Οι πρώτες 200 γραμμές.
অনুবাদে - সোহাগ চৌধুরী।
সহযোগিতায় - মোঃ জমির উদ্দীন।
স-জং।
ফুঁ দাও।
ফুঁ দাও।
আরো.
জোরে!
অসাধারণ, মিস. কো!
মিস কো!
মিস কো!
প্লেয়ার জিতেছেন।
মিস কো!
দেখুন, আমরা জিতে গেছি!
অভিনন্দন, মিস. কো।
আপনার সব টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।
মোটেই না। অভিনন্দন, মিস কো।
আজকে ভাগ্য তোমার পক্ষে ছিল।
অভিনন্দন। দুইশ মিলিয়ন পেসোস।
প্লিজ এখানে সাইন করুন.
- ধন্যবাদ। - আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মিস. কো, আপনার জেতা টাকাগুলো কী করব?
আমার কোরিয়ার একাউন্টে পাঠিয়ে দিন।
জ্বী, ম্যাম।
- ওনার টাকাগুলো পাঠিয়ে দাও। - জ্বী, স্যার।
মিস. কো।
আমার হার্ট এখনও পাগলা ঘোড়ার মতো লাফাচ্ছে।
এজন্যই তো খেলো।
অনেক উত্তেজনাকর, সু-জং!
আমার রুমে গিয়ে একটা ড্রিংক নেয়া যায়?
নিশ্চয়ই।
দেখা যাচ্ছে আমরাও হারি.
হমম.
সু-জং।
বাক্কারাট টেবিলে কো ইয়াং-হুই এর খেলার ভিডিও সংযুক্ত করে দিয়েছি।
ওকে।
বিগ বেট
আখ ক্ষেতের খুন!
হ্যালো?
হ্যালো, হুন? কোথায় তুমি?
আহ, আমার এখানে. শীঘ্রই বের হব. কী হয়েছে?
আমাকে একটা জিনিস তোমার চেক করে দিতে হবে।
আচ্ছা?
আজ সকালে বাক্কলোরের পাশের এক আখ ক্ষেতে দুইটা লাশ পাওয়া গেছে।
- আরেকটা হত্যাকান্ড? হ্যাঁ।
কিন্তু ওরা চাইনিজ না কোরিয়ান, আমরা নিশ্চিত নই।
ওদেরকে খুব সম্ভবত গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
তোমাকে ক্রাইম সিনের ছবি পাঠাচ্ছি।
আহ, ছবিগুলোতে একটু চোখ বুলাবে?
-নিশ্চয়ই, ভাই। - ওকে। ধন্যবাদ।
চার্জে কে আছে?
আমি, স্যার।
- তুমি? - হ্যাঁ, স্যার।
আমি কে জানো?
জ্বী, স্যার, জানি.
কিন্তু আপনি এখানে কেন এসেছেন?
ওরা স্থানীয় কৃষক, এরাই আজ সকালে রক্তের দাগটা দেখতে পায়।
ওরা দেখতে না পেলে,
ফসল কাটার আগ পর্যন্ত লাশ দুইটার হদিস পাওয়া যেত না।
এটা কী?
ক্রাইম সিনে পেয়েছি।
খুনের অস্ত্র?
ঠিক জানি না, কিন্তু চেক করার জন্য ল্যাবে পাঠাব।
একটু দেখতে পারি?
অবশ্যই। আমার সাথে আসুন।
ধন্যবাদ।
এদিকে, স্যার।
মেজিয়া, লেংগ ইয়ান তোমরা দুজন অফিসে চলে যাও।
জ্বী, স্যার.
আহ, গুজম্যান, মাত্তিও, তোমরা এখানটা সামলাও।
- জ্বী, স্যার। - উমালি।
এটা ল্যাবে নিয়ে যাও।
এটা থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেয়া যেতে পারে।
- জ্বী, স্যার। বুঝেছি। - ওকে।
দুই ভিকটিমকেই মাথার পেছনে গুলি করা হয়েছে।
দুজনেই মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে ছিল।
ওটা কী?
একটা লাশকে এই গর্তের পাশে মাথা নিচে পুতা অবস্থায় পাওয়া যায়।
দেখে মনে হচ্ছিল ওদের বাড়ি বা হোটেল থেকে টেনে আনা হয়েছিল।
ঠিক আছে, তুমি যেতে পারো।
খুনি ওদেরকে বাড়ি থেকে কিডন্যাপ করেছিল।
লাশগুলো কী আরেকটু ভালোভাবে কবর দিতে পারতো না?
দেখে মনে হচ্ছে মাটিতে অর্ধেক পুঁতে রেখেছে।
এই মাটিতে বেশি গভীর করে খুড়তে পারবে না।
এই মাটিতে কবর খুঁড়া সহজ না কারণ চারপাশে শিখড় জট পাকানো।
লাশগুলো কবর দেয়ার জন্য সারা রাত মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে ওরা নিশ্চয়ই ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিল।
আর সূর্য ওঠার সময় ভয় পেয়ে যায়, তাই চিৎকার দিয়ে উঠে।
দুনিয়ার জায়গায় থাকতে এসব করতে এখানেই আসলো কেন?
বস।
আমার মনে হয় এটার পিছে খুনিদের প্ল্যান আছে।
হেই।
বস, চার্লির আস্তানা খুঁজে পেয়েছি.
ওকে। ওর ঠিকানা আমাকে পাঠিয়ে দাও।
আর তুমি কন্টানা গিয়ে চেক করো চার্লির একাউন্টে কত আছে।
ঠিক আছে.
আখ ক্ষেতের নিহত ভিকটিমদের পরিচয় পত্রের জন্য অনুরোধ।
"না ইল-ইয়াং"
এ হলো জেইমি মুং আমরা ওকেই খুঁজছি।
এই মুং,
কেউ ডাকছে, স্যার।
আচ্ছা?
ওরা, ভিকটিমদের পরিচয় জানতে পেরেছে দুজনেই কোরিয়ান।
- আজকেই? এতো তড়িৎ গতির কাজ। - হমম।
ওদের কাজ এমনই।
এটা একবার দেখো।
মনে হচ্ছে বেশি দিন হয়নি ওরা এদেশে এসেছে।
ট্রাফিক ক্যামেরাগুলা চেক করেছ?
না। এখনও না।
আহ।
আচ্ছা…
কাজটা কি আদৌ করবে?
- হ্যাঁ। - কখন?
যখন পারি তখন।
হুন।
আমার হাতে এখন যে শুধু এই মার্ডার কেসগুলা আছে তা নয়।
আমার আরো অনেক কাজ পড়ে রয়েছে।
ওকে।
আসলে, একটা কথা কী জানো?
কোরিয়ান কমিউনিটির খুনগুলো,
সাধারণত কোরিয়ানরা নিজেরাই করে থাকে।
প্রায় প্রতিটা কেসে,
তোমার সম্ভবত কোরিয়া টাউন থেকে তদন্ত শুরু করা উচিত।
ওকে?
আমারও তাই মনে হয়.
আমার মিটিং এ যেতে হবে।
ঠিক জানি না। ওদের দেখিনি।
বুঝলে, আমি গেস্ট লিস্ট চেক করে দেখেছি
এই এরিয়ার সব হোটেলের।
কিন্তু ওরা কোন হোটেলে উঠেনি.
তাই আমার মনে হয় ওরা ওদের কোন বন্ধুর বাড়ি বা অন্য কোথাও থেকেছে।
আচ্ছা, ওই লোক দুজন, ওরা কি কোরিয়া থেকে সরাসরি এখানে এসেছে?
না, সরাসরি আসেনি. এটা অনুযায়ি,
এখানে আসার আগে তিন মাসের মতো হংকং ছিল।
- হংকং? - হ্যাঁ.
এক মিনিট.
ভিকটিমদের একজন একটা দাতব্য সংস্থা বা এরকম কিছু একটার মালিক ছিল না?
তার নাম সন ইউন-জিয়ং.
সাংগিয়া. ও সাংগিয়া দাতব্য সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ছিল।
চার্লি নামে একটা লোক আছে, যার হাতে পূর্বদেশীয় চিত্রকর্মের একটা ট্যাটূ আঁকা আছে।
কিছুক্ষণ আগে, ও একজন ইনভেস্টরের কথা বলছিল
যে হংকং থেকে আসবে.
আমার মনে আছে ও মিস সনের ব্যাপারে বলেছিল।
হমম…
মি. লী, ওর ফোন নাম্বারটা দিতে পারবেন?
আমার কাছে ওর নাম্বার নেই.
পর্ক বেলি রেস্টুরেন্টের মিস জিনের কাছে থাকতে পারে ও সেখানের নিয়মিত কাস্টমার।
চার্লি?
অবশ্যই, কিয়ং-ইয়াংকে ভালো করেই চিনি।
- কিন্তু-- - ও শেষ কবে এখানে এসেছিল?
অদ্যই এখানে এসেছিল.
আজকাল, ওর কোরিয়ান বন্ধুদের সাথে এখানে প্রায়ই আসে।
পর্ক বেলি শপে নিয়মিত আসে।
ওর বন্ধুর নাম জানেন?
আচ্ছা, তোমার জেনে কী দরকার?
- ওর নাম জানেন না? - না.
আমি এখন এই কেসটার তদন্ত করছি, তাই এখন কিচ্ছু বলতে পারব না।
আচ্ছা এই লোকগুলোকে চেনেন?
ওহ…
ওরা একসাথে এখানে খেতে এসেছিল।
- চার্লির সাথে? - হ্যাঁ।
আহ…
বলছিল একটা কেসিনো নিয়ে তদন্ত করছে। একথাই বলেছিল কি না জানি না।
- ক্যাসিনো? - হ্যাঁ।
কিন্তু তুমি জানতে চাচ্ছো কেন?
- আরে বলো না, কিছু হয়েছে? - একটা অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
- কী হচ্ছে? - পরে সব বলব।
- হেই, ইয়াং হি। - হেই, দেখো, ওই যে চার্লি।
- তাহলে ইনিই চার্লি? - হ্যাঁ, ওই চার্লি।
কিম কিয়ং…
আপনি কিয়ং-ইয়াং?
হ্যাঁ. কে তুমি?
আমি…
আমি ওহ সেওং-হুন। কোরিয়ান ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সি থেকে এসেছি।
কিছু মনে না করলে, আপনার সাথে একটু একা কথা বলা যাবে?
- অবশ্যই. কথা বলা যেতেই পারে. - চলুন তাহলে।
- ধন্যবাদ. - রৌজ, গাড়িতে উঠো.
ওকে।
স্যার, এই লোকদের আপনি চেনেন?
হ্যাঁ, চিনি.
গতকাল ওদের সাথে আপনার দেখা হয়েছিল?
হ্যাঁ, গতকাল আমরা এক সাথেই ছিলাম।
কিন্তু কোরিয়া টাউনে নামিয়ে দেয়ার পর ওদের সাথে আর দেখা হয়নি।
গতকাল কয়টার দিকে?
সম্ভবত, সন্ধ্যা ৮টার দিকে.
কেন?
বাকোলরের পাশের একটা আখ ক্ষেতে
গতকাল এদের দুজনকে মৃত পাওয়া গেছে।
- কী? - আপনি জানেন না?
সত্যি?
কিভাবে হলো?
শুনেছি আপনার র এক বন্ধু আছে যে সবসময় আপনার সাথে ঘুর ঘুর করে।
আজকে ও সাথে নেই?
প্রেমিকা নাকি?
খোদা. আসলে, আমার মাথা গরম ছিল।
আমাকে এসব জিজ্ঞেস করছো কেন?
জিজ্ঞেস করছি কারণ বলেছেন গতকাল ওদের সাথে ছিলেন।
লোকগুলো কোথায় উঠে ছিল?
জানি না।
মাত্র না বললেন গতকাল ওদের আনতে গিয়েছিলেন.
বললাম তো আমি জানি না।
আর জানলেও তোমাকে বলব কেন?
No comments yet. Be the first to leave one.