Die ersten 200 Zeilen.
দাঁড়াও, আমাকে...
- আমাকে স্রেফ... - আমি ঘোড়াটা ফেলে দিয়েছি।
দাঁড়াও।
এইতো, দেখো।
টা-ডা! দেখলে?
এটা কি ভেঙে গেছে?
না, দেখো। বাবা ঠিক করর ফেলেছে। না, দাঁড়াও।
আগে বলো আমরা এখন কোথায় আছি, তারপর এটা তোমার হাতে দেবো।
- বাবার বাবার বাড়ি। - ঠিক বলেছো।
এটা দাদা'র বাড়ি ছিল।
নাও, ক্যামেরা লাগবে?
নাও।
না, এই!
না, না, আমাকে খেলার ঘরটা দেখাও।
এবার তোমার খেলনাগুলো দেখাও।
ওহ, কিছু হয়নি, সিজার।
মনে হচ্ছে ভ্রমণ করে ছোট্ট সিজার ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।
- তাইনা, বাছা? - জেমস?
উপরতলায় কোনো পর্দা নেই কেন?
কারণ, সোনা, আমরা নির্জন একটা জায়গায় আছি...
- আর কেউ আমাদের দেখছে না। - হাই, মা।
হাই, জুনবাগ।
এক মিনিট, ভেবেছিলাম এটা নষ্ট হয়ে গেছে।
না, সোনা, সাবধানে।
চাইনা এটা আবারো ভেঙে যাক।
বাবা ঠিক করেছে এটা। হ্যাঁ।
এটা যেন আবার না ভাঙে।
তাহলে আমি আবার ঠিক করে ফেলবো, তাইনা?
- ওটা কী? - জেমস?
উচ্চতার কারণে হয়েছে। আমি ঠিক আছি।
তোমার নাক দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে কেন?
- বাবা ঠিক আছে। - তুমি ঠিক আছো?
এইমাত্র খবর পেলাম।
ভাবতেই পারছি না তুমি কিসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছো।
আমরা একদমই চাই না তুমি চলে যাও। তবে, বুঝতে পারছি ব্যাপারটা।
তোমার নতুন করে শুরু করা দরকার।
তোমরা কিসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছো তা জানতাম না।
যাইহোক, আমি... খুবই দু:খিত।
ফোন কোরো বা টেক্সট দিও। যেটা ভালো লাগে।
জানি অনেক কিছু সামলাতে হচ্ছে তোমাকে।
অনেক মিস করবো তোমাদের।
তবে তোমরা দু'জন এসব কাটিয়ে উঠতে পারবে।
তোমার পাশে আছি। একদিন সে ঠিকই বুঝতে পারবে।
আজ সকালে পাওয়া তাজা খবর...
একটা সবুজ রঙের টয়োটা ক্যামরি...
উদ্ধার অভিযান চলছে,
তবে এটা অস্পষ্ট...
আজকের পাওয়া বেদনাদায়ক খবর...
মিস কিমের একটা গাড়ি,
বে এরিয়া লেকের পানিতে পাওয়া গিয়েছে।
নিন।
মারগটের বাবা, ডেভিড কিম।
আজ সকালে তারা মিস কিমের কি-চেইন লেকের কাছে পেয়েছে।
- হ্যালো...? - সিরি, জুন'কে কল করো।
- হে ঈশ্বর! - মা?
সিরি, প্লিজ জুনবাগকে কল করো।
মা, তুমি কলের মধ্যেই রয়েছো। এটা ফেসটাইম।
ওহ, খোদা৷ তুই কি দয়া করে...
নিজের ভয়েসমেইল ক্লিয়ার করবি?
একটা মেসেজ পাঠানোর চেষ্টা করছিলাম তোকে।
যা আছে সবগুলোই সম্ভবত তোমার।
জানোতো, সবকিছুর জন্য সিরি'কে...
ব্যাবহার করার দরকার নেই, তাই না?
দেখ, আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে...
তাই তোকে যা বলি লিখে রাখ।
গাড়ির চাবি কিচেনের...
টপ ড্রয়ারে থাকবে, আর কেভিন...
তোকে বললাম লিখে রাখতে। কিছুই তো লিখছিস না।
কেভিন তোকে ভ্রমণবৃত্তান্ত পাঠিয়েছে।
মদ্যপান করা মানা, অচেনা কেউ এলে দরজা খুলবি না।
আর আমি যতক্ষণ বাইরে আছি...
নিজের লোকেশন সার্ভিস অন রাখবি, বুঝলি?
বুঝেছি।
আহ, খাবার-দাবারের কী করবো?
হেদারের কাছে একটা চাবি দিয়েছি।
- কিছু লাগলে তাকে কল করিস, ঠিক আছে? - কী?
- না, মা। হেদারকে লাগবে না। - "লাগবে না" মানে?
আমার বয়স ১৮ হয়েছে বেবিসিটারের দরকার নেই আমার।
তোর বয়স ১৮ কি-না তা দিয়ে আমার দরকার নেই, বুঝলি?
তুমি সবাইকে ছেড়ে হেদারকে কেন বাছলে?
তোকে একটা ভালো জীবন দিতে...
- যে ত্যাগ আমি স্বীকার করি তা তুই বুঝিস না। - মা, তুমি বেশিই নাটক করছো।
- জুনবাগ, তুই... - আমাকে ঐ নামে ডাকা বন্ধ করো।
শুধু নিশ্চিত করতে চাই আমি দূরে থাকাকালীন তুই যেন নিরাপদ থাকিস।
আচ্ছা, কেভিন যেকোনো সময় চলে আসবে...
উবার ডাকতে।
জরুরি দরকারের জন্য কিছু টাকা...
তোর একাউন্টে ডিপোজিট করে দিয়েছি।
বুঝলি?
টাকাটা কিসের জন্য?
জরুরি দরকারের জন্য।
- টাকা পেয়েছিস? - হ্যাঁ।
দোকানে যাচ্ছি এখন। বাই।
নক, নক।
বিড়ালটা আমার কাছে আসেই না।
কম্পিউটার কেমন চলছে?
ওহ, হ্যাঁ, আগের চেয়ে দ্রুত কাজ করছে। ধন্যবাদ।
কোনো ব্যাপার না, প্রিয়।
কী?
আহ...একটা কলম্বিয়ান শব্দ।
স্প্যানিশ শিখছি আমি।
দারুণ।
হেই, জানি তুমি...
ছুটি কাটানোর মুডে আছো, তবে এক সেকেন্ড সময় হবে?
আহ...
কীভাবে বলি?
দেখো।
জানি আমি...
তোমার কাছে একেবারেই অচেনা।
তবে তোমার মাকে আমি ভালোবাসি।
আর জানি এই ট্রিপটা শুধু তার আর আমার জন্য প্লান করেছি,
তবে এটা খুবই বিশেষ একটা কারণে।
- কেভ? - যাওয়ার আগে...
- হেই। - হেই।
কী চলছে?
জুন আর আমি একটু কথা বলছিলাম।
ওহ, আচ্ছা। উবারকে কল করেছিলে?
- দু মিনিটে আসছে। - কী?
ব্যাগগুলো নিচে নিয়ে যাবে?
মাত্র ৩০ সেকেন্ড লাগে সেগুলো...
জানি, তবে আমি একটু কথা বলতে চাই...
আচ্ছা, ঠিক আছে। বাইরে দেখা হবে।
ধন্যবাদ।
সত্যি?
দেখ, যদি মনে হয় তোর সাথে কঠোর আচরণ করছি তবে আমি দু:খিত।
তবে এটা সত্যিই তোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য।
উবার চলে এসেছে।
আচ্ছা, আসছি!
জুন, আমার কথা শোন।
আমি চাই তুই আমাদের সোমবার লস অ্যাঞ্জেলস বিমানবন্দর থেকে পিক করবি, পারবি সেটা?
হ্যাঁ, ম্যাডাম।
ধন্যবাদ।
গ্রেস, শুনতে পাচ্ছো?
ধন্যবাদ, সোনা।
এই নাও।
এই সপ্তাহটা চরম কাটবে।
রাখছি এখন।
দারুণ। এখনি আসছি।
- দাঁড়া, ভী, সে চলে এসেছে। - কে?
হেদার, আমার মায়ের বান্ধবী।
ধুর!
হেই, জুনি।
ভাবিনি তুমি বাসায় থাকবে।
তোমার জন্য ডিনার নিয়ে এসেছি।
ওহ, ব্যাপার না। কেমন চলছে?
ওহ, ভালোই।
আপনার কর্মক্ষেত্র কেমন ছিল?
ভালোই, এক কাস্টমারের হয়ে একটা কাস্টডি কেইস জিতলাম,
তো, ভালোই ছিল।
হলফ করে বলতে পারি তোমার মা তোমায় ইতোমধ্যে মিস করা শুরু করেছে।
জানোতো, কেভিন বিচ থেকে ওদের একটা ছবি পাঠিয়েছে।
সে ব্যায়াম করছে।
দাঁড়ান, কেভিন আপনাকে ছবি পাঠাচ্ছে?
খুশি হয়েছি যে তোমার মা কাউকে খুঁজে পেয়েছে।
ভালো কাউকে, টেকনিশিয়ান টাইপের।
আমি তো এমন একজনের জন্য যা খুশি করতাম। এমন কাউকে পাওয়া বেশ কষ্টের।
এমন না যে এম্নিতে অখুশি আছি। বুঝতে পারছো কী বলছি?
দুর্ভাগ্যবশত না!
সব ঠিক আছে?
ওহ, হ্যাঁ হ্যাঁ। সব ঠিক আছে।
তোমার বোর লাগলে আমি তোমার সাথে থাকতে পারি।
না, সমস্যা নেই। আমি শান্তির একটা রাত কাটাতে চাই।
তুমি একদম তোমার মায়ের মত।
এটা পোস্ট করিস না।
আজ রাতের জন্য প্রস্তুত?
মনে তো হয়।
তুই...তুই ঠিক আছিস তো?
হ্যাঁ।
হ্যাঁ, ঠিক আছি।
- আরে, জুন। - আমি ঠিক আছি।
- শান্ত হ, বস। - আমি ঠিক আছি!
এই, জুন, তুই ঠিক আছিস?
কেউ আমার স্মার্টওয়াচ দেখেছিস? বর্গাকার দেখতে...
আচ্ছা, কিছু হয়নি। আমার কথা শোন।
তুই ঠিক আছিস। টিয়া, কাপটা নিতে পারবি?
বেশ, চল।
- বমি করে দিলি। - সরি।
ঠিক আছে, জুন ঠিক আছে।
মনে হচ্ছে ভ্রমণ করে ছোট্ট সিজার ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।
- তাইনা, বাছা? - জেমস?
উপর তলায় কোনো পর্দা নেই কেন?
কারণ সোনা আমরা একটা নির্জন জায়গায় আছি...
আর কেউ আমাদের দেখছে না।
হাই, জুনবাগ।
এক মিনিট, ভেবেছিলাম এটা নষ্ট হয়ে গেছে।
না, সোনা। সাবধানে।
চাইনা এটা আবার ভেঙে যাক।
- বাবা ঠিক করেছে। - হ্যাঁ।
এটা যেন আবার না ভাঙে।
তাহলে আমি এটা আবার ঠিক করে ফেলবো।
ওহ, শিট।
হাই, গ্রেস অ্যালেন বলছি। প্লিজ মেসেজ ছেড়ে যান।
মা?
তোমরা কোথায়?
অনেক্ষণ ধরে এখানে দাঁড়িয়ে আছি।
মেসেজটা পেলে আমাকে কল কোরো।
দেখা হচ্ছে, বাই।
হাই, আপনাদের একজন গেস্টের ব্যাপারে জানতে ফোন দিলাম,
তারা কি থাকার মেয়াদ বাড়িয়েছে কি-না জানতে।
সর্যি...
No comments yet. Be the first to leave one.