Esimesed 200 rida.
আপনি মির্জাপুর চান,
আর আমি মুন্না।
দু'জনে হাত মিলিয়ে নিই।
আমাকে শুধু মুন্নার সাথে একা দেখা করার ব্যবস্থা করিয়ে দিন।
যা চাবেন তাই দিবো।
শোকসভা শেষে কথা বলছি।
ততক্ষন পর্যন্ত, আমাদের মেহমানদারী উপভোগ করুন। অবশ্যই খাবার খেয়ে যাবেন।
এটাই আমাদের প্রথা।
ভাইয়াজি, মুন্না ফোন তুলছে না।
আবার লাগাও।
অনুবাদ আয়োজনে Team Thambi -টিম থাম্বি
"জনপুরে স্বাগতম"
মির্জাপুর- সিজন ২- এপিসোড ২ অনুবাদে : আকতার হোসেন
- প্রণাম। - প্রণাম।
দয়া করে সকলে হাতজোর করে ভগবান পুন্ডারীকাক্ষের নিকট প্রার্থনা করুন।
হে ভগবান, তোমার নিকট প্রার্থনা করছি!
দয়া করে এই মৃত ব্যক্তির বিদেহী আত্মাকে শান্তি প্রদান করুন।
সবকিছু ঠিক আছে, শারদ?
তুমি আসায় খুব খুশি হয়েছি।
দাদ্দা কেমন আছে?
বাবা ভালোই আছেন।
এটা পাঠিয়েছেন।
রাতিশংকর শুকলা'র বিদেহী আত্মার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, এবং এ শান্তি পরিবারের উপরও বর্ষুক।
দাদ্দাকে আমার প্রণাম দিও।
আসতে দাও।
শোকসভায় আমন্ত্রণ করলে না যে, শুকলা?
আরে ভাইয়া যদি প্রিয়জনদের পাশেই না থাকতে পারি,
তাহলে সিংহাসনে বসে লাভটা কী?
হেব্বি আয়োজন দেখছি।
এখানে কেন এসেছো, মুন্না?
জনপুরের নিয়ন্ত্রণ নিতে।
এবং নিয়েই যাবো।
আর যদি এই প্রক্রিয়ায়...
তোমার ২-৪ টা লোক শহীদও হয়ে যায়,
তো, শোকসভা তো চলছেই।
তাদের জন্যও দু'মিনিট সময় বাড়িয়ে দিও।
কিন্তু, গুলিই যদি না চলে, লোক মরবে কীভাবে, মুন্না।
তুমি নিয়ন্ত্রণ নিতে এসেছো না?
মানা তো করিনি।
আমি জনপুর চালাবো...
তোমার অধীনে কাজ করবো।
তবে, মির্জাপুর যেন আমাদেরকে নিরাপত্তা প্রদান করে।
মুন্না বাবার মৃত্যুর সাথে সাথে, পুরোনো শত্রুতাও চলে গেছে।
আমরা নতুন প্রজন্ম,
তাহলে নিয়মও তো নতুন হওয়া উচিৎ, তাই না?
নিয়ম শুধু একটাই, শুকলা।
আনুগত্য স্বীকার করে নেওয়া।
তুমি প্রথমবার আমাদের বাসায় এসেছো,
তোমাকে খালি হাতে পাঠাবো না।
আসো।
হয়েছে....হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে।
মুন্নার সাথে একা দেখা করতে চেয়েছিলেন না আপনি?
ইউসুফ।
আচ্ছা...আচ্ছা!
কেমন আছেন? থামিয়েন না, খান, খান।
আমি নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি,
তারপরও বাঁচাতে পারলাম না।
শালা তাকে মেরে পালিয়ে গেলো, মাদারচোদ!
আমার দেরি হয়ে গেছে, স্যার।
পরবর্তীতে কোনো খবর পেলে, আমাদেরকে জানাস।
শান্ত হন, চিন্তা করিয়েন না।
শেষ ১৫ মিনিটে চারবার ঝিঁমিয়েছেন।
যদি পালানোরই ইচ্ছা থাকতো,
এতক্ষণে ঠিকই পালিয়ে যেতাম।
বাবর।
তুমি একটা গুলিও না চালিয়ে?
মানে, বাবা, আপনি বলেছিলেন না,
আমার মস্তিষ্কে জং লেগে গেছে।
তাই ভাবলাম, গুলি না, এবার মস্তিষ্ক ব্যবহার করবো।
তাছাড়া আপনি যেহেতু গুলিও গুনে দিয়েছেন,
তাহলে, অপব্যায় কেন করবো?
তারপর ভাবলাম, এই পরিস্থিতিতে যদি আপনি থাকতেন তাহলে কী করতেন।
আমিও সেভাবেই করার চেষ্টা করলাম।
মানে, যদি সেভাবেই করি,
তাহলে আগামীতে মির্জাপুরের গদিতেও বসতে পারবো।
এক বিন্দু রক্ত না ঝরিয়েও জনপুর এনে দিলে,
শারদের বিশ্বস্ততার প্রমাণও নিলে।
ধীরে ধীরে শিখছো।
মানুষের মনে ভয় আনাটাই জরুরি,
মারা'টা নয়।
কালীন ভাইয়া, যদি আপনি সেখানে থাকতেন,
তাহলে আপনি মুন্না ভাইয়ের ফ্যান হয়ে যেতেন।
শুকলার হাওয়া একদম টাইট হয়ে গিয়েছিল!
হেই!
ভালো করেছো, মুন্না।
আগামীতেও করবো, বাবা।
কিন্তু আমাকে না জানিয়ে বাহিরে কোথাও যেও না।
আচ্ছা।
জেপি'র সাথে দেখা করতে গিয়েছিলে।
কী হলো?
বরাবরের মতো কুকুরের ন্যায় ঘেউ-ঘেউ করলো, বাউজি।
কুকুরের মালিককে বন্ধু বানিয়ে নাও,
তাহলে এমনিতেই ঘেউ-ঘেউ বন্ধ করে দিবে।
সেটাই ভাবছি, বাউজি।
আগামীকাল লক্ষ্নৌ যাবো,
মুন্নাকে নিয়ে।
ললিত।
জি, ভাইয়াজি?
লক্ষ্নৌ যাবে আমাদের সাথে?
হ্যাঁ।
মকবুল যেমন আমার ডান হাত, তেমনি তুমিও তো মুন্নার ডান হাত।
কাল সকালে রেডি হয়ে চলে এসো।
- তুমিও যাও, মুন্না। - জি।
বাউজি....
কিছু মানুষ শাসক হিসেবেই জন্মগ্রহণ করে,
আর কিছুকে বানিয়ে নিতে হয়।
আমি ওকে বানাবো, বাউজি।
খুবই ভালো একটা সুযোগ ছিল,ভাইয়াজি।
ইউসুফের দ্বারা মুন্নাকে মেরে ফেলতে।
সাপও মরতো.....
আবার লাঠিও ভাঙতো না।
মির্জাপুর কে চালায়? মুন্না না-কি আখন্দানন্দ?
মুন্নাকে মারলেই কি মির্জাপুরের গদিতে বসতে পারতাম?
আপাতত, মৃত মুন্নার চেয়ে জীবিত মুন্না বেশি কাজের।
এখন সেই আমাদের মির্জাপুর জয়ের সিঁড়ি হবে।
চা।
খুবই গরম।
আমার চা কোথায়?
আচ্ছা, তোমার জন্য চা বানাবোও আমি আনবোও আমি,
আর তুমি অজগরের মতো বসে বসে শুধু গিলবে!
অজগর, আমি?
আরে হাত-মুখ ধুচ্ছিলাম।
এতদূর গাড়ি চালিয়ে আসলাম!
তাও আবার, বন্দুকের ডগায় থেকে।
মেয়ে চাম্বালের হোক বা পূর্বাঞ্চলের,
যেহেতু বন্দুক হাতে নিয়েছেন, মানে সমস্যায় পড়েছেন।
আপনাদের যতদিন ইচ্ছা থাকুন এখানে,
আমাদের কোনো সমস্যা নেই।
আমি আপনাদের বিছানা প্রস্তুত করে দিয়েছি।
আমরা ছাদে শুয়ে পড়বো।
শোনো।
আমরা কেন ছাদে শোবো?
সেখানে তো অনেক মশা।
আরে, মেহমানদেরকে আপনিই বাসায় এনেছেন না?
তাহলে এখন মেহমানদারিও ঠিকমতো করুন।
আরে চলুন তো, চলুন।
লিপি, আসো বাবু।
বালের মশারীটা আবার কই গেলো?
বীণা।
অনেকদিন যাবৎ পায়ে তেল লাগাও না,
আজ লাগিয়ে দিও।
জবরদস্তি করার প্রয়োজন নেই।
অনেকদিন ধরেই বলতে চাচ্ছি আপনাকে,
অবশেষে আজ সুযোগটা পেলাম।
ঐদিন, আপনি আমাকে যে সুখটা দিয়েছেন...
সেরকম সুখ আমি আগে কখনও পাই নি।
পুরো শরীর একদম রোমাঞ্চিত হয়ে গিয়েছিল।
শরীরটা খুবই দূর্বল লাগছে আজ, বাউজি।
আবার পিরিয়ডও শুরু হতে চলেছে।
ওটা শেষ হয়ে গেলে,
আবার যা ইচ্ছা করিয়েন।
তখন আমারও ইচ্ছা থাকবে।
ভাবলাম...
সিংহের বয়স ভালোই হয়েছে,
কিন্তু এখনও বুড়ো হয় নি!
তেল শেষ হয়ে গেছে, আনতে বলে দিবো নি।
বলুন, কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
আমার নাতনিকে কিছু বখাটে ছেলে জ্বালাতন করে।
থানায় জিডি করতে গেলেও জিডি নেয় নি।
আমি খুবই চিন্তায় আছি।
আরে মা, আপনি কেন হাতজোর করছেন?
আমি আপনার ছেলের মতো, আমারই হাতজোর করা উচিত।
এখনই কিছু-একটা করছি।
অভিযোগটা রায় বারোলি'র।
- ডিএম কে ফোন দাও। - জি।
আর কোনো সমস্যা?
- না। - আচ্ছা।
হ্যালো, ডিএম স্যার? মাননীয় মূখ্যমন্ত্রী আপনার সাথে কথা বলবেন।
হ্যাঁ, কামাথ?
জয় হিন্দ।
মিসেস.--
ফুলকুমারী।
সিভিল লাইন থেকে মিসেস. ফুলকুমারী এসেছেন।
কিছু বখাটে তার নাতনিকে জ্বালাতন করছে।
স্থানীয় পুলিশও না-কি জিডি নিচ্ছে না!
হ্যাঁ, আজই সমস্যার সমাধান করুন। আর শুনুন...
ওখানকার এসএইচও'কেও শায়েস্তা করুন।
হ্যাঁ, জয় হিন্দ।
মা, আর কোনো সমস্যা হলে,
এইযে আমার পিএ, মি. আনন্দজি। তার নম্বর নিয়ে নিন।
ইনাকে আপনি যে কোনো সময় ফোন করতে পারবেন।
প্রণাম।
কতদিন যাবৎ কাজ করো এখানে?
ওদিকে গিয়ে বসুন।
বেতন কত দেয়?
মির্জাপুর এসো।
দ্বিগুণ বেতনের ব্যবস্থা করে দিবো।
আমি মুন্না ভাইয়ের ডান হাত।
ললিত!
মুন্না।
কথা বলতে দাও।
বলো, সমস্যা নেই।
কথা শেষ।
শেষ? তাহলে বসে পড়ো।
ভিতরে যেতে বললেন।
জনগণের সাথে পাব্লিক মিটিং তো করছিই,
সেখানে আসলে না কেন?
ওসব তো সাধারণ মানুষদের জন্য, মাননীয় মূখ্যমন্ত্রী।
আমি বিনা এপয়েন্টমেন্টে কারো সাথে দেখা করাটা পছন্দ করি না, ত্রিপাঠি।
কিন্তু তারপরও আমার সাথে দেখা করছেন।
No comments yet. Be the first to leave one.