Akira Kurosawa's Dreams (Yume)

Akira Kurosawa's Dreams (Yume) (夢)

Laadige alla Bengali subtiiter

Väljalaske info

Akira Kurosawas Dreams 1990 720p BluRay x264-DEPTH
Akira Kurosawas Dreams 1990 1080p BluRay x264-DEPTH
Akira Kurosawas Dreams 1990 REMASTERED BDRip x264-DEPTH
Dreams 1990 CRITERION 1080p BluRay x264 FR
Akira Kurosawas Dreams 1990 JAPANESE 1080p BluRay H264 AAC-VXT
Dreams 1990 MULTi 1080p BluRay x264-FiDELiO
Dreams 1990 1080p BluRay x264-Pahe in
Dreams 1990 1080p BluRay x264-[Mkvking com]
Kommenteerib Shanto_Kumar_Das
🌻 এটি আমার ❝১২৯তম❞ বাংলা সাবটাইটেল। মাতৃভাষায় উপভোগ করুন আকিরা কুরোসাওয়া পরিচালিত জাপানিজ সিনেমা "DREAMS"। রানটাইম ০১ঃ৫৯ঃ৪৪। দেশি-বিদেশী সাইটে মুভিটি পেয়ে যাবেন। অনুবাদককে সাপোর্ট করতে (BKash/Rocket- 01721330162). কোনো প্রজেক্ট স্পন্সর করতে চাইলে ইনবক্স ক

Sildid

BluRay
x264
720p
720
1080
bdrip
bdr
BDR
mkv
Avaldatud: 2023-02-18
Allalaadimised: 67
Kuulmispuudega: No

Bengali subtiitrite eelvaade

Esimesed 200 rida.

"আকিরা কুরোসাওয়া" পরিচালিত

夢 . : : D R E A M S : : .

অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞

⭐ ⭐ এটি আমার ❝১২৯তম❞ পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল ⭐ ⭐

রচনা ও পরিচালনায় ❝ আকিরা কুরোসাওয়া ❞

আমি এই স্বপ্নগুলো দেখেছি...

"বর্ষণমুখর দিনের রোদ"

আজ বাইরে যাস না।

সূর্য্যি মাঝ গগনে, তাও এখন বৃষ্টি হচ্ছে।

এমন দিনে শেয়ালদের বিয়ে হয়।

ওদের এই বিয়ে কেউ দেখলে ওরা ভীষণ রেগে যায়।

তুই দেখলে অনেক বিপদ হতে পারে।

তুই দেখেছিস, তাই না?

তুই এমন কিছু দেখেছিস যা তোর দেখা উচিত হয়নি।

এমন ছেলেকে আমি ঘরে ঢুকতে দিতে পারবো না।

একটা রাগী শেয়াল তোর খোঁজে এসেছিলো।

এটা তোর জন্য রেখে গেছে।

তোকে নিজেকে মেরে ফেলে এর প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে।

তাড়াতাড়ি গিয়ে তাদের কাছে ক্ষমা চা।

ছুরিটা তাদের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে...

হাঁটু গেড়ে তাদের কাছে জীবনভিক্ষা চা!

ওরা তুচ্ছ ভুলও ক্ষমা করে না।

তোকে তোর পাপের জন্য মরার প্রস্তুতি নিতেই হবে!

জলদি কর!

ওরা ক্ষমা না করা পর্যন্ত,

আমি তোকে ঘরে ঢুকতে দিতে পারব না।

কিন্তু তারা কোথায় থাকে তা আমি জানি না তো।

তোকে নিজেকে খুঁজে বের করতে হবে।

এরকম দিনে, রঙধনু দেখা যায়।

এই রংধনুর নিচেই ওদের বাস।

"পীচ উদ্যান"

- নাও, দিদি। - ধন্যবাদ।

তোমরা ছয়জন ছিলে না?

তোমরা ছয়জন ছিলে, তাই আমিও ছয় বাটি খাবার নিয়ে এসেছি।

তোর ভুল হয়েছে। নে, এটা তুই খা।

আমি তো আমারটা খেয়েছি।

অদ্ভুত ব্যাপার।

স্পষ্ট মনে আছে এখানে ছয়জন ছিলো। কেউ কি চলে গেছে?

না তো।

এখানে নিশ্চিত আরেকজন মেয়ে ছিলো।

অদ্ভুতুড়ে আচরণ বন্ধ কর!

এখন আমাদের একা থাকতে দে।

- ওইতো সে! - কে?

- আমি জানি না সে কে। - কেউ নেই তো!

এখানেই তো ছিলো!

আবার তোর জ্বর হয়েছে?

না! আমাকে বলো ও কে।

তুই ঠিক আছিস?

দাঁড়াও!

কোথায় যাচ্ছিস? তোর বাইরে যাওয়া বারণ!

দৃষ্ট, ক্ষুদে বালক।!

আমরা তোমাকে কিছু বলতে চাই।

মনোযোগ সহকারে শুনো।

আমরা আর কখনো তোমাদের বাসায় যাবো না।

কেন যাবে না?

তোমার পরিবার...

এই উদ্যানের সমস্ত পীচ গাছ কেটে ফেলেছে।

পুতুল উৎসবও একটি মৌসুমী উৎসব।

এই উৎসব ওই পীচ গাছের উৎসব।

আমরা পুতুলেরা হলাম ওই পীচ গাছের ব্যক্তিরূপ।

আমরা ছিলাম সেই গাছের প্রাণ, সেই পুষ্পরাজির প্রাণ।

কিন্তু এই গাছগুলো তোমরা কেটে ফেললে,

কীভাবে পুতুল উৎসবের আয়োজন করবে?

সেই গাছগুলো এখন তাদের দুঃখে কাঁদছে।

কাঁদবে না! কেঁদে কোনো লাভ হবে না!

ওকে দোষারোপ কোরো না।

গাছগুলো কাটার সময় এই শিশুটি কাঁদছিলো।

ও তাদের বাধা দেয়ারও চেষ্টা করেছে।

কারণ ও যে আর পীচ খেতে পারবে না!

ভুল!

আমি দোকান থেকেও পীচ কিনে খেতে পারবো!

কিন্তু তোমরা কোথা থেকে ফুলে ফুলে ছেয়ে যাওয়া একটা পুরো বাগান কিনতে পারবে?

আমি এই জায়গাটা...

আর ফুল ফোটা পীচ গাছগুলোকে ভালোবাসতাম।

আমি জানতাম আর কখনো ওগুলো দেখতে পাবো না!

সেজন্য আমি কাঁদছি!

বেশ। আমরা বুঝেছি।

সে ভালো ছেলে।

তাকে আর একবার...

পুষ্পিত পীচ উদ্যান দর্শনের অনুমতি দিলাম।

"তুষারঝড়"

অন্ধকার ঘনীভূত হচ্ছে।

শীঘ্রই রাত নেমে আসবে।

বোকার মতো কথা বোলো না!

আমরা ক্যাম্প থেকে বেরিয়েছি মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে।

কিন্তু আমরা দেরি করে বেরিয়েছি।

বেশি ঘুমিয়েছি আমরা।

রাত হতেই পারে না।

সবে এগারোটা বাজে।

তোমার ঘড়ি দেখো বন্ধ হয়ে গেছে।

না।

কাঁটা তো ঘুরছে।

তুষারের কারণে চারপাশটা অন্ধকার দেখাচ্ছে।

আরেকটা তুষারঝড় ধেয়ে আসছে!

আসো, জলদি করো!

আমরা কি ঠিক পথেই এগোচ্ছি?

হ্যাঁ।

শীঘ্রই আমরা এই দুর্গম স্থান থেকে রেহাই পাবো।

আমাদের ক্যাম্প বেশি দূরে নয়।

অনেক হয়েছে! শুনতে শুনতে কান পচে গেছে!

আমার দ্বারা আর সম্ভব না!

উঠো!

উঠে হাঁটতে শুরু করো!

তোমরা নিজেদের পাহাড়ের সন্তান বলো?

এরকম ছোট্ট একটা ঝড় তোমাদের কাবু করে ফেলছে- লজ্জা লাগছে না?

ছোট্ট ঝড়?

তিনদিন ধরে এভাবেই চলছে!

এই তুষারঝড় কখনই থামবে না।

বাজে কথা!

এটা কখনই থামবে না!

এটা আমাদের মৃত্যুর কষাঘাত করতে দাড়িয়ে আছে!

ঠিক আছে।

আমরা একটু বিশ্রাম নেবো।

কেউ একজন আসছে!

সত্যি।

কেউ একজন আসছে!

কেউ আসছে না।

তোমরা ভুল দেখছো।

ঘুমিয়ে পড়ো না!

ঘুমিয়ে পড়লে তোমরা মরে যাবে!

উঠো!

সজাগ থাকো!

উঠো!

ঘুমিয়ে পড়লে তোমরা মরে যাবে!

উঠো...

গরম বাতাস বইছে।

বরফ গলতে শুরু করেছে।

উঠো! তোমরা ঠিক আছো?

উঠো!

উঠো!

উঠো!

দেখো!

আমাদের ক্যাম্প!

ওই যে আমাদের ক্যাম্প!

"সুড়ঙ্গ"

সৈনিক নোগুচি!

জি, স্যার!

তুমি তো —

স্যার, আমি কি...

সত্যিই যুদ্ধে মারা গিয়েছি?

আমি ...

আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে আমি সত্যিই মারা গেছি।

আমি অব্যাহতি পেয়ে বাড়ি গিয়েছিলাম।

এবং আমার জন্য তৈরি করা আমার মায়ের হাতের মিষ্টি চালপিঠা খেয়েছিলাম।

আমি পরিষ্কারভাবে মনে আছে।

তুমি আমাকে এটা আগেও বলেছো।

তুমি গুলি খেয়ে জ্ঞান হারিয়েছিলে।

যখন তোমার পরিচর্যা করছিলাম, তুমি জেগে উঠে আমাকে ঐ গল্পটা বলেছিলে।

ওটা শুধু...

তোমার অচেতন অবস্থায় দেখা একটা স্বপ্ন ছিলো।

অনেক হৃদয়স্পর্শী গল্প ছিলো। আমি ভুলতে পারিনি।

কিন্তু পাঁচ মিনিট পরেই...

সত্যিই তুমি মারা যাও।

বুঝতে পেরেছি, স্যার!

কিন্তু আমার মা ও বাবা...

এখনো বিশ্বাস করে না যে আমি মারা গেছি।

ওইটা আমার বাড়ি।

আমার মা ও বাবা...

এখনো ওখানে আমার ফেরার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।

কিন্তু এটাই বাস্তব।

তুমি মারা গেছো।

আমার হৃদয় ডুকরে কেঁদে উঠলেও...

আমি সত্যটাই বলবো:

তুমি চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছো...

আমার বাহুযুগলে।

নোগুচি!

প্লাটুন...

সাবধান!

প্লাটুন কমান্ডারকে সম্মান প্রদর্শন করো!

অস্ত্র...

উঁচিয়ে ধরো!

অস্ত্র পায়ের কাছে নামাও!

তৃতীয় প্লাটুন রিপোর্টিং, স্যার।

সকলে উপস্থিত।

আমার কথা শোনো!

আমি বুঝতে পারছি...

তোমরা কেমন বোধ করছো।

তবুও...

তৃতীয় প্লাটুন সম্পুর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

তোমরা সবাই যুদ্ধে নিহত হয়েছো।

আমাকে ক্ষমা করো।

আমি বেঁচে গেছি।

তোমাদের মুখের দিকে পর্যন্ত তাকাতে পারছি না।

তোমাদের মৃত্যুর জন্য...

দায়ী আমি!

আমি সব দোষ চাপাতে পারি...

যুদ্ধের অদুরদর্শিতার উপর,

কিংবা সামরিক বাহিনীর জুলুমের উপর।

আমি আমার অদূরদর্শীতা এবং সিদ্ধান্তহীনতাকে অস্বীকার করতে পারি না।

যাই হোক...

আমি কারাগারে বন্দী ছিলাম।

আর সেই বন্দী শিবিরে থাকার সময় ...

এই জীবন স্বাদ পেয়েছে মৃত্যুর নিদারুন যন্ত্রনার।

এবং...

এখন...

যখনই তোমার দিকে তাকাই...

সেই একইরকম তিক্ততাময় জীবন অনুভব করতে পারি।

তোমাদের যন্ত্রনার তুলনায়,

আমার যন্ত্রণা অতিই নগন্য।

কিন্তু তোমাদের সত্যি করে বলি,

Kommentaarid

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left