Esimesed 200 rida.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
যখন তুমি ১০০ ঘন্টা ধরে শিকলে বাঁধা, মৃত্যু তোমার সামনে,
আর নিজের বেস্ট ফ্রেন্ডকে হারিয়েছ, তখন সেই ১০০ ঘন্টা ১০০ বছরের মতো মনে হয়।
আর বাইরে বের হওয়াটাই…
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্বাধীনতা।
সৈনিকেরা তোমার দিকে বন্দুক তাক করছে কি না তাতে কী যায় আসে?
নিরস্ত্র,
খালি পায়ে,
মুখে পড়া সূর্য এবং চারপাশ ঘেরা নীরবতায়…
তোমার নিজেকে স্বাধীন মনে হয়।
আমরা একটা আশার বার্তা দিচ্ছিলাম।
লিসবন সেখানে আমাদের সাথে ছিল, ব্যাংক থেকে বের হচ্ছিল,
নাকি ন্যাশনাল কোর্ট বা জেল থেকে যেমনটা সবাই ভেবেছিল।
কর্নেল তামায়ো!
সাদা পতাকা!
আমরা ওদের জানান দিচ্ছিলাম যে আমরা যদি ওটা করতে পারি...
তবে আমাদের দ্বারা সব সম্ভব।
আর মানুষ মিরাকেলে বিশ্বাস করা শুরু করে।
এক মিনিটের মধ্যে তোমার টিম রেডি করো, সুয়ারেজ!
আমি ক্লিন অপারেশন চাই!
টপ প্রায়োরিটি হচ্ছে ঐ তিনটা মাগী, তারপর জিম্মিরা।
ওদের এখানে নিয়ে আসো! কীভাবে করবে তা আমি জানি না।
কী বললো শুনেছ তো! সবাই তৈরি হও।
আমরা এমন করতে পারি না, তামায়ো।
ও আমাদের মুখে মুতে দিয়েছে। আমি ওকে শেষ করে দিব, তাতে যাই করা লাগুক।
- ৩০ সেকেন্ড! - ওরা সাদা পতাকা নাড়াচ্ছে।
পিউনিক যুদ্ধের সময় থেকে একে শান্তির প্রতীক ধরা হয়।
নাৎসিরাও এর সম্মান করেছে।
পুরো দুনিয়ার সামনে সেটাকে এড়িয়ে যেতে চাচ্ছ?
আমরা তৈরি!
- আমরা আপনার অর্ডারের অপেক্ষা করছি। - শুনেছি! ভাবতে দাও।
- সমঝোতা করলে, আমাদের মাথামোটা মনে হবে। - না।
লড়াইটা হচ্ছে এই যুদ্ধে কারা ভালো আর কারা খারাপ সেটা দেখানো।
এটা ওদের জন্য সুযোগ হলে, আমাদের জন্যও সুযোগ।
আমরা ওদের সাথে বন্ধুর মতো দেখা করব। টাই ছাড়া।
জ্যাকেট ছাড়া। না শার্টের হাত উপরে তুলে, না বুলেট-প্রুফ জ্যাকেট পরে।
আমাকে গবেট মনে হবে।
তোমাকে সাহসী মনে হবে, তামায়ো। তোমাকে ব্যস মজবুত থাকতে হবে।
তুমি ওদের একটা আলটিমেটাম দিবে। যে দুই মিনিটের মধ্যে, আমরা আক্রমণ করব।
ওদের মধ্যে টেনশন তৈরি করতে হবে। বুঝাতে হবে যে ওদের হোগা মারা শেষ।
তুমি তো আমার ভেতর উৎসাহ জাগিয়ে তুললে।
আমাকে একটা সিকিউরিটি ডিটেইল দাও যাতে আমি গিয়ে ওদের সাথে সমঝোতা করতে পারি।
- যান ধরুন ওদের, কর্নেল! - যান, কর্নেল!
গভর্নর।
এখানে আর্মি কী করছে?
এটা আর বেসামরিক দ্বন্দ্ব নয়।
দুই ব্যাটেলিয়ন, স্ট্রাইক ফোর্স…
ওরা আক্রমণ করবে।
এবার সময় হয়েছে।
এটা ভালো খবর না।
পুলিশের জন্য, আমরা ছিলাম জিম্মি।
আর্মির কাছে, আমরা ব্যস কোলাট্রাল ড্যামেজ।
সিকিউরিটি প্যারামিটার অতিক্রম করছে।
কী বলতে চাচ্ছেন?
ওরা মাস্ক পরা যে কাউকে গুলি করবে।
ওদের প্রায়োরিটি হচ্ছে এদের মারা,
আমাদের বাঁচানো নয়।
তো তিন দেবী বের হয়েছে এই ডাকাতিকে ভালোমানুষির নাম দিতে।
আমরা মাস্ক ছাড়া বাইরে বের হয়েছি যাতে সবাই দেখতে পায়
যে আমি কোনো ন্যাশনাল কোর্টে নেই,
না আমাকে তাবুতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বা জেলে আছি।
- তাহলে তুমি চাও কি? - গান্দিয়া আহত।
তোমাকে কিছু দেখাতে চাই।
তোমার হাত তুলো, সবাই জানে এর মানে কী।
পালের্মো।
দেখি, কাল সাপ।
ঘুর।
ওর সার্ভিকাল ভারটিব্রেতে বোমার অংশ আটকে আছে।
একটা ভুল পদক্ষেপ নিলে ও আর হাত নড়াতে পারবে না...
বা ফুসফুস নষ্ট হয়ে যাবে। একে বলে ফ্রেনিক নার্ভ।
ওর জলদি নিউরোসার্জন দরকার।
চাইলে, আর্মি থেকেই কাউকে পাঠাও। তোমাদের কাছে বেশ কয়েকজন আছে।
আমরা কীসের অপেক্ষা করছি?
চলুন টেন্টের দিকে পালাই। চলুন!
ওরা আমাদের গুলি করবে না। আমরা ব্যাংকে ফেরত যেতে পারব না।
আমাদের ফেরত যেতেই হবে।
বাকি জিম্মিরা এসবের ব্যাপারে কিছুই জানে না।
ওরা এমনিতেও জানতে পারবে। এখান থেকে বের হবার দায়িত্ব নিজেদের।
আমাদেরও কিছু নৈতিক কর্তব্য আছে।
তুমি এখানে হিরো সাজতে এসেছিলে না?
বেশ, তো এবার সময় হয়েছে।
যদি ভেতরে ডাক্তার পাঠাই, তবে আমার ৩ বা ৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে
আর্মি পাঠাতে, যা আমি করব তুমি জানো।
তাই তোমার কাছে থাকা একমাত্র কার্ডটা ব্যবহার করছ। গান্দিয়ার আহত হওয়া।
তোমার একটা লোককে প্যারালাইজড হতে দিবে?
- ওকে ছেড়ে দাও। ওর চিকিৎসা করা হবে। - এতে আমি তো কিছু পাবো না।
পাবে।
কেন পাবে সেটাও বলছি।
ওকে না ছাড়লে, আমি এক্ষুনি আক্রমণ করব।
কিন্তু যদি ছেড়ে দাও, তবে ওর থেকে তথ্য জানবো,
তারজন্য আমাকে হয়তো ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করা লাগতে পারে।
এবার দেখো কী করবে।
আলোচনা করার জন্য এক মিনিট দাও।
অবশ্যই।
মনে হচ্ছে তোর আগে বের হয়ে যাবো, সান্দোকান।
কী করছ, বোগোটা?
এই মূহুর্তে…
আমাদের গান্দিয়াকে ছেড়ে দিতে হবে। আমাদের এই একটা ঘন্টা দরকার।
…শুধু লিসবন সেই ছোট ডিটেইল খেয়াল করে…
লিসবন?
…যাতে খেলার নিয়ম পুরোপুরি বদলে যেত।
ওদের কাছে প্রফেসর নেই।
- কী? - কী?
ও আমাদের আলটিমেটাম দিয়েছে কিন্তু ওর ট্রাম্প কার্ড ব্যবহার করেনি।
যদি এক চালেই বাজিমাত করতে পারো কিন্তু তারপরও চালছ না…
তার মানে তুমি জানো না সেটা কীভাবে চালতে হবে।
একদম।
সিয়েরা একা গেছে।
ঐ পাগলী মালটাকে আমার ভালো লাগা শুরু করেছে।
গান্দিয়াকে তৈরি করো।
এই খানকির পোলাকে কয়েকটা ঘুষি মারতে চাই।
বোগোটা, থামো!
আমি হয়তো শেষ হয়ে যাবো, কিন্তু তোর হোগা মেরেই বিদায় নিব।
বোগোটা, থামো! আমরা ওকে ছেড়ে দিচ্ছি। ওকে মারতে পারি না।
না, এর লাশ যাবে ওদের কাছে।
জলদি কর, মিনিস্টার মেডেল নিয়ে আমার অপেক্ষা করছে।
চুপ কর, চুতিয়া!
ওকে ঘুষি মারলে, সেটা আমাদের মারা হবে।
তোমার সম্মান আমাদের শেষ করবে।
আমরা এমনিতেই শেষ।
এতে কিছুই বদলাবে না। সম্মানটাই শুধু অবশিষ্ট আছে আমাদের।
এটা প্রতিশোধ।
- আর প্রতিশোধ স্বার্থপর আচরণ, তুমি জানো সেটা। - এটা সম্মান।
সম্মান আমাদের জন্য এবং আমাদের মরে যাওয়া সঙ্গীর জন্য।
- ব্যস এটুকুই। - আমি ওর সাথে আছি!
তোমাদের কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে?
লিসবন ওকে ছেড়ে দিতে চেয়েছে। যাতে আমরা একটু সময় পাই।
আমি লিসবনকে জানি না, কিন্তু নাইরোবিকে জানতাম।
ওরা আমাদের শেষ করে দেওয়ার আগেই আমরা এই চোদনাকে ভোগে পাঠাবো।
ওহ, তো এখন ওকে মেরে ফেলবে?
তুমি এখন পিছন থেকে বলছ, "ওকে মেরে ফেলো",
কিন্তু সুযোগ থাকতে সেটা কাজে লাগাতে পারোনি!
তোমার হোগায় দম ছিল না। তুমি ব্যস দাঁড়িয়ে কাঁপছিলে।
তো বোকাচোদামি বন্ধ করো!
তোরাও কি নিজেদের মধ্যেই লড়াই করবি?
আচ্ছা, এখন আমাকে দোষ দিচ্ছ?
দোষ দিতে হলে ওকে দাও। ও টেনেছিল ট্রিগারটা।
এই খানকির পোলা ছিল মূল হোতা।
তো আমার দিকে আঙুল তুলা বন্ধ করো, ঠিক আছে?
ফরেন্সিকে তোদের বন্ধুর জন্য ফুল নিয়ে যাবো নাকি বল?
লাশ হয়তো এখনও গরম আছে।
আর টাইটও।
স্টকহোম মরে গেলে কী করতে? আর্তুরো তোমাকে খেপানোর সময় ওকে মেরেছিলে।
এই মাদারচোদ আমাদের একজনকে খুন করেছে।
তো তুমি করলে কিছু না কিন্তু আমরা করলেই সমস্যা?
যা ইচ্ছা করো গা।
এটা কি তোমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ?
ভাই…
আমাদের এটা করা জরুরি যাতে একে অপরের চোখে চোখ রাখতে পারি।
ও এখন তোমার।
মেয়েরা ফেরার আগেই বিরতিটা উপভোগ করা যাক।
- চলো যাই। - ঠিক আছে।
আমরা গান্দিয়াকে ছেড়ে দিব।
কিন্তু তার আগে, আমার প্রফেসরের সাথে কথা বলা লাগবে।
যার সাথে কথা বলতে চাও বলো।
তোমার কাছে চার মিনিট আছে।
আমাদের কী করা উচিত বলে আপনার মনে হয়?
পালানোর প্রস্তুতি।
১০, ১৫ বা ২০ জন জিম্মিকে সাথে নিয়ে।
তো রাজি?
ওদের কোনো নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।
- ভেতরে কোনো নিরাপদ জায়গা নেই। - অবশ্যই আছে।
চলো, চলো…
ভেতরের চারটা ভল্টই নিরাপদ কারণ ওগুলো শুধু আমার ফিঙ্গারপ্রিন্টেই খুলে।
মার আমাকে।
মার।
মার বলছি!
- জানিস তোকে কেন মেরে ফেলব? - কারণ আমি তোর গার্লফ্রেন্ডের পাছায় হাত দিয়েছিলাম।
না…
কারণ তুই একটা বানচোত।
যখন কেউ দেশের রক্ষার্থে অস্ত্র হাতে তুলে,
তখন তোর মতো চুতিয়ারা তাদের বানচোত বলে ডাকতে প্রস্তুত থাকে।
দরজা খুলো!
কারণ তুই ওকে "দোআঁশলা" বলেছিলি।
"যাযাবর" বলেছিলি।
কী হচ্ছে?
দরজা বন্ধ করো! সবাই লাইনে দাঁড়াও!
পিছনে যা! এক্ষুনি!
- পিছনে যেতে বলেছি! - "রাস্তার মেয়ে" বলেছিলি।
- দেয়ালের কাছে যাও! হাত উপরে! - থামো!
পালের্মোকে "এক চোখে অন্ধ" বলার জন্য...
এক্ষুনি!
- ওদের লড়তে দাও! - থামাও এসব!
…আর "কলঙ্ক" বলার জন্য।
- কী করছ? - শালা রেসিস্ট!
আমরা এদিকে প্ল্যান বাঁচানোর চেষ্টা করছি আর তোমরা মারামারি করছ?
শালা সেক্সিস্ট!
- ওদের থামাও! - না!
তুই একটা হোমোফবিক!
আর এটা নাইরোবির জন্য।
বোগাটা।
বোগাটা।
- ও নাইরোবিকে মেরে ফেলেছে। - পুলিশের কাছে প্রফেসর নেই।
নাইরোবিও এটা চাইতো না।
তামায়ো প্রফেসরের ব্যাপারে কিচ্ছু জানে না। এখনও বাজিমাত হয়নি।
আমাদের কাছে একটা সুযোগ আছে।
- ও নাইরোবিকে মেরে ফেলেছে। - ওকে ছেড়ে দাও।
ওকে ছেড়ে দাও।
এখনও আমাকে দেখে তোর সুড়সুড়ি জাগছে?
টোকিও…
No comments yet. Be the first to leave one.