!
যাও!
ইয়ন-হি?
তুমি যদি গেট টা বন্ধ করো তাহলে মারা যাবে।
মা কোথায় তোমার?
মা নেই।
তোমরা দুইজনই?
হ্যা।
এই টাকা দিয়ে কি করবি তুই?
হুম।
আমি নিয়েছি টাকা। ত কি হয়েছে?
No comments yet. Be the first to leave one.