Die ersten 165 Zeilen.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
তোমার নাম কী?
আসল নাম কী?
আমার একটা মেসেজ পৌঁছাও।
আমার উকিল লাগবে না।
আমি তোমার কেস লড়তে আসিনি।
চোই সাহেব তোমাকে একটা মেসেজ দিতে বলেছিল।
আমি তোমাকে জেলে যেতে দিব না।
আমার কাছে আসো।
তুমি গুরুতরভাবে আহত হয়েছ।
আমার মক্কেলের চিকিৎসা দরকার।
চিকিৎসা দরকার?
আমাদের ক্যাপ্টেনের এখনও জ্ঞান ফিরেনি।
লিখিত অভিযোগ জমা দিতে হবে নাকি?
তোমার মক্কেলের কথা না ভেবে নিজের কথা ভাবা উচিত।
লস করতে চাও নাকি?
আমাকে ডং ছেওনের ডকুমেন্টস এনে দিলে, আমরা সাজা কমানোর আর্জি জানাতে পারি।
কী হয়েছে জানার জন্য সাংবাদিকরা বেশ উৎসুক হয়ে আছে।
যদি আমরা বলি মাদক নিরোধক বিভাগে ডং ছেওনের লোক ছিল,
সেটা কিন্তু ব্রেকিং নিউজ বনে যাবে।
ও হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।
ওকে নিয়ে আসো।
- জি, স্যার। - জি, স্যার।
ওয়ার্ড ১৫
ক্যাপ্টেন?
পিল-দো।
আমি হাসপাতালে আছি। এক্ষুনি আসছি।
- ওনার জ্ঞান ফিরেছে? - হ্যাঁ।
- আমি একটু পর আসছি। - আচ্ছা।
ঠিক আছে।
প্লিজ, একটু সহ্য করুন।
মিস।
ধরো ওনাকে।
এবার কাটো।
আচ্ছা।
আমাকে ড্রেসিং ব্যান্ড দাও।
ব্যান্ড।
স্যরি। আমি গিয়ে নিয়ে আসছি।
হ্যালো? হ্যাঁ, প্রফেসর।
আমি ওনাকে আজ সকালে চেক করেছি।
ওনার পরিস্থিতি খুব খারাপ ছিল।
অনেক বেশি সেপ্টিক হয়েছিল,
প্রচন্ড জ্বর ছিল, আর ওনার সিআরপি লেভেল ছিল পাঁচ থেকে দশের মধ্যে।
তাই ওনার সিটি স্ক্যান করাই।
এক নজর দেখে যা বুঝলাম, অবস্থা খুবই নাজুক।
যেমনটা আপনি বলেছিলেন যে এন্ডোসাইটোটিস হতে পারে, তাই ভাবলাম
অপারেশন করানোই ভালো হবে।
তাই বিকালে সার্জারির শিডিউল দিয়েছি।
ক্যাপ্টেন।
আপনি ঠিক আছেন?
এই।
আমি তো মরেই গেছিলাম।
- পানি খাবেন? - না৷, আমি ঠিক আছি।
ডিটেকটিভ ওহ...
আমরা ওকে ধরে ফেলেছি।
ওই আপনাকে ছুরি মেরেছে, তাই না? ও হাসপাতালে...
পিল-দো।
জি?
তুমি…
ইয়ুন ডং-হুনকে জানো, তাই না?
ডং ছেওনের ইয়ুন ডং-হুন
যার পাঁচ বছর আগে খুন হয়েছিল?
হ্যাঁ।
ডিটেকটিভ ওহ…
ইয়ুন ডং-হুনের মেয়ে।
ইয়ুন ডং-হুনের আসল নাম সং জুন-সু।
দাঁড়ান।
মামে যে ডিটেকটিভ মারা গেছিল…
ও আন্ডারকভার ছিল।
আমি ওকে ডং ছেওনে পাঠিয়েছিলাম।
এটাই সবচেয়ে ভালো হবে আর অপারেশনটা বিকালে শিডিউল করে দিয়েছি।
তো ওনার আজ বিকালেই অপারেশন হবে।
হ্যাঁ।
চিন্তা করবেন না।
বেশ, তারপরও যদি…
আমার এখানের কাজ প্রায় শেষ।
শেষ হলেই, আবার ওনাকে চেক করব।
হ্যাঁ।
আমাকে জং ত্যে-জু ছুরি মেরেছে।
ওনাকে গত রাতে বাসায় ছেড়ে এসেছিলাম।
ওনাকে নার্ভাস দেখাচ্ছিল, তাই ওনার সাথে থাকতে চাইছিলাম, কিন্তু...
এটা তোমার ভুল না।
তো তুমি গাং-জে'কে...
ধরতে চাচ্ছিলে?
তোমার বাবার জন্য এটা করছ, তাই না?
জি-উ
প্রতিশোধ নিতে ওর বাবার খুনির সাথেই যোগ দেয়।
চোই মু-জিন ওকে ধোকা দিয়েছে।
এই কথা বললে কি,
তুমি বিশ্বাস করবে?
পিল-দো।
সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ।
কাজ শেষ করো।
আচ্ছা।
- আপনার হয়েছে? - জলদিই বের হবে।
ধন্যবাদ।
পাশের দরজা দিয়ে গিয়ে নিচে বি২ তে যাও।
আমার গাড়ি আছে সেখানে।
আমার এতে আপত্তি নেই।
এমনিতেও তোকে প্যাদাতে চাচ্ছিলাম।
- হ্যালো? - পিল-দো।
হে-জিন পালিয়েছে।
সং জি-উ!
ছাড়ো!
সং জি-উ।
এটাই তোমার নাম, তাই না?
কী করতে চাচ্ছ?
চোই মু-জিনের কাছে যাচ্ছ?
ক্যাপ্টেন আমাকে বলেছেন।
ওকে যেতে দিয়েছ
যাতে নিজ হাতে মারতে পারো?
হ্যাঁ ঠিক, তো সরে যাও।
না।
আমি তোমাকে থামাবো।
ছাড়ো!
অনেক হয়েছে!
ছাড়ো!
এখন তো সব জানো।
নিশ্চয়ই জানো এসব কেন করছি!
হ্যাঁ, জানি।
তাই তো তোমাকে থামাচ্ছি।
না, তুমি জানো না
আমি এতদূর কীভাবে এসেছি।
আমার ভবিষ্যৎ, নাম সব ছেড়ে দিয়েছি শুধু আমার বাবার খুনিকে ধরতে।
কিন্তু ও আমাকে বোকা বানিয়েছে। আর আমি একজনকে খুনও করেছি।
যদি ওকে না মারি, তবে আমার জীবনের কোনো মানে থাকবে না।
তোমার জীবনের কি ব্যস এটাই মানে?
এসব থেকে দূরে থাকো।
জেনেবুঝে মরতে যাচ্ছ যখন আমি কীভাবে দূরে থাকতে পারি?
ওকে মেরে ফেললেও, তুমি শান্তি পাবে না।
সেটা কি বুঝতে পারছ না?
আমি পরোয়া করি না। হাতকড়া খুলো।
আমি করি।
আমার হাতকড়া খুলো!
হাতকড়া খুলো!
গাড়িতে উঠো।
ধরো ওদের! ওদের পিছনে যাও! থামো!
শক্ত করে ধরো।
ও পালিয়ে গেছে।
আরেকজন ডিটেকটিভ ওকে নিয়ে ভেগে গেছে।
আমরা জলদি এসে পড়েছি।
বলেছিলাম না...
আমরা সমুদ্রে আসব।
আমার এক বন্ধু সার্ফিং ভালোবাসে সে এই জায়গাটা ভাড়া নিয়ে রেখেছে।
তোমার ক্ষতটা দেখতে দাও।
আমি ঠিক আছি।
আমাকে রাগিও না।
বসো।
আমার বোন মরার পর সাথে ছুরি নিয়ে ঘুরতাম।
ভেবে নিয়েছিলাম হারামিটাকে খুঁজে পেলে
জানে মেরে ফেলব।
প্রতিরাতে, সেই পরিচয়হীন হারামিকে
মারার স্বপ্ন দেখতাম।
আর অবশেষে,
আমার চেহারাই বদলে যায়।
যেন কোনো রাগে পরিপূর্ণ খুনি।
আমি…
নিজেকেই ছুরি মারছিলাম।
নিজেকে শেষ করে দিও না।
এখানেই থাকো।
এখন থেকে আর একা লড়ার দরকার নেই।
আমি তোমার সাথে থাকব।
চোই মু-জিন আমার বুকে একটা ট্যাটু করিয়েছিল।
আর আমি এটা পুড়িয়ে ফেলেছি।
আমরা দুজনে ভিন্ন রাস্তা বেছে নিয়েছি।
No comments yet. Be the first to leave one.