Las primeras 200 líneas.
অনুবাদে : 〄 মিনহাজ আল ইসলাম 〄 〄 এস. এম ফাতিন 〄
সম্পাদনায় : 〄 মিনহাজ আল ইসলাম 〄 〄 মোহাম্মদ সায়েম 〄
বন্ধুরা, আমি একটা বিষয় শিখেছি,
তোমার অক্ষমতা যেন তোমাকে পিছিয়ে না দেয়।
এটাকে গর্বের সাথে ধারণ করো।
তোমাকে শুধু বলতে হবে,
"হে পৃথিবী, এটাই আমি। আমি এমনই। নিজের সেরাটা দিয়ে, এখানে জিততে এসেছি।
নোভোকেইন
সান দিয়েগো ট্রাস্ট ব্যাংকে
আমাদের কোনো গ্রাহক
বা ক্লায়েন্ট নেই। সদস্য আছে।
পারিবারিক সদস্য।
আর এটাই...
খুশির ব্যাপার!
- হ্যাঁ, একদম। - হ্যাঁ! হুমম।
ক্রিসমাস বোনাস ডে'র চেয়ে খুশির আর কিছু হতে পারে না।
বছরের ব্যস্ততম দিন।
যেদিন পরিশ্রমী সদস্যরা তাদের শ্রমের ফল ভোগ করবে।
আগামীকাল আমরা সান দিয়েগো ট্রাস্টের উপর আস্থা রাখতে যাচ্ছি।
- এখানেই শেষ। - ঠিক আছে, এটুকুই।
বাহ্। অসাধারণ।
হুমম, দারুণ। অসাধারণ।
আচ্ছা, কাজে যাও। কাজে যাও।
আচ্ছা।
দোকানের খবর কী? ব্যবসা কি মোটামুটি চলছে?
টেরেন্সকে বরখাস্ত করতে হয়েছে।
কিন্তু এখনও প্রতিদিন দোকান খুলি।
বেটি চলে গেছে, এখন কী করবো জানি না।
আর্ল, আমি...
আমি দুঃখিত, কিন্তু টাকা না দিলে,
সম্পত্তিটি দখলে নিতে হবে।
বুঝতে পারছি।
ঠিক আছে।
যেটা করতে পারি
কাগজপত্রগুলো ক্রিসমাসের ছুটি পর্যন্ত আটকে দিতে পারি।
এই টাকায় বেটির রিটায়ারমেন্ট আর সুবিধার কাজ সময়মতো শেষ হবে।
তবে দোকানটা বাঁচবে কিনা জানি না, কিন্তু...
তোমার বাড়িটা অন্তত বাঁচবে।
আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ।
চলো বাইরে পর্যন্ত দিয়ে আসি।
আবারও দুঃখিত, আর্ল।
আমি কল্পনাও করতে পারি না
৫০ বছর একসাথে থাকার পর কাউকে হারানোর কষ্ট কেমন।
সময় কোনো ব্যাপার না।
যেদিন প্রথম দেখা হয়েছে সেদিনও যদি বিচ্ছেদ হতো, একইরকম কষ্ট হতো।
ও আমার জীবনে আলো এনে দিয়েছিলো।
বুঝতে পেরেছ?
হ্যাঁ।
একদম।
- হেই, নেট? - ওহ।
- হাই! কী খবর? - ওহ মাই গড! সরি।
- ওহ না, ঠিক আছে। - ঈশ্বর!
- আমি পরিষ্কার করছি। - ও মাই গড, আমি দুঃখিত।
না না, সত্যিই দরকার নেই।
আমি ভালোই দাগ তুলতে পারি।
তোমার সত্যিই কিছু করতে হবে না। আমি ঠিক আছি।
ঠিক সামলে নেব। চিন্তা কোরো না।
আমি, উহ...
উহ, আমি...
আমাকে যেতে হবে,
- দুঃখিত। - ওহ।
দারুণ দেখিয়েছিস, ইডিয়ট।
হ্যাঁ, ভেতরে আসো। হেই।
শেরি! হেই! হাই।
হাই। উমম...
আমাকে চাকরি থেকে বাদ দেয়া হয়েছে নাকি?
মাত্র চার মাস কাজ করেছি এখানে, তাও মনে হয় এখনো অনেক কিছু করতে পারব।
- না না, তুমি বাদ পড়োনি। - তুমি নিশ্চিত?
হ্যাঁ। তোমার জন্য একটা নতুন শার্ট কেনা উচিত।
এই শার্ট? না। না, না। এটা...
এটাই আমার সবচেয়ে খারাপ শার্ট।
ঠিক আছে। তাহলে কি একসাথে লাঞ্চে যেতে পারি?
আহ, হ্যাঁ।
আহ, না, আসলে...
দুঃখিত, আমি খাবার এনেছি, তাই যেতে পারবো না।
ঠিক আছে।
চাপ নেই। আচ্ছা। তবে মত পাল্টালে আমাকে জানিও।
বাই।
এই...
জানো কী?
আমি রাজি। আচ্ছা।
- দশ মিনিটের মধ্যেই বের হই? - হ্যাঁ! যাওয়া যাক..
এটার অপেক্ষায় ছিলাম।
এত জোরে বলিস না।
ওহ। ফিরে এসেছো, সোনা।
সাথে বন্ধুও এনেছো দেখছি।
হ্যাঁ, ও নেট।
হেই, নেট। তোমার জন্য কী আনব?
ওহ, একটা মিল্কশেক দিন, প্লিজ। ভ্যানিলা মিল্কশেক।
খাবার খাবে না? এখানকার স্যান্ডউইচ দারুণ।
সত্যিই ভালো?
না।
ঠিক আছে। তাহলে আমি....
- প্লিজ বলো না যে চেরি পাই শেষ হয়ে গেছে। - তোমার ভাগ্য ভালো।
একটাই আছে।
তো...
তোমার রহস্যটা কী?
আহ...
- আমার রহস্য? - হ্যাঁ।
তুমি সবসময়...
তোমার অফিসে থাকো,
কখনো হ্যাপি আওয়ারে আসো না।
ঠিক জানি না। বুঝলে? আমি...
বোধহয় খুব একটা মিশুক লোক না।
- ঠিক আছে। - হ্যাঁ।
- তোমার কি গার্লফ্রেন্ড আছে? - না, নেই। মানে...
এখন নেই।
- ডেটিং অ্যাপ চালাও? - না! একদম না।
কেন? সত্যি বলছি, তুমি খুব ভালো করতে।
এখনই তোমার প্রোফাইল পিকচার তুলে দিতে পারি। এই রেইনডিয়ার টাইটা একদম জমবে!
ওহ আচ্ছা। ঠিক আছে।
ধন্যবাদ তোমাকে।
ইঞ্জয় করো। কিছু লাগলে ডাক দিও।
ধন্যবাদ।
ওহ মাই গড! এটা অনেক মজা।
- তুমি একটু খাও। - না, আমি ঠিক আছি।
- একটু খেয়েই দেখো। - না, আমি... ঠিক আছি।
- সত্যিই শেরি, আমি ভালো আছি। - একটা ছোট্ট কামড় দাও।
- দারুণ। - না, পারব না!
- দুঃখিত। - আমি কেক খেতে পারি না।
খেতে পারো না মানে?
মানে, উমম...
আমার একটা জেনেটিক সমস্যা আছে।
ওহ।
বুঝলাম।
বলতে থাকো।
হ্যাঁ, উম...
এর নাম CIPA
Congenital Insensitivity to Pain with Anhidrosis.
মানে...
এটা নার্ভাস সিস্টেমে প্রভাব ফেলে।
আর এটা...
এমন করে দেয় যে আমি ব্যথা অনুভব করতে পারি না।
মানে...
ঠান্ডা, গরম এসব কিছুই বুঝি না।
এই কারণেই কেক খেতে পারি না।
বলতে পারো আমি কোনো সলিড ফুড খাই না, কারণ...
আমার অজান্তেই...
জিহ্বায় কামড় দিতে পারি।
ওহ, আগের সেই কফি...
হ্যাঁ, সেটাও একদমই অনুভব করিনি।
- হলি শিট! - হ্যাঁ।
তুমি তো সুপারহিরো।
হ্যাঁ, বলতে পারো।
আমার শক্তি হচ্ছে পায়ে লোহা ঢুকলেও বুঝতে না পারা,
যতক্ষন না আমার জুতা রক্তে ভরে যায়।
ঠিক বলেছো। সেটা ভাবিনি।
জানো? এটা শুনে আমার মা অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন।
- ঈশ্বর। - হ্যাঁ।
আমার বাবা-মা,
আমার পুরো শৈশবটাই হাসপাতালে কেটেছে।
আর যখন জানতে পারলো এই অসুখের গড় আয়ু
মাত্র ২৫ বছর,
তখন থেকেই তারা আমাকে আটকে রেখেছিলেন।
দুঃখিত।
না না, আমি তো...
এখনো বেঁচে আছি।
ঠিক আছে। তোমার সব কথাই তো শুনলাম...
কিন্তু এর মানে তো এই না যে
তুমি একটুও কেক খেতে পারবে না?
না। পারব না। মানে...
- যেমনটা বললাম, আমি জিহ্বায় কামড় দিতে পারি। - কামড় পড়বে না, নেট।
এটা ওয়েস্ট কোস্টের সেরা চেরি পাই।
আমি কসম খাচ্ছি।
শোনো, যদি কিছু হয়ও, আমি এখানেই আছি।
আচ্ছা।
ঠিক আছে?
এই নাও.. কামড় দিচ্ছি..
মুখ খোলো।
ঠিক আছে।
মনে রেখো, আস্তে চিবাও।
ম্যাজিক দেখো।
ওহ মাই গড, সত্যিই মজা!
সত্যিই অসাধারণ। ও মাই গড!
- ওহ মাই গড! কী... - বলেছিলাম না!
কী?
- এটা কেক? এটাই কেক। - হ্যাঁ!
অনেক মজা।
অভিনন্দন।
ওয়াও!
আজ রাতে কী করছো?
ও আমাকে একটা আর্ট শোতে যেতে বলেছে।
কিন্তু আমি যাব না।
আমি এখানেই থাকবো, গেম খেলবো, সেটাই ভালো।
তুমি মেয়েটার কথা মাসের পর মাস বলে আসছো।
তুমি আসলে ওর প্রেমে পড়েছো।
আমি হলে একটুও দেরি করতাম না।
কিন্তু আমি তোমার মতো না।
আমি এতটা কুল না। আমি হার্লে চালাই না। কোনো হ্যান্ডসাম লুক নেই।
এটা হালকা প্রভাব ফেলে।
কিন্তু ভাই, শুধু এই জিনিসগুলোই মেয়েদের পছন্দ না।
এতে সাহায্য হয়? অবশ্যই হয়, মিথ্যে বলব না।
কিন্তু আত্মবিশ্বাসটাই আসল!
মনে হচ্ছে আমি কিছু একটা গুলিয়ে ফেলবো।
সবচেয়ে খারাপ কী হতে পারে?
তুমি বসে বসে লিভিং রুমে ভিডিও গেম খেলবে?
এখনো তাই-ই করতেছো, ভাই! তোমার হারানোর কী আছে?
- নেট, তুমি মরে যাচ্ছ। - কী?
আহ শিট, দুঃখিত।
আহ, ঠিক আছে।
No comments yet. Be the first to leave one.