Las primeras 200 líneas.
মা?
আমারা প্রচুর ডিম খায়। আলসার হয়ে যাবে না?
আমারা অ্যাথলেট হতে যাচ্ছে।
অনেক প্রোটিনের দরকার তার।
দৌড়ায়ে ভবিষ্যতের জাতীয় অ্যাথলিটের বিপক্ষে জিতেছি।
যাই বলো, আমি জিতেছি। তুমি চিট করেছো।
অজুহাত।
শুভ সকাল, জান।
যাও তো! গোসল করে আসো।
ভালোই তো! গোসল করে আসি।
মা...এটা দরকার নেই।
বাবা আজকে অ্যাভোকাডো টোস্ট খাওয়াতে চেয়েছিলো।
আমিও অ্যাভোকাডো টোস্ট খেতে চাই!
অ্যাভোকাডো টোস্ট আগামী সপ্তাহে খাওয়া যাবে।
তোমার বাবাকে ব্রনিস ডেলিভারি করতে হবে। মানুষ অপেক্ষা করছে।
তুমি ডেলিভারি দিতে পারবে না?
আজকেই অ্যাভোকাডো টোস্ট খাওয়া লাগবে?
শান্ত হও, সবাই!
তোমাকে অ্যাভোকাডো টোস্ট পরে বানিয়ে খাওয়াবো।
ভালো হয়েছে না?
গোমড়ামুখো হয়ে আছো কেন?
ফলোয়ার কমে যাচ্ছে আমার।
তোমার মা-ও গোমড়ামুখো হয়ে থাকে।
প্রচুর লোক তাকে বিরক্ত করতো।
তাহলে তোমাকে কেন বিয়ে করলো?
সিম্পল, আমি সবচেয়ে সুদর্শন ছিলাম।
চুলের কথা মনে আছে?
অলরেডি টাকা দিয়েছি।
সেটা ব্রা কেনার জন্য।
নিচের পোশাক বলতে পারো না?
ধন্যবাদ!
বাবা।
গত সপ্তাহে তুমি কিনেছো ...
-সেগুলা। - ব্রা'এর জন্য না।
অ্যাভোকাডো টোস্টের জন্য, তুমি খাওয়াতে চেয়েছিলে।
ওহ।
সরি, আমারা।
শোনো।
সন্ধ্যায় তোমাকে নিয়ে আসার সময় খাওয়াবো,ওকে?
চিন্তা কোরো না, বাবা। আমারা রাগ করেনি।
জানি মায়ের অর্ডার এড়াতে তোমাকে অনেক নাটক করতে হয়।
মারা।
অপেক্ষা করবে আমার জন্য, ওকে?
অবশ্যই তোমাকে নিতে আসবো।
অভিনন্দন, আমারা! আরেকটা ম্যারাথন জিতেছো।
অভিনন্দন! অসাধারণ তুমি।
হ্যালো, বাবা?
বাংলা সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি প্রাণপ্রিয় ভাই- "রবিউল আওয়াল জীবন" কে।
দাদা, সেখানে যেতেই হবে?
গ্রামে চলে গেলে...
তোমার মায়ের জন্য ভালো হবে।
তোমার মা নিজেকে সান্ত্বনা দিতে পারবে।
"বার্মিয়ানান গ্রাম"
দাদা।
গ্রামবাসীরা সব বৃদ্ধ কেন?
দাদা, দাদা!
হাই।
সরে দাঁড়াও, ঠিক আছে।
তিন বছর যাবত একা ছিলে এখানে?
হ্যাঁ, আমার উপন্যাস শেষ করতে।
ভালো লাগছে আবার লেখা শুরু করেছো। ভালোই হবে।
হ্যাঁ।
ধুর।
অভ্যর্থনাও দিলো না কেউ।
আসো, এটাই তোমাদের বাড়ি।
ঐ জংগলে একটা কূপ আছে?
কী বলছো?
ঐটা, দাদা।
ঐ জংগলে আছে, তাইনা? কূপ?
সব জংগল একই।
কাসি, তোমার ঘর ঐটা।
এটা কাসির ঘর। আমারা, এখানে থাকবে।
মারা।
বাবা একটা গোপন কথা বলবে।
দুঃখ বা রাগান্বিত হলে একটা জিনিস আমাকে শান্তি দেয়।
জানতে চাও?
দেখো।
প্রথমে…
গান চালু করবে।
তারপরে ...
একটা আয়না খুঁজবে…
আর এইটা করবে।
দুঃখে থাকলে যখনই আমার পিছনের প্রতিচ্ছবি দেখি,
তৎক্ষনাৎ খুশি হয়ে উঠি।
দেখা-অদেখা জিনিসগুলোকে স্বাগত জানাও।
গ্রহণ করো সেটাকে।
যেই হও তুমি, শুভেচ্ছা গ্রহণ করো বা না করো।
আমার এই আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি হৃদয়ের গহীন থেকে।
যতক্ষণ না পরিপূর্ণ হও অভিবাদন-অনুভূতি দূরে রাখো।
শান্ত হয়ে ইচ্ছাকে অনুসরণ করো। শান্ত ও ভালো মানুষ হও।
শক্তিশালী এই আমি...
আত্মাকে সাথে নিয়ে শুদ্ধ হৃদয় ব্যতিত অভিবাদন জানাই।
লবণ, মরিচ, এবং সমস্ত সুগন্ধির সাথে।
তৃপ্তিতে শ্বাস নিই।
যে সমুদ্র থেকে এসেছিলে সেখানে ফিরে যাও।
রাত্রী-দিনের এই আমি মহাবিশ্বকে মহান করে তুলি,
সকলের প্রতি সীমাহীন স্নেহের সাথে।
দাদা!
এখানে ইন্টারনেট সংযোগ নেই?
না।
উপন্যাসটা শেষ করতে প্রচুর মনোনিবেশের দরকার।
গবেষণা করার সময় ইন্টারনেটের দরকার হবে না?
ইন্টারনেট ব্যবহার করে গবেষণা শেষ হবে না।
তার থেকে গ্রাম নিজে ঘুরে দেখায় ভালো।
এজন্যই তো এখানে আছি।
গ্রাম সম্পর্কে লিখছো তুমি?
সেটা কি…
সূর্যাস্তের সময় ঐ অদ্ভুত শোরগোল নিয়ে?
কীসের অদ্ভুত শোরগোল?
ঐ ভয়ঙ্কর আওয়াজ, দাদা।
ভয়ঙ্কর?
ঐ মন্ত্রগুলো তোমাকে মানসিক শান্তি দেবে।
বুঝেছি।
আমার ইউটিউব চ্যানেলে তোমাকে প্রমোট করবো।
টাকা দিতে হবে কিন্তু।
খুবই চালু তুমি।
এত অল্প বয়সেই টাকা উপার্জন শুরু।
আমারা কী করছো?
আমারা একজন অ্যাথলেট, দাদা।
ও জিতলে, অনেক বড় পুরস্কার পায়।
ওহ।
দৌড়াবা আবার কবে, আমারা?
আমি আর দলে নেই, দাদা।
কী? কেন?
কারণ সেখান থেকে চলে এসেছি।
আমার খাওয়া শেষ।
কী হয়েছে?
তোমার সাথে ঘুমাতে পারি?
ভাবলাম বড় হয়ে গেছো? এখনো একা ঘুমাতে ভয় পাও?
বাবার কথা মনে পড়ছে খুব।
এটা আমার নেকলেস না?
দেও, এটা আমার।
বাবা এমনই করতো।
দুজনের জন্য একই জিনিস কিনতো।
সে আমাদের দুজনকে আলাদা ভাবতো না।
আপু।
বাবার কথা মনে পড়ে না?
শেষবারের মতো তার সাথে কথা বলার সুযোগ পেলে...
কী বলতে?
ব্রা কেনার টাকা চাইতাম।
ব্রা কিনতে কখনো ভুল হয়নি।
কিন্তু বাবা আর ব্রা'র সম্পর্ক কী?
ব্রা, ব্রা, ব্রা।
হতে পারে…
যখন তাকে, "ভালোবাসি" বলতে শুনতাম,
কেমন যেন শোনাচ্ছে। অন্যকিছু বলো, বলতাম।
তুমি কী বলতে?
বাবার সাথে শেষবার কথা বলতে পারলে?
কী বলতে?
কাসি?
কাসি?
ধুর! কাসি!
এসব কী?
ইন্টারনেট সংযোগ পেয়েছি!
কোথায়?
দাদার অফিসে।
দাদা ইন্টারনেট দিতে চাইলো না কেন?
সে খুব কৃপণ।
হতে পারে কম ইন্টারনেট আছে।
"বার্মিয়ানান নদীতে সোনা পাওয়া গিয়েছে"
"বার্মিয়ানানে ফসল ফলানোর দীর্ঘ নকশা"
"বার্মিয়ানান এখন ডাকাত মুক্ত"
"প্লেগ রোগ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো বার্মিয়ানানে"
দাদা!
হায় খোদা।
শেষ।
মাথা ফাটিয়েই ফেলছিলাম।
-ব্যথা লেগেছে? -হ্যাঁ!
মূল্যবান জিনিস কূপে ফেলে কীভাবে ইচ্ছা পূরণ করা যায়?
পবিত্র বাটিতে রক্ত নিন।
এই মেয়ে?
ঐদিকে যেয়ো না।
হারিয়ে যেতে পারো।
-চলো। - তাড়াতাড়ি।
স্কুল অনেক দূর শহরের কাছে।
পোস্ট অফিসে অনেক কিছু পাঠাতে হবে।
আসো।
ভয় লাগছে?
ভয় পেয়ো না।
এই শহরের শিশুরা খুব ভালো।
অনেকেই তোমার বন্ধু হবে।
এটা পড়বে, ভয় করবে না। ভালোও লাগবে।
আর তুমি?
আমি এমনিই ভালো আছি।
আমার নাম আমারা।
তোমার পুরো নাম বলো।
শুধুই আমারা, স্যার।
আদেলের মতো?
আদেলকে চিনি না, স্যার।
ভালো।
যাও বসো।
পরের সপ্তাহে তোমাদের একটা পরীক্ষা নিবো।
চাই সব লম্বা চুলের মেয়েরা …
চুল বেঁধে আসবে।
পরীক্ষার সময় কারো চুল যেন খোলা না দেখি।
আমিও জানি না আদেল কে।
মিথ্যা বলছে।
আদেলের সব গান জানে ও।
ওহ, সেই আদেল।
আমি শ্রী মুত্তিয়া একাবতী পুত্র দেবী।
No comments yet. Be the first to leave one.