Las primeras 200 líneas.
যথেষ্ট হয়েছে, কার্লি।
নিজের রাগ খড়খড়ির ওপর ঝেড়ো না ; বুধবারই ওগুলো জানালায় লাগালাম।
নাও একটু ড্রিংক করো।
- আস্ত একটা মাগী। - আমার তো বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।
তুমিই ঠিক বলেছ।
সবার ওপরে তুমি ঠিক, তাহার ওপরে কেউ নাই।
বাকি টাকাটা পরের সপ্তাহ দিবো।
সান বেনেডিক্টে মাত্র ৬০ টন ছোট টুনা ধরা পড়েছে।
আর ছোট টুনা থেকে অত টাকা আসে না যতটা অ্যালবাকর বা বড়টুনা থেকে আসে।
বাদ দাও তো, কার্লি।
আমি তো তোমার বোঝার সুবিধার্থে বলছিলাম ; আমি তোমার কোনো টাকা চাইনা।
আমাকে কি সেই ধরনের পাবলিক মনে হয়?
- ধন্যবাদ, মি. গিটেস। - আমাকে জেক বলে ডাকবে।
সাবধানে গাড়ি চালিয়ো, কার্ল, ঠিক আছে?
মিসেস মুলরে মি. ওয়াল্শ ও মি. ডাফির সাথে আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন।
মিসেস মুলরে, ইনি হলেন মি. গিটেস।
- মিসেস মুলরে, কেমন আছেন? - মি. গিটেস।
তো, এখন সমস্যাটা কী একটু শুনি।
আমার স্বামী,
আমার বিশ্বাস সে অন্য এক মহিলার সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছে।
- বলেন কী? - দুর্ভাগ্যবশত এটাই সত্যি।
খারাপ লাগলো শুনে।
মি. গিটেস, প্লিজ, আমরা কি বিষয়টা স্রেফ নিজেদের মধ্যে আলাপ করতে পারি?
তা সম্ভব নয়, মিসেস মুলরে, এরা আমার সহকর্মী,
এবং পরবর্তীতে যেয়ে তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হবে।
সবকিছু আমার একার পক্ষে করা সম্ভব নয়।
অবশ্যই না।
তো,
আপনি কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে আপনার স্বামী
আরেকজনের সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছেন?
একজন স্ত্রী সেটা বুঝতে পারে।
মিসেস মুলরে, আপনি কি আপনার স্বামীকে ভালোবাসেন?
হ্যাঁ, অবশ্যই !
- তাহলে বাড়ি যান আর সব নতুন করে শুরু করুন। - কিন্তু, আমি...
আমি নিশ্চিত তিনিও আপনাকে ভালোবাসেন, মিসেস মুলরে।
আপনি কি কথাটার মানে জানেন, ''ঘুমন্ত কুকুরকে ঘুমাতে দাও?''
না জেনে থাকলে ভালোই করেছেন।
আমাকে জানতে হবে।
ঠিক আছে।
আপনার স্বামীর নামের প্রথমাংশ কী?
হলিস।
হলিস মুলরে।
- পানি ও বিদ্যুৎ ডিপার্টমেন্ট? - সে ঐ ডিপার্টমেন্টের প্রধান প্রকৌশলী।
প্রধান প্রকৌশলী?
মিসেস মুলরে...
এই ধরনের তদন্ত কাজে আপনার মোটা অঙ্কের টাকা ব্যয় হবে।
এসব কাজে সময় লাগে...
টাকা কোনো বিষয় না, মি. গিটেস।
আচ্ছা...
দেখা যাক কী করা যায়।
ভদ্রমহোদয়গণ, আজ আপনারা এই দরজা দিয়ে বার হবেন,
ডানে মুড়বেন, একটা বাসে চড়বেন, আর ২৫ মিনিটের মধ্যেই,
পৌঁছুবেন ঠিক প্রশান্ত মহাসাগরে।
তাতে আপনি সাঁতরাতে ও মাছ ধরতে পারবেন, কিন্তু তার পানি পান করতে পারবেন না।
আর সেই পানি কমলাবনের সেচে ব্যবহার করতে পারবেন না।
মনে রাখবেন, আমরা সাগরের খুব কাছে বসবাস করি,
কিন্তু একই সাথে আমরা মরু-প্রান্তেও বসবাস করি।
লস এঞ্জেলেস বস্তুত মরু এলাকা।
এখানকার বিল্ডিং, এখানকার সড়কের নিচে রয়েছে মরু।
আর পানি না থাকলে, মরুর সকল ধূলি ওপরে উঠে আসবে আর আমাদের এমনভাবে চাপা দিবে
যে আমরা ধুলির অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবো।
এখন অ্যালটো ভ্যালেহো বাঁধ নির্মাণ হলেই আমরা এই বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচতে পারবো।
আর আমি সম্মানের সাথে প্রস্তাব দিচ্ছি যে $৮.৫ মিলিয়ন যথেষ্ট পরিমাণ অর্থ...
বাঁধটা নির্মাণ করে আমাদের সড়ককে মরুর ধুলির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য।
শুনলে কী বললো !
মেয়র ব্যাগবি, সকল ডিপার্টমেন্টের অভিমত আরেকবার শোনা যাক।
শুরুতে পানি ও বিদ্যুৎ ডিপার্টমেন্টের অভিমত জানলে ভালো হয়।
মি. মুলরে?
ভুলে গেলে জানিয়ে দিচ্ছি, ভদ্রমহোদয়গণ,
ভ্যানডার লিপড্যাম দুর্ঘটনায় ৫০০ এরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।
পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ভূপৃষ্ঠের এই কঠিন স্তরের নিচে রয়েছে শেল
যা কিনা ভ্যানডার লিপড্যাম বিপর্যয়ে প্রবেশ্য শেলের অনুরূপ।
বাঁধটি শেলের মাত্রাতিরিক্ত চাপ প্রতিরোধ করতে পারেনি।
আর এখন আপনি আরেকটা বাঁধ গড়ার প্রস্তাব দিচ্ছেন
যার ঢাল ২.৫:১, উচ্চতা ১১২ ফুট,
এবং ১২,০০০ একর জুড়ে পানিপৃষ্ঠ।
এই বাঁধ টিকবে না।
আমি এই বাঁধ নির্মাণ করবো না ; সহজ হিসাব।
একই ভুল দুবার করার কোনো মানে নেই।
ধন্যবাদ, ভদ্রমহোদয়গণ।
অনুগ্রহপূর্বক নীরবতা বজায় রাখুন !
বসে বসে ডিমে তা দিচ্ছ নাকি? এখনই ওগুলো এখান থেকে বের করো !
- ওগুলোর কয়েকটা ধরে রাখো। - কোথায় নিতে হবে বলুন !
এখন এর উত্তর আপনার কাছে নেই, আছে নাকি?
আপনি ভ্যালির পানি চুরি করেন, গোচারণে বাঁধার সৃষ্টি করেন,
ফার্মের পশুদের না খাইয়ে মারেন !
কে আপনাকে এর জন্য টাকা দিচ্ছে, মি. মুলরে?
এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকে দিতেই হবে !
- ঐ ব্যাটা দেখি ওখানে সারারাত ছিল ! - একদম ঠিক।
ঘড়িগুলো আনতে আমাকে সেখানে ৩ বার যেতে হয়েছে।
ব্যাটা গতকাল ৩ টা জলাধারে গেল ;
একবার গেল রিচফিল্ড গ্যাস-স্টেশন, আরেকবার ''দ্য পিগ অ্যান্ড উইসেল'' বারের ওখানে।
ব্যাটা পানি ছাড়া আর কিছু চিন্তাও করে না।
তো কী পেলে দেখা যাক।
ব্যাস?
তারা ''দ্য পিগ অ্যান্ড উইসেল'' বারের বাইরে সেইরকমের তর্কাতর্কি শুরু করে দিয়েছিল।
কী বিষয়ে তর্ক?
শুনতে পারিনি ; ট্রাফিকের কারণে প্রচুর আওয়াজ হচ্ছিল।
কেবল একটা কথাই শুনেছিঃ
"অ্যাপেল-কোর"
- "অ্যাপেল-কোর"? - হ্যাঁ।
হায়রে খোদা, ওয়াল্শ, সারাদিন কেবল এই করলে?
দেখো, তুমি আমাকে ছবি তুলতে বলেছিলে, সেটা তুলেছি।
কিছু ব্যাপার তোমাকে বুঝতে হবে, ওয়াল্শ।
''জে. জে. গিটেস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস''
আমাদের এই বিজনেসে চাতুর্যের প্রয়োজন।
কী হয়েছে, সোফি?
ডাফি ফোন করেছে।
- হ্যাঁ, ডাফি, কোথায় তুমি? - কাজের কাজ করে ফেলেছি !
ব্যাটারে এক কচি মাইয়ার সাথে দেখলাম, ঐ বুড়ো শালা...
আচ্ছা, ধীরে ধীরে বলো। কোথায় তুমি?
''গ্লেনডেল অ্যান্ড ডগলাস''-এ।
তারা এখন ইকোপার্কে একটা বাইচের নৌকায়। বাইচের নৌকায় !
আচ্ছা।
ইকোপার্ক।
আবারো সেই জলাধার।
আচ্ছা, বন্ধু। দাঁত কেলিয়ে হাসো তো দেখি !
দারুণ হয়েছে।
দাঁড়াও, আমি করে দিচ্ছি...
নিজের নামে এত প্রচারণা দেখে একঘেয়ে লাগার কথা।
মেনেই ফেলো, জ্যাক ; তুমি ফিল্মের তারকা বনে গেছ।
- বাইরে কী অবস্থা একটু দেখো, বার্ন। - হ্যাঁ, এই গরমে মরে যাবার দশা।
একদম।
প্রচারণার ক্ষেত্রে বোকারাই সফল।
- কী বললে, বন্ধু? - কিছুনা।
রোজগারের জন্য সেই একখান পেশা বেছে নিয়েছেন।
তাই বুঝি? আর আপনি কী করেন?
ফার্স্ট ন্যাশনাল ব্যাংকের বন্ধক বিভাগে কাজ করি।
বলুন তো, এই সপ্তাহ অনেক পরিবারের কাছ থেকে তাদের বন্ধকের সম্পত্তি হাতিয়েছেন?
আমরা পত্রিকায় সাক্ষ্যপ্রমাণ ছাপাই না, অন্তত এতটুকু বলতে পারি।
আমিও ছাপাই না।
না, আপনার প্রচারণার লোককে দিয়ে ছাপান।
এই ফাজিলটা কে, বার্নি? তোমার এখানে নিয়মিত আসে নাকি?
ভাই, শোনেন, আমি সৎপথে রোজগার করি।
মানুষ যখন হতাশায় ভুগে, কেবল তখনই আমার কাছে আসে।
আর তখন আমিই তাদের সাহায্য করি ; পরিবারদের ঘরছাড়া করে পথে বসাই না।
- যেটা আপনার মত ব্যাংকের হতচ্ছাড়া পাবলিক সবসময় করে। - জেক, তোমাকে একজনের গল্প বলি...
চেয়ার থেকে নামেন ;
আমরা বরং বাইরে যেয়ে আলাপ করি।
কী মনে হয়?
জেক, ঐ লোকটার কথা মনে আছে যে ক্লান্ত ছিল...
আমি জানি না কীভাবে ওটা পত্রিকায় আসল।
পুরো জিনিসটা এত তাড়াতাড়ি হলো যে আমি নিজেই বুঝে উঠতে পারিনি।
- ধন্যবাদ। - আমি সৎপথে রোজগার করি !
সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
যাইহোক, যা বলছিলাম - নিজের বউরে ঠাপাতে ঠাপাতে লোকটা ক্লান্ত হয়ে গেছিল...
- তো সে তার বন্ধুকে বলে, ''কী করবো, দোস্ত?'' - আমি সৎপথে রোজগার করি, বুঝলে?
লোকটার বন্ধু তখন বলে, ''আরে, চাইনিজরা যা করে তাই কর।''
এরপর সে বলে, ''চাইনিজরা আবার কী করে?''
বন্ধু বলে, ''চাইনিজরা একটু ঠাপায়, তারপর ক্লান্ত হয়ে যায়..."
ডাফি। হেই, ওয়াল্শ !
সোফি, বাচ্চাদের রুমে ১ মিনিটের জন্য যাও।
- কিন্তু, মি. গিটেস... - সোফি...
জি, মি. গিটেস।
- জেক... - ডাফি, আমার কথা শোনো, বন্ধু।
তোমাদের একটা গল্প বলবো।
তো, গল্পটা এক লোককে নিয়ে, বুঝলে?
সে নিজের বউরে ঠাপাতে ঠাপাতে ক্লান্ত।
- জেক, একটা সমস্যা হয়েছে... - গল্পটা বলতে তো দাও।
সবসময় এত তাড়াহুড়ো করলে চলবে?
তো লোকটার বন্ধু বলে,
"আরে, চাইনিজরা যেভাবে করে সেভাবে কর।"
তো সে বলে, ''চাইনিজরা আবার এটা কীভাবে করে?''
বন্ধু বলে, ''চাইনিজরা প্রথমে একটু ঠাপায়...
"তারপর থামে আর যেয়ে একটু দর্শন-টর্শন পড়ে।
"এরপর ফেরত আসে, আরেকটু ঠাপায়, আবার থামে,
- "ফেরত যায়, আরেকটু ঠাপায়..." - জেক।
ওয়াল্শ, আমার কথা একটু শোনো রে ভাই।
গল্পটা তোমার ''সেইরকম'' লাগবে।
তো যা বলছিলাম, তারা ফেরত যায় ; আরেকটু ঠাপাঠাপি করে,
তারপর তারা বাইরে যায় আর চাঁদের দিকে একটানা চেয়ে থাকে।
মানে এরকম কিছু একটা। গল্পটা এই মুহূর্তে উত্তেজনায় ভরে ওঠে।
তো, এবার লোকটা বাসায় যায় আর নিজের বউকে ঠাপানো শুরু করে।
তো, সে বউরে একটু ঠাপায়, আর তারপর থামে।
রুম থেকে বেরিয়ে যায় আর ''লাইফ'' ম্যাগাজিন পড়তে থাকে।
এরপর সে রুমে যায় ; আবার বউরে ঠাপানো শুরু করে,
আর বলে, ''এক মিনিট অপেক্ষা করো, সোনা।''
সে বাইরে যায় আর একটা সিগারেট ধরায়।
এদিকে ওর বউ বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে।
স্বামী রুমে ফিরে আসে, আবার ঠাপানো শুরু করে,
সে আবার বাইরে চাঁদ দেখতে যাওয়ার জন্য উঠে পড়ে,
বউ স্বামীর দিকে তাকায় আর বলে, ''কী হয়েছে তোমার?''
"তুমি তো একদম চায়নাম্যানের মত ঠাপাচ্ছ ! ''
ঈশ্বর !
বার্নি যে এইসব কই পায় !
মি. গিটেস?
জি।
আমাকে চিনেন?
চিনলে আমার মনে থাকতো।
আমাদের কি কখনও দেখা হয়েছে?
জি না।
কখনও না?
কখনও না।
আমিও সেটাই ভেবেছিলাম।
দেখুন, আমি হলাম মিসেস এভিলিন মুলরে।
মি. মুলরের স্ত্রী।
আপনি সেই মুলরে নন?
জি, মি. গিটেস। আমি সেই মুলরে।
আর যেহেতু আপনি আমার সাথে একমত যে আমাদের আগে কখনও দেখা হয়নি,
আপনি এবিষয়েও একমত হবেন যে আমি আপনাকে কোনো কাজের জন্য কখনও ভাড়া করিনি,
No comments yet. Be the first to leave one.