Las primeras 200 líneas.
MOSFILM
অনুবাদেঃ আসাদুজ্জামান শিপু
তোমার নামের প্রথম , ও দ্বিতীয় অংশ কী?
আমার নাম ইউরি ঝারি.
তুমি কোথা থেকে এসেছো?
আমি খারকোভ থেকে এসেছি.
কোন স্কুলে লেখাপড়া করো?
আমি একটি টেকনিক্যাল স্কুলের ছাত্র.
আমরা এখন কিছু আধ্যাত্মিক ব্যাপারে মনোযোগ দেবো.
তুমি আমার দিকে তাকাও.
আমার চোখের দিকে.
তোমার সামনে তাকাও.
তোমার পেছন দিকটা আমার দিকে ঘোরাও.
আমার হাতের দিকে মনোযোগ দাও.
আমি তোমার পিঠে কিছু একটা ড্রয়িং করছি.
তোমার হাত দুটো প্রশস্ত করো.
মনোযোগ দাও. তোমার সমস্ত চিন্তা এখন হাতের দিকে কেন্দ্রীভূত হবে.
তোমার হাত দুটো অস্বাভাবিক!
তোমার সমস্ত ইচ্ছাশক্তি,
আর জয়ের নেশাকে, হাতের দিকে কেন্দ্রীভূত করো.
তোমার হাত দুটো আরো প্রসারিত হচ্ছে.
ওগুলো এখন আরো প্রতিক্রিয়াশীল. আরো প্রতিক্রিয়াশীল.
হাতের আঙুলগুলোর দিকে তাকাও. ওগুলো বেশ প্রতিক্রীয়াশীল.
এখান থেকে তোমার সমস্ত চিন্তা এখন হাতের দিকে ধাপিত হচ্ছে.
হাতের দিকে তাকাও. ইউরা,মনোযোগী হও!
আমার তিন গোনার সাথে সাথে তোমার হাত দুটো স্থির হয়ে যাবে.
এক, দুই, তিন! তোমার হাত এখন নিশ্চল.
তুমি আর এখন ওগুলো নড়াতে পারবেনা.
তুমি হাত দুটো নড়ানোর চেষ্টা করছো, কিন্তু ওগুলো নিশ্চল হয়ে গেছে.
সামান্য একটু নড়ানোও তোমার জন্য এখন খুব কঠিন.
আমি এখন এই সম্মোহন থেকে তোমাকে বের করে আনছি,
আর এখন তুমি মুক্ত, সহজ ও পরিষ্কারভাবে কথা বলতে পারবে.
এখন থেকে তুমি উচ্চস্বরে ও পরিষ্কারভাবে কথা বলবে.
আমার দিকে তাকাও.
আমি এখন তোমার হাত ও মুখের বুলি থেকে সমস্ত চিন্তা মুক্ত করছি.
এক , দুই, তিন!
যাও বাছা,উচ্চস্বরে ও পরিষ্কারভাবে বলতে থাকো: আমি কথা বলতে পারি!
MIRROR
Margarita TEREKHOVA as Mother and Natalya
Written by Alexander MISHARIN and Andrei TARKOVSKY
Directed by Andrei TARKOVSKY
Director of Photography Georgy RERBERG
Production Designer Nikolai DVIGUBSKY
Music by Eduard ARTEMYEV
Sound by Semyon LITVINOV
English Subtitles by Tatiana KAMENEVA
Also starring
I. DANILTSEV L. TARKOVSKAYA, A. DEMIDOVA
A. SOLONITSYN N. GRINKO
T. OGORODNIKOVA Yu. NAZAROV, O. YANKOVSKY
F. YANKOVSKY Yu. SVENTIKOV, T. RESHETNIKOVA
Author's text narrated by I. SMOKTUNOVSKY
Verses by Arseny TARKOVSKY recited by the author
Playing in the film music by J.S. Bach, Pergolesi, Purcell
MIRROR
স্টেশন থেকে রাস্তাটা ইগনাতিয়েভোর ভেতর দিয়ে চলে গেছে,
এরপর ফার্মের কাছে এসে একটা বাক নিয়েছে
যেখানে যুদ্ধের আগের সময়গুলো আমরা কাটিয়েছিলাম,
এরপর রাস্তাটা চলে গেছে একটা ঘন ওক বনের ভেতর দিয়ে যা শেষ হয়েছে তমশিনোতে.
যখনই কেউ মধ্য-মাঠের ঐ ঝোপের আড়াল থেকে
বের হয়ে আসতো তখনই আমরা সহজেই তাকে সনাক্ত করে ফেলতাম.
সে যদি ঐ ঝোপটার আড়াল থেকে বের হয়ে সোজা বাড়ির দিকে আসে, তাহলে তিনিই আমাদের বাবা.
আর যদি না আসে, তার অর্থ তিনি আমাদের বাবা নন
আর আমাদের বাবা কখনোই আসবে না.
এটাই কী তমশিনোতে যাওয়ার জন্য সঠিক পথ?
এই ঝোপটার দিকে আসা ভুল হয়েছে.
– তাহলে এটা… এটা কী?… –কী?
আপনি এখানে বসে আছ কেন?
– আমি এখানেই থাকি. – কোথায়? ঐ বেড়ার উপর?
আপনি কোনটাতে বেশি আগ্রহী তমশিনো নাকি আমার বাসস্থান?
আমি সব যন্ত্রপাতি এনেছি, কিন্তু চাবি আনতে ভুলে গেছি.
আপনার কাছে কোন পেরেক বা স্ক্রু-ড্রাইভার হবে?
আমার কাছে ওসব কিছু নেই.
এতো উদ্বিগ্ন কেন?
হাতটা দিন. আমি একজন ডাক্তার.
আপনি আমাকে জ্বালাতন করছেন.
আমার হাজবেন্ডকে ডাকবো?
আপনার হাজবেন্ড নেই. হাতে কোন আংটি নেই.
যদিও এখনকার দিনে আংটি আর কেউ আঙুলে দেয়না. হয়তোবা আগেকার দিনের লোকেরাই শুধু এসব মানতো.
একটা সিগারেট হবে?
আপনাকে এতো মনমরা দেখাচ্ছে কেন?
আর আপনিই বা এতো হাসিখুশি কেনো?
এরকম একজন আকর্ষণীয় মহিলার সাথে পড়ে যাওয়া আসলেই অনেক মজার ব্যাপার.
জানেন, এখানে পড়ার পরে কিছু অদ্ভুত জিনিসের দেখা পেয়েছি – শিকড়, ঝোপঝাড়…
এরকম কিছু কখনো ভেবেছেন যে
গাছেরাও হয়তো অনুভব করতে পারে, জানতে পারে, এমনকি মর্ম উপলব্ধিও করতে পারে…
এই গাছেরা, এই বাদামী ঝোপঝাড়টা…
– এটা অলডার গাছ. – তাতে কিছু যায় আসেনা.
ওরা কখনো ছোটাছুটি করেনা.
আমাদের মতো ব্যাস্ততা, হৈচৈ, তুচ্ছ কথা কাটাকাটি এসব ওদের মধ্যে নেই.
এজন্যই আমরা আমদের ভেতরের প্রকৃতিটাকে কখনো বিশ্বাস করিনা.
সবসময় এই সন্দেহবাদিতা, ক্ষিপ্রতা,
চলতে থাকা আর চিন্তার জগতে ডুবে থাকা.
দেখুন,আপনাকে সামান্য বিচলিত…
এসব আমার জন্য কোন সমস্যা নয়. আমি একজন ডাক্তার.
আর "Ward Number Six" এর ব্যাপারটা?
ওহ, এর সবকিছুইতো চেকোভ মিটমাট করেছে!
তমশিনোতে একদিন আসুন. ওখানে আমাদের ভালোই সময় কাটে.
আপনার রক্ত ঝরছে!
– কোথায়? – কানের পেছনে.
আমাদের কাটানো প্রতিটা মুহূর্ত ছিলো,
যীশুর আবির্ভাবের মতোই রঙিন.
সমস্ত পৃথিবীর মধ্যে নিঃসঙ্গ.
একটা পাখির চেয়েও অধিক সাহসী আর উজ্জ্বল
সোপানে, যেন এক বিস্ময়কর আবির্ভাব,
তুমি এসেছিলে আমাকে তোমার রাস্তায় নিয়ে যেতে, বৃষ্টস্নাত ঐ বেগুনি রঙের পাপড়ির মধ্যে দিয়ে,
আমাকে তোমাতে আবিষ্ট করে ফেলতে, To the looking glass world.
রাত যখন অবতীর্ণ হলো
কৃপা আমাকে জাপটে ধরলো,
পূজার দ্বার উন্মুক্ত হলো,
আর রাতের দিপ্তী শিখাতে
তোমার নগ্ন শরীর ধীরে ধীরে শয্যাগত হলো.
জেগে উঠে আমি বললাম: খোদা তোমার সহায় হউন!
যদিও আমি জানি কতোটা নির্ভীক আর আর বেমানান ছিল
আমার আশীর্বাদ: তুমি খুব দ্রুতই তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে,
এই মহাজাগতিক নীলের মতোই তোমার চোখের পাতা বন্ধ হয়ে গেলো
টেবিলে পড়ে থাকা পাপড়িগুলো কুড়ানোর জন্য ছিলো বড্ড বেমানান.
নীলের স্পর্শে, তোমার চোখের পাতাগুলো
ছিলো খুবই শান্ত, হাত দুটো ছিলো উষ্ণ.
আর নদীগুলো স্ফটিক দ্বিখণ্ডে স্পন্দিত হলো,
পর্বত কুয়াশাচ্ছন্ন হলো, আর সমুদ্রগুলো একত্রে জমায়েত হলো.
তোমার হাতে ছিলো একখানা স্ফটিক,
গোলক; বিছানাতে তুমি ঘুমিয়ে ছিলে খুবই শান্ত হয়ে.
আর, ওহ মাই গড! – তুমি আমার বাহুডরে,
জেগে উঠলে আর সহসাই রূপান্তরিত হয়ে গেল
মানুষের কথা বলা আর চিন্তাজগতের ভাষা.
মুখের কথাগুলো সংক্ষিপ্ত রূপে ধাপিত হলো,
"তুমি" শব্দটা এমনভাবে সংশোধিত হলো যেন
তা বিকশিত হয়ে সকল অনুভূতির রাজা রূপে আবির্ভূত হলো.
এবং সহসা সবকিছু পরিবর্তন হয়ে গেলো, ঠিক যেন একটা মোহ,
এমনকি একটা তুচ্ছ জিনিসও, যা ক্রমাগত ব্যবহারে ক্লিশে হয়ে পড়েছিলে,
যা ছিলো পানি, শক্ত ও স্তরযুক্ত কাঠামো
আমাদের মাঝে এসে প্রহরী রূপে আবির্ভাব হলো.
এটা আমাদের নিয়ে গেলো অজানা গন্তব্যে.
আর আমাদের সামনে এসে মরীচিকার মতো দৈবক্রমে
দূরে সরে গেল যা ছিলো আসলেই সুন্দর.
আমাদের পায়ের নিচে ঘসগুলো বেড়েই চলছিলো,
পাখিরা অনুসরন করছিলো আমাদের পদধ্বনি,
মাছেরা জমায়েত হলো নদীর বাকে,
আর আমাদের চোখে আকাশ হয়ে গেলো উন্মুক্ত.
আমাদের পেছনে আমাদের নিয়তিরা নিজেদের অনুভব করছিলো,
হাতে ছোরা নিয়ে দাড়ানো এক বিকারগ্রস্ত লোকের মতো.
Oh, good heavens! Dounya!
কী হয়েছে , পাশা?!
আগুন ধরে গেছে! শান্ত থেকো.
ও পুড়ে যাবে!
ভিতিয়া যদি ভেতরে থাকতো? আর ও যদি পুড়েই যেতো?
ক্লানিয়া কোথায়?
কী?
বাবা!
–এলেক্সি? – হ্যালো, মা!
তোর কণ্ঠ এমন লাগছে কেন?
সিরিয়াস কিছু না. একটু গলা ব্যাথার জন্য হবে হয়তো.
গতো তিনদিন ধরে কারো সাথে কথা বলিনি.
ব্যাপারটা বেশ উপভোগ করছি. আমার মনে হয় মাঝে মাঝে এমন চুপচাপ থাকাটা বেশ ভালো.
আমাদের কথাগুলো আমাদের সমস্ত অনুভূতি
উন্মুক্ত করে দিতে পারে. আমাদের কথাগুলো খুব সহজেই অনুমেয়.
রাতে ঘুমের মধ্যে তোমাকে স্বপ্নে দেখলাম.
যদি স্বপ্নটা ছোটবেলার…
যাইহোক, বাবা কত সালে আমাদের ছেড়ে চলে যায়?
১৯৩৫. কেনো?
আর আগুন লাগার ঘটনাটা? আগুন লেগে ফার্ম পুড়ে যাওয়ার ঘটনাটা মনে আছে?
সেটাও ঐ একই বছর.
ঠিক আছে, এখন আমাকে বোকা বানানো বন্ধ কর.
জানিস তো… লিসা মারা গেছে.
যার সাথে আমি ছাপাখানাতে কাজ করতাম
– ওহ গড… কখন? – আজ সকাল ৭ টায়.
আর এখন কত বাজে? এখন?
–প্রায় ৬ টা. – সকাল?
তোর হয়েছেটা কী এখন সন্ধ্যা.
মা,আমরা কথা বলতে গেলে এমন চিল্লাচিল্লি কেন করি?
আমি যদি ভুল কিছু করে থাকি তাহলে দুঃখিত.
ছাপাখানা. নেক্সট স্টপ: সার্পুকোভসকায়া.
এতো তাড়া কীসের?
হ্যালো.
আমি যা পড়ছি তার প্রমাণ কোথায়?
আমি জানিনা. এক মিনিট.
পাভলোবনা এসেছে.
মারৌসিয়া, কী হয়েছে?
গতকালের প্রমাণ পত্রের নথিতে কোন কিছু?
গোসলিট প্রকাশনায়? এতো নার্ভাস হয়ে পড়োনা!
আমরা টাইপের ব্যাপারটাতে দেখছি
ভয়াবহ কিছু ঘটেনি.
এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা এডিশন!
যদিও ভুল ছাপানোর কোন সুযোগ এখানে নেই।
মুখ বন্ধ কর, মাথামোটা.
– হয়েছেটা কী? –তেমন কিছুনা.
আমি শুধু কিছু একটা পরীক্ষা করতে চাই. আমি ভুলও হতে পারি…
প্রথম থেকে সবকিছ শুরু করা যাক.
আমি নিজেই করবো.
সকলেই ব্যস্ত, কারো হাতে এক মিনিট সময় নেই!
আপনার কি মনে হয় আমি ভীত?
না, তার চেয়ে বরং অন্য কেউ ভয় পাক.
কিছু লোক কাজে বুদ হয়ে থাকবে, আর কিছু ভয়ে আধ মরা হয়ে থাকবে.
ঠিক আছে, আকাশ ভেঙে পড়ার মতো কিছু ঘটেনি.
যদি ঘটে তো,ঘটলো. সারা রাত ধরেই তো আমরা ছাপানোর কাজে ব্যস্ত…
আমি তোমার জন্য গতোকাল সকাল থেকে অপেক্ষা করছি.
তারা ভাবলো যে তুমি হয়তো আসবে না.
মনে আছে আবহাওয়া কতোটা সুন্দর ছিলো?
ছুটির দিনের মতো! আর আমি খালি গায়ে হাটছিলাম.
No comments yet. Be the first to leave one.