Las primeras 200 líneas.
বঙ্গানুবাদ : আরুশ আরিয়ান।
L O V E L Y
আচ্ছা! তাহলে আমিই ভুল?
এসব কিন্তু ঠিক না।
যদি সকাল-সকাল বাড়ির সামনে চিল্লাচিল্লি করেছো,
আমার আসল রূপ দেখবে।
ভালো করে চিনা হয়েছে তোমাকে।
টাকা লোভে প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছো?
কিসের প্রতিশ্রুতি?
দেখো, যদি উল্টা-পাল্টা কথা বলো, তুমি যে বয়সে বড় তা আমি ভুলে যাবো।
কে বড়? আমি?
বলো?
এটা মাথায় রেখো...
দিদি কী দিবো?
কত?
১০০ টাকার পটোল, ১৫০ টাকার পুদিনা।
- টাটকা তো। - ১৫০?
- হ্যাঁ। - পটোল দাও।
- ১ কেজি দিবো? - হ্যাঁ, দাও।
পিকুর বাচ্চারা কি আভারচনের বাচ্চা নয়?
ওহো!!
- যাই? - হুম।
দিদি, কী দিবো? পটোল দিবো?
কী হয়েছে? 'ওহো' বললো কেন?
ওহো, দুধ! সর!
একটুও উন্নতি হলো না। প্রতিদিন একই কাহিনী।
কপাল ভালো পড়েনি।
এই, লিসার কুকুরটা চিনো না?
- হ্যাঁ, আভারাচন! - হ্যাঁ।
আর ছানাগুলো? মিনির কুকুর পিকুর যে তিনটি ছানা হয়েছে না?
লিসা আর মিনি তখন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল।
তো, অনুমান করা যায় তাদের কুকুরদেরও সম্পর্ক ছিল।
এটা তো স্পষ্ট।
তারপর তিনটা কুকুর ছানা হলো, সেখান থেকে লিসা একটা ছানা চেয়েছিল।
মিনি সাফ মানা করছে ছানাগুলো আভারাচনের নয়।
- ওহো! - এজন্যই ঝগড়া।
আর তারপর?
লিসা শুধু একটা ছানা চেয়েছে।
আর জানো কেন মানা করেছে?
এই, ওই জাতের নাম কী জানি?
- শিৎজু। - হ্যাঁ শিৎজু।
কারণ শিৎজু জাতের কুকুরছানার অনেক দাম।
আমি মিনিকে চিনি না?
বিক্রি করার পরিকল্পনা করছে। সে দিবে না।
কিন্তু কুকুর হলেও তো পরিবারের সদস্য, তাই না?
এহ?
- খেয়ে স্কুলে যাও! - যাবো তো।
পরিবার!
তো, আভারাচনের পরিবার ভাঙছে।
থামো!
মাহাজন!
মাহাজন, দুটো মেশিন, দুটো ব্লেড, দুটো বেল্ট আর নাইলন সুতোও।
ভেতর থেকে নিয়ে নাও।
ঠিক আছে।
এইযে নাইলন সুতো।
হয়েছে। ঠিক আছে।
- ৪৫০। - ৪৫০।
পেট্রোলও।
- ৭০০। - ঠিক আছে।
এখনও কাজ খুঁজে পাওনি?
এটা কী কাজ নয়?
তুমি এটাকে কাজ বলছো?
এটা একটা যাত্রা, মাহাজন...
তুমি বুঝবে না মাহাজন!
যাত্রা!
যাই মাহাজন?
ঘন্টা খানেক কাজ করবো।
এক ঘন্টার জন্য ৪৫০ টাকা আর তেল খরচা।
পুরো বাগান, হবে... কত ভাই?
- দেড় একর না? - হ্যাঁ।
৬,০০০ টাকা।
আহ, ৬,০০০।
আচ্ছা তাহলে কাজ শুরু করো।
ঠিক আছে তাহলে।
ঠিক আছে, ফ্রি হয়ে ফোন করিস।
- কপাল ভাই! - এই, অ্যালান না?
হ্যাঁ।
আমরা যা স্বপ্নে দেখি, সেটাই তার জীবন।
চারদিকে শুধু পরীর মতো সুন্দরী।
শুধু আরাম করো, দেখভালের দায়িত্ব পরীদের।
সত্যিই স্বর্গে বাস করছে, ভাই।
হ্যাঁ, ওরকমই...
বনি, আবারও বলছি...
...যুক্তরাজ্য, জার্মানি খুব রিক্স।
তুই বরং কানাডা চলে যা।
ওখানেও ভালো পাহাড় আছে, ভাই।
মনে হয় না এই পাহাড় ছেড়ে আমি কখনো অন্য পাহাড়ে যেতে পারব।
নাকি সাথে আমিও কানাডা যাব?
একসাথে ভ্রমণ হবে, একসাথে মাস্তি হবে!
মাঝ রাস্তায় হয়তো এক মেয়ের সাথে দেখা হবে যে আমার জন্য অপেক্ষা করে আছে। তাই না?
কথায় কথায় খালি মেয়ে-মেয়ে...
চুপ কর! লুচ্চা কোথাকার!
- IELTS পাস করতে হবে, তাই না? - হ্যাঁ, পাস করতে হবে।
- অবশ্যই। - পাশ করতে হবে।
এই, যাচ্ছি। যাবি না?
না, যা।
কী হয়েছে?
পারিবারিক বিষয়।
এটা তোমার বাবার চাকরি।
যাইহোক, সরকারি চাকরি।
তারপর পেনশন, গ্র্যাচুইটি আর সিআইবিআইএল।
কতগুলো ক্রেডিট হবে জানিস?
পাত্রী খুঁজলেও পেয়েও যাবে।
এই।
পুরো এক বছর পিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য উৎসর্গ করেছিলাম।
কেন? পড়াশোনায় তো খারাপ ছিলাম না!
তারপর কী হলো? ছয়টি লিস্টে নির্বাচিত হয়েছিলাম।
তোমার শুধু ওখানে বসতে হবে। এটুকুই করলেই হবে।
প্রতি মাসের ১ তারিখ বেতন পেয়ে যাবে।
কাজ করো বা না করো, বেতন মিস নেই।
এটাই সরকারি চাকরি।
লাইফ সেট হয়ে যাবে।
টাকা বিষয় না, চাচা।
সরকারি চাকরিতে আমার আগ্রহ নেই।
কেন?
সারা জীবন এমন একটা কাজ করে যাওয়া..
আমি ওরকম নই।
মূলত, ভারত একটি উন্নয়নশীল, অনুন্নত দেশ।
আর কানাডা শীর্ষ স্তরে রয়েছে।
তো আমার কী সারা জীবন এখানে এমন একটা কাজ করে কাটানো উচিত?
নাকি, উন্নত দেশের উন্নত অভিজ্ঞতা অর্জন করা উচিত।
আচ্ছা, তুমিই বলো, আন্টি!
- বনি! - শুরু হয়ে গেছে।
ঠিক আছে...
যদি এমন ইচ্ছা থাকে, তাহলে ত্যাগ করো না।
দারুন!
কিন্তু প্রথমে চাকরিটা করো।
আর তারপর ৫-১০ বছরে অবসর নিও।
যুক্তরাজ্য, কানাডা অথবা উগান্ডা, যেখানে যেতে চাও ট্রায় করতে পারবে।
সাথে, ঋণও পাবে...
...গাড়ি হবে, বাড়ি হবে...
এগুলোও তো অপশন না?
ভালো করে ভেবে দেখো।
এই।
[ইউনিভার্সাল লজ, পূর্ব মঙ্গলম পিও, চারাল।]
হ্যালো।
- শাইন। - গ্রেস।
- ঘুমিয়ে পড়েছিলে? - না, না।
এখানে খুব বৃষ্টি হচ্ছে।
তাই? এখানেও বৃষ্টি হচ্ছে।
কী করছিলে?
আমি…
স্নান করছিলাম গো।
- পরে ফোন করি? - ওহ।
হ্যালো।
- ওহো, ভিডিও! - না... কেটো না, কেটো না।
আমি... স্নান করছি।
- কী গ্রেস? - তেমন কিছু না।
আমি শাইনের কথা বলবো...
গোসল শেষ করে তারপর ফোন করি?
তুমি স্নান করো...
আমি যদি দেখি কোন সমস্যা আছে?
লজ্জা পাচ্ছো?
এহ! কেন লজ্জা পাবো?
শাইন, তোমার চোখ দুটো খুব সুন্দর!
তাই?
তোমার চোখ খুব সুন্দর!
আগে কখনো এমন করে বলোনি।
তাই অদ্ভুত লাগছে।
আমি মিথ্যা বলছি বুঝি?
ওহো তাই?
তাহলে বলো...
গ্রেস।
যদি কিছু জিজ্ঞাসা করি, সত্যি করে বলবে?
গ্রেস আমাকে ভালোবাসো?
- শাইন। - গ্রেস।
আমার জামাই ফোন করছে।
ওহো! আমি... আমি কাটছি।
ঘুমিয়ে গেছো?
ওয়াশিংটন থেকে মায়ামি—১,৫০০ কিমি, পুরো রাস্তা আমিই ড্রাইভ করেছি।
খুব ক্লান্ত লাগছে।
- তাহলে বিশ্রাম নাও। - ঠিক আছে।
এখানে দাঁড়িয়ে আছো কেন?
কিছু না, এমনই।
এসো। আমার সাথে এসো, ভাই।
- ভেতরে এসো, ওরা শুরু করে দিয়েছে। - আমি যাচ্ছি না।
এটা ঠিক হবে না।
- যাইহোক, আমি একজন ম্যাজিস্ট্রেট। - হ্যাঁ, ঠিক আছে! ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব।
ভেতরে এসো। আমি বলছি না?
ভেতরে এমন কেউ নেই যে তোমাকে চিনে না।
- আরে ভাই। - ভেতরে এসো।
এসো।
ভেতরে এসো!
এসো।
ড্রিংক্স বানিয়ে দিবো? ছোট্ট করে?
এখনও শুরু করিসনি?
এখনই করতেছিলাম।
- ঠান্ডা কোথায়? - ওটা কি ঠান্ডা না?
ওখানে হাতটা দিলে, হাত ভেঙে দিবো।
- শেষ হয়নি? - না।
কী হয়েছে?
কী?
ওখানে ঘর-সংসার করতে যাচ্ছি না পরিস্থিতির চাপে পড়ে যাচ্ছি।
অনায়াসে ঋণ নিতে পারবি।
তারপর গাড়ি নিবি।
শোটাইম ভাই!
নে।
সম্মাননা।
ওটাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়ো।
সম্মাননা...
No comments yet. Be the first to leave one.