Esimesed 175 rida.
২০২১: টোকিও উপকণ্ঠ
একটা গাস্ট্রিয়া!
ওটা এদিকেই আসছে!
গুলি করো! গুলি করো!
যদি মরতে না চাও,
তোমাকে লড়তে হবে, রেন্তারো।
১০ বছর পর: টোকিও শহর
ব্ল্যাক বুলেট - প্রথম এপিসোড : "শেষ আশা"
কী?
তুমিই সেই সিভিল অফিসার যাকে আমাদের সাহায্য করতে পাঠানো হয়েছে?
তুমি নিজেই তো একটা বাচ্চা।
তা বলতে পারবো না, তবে আমি একজন সিভিল অফিসার।
তেনডো সিভিল সিকিউরিটি এজেন্সি, হাহ...
নামটা কখনো শুনিনি।
কাজের ব্যাপারে কথা বলি?
কাহিনী চতুর্থ তলায়।
তৃতীয় তলার কেউ একজন খবর দিয়েছে যে,
ওদের ছাদ চুইয়ে রক্ত পরছে।
সব তথ্য অনুসন্ধান করে বোঝা গেল, এটা গাস্ট্রিয়ার-ই কাজ।
যাহোক, শেষপর্যন্ত তুমি এসেই গেলে, এবার আমি ভেতরে ঢুকতে পারবো।
বিপদজনক স্থানে সিভিল অফিসার ছাড়া আপনাদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে,
যাতে হতাহতের পরিমাণ কমানো যায়।
ঠিক এই ব্যাপারটাই আমার পছন্দ না!
তো, তোমার ইনিশিয়েটর পার্টনার কই?
সাধারণত, সিভিল অফিসারদের জোড়ায় থাকার কথা না?
আসলে, আমার মনে হয় না, এই কেসটায় ওর সাহায্য লাগবে।
ওহ, ইন্সপেক্টর।
কী অবস্থা?
আ-আমি দুঃখিত... আমাদের দুজন লোক কমে গিয়েছে,
তারা দড়িতে ঝুলে জানালা দিয়ে ঢুকতে চেয়েছিল।
তারপর থেকে আর ওদের সাড়া পাইনি।
সিভিল অফিসার পৌঁছানোর অপেক্ষা করোনি কেন?
আমরা চাইনি ওরা সব ক্রেডিট নিয়ে যাক!
সরে দাঁড়াও, আমি যাচ্ছি ভিতরে।
দেরি করে ফেলেছো, মি. সিভিল অফিসার সাহেব।
কী...
তুমি সিভিল অফিসার?
অবশ্যই, সংক্রমণের উৎসটাকে খুঁজছি আমি।
যাহোক,
আমি সিভিল অফিসার না।
দেখতেই পাচ্ছো ...
এই পুলিশ অফিসারদের...
আমিই মেরেছি।
খারাপ না।
কোহিনা?
হ্যাঁ... ঠিক আছে।
কিছুক্ষণের মধ্যে আসছি।
আমি আমার বন্ধুদের প্রতিশোধ নিব!
ইনজেন : কোকুতেনফু!
ইনজেন : গেনমেইকা।
না, কিছু না। আমি এক্ষুণি আসছি।
চমৎকার!
আমি ভাবিনি, তুমি আসলেই লাগাতে পারবে।
নাম কি তোমার?
সাতোমি রেন্তারো!
সাতোমি-কুন?
আবার দেখা হবে, সাতোমি-কুন।
তুমি আসলে কে?
আমি...
হলাম সেই লোক, যে এই দুনিয়াটা ধ্বংস করবে।
কেউ আমাকে থামাতে পারবে না।
তো গাস্ট্রিয়াটা কোথায়?
ওদের এখানে আক্রমণ করা হয়েছিল,
তারপর ওরা সাহায্যের খোঁজে জানালা দিয়ে পালিয়ে গেছে।
ওই ওই ...
কীভাবে ওরা পালালো চতুর্থ তলা...
এবং তারা যদি এত রক্ত হারিয়েও নড়তে পারে...
তাইলে কেবল সংক্রমণের উৎসই নয়,
বরং সংক্রমিতরাও এখন শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছে?
মহামারী ...
ইন্সপেক্টর তাদাশিমা, এই এলাকায় এক্ষুণি লকডাউন জারি করুন!
আহাম্মক রেন্তারো!
কোন সাহসে ও হবু বউকে সাইকেল থেকে ফেলে চলে যেতে পারলো?
এইযে বাছা!
জলদি বলুন, আমার একটু তাড়া আছে!
বাছা... আমি পথ হারিয়ে ফেলেছি...
আপনার সাথে কি হচ্ছে বুঝতে পারছেন না?
হ্যাঁ?
আপনার জন্য কিছু করা আমার পক্ষে সম্ভব না।
কোনো শেষ কথা বলার আছে?
মনে পড়েছে?
আমি বারান্দায় ছিলাম,
একটা গাস্ট্রিয়া আমাকে প্রায় মেরেই ফেলছিলো।
আমি কোনোমতে পালালাম...
দুঃখের বিষয়, আপনি শীঘ্রই আক্রান্ত থেকে আক্রমণকারীতে পরিণত হবেন।
সা-সাহায্য করো!
ছি. এসব কী? কী আঠালো!
গাস্ট্রিয়া!
প্রথম ধাপের একটা মাকড়সা গাস্ট্রিয়া সনাক্ত করা হয়েছে।
আমি হামলা করছি!
কি করছো তুমি?
সাধারণ বুলেটে গাস্ট্রিয়ার বালও ছিঁড়বে না!
আরও রাগিয়ে দিবে বরং!
এতে কাজ হচ্ছে...
ব্লাক বুলেট...ভারানিয়াম?
হ্যাঁ। এই একটি ধাতুই গ্যাস্ট্রিয়ার পুনর্গঠন বন্ধ করতে পারে!
এটি প্রথম ধাপের মাকড়সা গাস্ট্রিয়া
খুব লাফালাফি করে!
ধেৎ! আমার বুলেট শেষ!
এনজু!
হু!
তুমি খুব তাড়াতাড়ি অসতর্ক হয়ে পড়েছো, রেন্তারো।
আচ্ছা... এই বাচ্চাটা...
বরং, আমি রেন্তারোর ইনিশিয়েটর...
অথবা,
পার্টনারও বলা যায়,
আইহারা এনজু!
নামটা মনে রাখবেন, পাবলিক সার্ভেন্ট।
যাইহোক, তুমি ঠিক আছো, এনজু?
হ্যাঁ, এটা শীঘ্রই ঠিক হয়ে যাবে।
শুধু কাপড়ের এই ছেঁড়াবেড়া অবস্থার কারণেই আমার রাগ লাগছে।
অভিশপ্ত বাচ্চা...
কী হলো? আমার প্রেমে পড়ে গিয়েছেন নাকি?
ভাগ্য খারাপ আপনার, রেন্তারো আর আমি ইতোমধ্যে সারাজীবন একসাথে থাকার শপথ করে ফেলেছি।
তাই হাল ছেড়ে দিন।
কী যা তা বকছো! কেউ কোনো শপথ করেনি!
আরে, ওটা করলে কেন?
আরও আগাতে চাও নাকি, রেন্তারো?
পাগল নাকি!
আরেকটা কথা, সীমিত সময়ের অফারটা মিস করার ইচ্ছা আছে নাকি?
ওহ...ধ্যাৎ!
এই, তোমরা চলে যাচ্ছো?
শিমের বিচি এক প্যাকেট মাত্র ছয় ইয়েন!
রেন্তারো, তুমি আবার আমাকে ফেলে যেতে চাইছো?
আগেরবার ইচ্ছা করে ফেলে যাইনি।
কী স্বার্থপর লোক!
ভারানিয়াম, হাহ?
স্যার!
ইনিশিয়েটর, গাস্ট্রিয়ার সাথে লড়াই যাদের জন্মলক্ষ্য,
এবং প্রমোটর, যাদের দায়িত্ব ইনিশিয়েটরদের নিয়ন্ত্রণে রাখা।
যে সিভিল অফিসার এখানে ছিল, তার কথা বলছেন?
হ্যাঁ...
মানবজাতির শেষ আশা ওরা।
কল্লা কাটা যাওয়ার আগে কিছু বলতে চাও, সাতোমি-কুন?
যা হয়ে গেছে, তা কী আর আমি বদলাতে পারি!
ব্যাটা বেকুব!
ওখান থেকে পালালে কেন? বেকুব!
উল্টাপাল্টা বলবেন না!
তাহলে সীমিত সময়ের অফারের জন্য তুমি ওখান থেকে তাড়াতাড়ি চলে এসেছিলে,
এবং পরে বুঝতে পারো যে, পুলিশের কাছ থেকে টাকা নিতে ভুলে গিয়েছো?
পরে যখন ওদের সাথে কথা বলেছো, ওরা আর টাকা দিবে না বললো...
এবং তারপরও তুমি শিমের বিচি কিনেই ছাড়লে।
তোমার লাগবে নাকি, কিসারা-সান?
যতক্ষণ অফিসে আছি, আমাকে "প্রেসিডেন্ট"বলে ডাকবে!
শোন, সাতোমি-কুন।
এ মাসে আমরা একটা ফুটো পয়সাও আয় করতে পারিনি।
এটা কার দোষ?
তুমি একটা অপদার্থ! মাথামোটা! বেকুব!
বসকে রিপোর্ট করার চেয়ে শিমের বিচি কেনাকে প্রাধান্য দিলে!
এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে...
অফারটার ব্যাপারে আমাকে বলোনি কেন?!
আর পারছি না...
আমার স্টেক খেতে ইচ্ছে করছে...
আমারও।
একটা প্রতিষ্ঠান চালানো যতটা মনে করেছিলাম তারচেয়েও কঠিন।
সব তোমার দোষ। কারণ তুমি একটা মাথামোটা, সাতোমি-কুন...
এখন আবার কোম্পানির লোকেশনকে দায়ী করবে না তো?
কাজে পারদর্শী হলে লোকেশন গুরুত্বপূর্ণ না।
আইডিয়া পেয়েছি!
তুমি চাকরানীর ইউনিফর্ম পরে, হাতে একটা পোস্টার নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকছো না কেন?
তুমি আমাকে চাকরানীর কাজ করতে বলছো?
এটা তুমি করবে, লোকজনের ভিড়ের মধ্যে দৌড়াবে,
আর চিল্লায়ে চিল্লায়ে বলবে, "তেনদো সিভিল সিকিউরিটি ঠিক এই জায়গায়!"
"যেকোন দুর্ঘটনা সামাল দিতে ২৪ঘন্টা প্রস্তুত!"
তাইলে আমি জঙ্গিবাদী হয়ে যাবো।
এই, যে গাস্ট্রিয়াটা তুমি মারলে, ওটা সংক্রামিত ছিল, তাই না?
হ্যাঁ। সংক্রামকটার মুখোমুখি হইনি যদিও।
অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো নিশ্চয় খোঁজ পেয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে।
ব্যবস্থা নেয়া তো দূরের কথা,
কেউ সেটার দেখাই পায়নি।
কোনো রিপোর্ট নেই
একটা সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দিচ্ছো না কেন?
একারণেই তো আমরা সিভিল অফিসারদের ভাত আছে।
যেহেতু এটা পুলিশের ডাটাবেজে নেই, তাই খুঁজে বের করা সহজ হবে না।
আমি অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে এই ব্যাপারে খোঁজ নিবো।
No comments yet. Be the first to leave one.