Las primeras 140 líneas.
তোর কারো সাথে কথা বলা উচিত।
ঘুমাচ্ছিস না-কি?
আমার পরিচিত, আহ্, একটা সংগঠন আছে,
ওটা ফ্রি। তোর যাওয়া উচিত।
কন্যেল?
আমার সাথে আসবে প্লিজ?
দশ, নয়, আট, সাত, ছয়,
পাঁচ, চার, তিন, দুই, এক।
হ্যাপি নিউ ইয়ার!
- হ্যাপি নিউ ইয়ার! - হ্যাপি নিউ ইয়ার।
তোমাকেও হ্যাপি নিউ ইয়ার।
কে?
আহ্, স্কুলের পুরনো বন্ধু।
তুমি ঠিক আছো?
আহ্, হ্যাঁ। নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানাচ্ছিল।
হ্যাপি নিউ ইয়ার!
মানে কী বলছো?
তুই কী একা?
না, হেলেন পাশে আছে। কীসের কথা বলছো, একটা মৃতদেহ?
কার মৃতদেহ?
রব হেগার্টি, সোনামণি।
তারা আজ সকালে নদী থেকে একটা মৃতদেহ তুলে এনেছে।
আচ্ছা, তোমার অনুভূতি সম্পর্কে আমায় বলতে পারো।
আহ, হ্যাঁ, খুব-একটা ভালো নয়।
শুনে খারাপ লাগলো।
তোমার এরকমটা কবে থেকে অনুভূত হচ্ছে?
আহ্...
কয়েকমাস আগ থেকে।
সম্ভবত, জানুয়ারি।
আচ্ছা।
তখন কি কিছু ঘটেছিল, না-কি এটা হঠাৎই...
মানে এই অনুভূতি হঠাৎ করেই শুরু হলো?
আমার একজন বন্ধু গত জানুয়ারিতে আত্মহত্যা করেছিল।
স্কুলের বন্ধু।
শুনে খুবই খারাপ লাগলো, কন্যেল।
কলেজে ওঠার পর আমাদের মধ্যে খুব-একটা যোগাযোগ ছিল না।
'কারণ সে ছিল, আহ্...
সে স্লাইগো'তে ছিল।
এবং আমি এখানে, আর সবকিছুই, উম...
মনেহয় তার সাথে যোগাযোগ রাখিনি বলে নিজেকে দোষী মনে হচ্ছে।
বুঝতে পারছি।
কিন্তু যেমনটাই অনুভব করো না কেন,
তার সাথে যা ঘটেছে তাতে তোমার কোনো দোষ নেই।
ওর নিজের নেয়া সিদ্ধান্তের দায়ভার তোমার নয়।
আমি ওর সর্বশেষ মেসেজটার রিপ্লাইও দেইনি।
যখন তুমি আত্মহত্যার ফলে কাউকে হারাবে,
তখন প্রাকৃতিকভাবেই এই চিন্তাটা মাথায় আসে যে, সেই ব্যক্তিটাকে সাহায্য করার জন্য,
তুমি কিছু করতে পারতে কি-না।
আমি নিশ্চিত, তোমার বন্ধুর জীবনের সাথে জড়িত অন্যরাও...
নিজেকে ঠিক এই প্রশ্নটাই করছে।
হ্যাঁ, কিন্তু অন্যরা অন্তত তাকে সাহায্যের চেষ্টা তো করেছে!
ও, আহ, একটু বেশিই ড্রিংকস করছিল।
ওকে কিছুটা, উম... জানিসই তো, সবকিছুতেই আগ্রহশূন্য বলে মনে হচ্ছিলো।
ঠিক।
জানিস, ও বাড়ি যেতে চাইতো না।
সবসময় আরেক পেগ চাইতো।
কী কী যেন লিখেও রেখেছিল।
সিরিয়াস কিছু না, শুধু... ভেবেছিলাম, হয়তো মজা করছে।
ওর সাথে কথা বলারও চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু...
তোমায় সুদর্শন দেখাচ্ছে।
প্রস্তুত, সোনামণি?
ম্যারিয়ান।
নরমাল পিপল ভাবানুবাদে: "আকতার হোসেন"
ধন্যবাদ।
- আমি দুঃখিত। - ভালো রঙ নির্বাচন করেছো।
তোমায় বেশ দেখাচ্ছে।
ধন্যবাদ।
আমি অনেক দুঃখিত।
ধন্যবাদ, সোনা। আসার জন্য ধন্যবাদ।
কন্যেল। ভালো মানুষ, ভালো মানুষ।
শুনলাম ট্রিনিটিতে বেশ ভালো করছো।
- অনেক দুঃখিত। - ভালো মানুষ।
আসার জন্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।
কী খবর?
- কে ও? - আহ...
হেলেন। আহ, ও এরিক।
- গার্লফ্রেন্ড, তাই না? - হ্যাঁ।
তোমার কারণেই হয়তো বান্দাটা আর বাড়ি ফেরে না।
না, ওর দোষ নেই। আমারই আসার ইচ্ছা করে না।
এমনি মজা করছি।
ম্যারিয়ান এসেছে দেখছি।
ভেবেছিলাম, হয়তো সুইডেন বা অন্য কোথাও থাকবে।
হ্যাঁ, ছিল। কিন্তু অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার জন্য ফিরেছে।
অনেকটা শুকিয়ে গেছে, তাই না?
এইযে এসে গেল।
সুইডেন থেকে এখানে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে এসেছো দেখে ভালো লাগলো, ম্যারিয়ান।
তোমায় দেখেও ভালো লাগলো।
তুমি হেলেনকে চিনো?
অবশ্যই চিনি। আমরা একই কলেজে পড়েছি।
হ্যালো, হেলেন।
আশাকরি, সবকিছু বন্ধুত্বপূর্ণই রয়েছে।
মানে, কোনো শত্রুতা নেই।
নিজেকে সামলাও।
আমায় তোমার বন্ধুদের সাথে পরিচয় করালে না কেন?
এরিকের সাথে তো করালাম, করাইনি?
সে জিজ্ঞেস করার পর।
সত্যি বলতে, তোমায় দেখে মনে হচ্ছিলো, ব্যাপারটা পছন্দ করোনি।
যদি এখানে আমার না থাকাটাই চাও, তাহলে সাথে আসতে বলেছিলে কেন।
আচ্ছা, জিজ্ঞেস করায় ক্ষমাপ্রার্থী।
এর মানে কী?
- আমি ওখানে থাকায় তোমার খারাপ লেগেছে? - না।
আমি বলছি যে, ওটা কেমন হতো সে সম্পর্কে...
যদি তুমি ভুল ধারণা করে থাকো, তাহলে আমি দুঃখিত।
তুমি আমায় ওখানে একদমই চাওনি, তাই না?
সত্যি বলতে, আমি নিজেও ওখানে যেতে চাইনি।
দেখো, তোমার সময়টা ভালো কাটেনি বলে আমি দুঃখিত।
কিন্তু, ওটা একটা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ছিল। জানি না, তুমি ঠিক কী আশা করেছিলে।
আসলে, তুমি ম্যারিয়ানকে ইগনোর করছিলে না।
আমি কাউকেই ইগনোর করছিলাম না।
কিন্তু ওকে দেখে তুমি বেশ খুশি হয়েছো বলেই মনে হলো।
- ধুর বাল, হেলেন। - কী?
মানে, সকল তর্কবিতর্ক ঘুরেফিরে এখানেই নিয়ে আসতে হবে?
আমাদের একজন বন্ধু আত্মহত্যা করেছে, আর এখন, তুমি...
আমায় ম্যারিয়ানের ব্যাপারে বলছো। মানে, সিরিয়াসলি?
আর হ্যাঁ,
ওকে দেখে আমি খুশি হয়েছিলাম। এতে কি আমি মনস্টার হয়ে গেলাম?
তুমি জানো যে, রবের ব্যাপারে আমিও খুবই সহানুভূতিশীল।
কিন্তু আমায় কী করতে বলছো? আমার সামনে তুমি অন্য মেয়ের...
দিকে তাকিয়ে থাকবে আর আমি সেটা ইগনোর করবো?
- না, আমি ওর দিকে মোটেও তাকাইনি। - তাকিয়ে ছিলে, চার্চে।
ওটা ইচ্ছাকৃত ছিল না।
ওর আশপাশে থাকলে তুমি অদ্ভুত আচরণ করো কেন?
সাধারণ ব্যক্তিত্বে কীভাবে থাকবো?
আমি... আমি তো নিজেই অদ্ভুত ব্যক্তি।
তোমরা বেশিরভাগই, আশাকরি, এটা ভাবছো যে...
এই পারিবারিক বক্রোক্তি ভেঙে ফেলাটা যুক্তিসম্মতভাবে সহজাত।
এমনকি সংবিধান নিজেও আইরিশদের সংজ্ঞায়িত করেছে...
মানে, আমি তোমার পাশেই থাকতে চাই, কিন্তু তুমি নিজেই আমায় থাকতে দিচ্ছো না।
আমি চেষ্টা করেছি।
এবং মনে হচ্ছে আমি যেন অন্য কারো সাথে আছি, মানে,
আমাদের মধ্যে খুলাখুলি ন্যায্য কথাবার্তা বলা বা ওরকম কিছু আর নেই।
এসবকিছুর আগে যেটা ছিল।
তুমি এমন অনুভব করার আগে যেমনটা ছিল।
তুমি এরকম হতাশায় রয়েছে বলে আমি তো আর হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারি না।
জানি এটা ঠিক নয়।
আমি সত্যিই তোমার পরোয়া করি।
কিন্তু তোমায় এভাবে দেখতে আমার একদমই ভালো লাগছে না।
আর এটা ঠিক হবে বলেও মনে হয় না।
জানি না এতটা পথ একসাথে এসে এখন কীভাবে, কিন্তু...
No comments yet. Be the first to leave one.