Esimesed 200 rida.
ভারত থেকে আসা কনটেইনার পুরোটাই লাল চন্দনে ভরা।
এখনই বসকে ফোন করে জানাও।
হ্যালো।
আমরা একটা কনটেইনারে লাল চন্দন পেয়েছি।
আমরা জানিনা কে এটা পাঠিয়েছে।
হ্যাঁ, বস।
আমাদের না জানিয়ে কে লাল চন্দন বন্দর পর্যন্ত পাঠিয়েছে, এটা জানতে পেরেছ?
কিছুই জানতে পারিনি, বস।
শিপিং কোম্পানির নাম দেখো।
BASHBV কোম্পানি, বস।
- BASHBV? - হ্যাঁ, বস। BASHBV।
You have to see this.
বস, কন্টেইনারের ভেতরে একজন কুলি আছে।
মনে হচ্ছে, সে ভারতীয়।
একটা ভারতীয় কুলি…
কিভাবে একটানা ৪০ দিন ওই কন্টেইনারে খাবার বা পানি ছাড়াই টিকে রইল?
সে আসলে কে?
চেক করো।
ঠিক আছে, বস।
তাকে উল্টো করে ঝুলিয়ে দাও।
তুই কে?
আর এই মালটা পাঠিয়েছে কে?
সে কিছু বলছে না।
তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য এমন কাউকে আনো যে তার ভাষায় কথা বলতে পারে।
হ্যালো, বস।
সে ভারত থেকে এসেছে।
জিজ্ঞাসা কর, সে কে।
জিজ্ঞেস কর, এই মালটা সে কার জন্য এনেছে।
ঠিক আছে, বস। আমি জিজ্ঞেস করছি।
এই! তুই কে?
তেলেগু নাকি তামিল? সে জানতে চাইছে, এই মালটা তুই কোথায় থেকে এনেছিস।
কোনো উত্তর দিচ্ছে না। মানে সে তেলেগু ভাষী লোক।
কোনো উত্তর নেই মানেই তেলেগু।
- চুপ, চুদির ভাই! - ঠিকঠাকভাবে জিজ্ঞেস কর!
এই! তুই কিছু বলছিস না কেন?
তুই কে?
তুই আসলে কে?
পুষ্পা!
তাকে শেষ করে দাও।
ঠিক আছে!
অস্ত্র রেডি কর!
হ্যালো!
কেমন আছেন, আমার জাপানি ভাইয়েরা?
সবকিছু ঠিকঠাক চলছে তো?
অনেক দিন ধরে ভাবছিলাম যে, আমার মাল যে দেশে যাচ্ছে,
সেই দেশটা কেমন হবে।
আজ সেটা অবশেষে দেখতে পেলাম।
এখানকার আবহাওয়া ঠাণ্ডা।
একদম কড়া ঠান্ডা! ঠাণ্ডা!
জাপানি!
ওই! তুই কি জাপানি বলতে পারিস?
অবশ্যই!
কন্টেইনারে ৪০ দিন শুয়ে-বসে থাকার বদলে,
এই ৩০ দিনে জাপানি শেখার বই পড়ে ফেলেছি।
আমার জাপানি কেমন হয়েছে?
আমার জাপানি কেমন হয়েছে?
দারুণ! দারুণ!
তাহলে, তোর জাপানে আসার কারণটা কী?
কাঠ তো জাপানে পৌঁছে গেছে। কিন্তু...
টাকা এখনো তিরুপতিতে পৌঁছায়নি।
আমি এখানে এসেছি দেখানোর জন্য, যে ভারতীয়দের সঙ্গে ঝামেলা করলে কী হয়।
তবুও…
তবুও…
এখানে আসা তার সবচেয়ে বড় ভুল।
আর তাকে বাঁচিয়ে ছেড়ে দেওয়া আমাদের ভুল হবে।
ওকে দেখাই জাপানিদের আতিথেয়তা কেমন।
কিরে চুদির ভাই!
তুই-ই তো আমার টাকা মেরে দিয়েছিস, তাই না?
এই পুষ্পা! এদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াচ্ছিস কেন?
টাকার জন্য এত দূর আসলি, আর এখন জীবনটাই হারাতে চাইছিস?
এই…
আমার পাওনা এক টাকাও বাকি থাকবে না,
যদি তা সাত পাহাড়ের উপরে বা সাত সমুদ্রের ওপারেও থাকে।
যেটা পুষ্পার সেটা সে এনেই ছাড়ে।
মাথা নিচে রেখে পা উপরে তুললে তোর দেশ কেমন দেখাচ্ছে?
আমার টাকা কোথায়? বল!
আর যদি না বলিস তাহলে কিন্তু তোর বস রাগ করবে।
আমার বস… হিরোশি।
না হিরোশির বস।
হিরোশির বস? আবার কে?
তুই তোর বসকে এমনিতেই দেখতে পাচ্ছিস।
কিন্তু তোকে উল্টো করে ঝুলালে, তুই তোর বসের বসকে দেখতে পাবি।
আমিই সবার বস!
আমিই বস!
পুষ্পা, বস!
পুষ্পাই তোর আসল বস!
পৃথিবীর যেখানেই থাকি না কেন,
আমি কখনো মাথা নিচু করি না।
যেখানেই থাকি না কেন,
কারো সামনে মাথা নত করা আমার স্বভাব নয়।
বলটা নিয়ে আস, ভায়া।
- আরে ও সাঁতার জানে না। - দাঁড়া আমি ওকে ম্যানেজ করছি।
- তোর নাম কী? - মুল্লেটি পুষ্পা রাজ।
- আর তোর বাবার নাম? - মুল্লেটি ভেঙ্কটরমনা।
কিন্তু গ্রামের লোকজন তো অন্য কিছু বলছে।
না, ভাই। উনিই আমার বাবা। মা বলেছে।
ওই! তোরা কি ওর কথা বিশ্বাস করিস?
না, ভাই।
তাহলে একটা কাজ কর।
বলটা নিয়ে আয়।
তখন আমরা সবাই বিশ্বাস করব যে ভেঙ্কটরমনা-ই তোর বাবা।
আরে! ও তো ডুবে যাচ্ছে!
পালা!
স্বামী...
তোমার কিছু লাগবে?
স্বামী...
কি হয়েছে, স্বামী? তুমি কি খারাপ স্বপ্ন দেখেছ?
সত্য স্বপ্নের থেকেও ভয়ঙ্কর! চিন্তা কর না, স্বামী।
আরেহ শ্রীনু! বিয়ে তো আর মাত্র দু’দিন পর, আর তুই কাজ করতে এসেছিস কেন?
ভেবেচিন্তে এসেছিস তো?
বিয়ে তো বড় কোনো ব্যাপার নয়। মালগুলো লোড করেই যাব।
কিন্তু সময়মতো মাল না পাঠালে, পুষ্পা ভাও এর নাম কি খারাপ হবে না?
তোর শ্বশুর তো এমনিতেই একটু গরম মেজাজের লোক।
সে যদি জানতে পারে তুই এখানে, তোর উপর রাগ ঝাড়বে।
ঝাড়ুক। আমার কাছে পুষ্পা ভাও ই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এখন তো লোকবলের অভাবই চলছে। আর পুষ্পা ভাও কে নতুন লোক ভাড়া করতে হয়েছে।
ঠিক বলেছিস ভাই। আমরা তো নিয়মিত কর্মী। আমরা কীভাবে কাজ বাদ দিতে পারি?
Hey, Srinu. What are you getting for the wedding? A bicycle?
Not just a bicycle. They gifted me a ring as well.
উঠে পড়! সবাই তাড়াতাড়ি উঠে পড়!
তাড়াতাড়ি করো! তাড়াতাড়ি
চল, দ্রুত হাত চালাও।
ভেতরে ঢুকো। ভেতরে ঢুকো।
ঢুকো! তাড়াতাড়ি!
Hey! The goats are loaded!
Looks like it's going to rain. Let's start right away.
এই! বারা সর। তুই আমার কোলের উপর বসে আছিস!
আরে চুদির ভাই আমি তোকেই বলছি। তুই আমার কোলে বসে আছিস। তাড়াতাড়ি সর।
এই গজেন্দ্র, মনে হয় সে তোকে চেনে না।
নতুন কেউ লাগছে।
কী অবস্থা ভায়া? এভাবে ভড়কে আছিস কেন?
পুলিশকে ভয় পাচ্ছিস?
চিন্তা করো না ভায়া। পুষ্পা সব সামলে নেবে।
ওই যে ট্রাকে চিহ্নটা দেখছো? ওটাই পুষ্পার ব্র্যান্ড।
এটাই একটা সরকারী অনুমতিপত্র।
এই চিহ্ন থাকলে, কোনো পুলিশই আমাদের থামাতে সাহস করে না।
হ্যাঁ ভাই। ওই টাকলা পুলিশটার কী হল?
শুনেছি, সে এখন আর ডিউটিতে আসছে না।
কে? সিলাজিৎ? সিলাজিৎ নয়। শেখাওয়াত।
সে কীভাবে মুখ দেখাবে?
পুষ্পা ওকে নাংটা করে পিটিয়েছে।
ভয়ে কাঁপছে নিশ্চয়ই।
মুখ দেখানোর সাহস নেই, হয়তো ছদ্মবেশে ঘুরছে।
শুধু ছাগল আছে, স্যার। হ্যাঁ, স্যার। সবগুলোই ছাগল।
আমরা এখন কোথায়?
সোজা রাস্তা ধরে হাঁটতে থাকো।
সাবধানে, রাস্তাটা পিচ্ছিল।
এই, নতুন লোক! পা দেখে ফেল। রাস্তাটা পিচ্ছিল।
এই, সাবধানে!
এই! আগুন নিভিয়ে আমাদের সাথে আয়।
এই ভায়া! ঐ তাড়ির হাঁড়িটা পুজোর জন্য নিয়ে আয়।
গুরুজী, পুষ্পার পরিবার এসেছে।
মুকুটটা দেখে সত্যিই ভালো লাগছে, মা।
ডায়মন্ডের কারুকাজ দেখে মনে হচ্ছে এটা এখানকার তৈরি না।
- হ্যাঁ, গুরুজী। এটা... - অনেক মজা হয়েছে, পুরোহিত।
মনে হচ্ছে অনেক কষ্টের টাকায় কেনা। এবার ওদের গোত্র ও নাম নিয়ে অর্চনা করুন।
তোমার গোত্রটা বল, মা।
ওনার নামের পদবি জিজ্ঞেস করুন, পুরোহিত। তাহলে গোত্রটা এমনিই জানা যাবে।
হ্যাঁ, মা। শুধু তোমার নামের পদবিটা বল, আমি তোমার গোত্রটা বলে দিচ্ছি।
গোত্রটা বের করতে হলে পদবি জানা দরকার।
পুরোহিত এখানে নতুন। তাই উনি জানেন না।
পদবি হলো মুল্লেটি আর গোত্র পৈডিপল্লী।
উনি আমাদের গোত্র জিজ্ঞেস করেনি।
উনি ওই লোকদের গোত্র জানতে চেয়েছেন যারা ওই বড় মুকুটটা এনেছে।
ভগবানের কি কোনো পদবি আছে, গুরুজী?
সব নামই তাঁর, মা। তাঁর কি পদবি হতে পারে?
আমার স্বামীরও তাই। ঠিক ভগবানের মতো।
ভগবানের নামেই অর্চনা করুন।
ঠিক আছে, মা।
শুধু একটা সোনার মুকুট নিয়ে আসলেই হলো।
পূজার যোগ্যতাও তো থাকা উচিত।
- ওদের দেখলে দুঃখ লাগে রে, মোহন। - বাবার কথায় মন খারাপ করো না, কাকি।
নাগাপ্পা।
৪২ কেজি। ৪২ কেজি, ভাই!
তাড়াতাড়ি করো। সীতাপতির?
৫০ কেজি। সীতাপতির, ৫০ কেজি।
জলদি যা, গজেন্দ্র।
- সীতাপতি টাকাটা নে। - গজেন্দ্র, ৫৬ কেজি। তাড়াতাড়ি সরা।
নতুন লোক। এদিকে আসো।
তাড়াতাড়ি করো। এই, জলদি কর!
কত কেজি? ৩৬ কেজি।
নতুনটার, ৩৬ কেজি!
আরে ওর নাম কি?
-Tighten it a bit, don't want it to slip. শিখাওয়াত।
ওই! কী নাম বললি?
ভানওয়ার সিং শিখাওয়াত!
মিস্টার কুপ্পারাজু। এখন আসতে পারেন। আচ্ছা, স্যার।
সবাই কাঠ ধরে দাঁড়িয়ে আছে।
ওরা পালাবে না। আসুন। ঠিক আছে, স্যার।
নাও সোনা, খাও। তোদের হাতে আরও দশ মিনিট আছে।
খা!
এই!
টাকলা পুলিশ না?
টাকলা পুলিশ, তাই না?
টাকলা পুলিশ!
শেখাওয়াত! ভানওয়ার সিং শেখাওয়াত!
ধরো!
ওদের ধরো!
ওহ, না! ওইদিকে পালা!
কেউ যেন পালাতে না পারে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলো।
No comments yet. Be the first to leave one.