Las primeras 200 líneas.
এই গ্রামে মানুষের চেয়ে সেলুনের সংখ্যা বেশি।
মালিক তো সেটা বোঝে না।
- অন্যদিকে... - এক্সকিউজ মি, স্যার।
এই, কী করছিস তুই?
যা হাত মুখ ধুয়ে আয়।
একটু অপেক্ষা করুন, স্যার। আমিই করে দিচ্ছি।
আচ্ছা।
মদ খেয়ে কাজ করতে গিয়ে একদিন দেখবি তুই কারো গলাটাই কেটে ফেলেছিস।
দেখ, আমি কয়েকদিনের জন্য শহরের বাইরে যাচ্ছি,
এক কাস্টমারের চুল কাটতে তোকে বাংলোতে যেতে হবে।
ঠিক আছে?
'আপনাদের একটা গল্প শোনাব, যেখানে আমি হলাম হিরো আর সে হলো হিরোইন।'
'নিজেকে হিরো বলার মতো জীবনে একটা কাজই করেছি আমি,'
'আর সেটা হলো আমার হিরোইনের প্রেমে পড়া।'
'তার দিকে তাকালেই আমি নির্বাক হয়ে যেতাম।'
'আমার মনে শুধু গান বাজতে থাকত।'
'অন্যান্য বয়ফ্রেন্ডদের মতো আমিও তাকে...'
'টিউশনে, কলেজে আর নাচের ক্লাসে নামিয়ে দিয়ে আসতাম,'
'আর তার বদলে সে আমায় ছেড়ে চলে গিয়েছিল।'
'একটা মেয়ের কাছে তার বয়ফ্রেন্ডকে ছেড়ে যাওয়ার অনেক কারণ থাকতে পারে,'
'এর মধ্যে প্রধান তিনটা কারণ হলো...'
'টাকা, টাকা আর টাকা।'
'অতি কষ্টে আমি ডিপ্রেশনে পড়ে গিয়েছিলাম।'
'আর তা থেকে বেরোনোর একটাই রাস্তা আছে।'
মৃত্যু।
আমার না, তার।
এখন সে বিবাহিত, আর কাকতালীয় ঘটনা হলো এই যে...
পরশুদিন আমাকে তার স্বামীর'ই চুল কাটতে যেতে বলা হয়েছে।
কিন্তু আমি তা কালই করব।
তার স্বামী এখানকার স্থানীয় গুন্ডা,
তার বারোটা বাজাতে আমার কোনো বড়সড় প্ল্যান বানানোর দরকার নেই।
তো, প্ল্যানটা একদম সিম্পল।
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ ♦️ নাবিলা খায়ের ♦️ ♦️ জয়ানন্দ ঘোষ ♦️ ♦️ ইমরুল হাসান নাসিম ♦️ ♦️ তানভীর হোসেন (Brad Delson) ♦️
সম্পাদনায়ঃ ♦️ নাবিলা খায়ের ♦️ ♦️ তানভীর হোসেন (Brad Delson)♦️
'গেটের কাছে একজন প্রহরী।'
কী চাই আপনার?
প্রতিশোধ।
'ভিতরে...'
জাংগো!
এই নে, খা!
'ফুল হাতে পেলে কোনো মেয়ে কী করে?'
'সেগুলোর গন্ধ শোঁকে।'
"ওই সুন্দর চাঁদটা।"
স্যার, আমায় একটু অশোক ভবনে যাওয়ার রাস্তাটা দেখাতে পারবেন?
- ওখানে যেতে চান? - জি।
অবশ্যই, দেখিয়ে দিচ্ছি।
চলুন যাই। আমি ওখানেই থাকি।
ওহ।
- ব্যাগটা বাঁধার জন্য দড়ি হবে আপনার কাছে? - কী?
- ব্যাগটা অনেক ভারী। - ওহ।
আমার অনুমতি ছাড়া একটা মাছিও আমার আঙিনায় ঢুকতে পারে না,
আর তোরা আমায় খুন করার জন্য এখানে ঢুকার সাহস দেখিয়েছিস।
'এই জায়গার ইতিহাস সম্পর্কে তোরা কিছু জানিস বলে মনে হয় না।'
'আমি বলছি, শোন।'
'একসময় এখানে খুব ঘন একটা জঙ্গল ছিল।'
'ওই জঙ্গলের মাঝখানে চারদিকে প্রহরী দিয়ে ঘেরা বিশাল একটা বাংলো ছিল।'
'তাদের একজন বস ছিল,'
'তার নাম হলো টাইগার পোনাপ্পা।'
'তার এরকম নামের কারণ হলো তার একটা পোষা বাঘ ছিল,'
'আর তার হাতে একটা ট্যাটুও করা ছিল।'
'সে হরহামেশাই তার শত্রুদের মেরে টুকরো টুকরো করে তার পোষা বাঘটাকে খেতে দিত।'
'গ্রামের প্রত্যেকেই তাকে ভয় পেত,'
'আর সেজন্য... লোকেরা তার কথা মেনে চলত।'
'ওই সময়ে, অর্থাৎ ১৫ বছর আগে,'
'এক স্থানীয় গুন্ডা তার শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।'
'সে তাকে সাধারণ কেউ ভেবে একদমই পাত্তা দেয়নি।'
আমিই হলাম সেই গুন্ডা।
'এটা হলো সেই বাংলো।'
'টাইগার পোনাপ্পা যে ভুল করেছিল আমি সেই একই ভুল কখনোই করব না।'
আমি জানতে চাই, তোদেরকে কে পাঠিয়েছে?
তার পরিচয়টা দে, আমি তোদের ছেড়ে দেব।
বলবি না তোরা?
মর তবে।
আমার লোকেরা তোদের জান কবজ করবে।
তোকে কতবার বলেছি যে একটু বেশি করে চিনি দিবি।
আমি বদমেজাজি মানুষ, একটু বেশি চিনি খেয়ে মেজাজটা বশে রাখতে চাই,
কিন্তু তুই তো সেটা বুঝিস না।
বেশি করে চিনি দিয়ে আরেক কাপ কপি বানিয়ে আন, যা।
বস,
এ ব্যাটা মরে গেছে।
তুই বলবি না-কি তার মতো...
তাকে গিয়ে বল যে, আমি দেখা করতে বলেছি।
নতুবা,
তার নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলবি।
টাইগার পোনাপ্পা মারা যাওয়ার বহুবছর পেরিয়ে গেছে,
কিন্তু আজও তার লোকেরা আমাদের পিছনে লাগতে আসে।
আমি নিশ্চিত এর পিছনে কারো হাত আছে।
এভাবে যদি তার লোকেদের আমরা খুন করতে থাকি,
আমাদের বাচ্চারাও একদিন বুড়ো হয়ে যাবে।
এখন একটাই উপায় আছে।
আমাদের তাকে ধরে খুন করতে হবে।
তাকে এতটা নির্মমভাবে মারতে হবে,
যাতে পরজন্মেও তার সেই স্মৃতি মনে থাকে।
লোকজনকে বলার মতো একটা কাহিনি ঘটাতে হবে যাতে তারা শুনলেই আমাদের ভয় পায়।
এটাই আমাদের লক্ষ্য।
আর সে-ই এই লক্ষ্য পূরণ করবে।
তোদের ভিতর চারজন সেখানে গিয়ে তার লোকেদের মেরে তাকে ধরে আনবি।
কোন চারজন যাবে আর তার সাথে কী কী করবে...
সেটা সে ঠিক করবে।
অডিশন দিতে আয় তোরা, তাকে নিয়ে আয়।
নির্মমতার মধ্যেও সৃজনশীলতা থাকতে হবে।
একথাটা ভুলিস না।
এমন সুযোগ আর পাবি না।
বস, আমি তার মরার আগপর্যন্ত তাকে ছুরিকাঘাত করতে থাকব।
সে ভয় পায়নি।
কাউকে খুন করার আগে অবশ্যই তার মনে ভয়ের সঞ্চার করতে হবে।
না।
তুই বল।
আমি তাকে এক আঘাতেই মেরে ফেলব।
হোল্ডে থাক।
তুই বল।
শিব তান্ডব স্তবগান প্রথম রচনা করেছিলেন রাবণ।
তিনি গলা দিয়ে সেতার বাজিয়ে প্রভু শিবের গুণকীর্তন গেয়েছিলেন।
আমি তার গলা দিয়ে বাঁশি বাজাব।
আমার সেটা ভালোই লাগবে। তুই আমার সাথে যাচ্ছিস।
বস, আমি আমার ভাবনাগুলো প্রকাশ করতে পারছি না।
তুই এখানেই থাক।
তুইও আমার সাথে যাচ্ছিস।
তুই বল।
আমি তার এক পা জীপের সাথে আর অন্য পা গাছের সাথে বাঁধব,
এরপর সেই জীপ চালিয়ে চলে আসব।
কিন্তু আমার একটা সন্দেহ আছে।
সেটা সেখানে গিয়ে ক্লিয়ার করে নিস।
তুইও আমার সাথে যাবি।
তুই বল।
আমি তার দেহটা আস্তে আস্তে কাটব আর সেলাই করব,
কাটব আর সেলাই করব,
কাটব আর সেলাই করব,
আমি ফিরে আসতে আসতে এটা সেলাই করে রাখিস।
হেই, ওকে জীপে তোল।
চল।
আয়।
ওকে সামনের দিকে ঘুরা, তাড়াতাড়ি।
আচ্ছা, ঘুরাচ্ছি।
হেই, জীপ চালু হচ্ছে না, ধাক্কা দে।
- ধাক্কা দে। - আয়।
জোরে ধাক্কা দে।
- এবার, পিছন থেকে ধাক্কা দে। - ভালোমতো।
- অন্য গাড়িটার কী অবস্থা? - ওটার এক চাকা পাংচার।
ভিতরে আয়।
আমার মাথাব্যথা করছে।
সবজির অনেক দাম।
আমি ম্যাডামকে ঘরের বাইরে সবজির বাগান করতে বলেছি।
- কে সে? - বসের বউ।
আপনি বিবাহিত?
- না। - না?
আমিও অবিবাহিত।
আমি একটা সম্বন্ধ রিজেক্ট করে দিয়েছি কারণ মেয়েটা রান্নাবান্না করতে জানত না।
আর আরেকটা মেয়ে আমাকে রিজেক্ট করে দিয়েছে কারণ আমি রাঁধুনি।
আচ্ছা, বুঝলাম।
বাড়িতে একটা মেয়ে বাসনকোসন ধুতে আসে...
সে খুব সুন্দরী।
তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু বস তো ছুটিই দিলো না।
ওহ।
সেজন্য, বিয়ে করার চিন্তাই ছেড়ে দিয়েছি।
কোনো মেয়ের সাথে শোয়ার অনুমতিও দেয় না?
ওসব করার সময় আমরা কোনো শব্দও করতে পারি না,
তো বিয়ে করে লাভটা কী?
তাও ঠিক।
আপনি কি নিজের চুল নিজেই কেটেছেন?
- আপনি কি নিজের চুল নিজেই কেটেছেন? - হ্যাঁ।
প্লিজ, কিছু মনে করবেন না।
আপনি কি ভেজিটেরিয়ান না-কি নন-ভেজিটেরিয়ান?
দুটোই।
তারা কোথাও যাচ্ছে।
এরা কখনোই আর শোধরাবে না।
আমি একটা জিনিস বুঝি না।
ভাই, টাইগার পোনাপ্পার কি কোনো আত্মীয়স্বজন নেই?
একজন ছিল, এখন আর নেই।
কেন?
হামলার সময়েই আমরা টাইগারের পুরো পরিবারকে মেরে ফেলেছিলাম,
আর কয়েক মাইল দূরে নিয়ে তাদের লাশ পুঁতে দিয়েছিলাম।
বস আমাদের বলেছিল,
যেন তার পরিবারের কাউকে না ছাড়ি আর বন্দুকের ব্যবহারও না করি।
প্রত্যেককেই নির্মমভাবে পিটিয়েছিলাম।
যেহেতু রক্তের দাগগুলো মুছতে পারতাম না...
তাই ফ্লোরে লাল রঙ করে দিয়েছিলাম।
আমার আরেকটা সন্দেহ আছে।
কীসের সন্দেহ?
শুধুমাত্র বসের গায়েই কেন ট্যাটু করা?
আমরাও কেন ট্যাটু করাতে পারি না?
শুধুমাত্র গ্যাং লিডারই ট্যাটু করাতে পারে,
এভাবেই আমাদের মধ্যে পার্থক্যটা চোখে পড়ে।
- টাইগার পোনাপ্পার গায়েও ট্যাটু ছিল? - অবশ্যই।
কীসের ট্যাটু?
বাঘের গায়ে কি বিড়ালের ট্যাটু থাকবে?
অবশ্যই, বাঘের ট্যাটু ছিল।
তুই ঠিকই বলেছিস।
তার পরিবারে কতজন লোক ছিল?
আরো আধঘন্টা আগে আসলে তুইও বিরিয়ানি খেতে পারতি।
আমি আসছি।
মনে হয় তাদের ক্ষুধা লেগেছে, সবাই আমার জন্য অপেক্ষা করছে।
বাড়িতে কতজন লোক আছে?
আমি ঠিক জানি না, খুব কম লোকই আছে এখন,
লেখক সাহেব বলতে পারবেন,
বাড়িতে কতজন থাকে আর তাদের কাজ কী সবকিছুই ম্যাপে দেওয়া আছে।
এটাতে একবার চোখ বুলিয়ে নিন।
থাম!
থাম!
বলদ!
No comments yet. Be the first to leave one.