Eldonaj informoj

Tere Ishk Mein 2025 Bengali
Komentaĵo de Apel Mahmud
🔥 এবার মাতৃভাষায় উপভোগ করুন 'Tere Ishk Mein' 🔥 ⏳ রানটাইম- 02:45:29 🎬 জনরা: Romance | Musical সাবটাইটেলটি দিয়ে মুভিটি উপভোগ করার পর আপনার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার দেওয়া একটি পজিটিভ রেটিং আমাকে পরবর্তী কাজের জন্য অনেক উৎসাহ জোগাবে। ❤️

Etikedoj

webdl
Publikigita je: 2026-01-25
Elŝutoj: 253
Aŭdhandikapuloj: No

Antaŭrigardo de Bengali subtekstoj

La unuaj 200 linioj.

মহাদেব আর তার প্রিয় গঙ্গার চরণে...

লেহ, লাদাখ

ডানে আট হাজার, পাঁচ মাইল দক্ষিণে।

পশ্চিম দিকে যাচ্ছি। গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০০০ কিলোমিটার।

ঈগল, আপনি নির্দেশিত উচ্চতার অনেক নিচ দিয়ে উড়ছেন।

নির্দেশ মেনে চলুন।

ঈগল, আবারও বলছি, আপনি নির্দেশিত উচ্চতা সীমা অতিক্রম করছেন।

ট্রেনিংয়ের উচ্চতা সীমার মধ্যে থাকুন।

সংক্ষেপে বললে, আমাকে নিশ্চিত করতে হবে যে

ওটা একটা অজ্ঞাত বিমান।

যেকোনো সন্দেহজনক তৎপরতা নিশ্চিত করো।

আমি সেটার জন্য অপেক্ষা করব না।

আক্রমণের জন্য তৈরি।

আপনার নির্দেশের অপেক্ষায় আছি।

ঈগল, আপনি আন্তর্জাতিক সীমান্তের খুব কাছ দিয়ে উড়ছেন।

আক্রমণ করবেন না।

বেস টিম, ডেল্টা লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছে।

অনুমতির অপেক্ষায়।

জেন্টলমেন, আমি ঈগল বলছি।

আপনারা আমার সামরিক নিরাপত্তা এলাকার কাছাকাছি চলে আসছেন।

যেকোনো ঝামেলা এড়াতে দূরে থাকুন।

এটি ভারতীয় বিমানবাহিনী।

আপনাদের আচরণ অশোভন এবং বিপজ্জনক।

দ্রুত এই এলাকা ছেড়ে চলে যান এবং দূরে থাকুন।

শংকর, স্ট্যান্ডবাই।

আপনার এই কাজের পরিণাম খুব খারাপ হবে।

আমরা আন্তর্জাতিক আইন মেনেই মহড়া চালাচ্ছি।

সবাই যুদ্ধের জন্য তৈরি হও।

স্টেশন রেডি। ড্রপিং প্রসেস শুরু করো।

সবাই তৈরি হয়ে যাও।

ঠিক আছে।

দরজা খোলো। - ঠিক আছে, স্যার।

পুশ করো। জলদি।

হ্যালো, জেন্টলমেন।

ঈগল, আমরা আমাদের সীমানার ভেতরেই আছি।

যেকোনো ধরনের আক্রমণ বন্ধ করুন।

কোনো আগ্রাসী পদক্ষেপের পরিণাম ভয়াবহ হবে।

আগ্রাসন কোনো প্রতিক্রিয়া নয়, বন্ধু।

এটা একটা পছন্দ, আর আমি আমার পছন্দ বেছে নিয়েছি।

আমরাও।

আপনার সাথে কথা বলে ভালো লাগল,

প্রতিবেশী।

স্যার, এটা লেটেস্ট স্যাটেলাইট ইমেজ।

অনেক মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে, স্যার।

আমাদের একটা পরিকল্পনা করতে হবে।

ভি. শেখাওয়াত

স্যার। - ওকে?

জয় হিন্দ, স্যার।

শংকর

৭ মে থেকে যা যা ঘটছে,

আপনি তো জানেনই।

আমাদের পঁচিশটি সামরিক স্থাপনায় হামলা হয়েছে।

এখন পাকিস্তানের চারটি তুঘরিল-ক্লাস ফ্রিগেট,

তিনটি তারিক-ক্লাস ডেস্ট্রয়ার,

এবং দুটি হ্যাঙ্গর-ক্লাস সাবমেরিন

৩০ নটের বেশি গতিতে আইএনএস বিজয়ের দিকে এগোচ্ছে।

আমাদের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে,

ভারতীয় জলসীমায় পাকিস্তানি নৌবাহিনীর সাথে

আমাদের পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হতে যাচ্ছে।

আর এসবের মাঝখানে,

আপনি অন্য কোথাও যুদ্ধ শুরু করতে চাইছেন!

আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় অস্ত্র ব্যবহার করার সাহস আপনার হলো কী করে!

ওটা শত্রুপক্ষের বিমান ছিল, স্যার।

আপনি জানলেন কী করে?

একটা আওয়াজ আসছিল...

আমি কি জানতে পারি

এই আওয়াজ কোথা থেকে আসছিল?

আমার ভেতর থেকে।

যখন আপনি বিমান ওড়ান,

তখন কার কথা শোনা উচিত?

ফাইটার কন্ট্রোলার নাকি আপনার মনের কথা?

আমি প্রতিদিন আমার আকাশসীমায় উড়ি, স্যার।

কিছু একটা ঠিক ছিল না।

আমি সেটা অনুভব করতে পারছিলাম।

আমি আপনার ওড়া নিষিদ্ধ করছি।

এই ঘটনার তদন্ত হবে

আর যতক্ষণ না ফাইনাল রিপোর্ট পাচ্ছি,

আমি যেন আপনাকে কোনো বিমানের আশেপাশে না দেখি!

বেরিয়ে যান!

স্যার।

কিন্তু স্যার, ও আমাদের সেরা পাইলট।

গুড মর্নিং, স্যার।

ওর শুধু একটু রাগের সমস্যা আছে, স্যার।

ওর রাগ নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই, জয়দীপ,

আমার সমস্যা ওর কাউকে বিশ্বাস না করার মানসিকতা নিয়ে।

এমন কিছু একটা আছে যা ওকে কাউকে বিশ্বাস করতে দেয় না, স্যার।

এমনকি নিজের টিমকেও ও বিশ্বাস করে না।

আপনার কি মনে হয় কাউন্সেলিং করলে কাজ হবে?

স্যার, আমার মতে,

বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের ওকে খুব দরকার। আপনিও সেটা জানেন।

সুধীর। - স্যার।

একজন কাউন্সেলরের ব্যবস্থা করো।

যতক্ষণ না ও ওর কাউন্সেলিং সেশন শেষ করছে

আর ডিসিপ্লিনারি কমিটির ফিটনেস সার্টিফিকেট পাচ্ছে,

ও বিমান ওড়াতে পারবে না।

বুঝেছ? - জি, স্যার।

এটাই ওর শেষ সুযোগ।

এটা ভারতীয় বিমানবাহিনী

আর ও একাই আমাদের একমাত্র পাইলট নয়।

আমাদের আরও অনেক দক্ষ পাইলট আছে।

শংকর এফ/ওপিএস অনুমোদিত নয়

গোপনীয় শংকর গুরুক্কাল

দিব্যাঙ্কা, আমি এই ছেলেটাকে আকাশে দেখতে চাই। যত দ্রুত সম্ভব।

তাই হেডকোয়ার্টার থেকে এই কাজের জন্য সেরা কাউন্সেলরকে পাঠানোর ব্যবস্থা করো।

ঠিক আছে, স্যার।

ভারত সরকার

হ্যালো, মুক্তি। - হ্যালো।

হ্যালো?

শুনতে পাচ্ছ?

তুমি কি মদ খেয়েছ?

না।

থাক, আমাকে মিথ্যে বোলো না।

নিজের শরীরের কথা ভাবো।

ডাক্তার দেখিয়েছ? তিনি কী বললেন?

তুমি কি ফিরতে পারবে?

হ্যালো?

কালভারি আর করঞ্জের ওপর হামলার খবর নিশ্চয়ই জানো।

এখানকার অবস্থা খুব উত্তপ্ত, মুক্তি।

যেকোনো সময় যুদ্ধ লেগে যেতে পারে।

তোমার কি মনে হয় আমি এখানে পার্টি করছি?

আমি এখন কিসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি তুমি কি বুঝতে পারছ?

আমাদের তোমাকে দরকার।

তুমি ওই নৌকায় মরে যেতে পারো না!

আমি জানি না কীভাবে, কিন্তু তোমাকে...

আমি তোমাকে পরে ফোন করছি।

হ্যালো, মুক্তি? শোনো...

ভেতরে আসুন।

শুভ দুপুর, ম্যাম।

শুভ দুপুর। বসুন। - ধন্যবাদ।

ডিস্টার্ব করার জন্য দুঃখিত, একটা জরুরি বিষয় ছিল।

লেহ এএফএস-এর ক্যাপ্টেন শেখাওয়াত ব্যক্তিগতভাবে এই কেসটার সুপারিশ করেছেন।

ঠিক আছে, আমি দেখছি।

ধন্যবাদ।

গোপনীয় শংকর গুরুক্কাল

ভেতরে আসতে পারি, স্যার?

হ্যাঁ এসো, মুক্তি।

এই কেসটা আমি নিজেই হ্যান্ডেল করতে চাই, স্যার।

এসব আবার কী?

নিজের অবস্থার দিকে তাকাও, মুক্তি।

এটা অন্য কোনো কলিগকে দিয়ে দাও।

এটা জরুরি, স্যার।

লেহ এয়ার ফোর্স স্টেশন থেকে স্পেশাল রিকোয়েস্ট এসেছে।

প্রবীণ চন্দ্র

তুমি নিশ্চিত?

হ্যাঁ।

বাবা।

আমি জানি শংকর কোথায় আছে।

আমাকে যেতে হবে, বাবা।

কুশোক বকুল রিনপোচে বিমানবন্দর, লেহ

একটা বড়...

ওকে। - একটা লেমনেড।

জয় হিন্দ, স্যার।

স্কোয়াড্রন নং ১০ ফ্যালকনস

ধন্যবাদ।

ভেতরে আসতে পারি, স্যার?

আসুন।

জয় হিন্দ, স্যার।

রিল্যাক্স।

ম্যাম, ইনি ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট শংকর।

হ্যালো, শংকর।

স্যার, আমার কেমন যেন বমি পাচ্ছে।

আমি কি যেতে পারি?

ধন্যবাদ।

মানব বিবর্তনের শুরু থেকেই,

এমন একটা আবেগ আছে যা সব সময় আমাদের সমস্যায় ফেলেছে।

এই আবেগ হাজার হাজার বছর ধরে

সভ্য সমাজের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেই আবেগটি হলো

হিংসা।

দিল্লি সাত বছর আগে

নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা,

দয়ামায়াহীন আচরণ।

এটা স্রেফ একটা আবেগ,

কিন্তু আপনি এর হাজার হাজার প্রতিশব্দ খুঁজে পাবেন।

আধুনিক মনোবিজ্ঞানের ২০ শতাংশ সমস্যাই এর সাথে জড়িত।

এর হিন্দি শব্দ হলো "হিংসা"।

তো আপনার থিসিস প্রপোজালটা কী, মিস মুক্তি?

হ্যাঁ স্যার, আমি বুঝিয়ে বলছি।

আমি বিশ্বাস করি,

হিংসা অনেকটা অ্যাপেন্ডিক্সের মতো।

এর কোনো কাজ নেই

কিন্তু এটা প্রচুর যন্ত্রণা দেয়।

আমার প্রস্তাবনা হলো,

অ্যাপেন্ডিক্সের মতোই, - ধর ওকে! শংকর, ধর ওকে!

এটাকেও শরীর থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব। - শংকর, ধর ওকে!

শরীর থেকে।

আধুনিক মনোবিজ্ঞানে আমরা হিংসার চিকিৎসা করতে পারি।

যেকোনো মানুষের ভেতর থেকে এটাকে পুরোপুরি দূর করা সম্ভব।

তাত্ত্বিকভাবে, আর আমাকে সুযোগ দেওয়া হলে,

আমি প্রমাণ করতে পারব যে মানুষ আসলে...

সক্ষম...

সব ধরনের হিংসাত্মক আচরণ ত্যাগ করতে।

চিরতরে।

আমি জানি এখন এটা শুনতে অবাস্তব মনে হচ্ছে

কিন্তু আমার গবেষণা বলছে যে

সামান্য পার্সোনালিটি অ্যাসেসমেন্ট,

কিছু সোশ্যাল সাইকোলজি এক্সপেরিমেন্ট,

সাইকোথেরাপি, হিপনোথেরাপি,

আর প্রয়োজন হলে ওষুধের মাধ্যমে,

সবচেয়ে হিংস্র মানুষকেও সুস্থ করা সম্ভব।

Komentoj

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left