Die ersten 200 Zeilen.
আসো। কিছু হবে না।
কিচ্ছু হবে না তোমার।
প্লিজ...
প্লিজ...
না।
অনুবাদেঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
NARCOS
- সাবধানে। - জ্বি, স্যার।
তোমার গুলি লেগেছে?
না। ওকে নিয়ে যাও।
- ওকে তুমি ভয় দেখাচ্ছ। - যাও!
কাল রাতে যা হয়েছে... কাউকে এর মূল্য চোকাতে হবে।
আমরা কালডেরনের ব্যবস্থা নিয়েছি,
কিন্তু গ্রিংগোর বাচ্চারা তারপরও আমার দরজার কড়া নেড়েছে !
গার্ডরা কী বাল ছিঁড়ছিল?
আমাদের লোকজন কোথায় ছিল?
তুমি কোথায় আছ সেটা ওরা জানলো কীভাবে, বাবা? কীভাবে?
ঘরে বিভীষণ আছে।
খবরি।
ওরা আমার জমাখরচের খাতা খুঁজে পেয়েছে।
এই, এনরিকের কাজ না তো?
যখন পুলিশ ঢুকে তখন সে-ই চেকপোস্টে নিযুক্ত ছিল।
ভেতরে ঢুকো। এই এক, এই দুই...
মেয়েরা, প্লিজ।
না। এভাবে বের হতে পারো না। প্লিজ, না, সোনা।
সোনা, ভেতরে চলো। ভেতরে।
- হ্যালো? - সালসেডো।
রেইডের পর থেকে তোমার কোনো পাত্তা নেই। কোথায় আছ তুমি?
ডেভিড...
আমার বউয়ের সাথে একটু ঝামেলা হয়েছে...
...কিন্তু আমার রেডিও মনিটরিং করছি।
- এনরিকের সাথে তোমার কথা হয়েছে? - কেন?
ওর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। বাবা ওর সাথে কথা বলতে চায়।
তোমার বাবা এনরিকের সাথে কথা বলতে চায়?
কেন তোমার কোনো সমস্যা আছে?
- আমি খুঁজবো ওকে। - বেশ। নিয়ে আসো ওকে।
আর সালসেডো, তুমিও এসো।
আমি অপারেশনের পক্ষে আছি, মিনিস্টার, যেমনটা আছেন জেনারেল সেরানো।
যে রেইডের সময় বোগোটায় ছিল,
যখন আপনি আর আপনার লোকজন সেখানে পাঁচ ঘন্টা ছিলেন,
দেওয়াল ফুটো করছিলেন, আসবাবপত্র ভাঙচুর করছিলেন।
আমরা মিগেল রদ্রিগেজকে ধরবার ব্যস একটা মিনিট দূরে ছিলাম।
কিন্তু ধরতে তো পারেননি।
সব তথ্য সাথে খবরিদের স্পেশাল প্রসিকিউটরের কাছে
হস্তান্তর করবেন।
আর আমার মনে হয় না এই অপারেশনের অংশ হিসেবে ডিইএ আর থাকতে পারবে।
- আমাদের ছাটাই করছেন? - হ্যাঁ, করছি।
মিনিস্টার, আমরা বাসা থেকে কিছু উদ্ধার করেছি।
এটা জমাখরচের খাতা।
কার্টেলের হিসাব, লেনদেন, এতসব বছরের।
- এগুলো কী? আমি কোনো নাম দেখছি না। - কোডে লেখা আছে।
ঘুষ, টাকা পাচার... কোকেনের বিক্রি... সব আছে।
- ক্যালির সব কাজকর্মের হিসাব। - ঠিক।
- এমন কেউ আছে যে এটা পড়তে পারবে? - দুইজন আছে।
একজন কার্টেলের অ্যাকাউন্টেন্ট, গুইলেরমো পালোমারি।
হ্যাঁ, কিন্তু সে লুকিয়ে আছে। হতে পারে তার চেয়েও খারাপ।
আরেকজন মানি লন্ডারার যাকে আমরা কুরাসাউ থেকে এনেছি,
ফ্রাঙ্কলিন জুরাডো।
জুরাডো এই কেসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী আর সে আমেরিকার কাস্টেডিতে আছে।
আমরা ওকে কোনো স্পেশাল প্রসিকিউটরের হাতে তুলে দিব না।
তো আপনি এই জমাখরচের খাতা রাখতে পারেন, মিনিস্টার...
কিন্তু আমাদের কাছেই সেই একমাত্র ব্যক্তি রয়েছে যে এটা পড়তে পারবে।
তাহলে, এজেন্ট পেনিয়া, হয়তো আপনাকে এর সমাপ্তি দেখতে হবে।
- এম্বাসেডর। - মিনিস্টার।
তুমি আমার কাজটা আরও কঠিন করে তুলেছ, জানো সেটা?
আর এখন বলছ জুরাডোর মুখ খুলানোর একটাই উপায় যে তার বউকে খুঁজে বের করতে হবে।
তোমার কোনো ধারণা আছে সে আসলে আছে কোথায়?
একজনকে চিনি সে হয়তো জানবে।
'এসকোবারের পতনের পর,
'মেডিলিন কলোম্বিয়ার সবচেয়ে বিপজ্জনক শহর থেকে
'সবচেয়ে নিরাপদ শহরে পরিণত হয়।
'কোকেন চোরাচালান বন্ধ হওয়ার ফল ছিল না এটা।
'কোকেনের বাজার টিকে ছিল এবং ভালো চলছিল।
'কারণটা ছিল মেডিলিনের নতুন গডফাদার।
'তার নাম ডিয়েগো মুরিয়ো, কিন্তু তাকে তোমরা ডন বেরনা নামে চেনো।
ওকে খুঁজে পেয়েছ?
সত্যিই কিছু খাবে না?
- এখানের পিকাডা দারুণ। - যেটার জন্য বলেছিলাম এনেছ কি না?
মেয়ে বেশ সুন্দরী। বাসা থেকে বহুত দূরে আছে।
আমার সাথে মজা নিচ্ছ?
আমি তো পত্রিকার শিরোনামের কথা চিন্তা করছি...
"আমেরিকান মেয়ে কলোম্বিয়ার জঙ্গলে জিম্মি।" ওরে চোদন!
- তথ্যের জন্য ধন্যবাদ। - দাঁড়াও।
বার্বি ডলকে উদ্ধারে আমি তোমার সাহায্য করতে পারি।
এই কাজের জন্য, আমরাদের কিছু পুরানো বন্ধুদের সাথে কাজ করা লাগবে।
তারা আমাদের সাহায্য করতে পারে।
তারা জমিনকে ভালোকরে চেনে। জানে কীভাবে ঢুকতে হয় বের হতে হয়।
এর মূল্য কেমন হবে?
সস্তা।
তোমাকে ব্যস একটা কথা দিতে হবে, পেনিয়া।
যখন ডিইএর টার্গেট লিস্টে আমার নাম উঠে আসবে,
তখম তুমি ফোনটা তুলে আমায় কল দিবে।
যাতে আমি সতর্ক হয়ে নিজের রক্ষা করতে পারি।
এখন বুঝছি...
তবে "জেল-থেকে-মুক্তি-পাওয়ার-কার্ড" এটা।
একদম।
আমাদের নামে, পেনিয়া।
এনরিক!
- বস। - দরজা খুলো। জলদি।
- বস... - কী করছ? ভেতরে ঢুকো।
- কী হয়েছে? - ডেভিড ফোন করে যাচ্ছে।
কীসের জন্য? আগে তো কখনও ফোন করেনি।
- আমি আপনার সাথে প্রথমে কথা বলতে চেয়েছিলাম। - গতরাতে বিশাল কাহিনী হয়েছে।
তুমি বিপদে পড়েছ। কিছু জিনিস গুছিয়ে চলো এখান থেকে।
জর্জ, কসম খেয়ে বলছি। আমি খবর দিয়েছিলাম।
তাতে কিছু আসে যায় না, এনরিক। ডিইএ তোমার সামনে দিয়ে গেছে।
আমার পালিয়ে যাওয়া উচিত, ভাই।
- করডোভার মতো? - কী? তাতে কিছু আসে যায় না!
থাকি, বা পালাই। বালের একই ব্যাপার!
যা-ই করি না কেন, আমি মরব।
কেউ মরবে না, শুনলে? কেউ মরবে না।
কিন্তু এখন, আপাতত আজকের দিনটা পার করা যাক, এনরিক।
সে জবাব না দেওয়া পর্যন্ত ব্যস গুতিয়ে চলো। এ ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার নেই।
বাল।
তাকে আমাদের গ্রেফতার করা উচিত ছিল।
জানো তো, তাকে বাঁচাতে মারামারি বা তেমন কিছুর অজুহাতে গ্রেফতার করতে হতো।
বাল। আশাকরি তাকে কোনো বিপিদে ফেলে দিইনি।
ভেবেছিলাম তাকে পছন্দ করো না।
হ্যাঁ, তার মানে এই যে আমি চাই সে মরে যাক।
আমাকে এখানে কেন লুকাতে হবে? আমি তো কিছুই করিনি।
জানি তুমি কিছু করোনি।
ডেভিড একটা বোকাচোদা।
কিন্তু... আমার বিশ্বাস করো। একটু ধৈর্য ধরো। আমি সব সামলে নিব।
জর্জ...
গত সপ্তাহে, যখন আমাকে ডিইএ এবং ওদের সেফ হাউসের ব্যাপারে
বলতে মানা করেছিলেন...
তার সাথে এসবের কোনো সম্পর্ক নেই। কেন সেটা তুলে আনছ?
মনোযোগ দাও।
বসো। বসো।
তোমাকে যা করতে বলব তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ঘর থেকে বের হবে না। আর কাউকে ফোন করবে না।
না মা'কে, না ভাইকে বা গার্লফ্রেন্ডকে। কাউকে না। বুঝা গেছে?
এই, তাকাও আমার দিকে।
আমরা তোমাকে এসব থেকে বের করব।
কথা রইলো।
ধন্যবাদ, জর্জ।
সত্যি বলছি।
- জর্জ। - ফেরচো, কী অবস্থা?
ডন মিগেল...
এনরিক কোথায়, জর্জ?
আমি ওর বাসায় মেসেজ দিয়েছি, ট্যাপ রুমে,
কিন্তু বিশ্বাস করো, আমি ওকে খুঁজে বের করব।
ও যেখানেই থাকুক না কেন, আমি যত ভালো করে জানি তুমিও ততটা জানেন।
ও উপর আমরা বিশ্বাস করতে পারি।
ব্যাপার হচ্ছে, জর্জ, আমি এনরিককে জানি না।
কারণ ওকে ভাড়া করিনি, তুমি করেছিলে।
না, করডোভা ওকে ভাড়া করেছিল। কিন্তু এতে কিছু আসে যায় না।
প্রকৃত ঘটনা না জানা পর্যন্ত কোনো কিছু বিচার করা আমার পছন্দ না,
আর আমি সেগুলো জানি না, ডেভিড।
জানো তো, ব্যাপারটা আমার কাছে হাস্যকর লাগছে?
কারণ আজকাল, তোমার অনেক ব্যাপারেই খবর থাকে না।
বিশেষকরে, এই বালের ডিইএ এর ব্যাপারে, জর্জ। হুহ?
ডিইএ যখন বিল্ডিংয়ের ভেতর ঢুকে, আমি তখন তোমার বাবার থেকে ছয় ফিট দূরে ছিলাম।
ডন মিগেল, আমি তদন্ত করছি, আর মনে হচ্ছে এনরিক খবর দিয়েছিল।
বোধহয় ডিইএ আমাদের রেডিওতে ব্যাঘাত ঘটাতে কোনো সিগন্যাল ব্যবহার করেছে।
বাবা...
বাবা, প্লিজ।
হতে পারে, হতে পারে।
কিন্তু একটা কথা জানো কি, জর্জ?
তারা কীভাবে আমার অবস্থানের ব্যাপারে জানলো এটা তার ব্যাখ্যা দেয় না। বুঝেছ তুমি?
জ্বি, স্যার।
কোনো এক শালা নেমকহারাম আছে আর আমি জানতে চাই সে কে।
এনরিককে খুঁজো। সে নিজের কথা বলুক।
ব্যাপারটা আমরা চিরকালের মতো মেটাবো।
- হাই, বন্ধুরা। - স্যার।
- স্বাগত। - হ্যালো।
'যুধ অনেক অদ্ভুত জোট গড়ে তুলে,
'এমন লোকের সাথে কাজ করতে বাধ্য করে
'যাদের সাথে অন্য সময়ে তুমি হাতও মেলাবে না।'
দারুণ মেশিন।
তোমরা যুদ্ধের হেলিকপ্টার বানাতে ভালোই জানো।
'তোমার শত্রুদের জন্যও ব্যাপারটা সত্যি। যখন দরকার পড়বে ওরা তখন এক হবে।
'ফার্ক, বা রেভ্যুলেশনারী আর্মড ফোর্সেস অব কলোম্বিয়া,
'১৭,০০০ সদস্যের এক গেরিলা বাহিনী
'যারা আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে লম্বা গৃহযুদ্ধে নিযুক্ত ছিল।
'যুদ্ধের সেই শুরুর দিকে, তাদের সংগ্রামে অর্থের জোগান দিত কীভাবে?
'কিডন্যাপিং।
'পয়সাওয়ালা কলোম্বিয়ানরা তাদের প্রিয়জনদের সহি সালামত ফেরত পেতে মুক্তিপণ দিতো।
'তো ক্যালি কার্টেল যখন কাউকে অনবগত রাখতে চাইতো,
'তাকে নিরাপদে জঙ্গলের মাঝে কোথাও লুকিয়ে দিত,
'আর এই পেশাদারদের ভাড়া করত।
'অবশ্যই, মোটা অংকের একটা টাকার বিনিময়ে।'
দারুণ লাগছে, বেরনা। রেইডে আসবে নাকি?
ধন্যবাদ, কিন্তু না।
আমাদের বন্ধুরা ঠিক আছে কিনা আমি ব্যস সেটা নিশ্চিত করতে যাচ্ছি।
আমাকে দেখো একবার।
তোমার কি মনে হয় আমার মতো গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ
কোনো গ্রিংগো মালের জন্য নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলতে যাবে?
তুমি ফাজলামি নিতে জানো না।
- ভেতরে আমি যাবো। - অবশ্যই।
কিন্তু ওরা তোমার সাথে যাবে।
ব্যাপার কী তোমার, ভাই? আমাদের সবাইকে মারা দেওয়ার চেষ্টা করছ না কি?
- শান্ত হও, হিলবার্টো। - 'ফ্রাঙ্কলিন জুরাডো আমেরিকার কাস্টেডিতে আছে।
তুমি সারেন্ডার করতে চাও না, আর ওদের সেই জমাখরচের খাতাটা নিয়ে যেতে দিয়েছ!
ছোট থাকতে, আমাকে বলে দিতে হতো তোমার কী করতে হবে আর কী না...
একটা কথা জানো কী, হিলবার্টো? ছোট থাকতে, তুমি একটা বাচাল ছিলে।
নিজের মুখটা এবার বন্ধ করছ না কেন?
ওর মাথাটা খারাপ হয়ে গেছে।
নর্থ ভ্যালিতে এমন সহিংসতা
No comments yet. Be the first to leave one.