Esimesed 200 rida.
বাবা।
দেখতে দাও।
বের হও!
ধ্যাত।
তারা এখানে নেই।
তুমি কে?
এখানে আসলে কীভাবে?
শব্দ শুনেছি।
ভেবেছিলাম, তারা এখানে।
সামনে থেকে সরো।
কোথায় থেকে এসেছ? ওখানকার সব ঠিক আছে?
সবখানে সবকিছু ঠিক আছে।
স্কুলটা স্বর্গ।
-পরে। -কোথায় যাচ্ছ?
বাইরে গেলে তুমি মরবে।
বাইরে যেও না! যা বলি করো।
তোমার খিদে পায় নি?
কী?
তোমার কী
খিদে পায় নি?
আমার খিদে পেয়েছে।
আমার পেট ভরা।
এজন্য বেঁচে গেলে।
নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করো।
ঐ গন্ধটা কীসের?
তোমার শরীরে তাদের গন্ধ কেন?
কী? তাদের গন্ধ কেন?
আমাকে ছাড়।
তুমি চেওং সানের সাথে ছিলে?
ওটা কে?
-ঐ চোদনাটা কোথায়? -কী বলছো?
জানতে চাও?
ঠিক আছ?
আঘাত পেয়েছ?
এতক্ষণ লাগল কেন?
আমি অপেক্ষা করেছি।
তোমরা ঠিক আছ?
হ্যা।
ভাল।
চেওং সান।
মি. নাম।
সকলে দৌঁড়াতে পারবে?
-হ্যা। -হ্যা।
ভাল।
টেনিস কোর্ট এবং নির্মানাধীন ভবন পার হতে পারলেই,
পাহাড়ে পৌঁছাতে পারবে।
পাহাড়ে গিয়ে ইয়াংডংয়ের কাছে--
মি. নাম!
বাচ্চারা দৌঁড়াও!
ধ্যাত।
ব্যায়ামাগার
দ্রুত!
দ্রুত দৌঁড়াও!
টেনিস কোর্টে!
দ্রুত করো!
দৌঁড়াও, ভেতরে যাও!
ভেতরে যাও।
ঢোকো!
দৌঁড়াও!
হেই, দাঁড়াও।
আমরা বাইরে যেতে পারব না।
আমরা কী করব, ডে-সু?
ধ্যাত।
আমরা কী করব?
আমরা শেষ।
হেই!
পিছু হটো।
চলো।
দ্রুত করো।
দ্রুত করো।
চেওং সান, ওন-জোকে নিয়ে যাও।
বাবা, কোথায় যাচ্ছ?
বাবা!
বাবা!
বাবা!
বাবা!
বাবা!
দৌঁড়াও!
এখনি বের হও!
যাও!
মি. নাম!
যাও, বের হও!
বাবা।
বাবা।
আমার দিকে তাকাও, ওন-জো।
যাও।
দৌঁড়াও।
-যাও! -বাবা।
যাও!
যাও!
ওন-জো! যাও…
দৌঁড়াও।
বাবা…
ওন-জো!
দৌঁড়াও!
বাবা!
নির্মানাধীন ভবনের নোটিশ
দ্রুত!
না!
কী? কেন?
উপর তলায় যাও!
দ্রুত! দ্বিতীয় তলায় যাও!
দ্রুত!
আমরা কোথায় যাব?
বের হবার পথ নেই। সব বন্ধ।
-এখানেও কিছু নেই। -এই দিকে!
-ওখানে কোন পথ আছে? -এই দিক দিয়ে যাওয়া যাক।
ব্রেঞ্চটা।
দ্রুত করো।
ধ্যাত।
সাবধানে।
কিনারা থেকে দূরে থাকো।
ওকে।
-এদিকে আসো। -চুপ করো।
শব্দ করো না।
ওন-জো! যাও!
বাবা!
সমস্যা নেই।
কাঁদো।
মরলেই ভাল হয়।
এই ভাইরাস মানুষকে অন্য কিছুতে পরিণত করে।
যাকে আমি ভালবাসতাম
সে দানব হয়ে গেছে।
যারা মারা যায়, তাদেরকে ভোলা যায়…
যারা বদলে যায়, তাদেরকে ভোলা যায় না।
যাদেরকে আমি সবচেয়ে বেশি ভালবাসতাম…
ওটা তাদের শেষ ছবি।
এখন মনে পড়েছে?
চেওং সান নামের কাউকে আমি চিনি না।
সকলে হলে যায় এবং বের হয়
একা একাই।
হলে?
চেওং সানকে আমি চিনি না।
আমরা কেবল কিছু জুনিয়রে সাথে গিয়েছিলাম।
তাহলে তারা এখন হলেই আছে।
তুমি অনেক সাহসী।
এখনই পালাও।
নয়তো তোমাকে খাব।
তোমাকে পালাতে বলেছিলাম, কথা শুনলে না কেন?
বাল। কাজ হচ্ছে না।
সব পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
চুপ থাক।
জুন ইয়ং তোমার ভুলের জন্য মরেছে।
ডে-সু। থামো।
যদি তুমি কথাটা না বলে দিতে, তাহলে সে লাফ দিতো না।
আচ্ছা, তার মৃত্যুর জন্য আমি দায়ী, খুশি?
-এখন তুমি খুশি? -তুমি বাদ দাও।
ডে-সু।
কার মৃত্যুর জন্য কে দায়ী, তাতে কী আসে-যায়?
মরা-বাঁচাতে কী আসে যায়?
আমার কোন ধারণা নেই।
যদি এখান থেকে বের হতে পারি, সেটাকে বাঁচা বলব?
আমাদের বন্ধুরা মৃত।
আমাদের পিতা-মাতা মরেছে।
বেঁচে থেকে লাভ কী?
তুমি মরতে চাও?
তাহলে তুমি মরবে?
সিনিয়র সাজতে গিয়ে ক্লান্ত নও?
মরতে চাওয়ার কষ্টটা জানো?
এটা কী সন্মানজনক?
চেষ্টা করে দেখো। বুঝতে পারবে।
তোমরা জুনিয়ররা
পরের বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকো, তখন বুঝবে সিনিয়রের মজা কেমন!
পরের বছর আমাকে জানাবে কোনটা কঠিন? সিনিয়র নাকি জম্বি হওয়া?
তোমার বাবা…
আমাদের সকলকে বাঁচিয়েছে।
যতদিন বাঁচব সেটা ভুলব না।
আমাদের কেউই ভুলবে না।
যদি বহু লোকে কাউকে মনে রাখে, তার মানে…
সে স্বর্গে যাবে।
মি-জিন।
চলো।
কোথায়? কেন?
এখান থেকে লাফ দেবার জায়গা খুঁজতে হবে। আমরাই তো সিনিয়র।
তারা তো আমাদেরকে সন্মানই করে না।
আমি এদিকে যাব, তুমি ওদিকে যাও।
ধ্যাত, সে এত চরম কেন!
আমিও যাব।
বসে থাক।
না।
তুমি কেন…
সরো।
ধ্যাত।
আশা করি কেউ যেন আর না এগোয়।
যা-ই ঘটুক না কেন…
আশা করি কেউ আর নিজেকে উৎসর্গ করবে না।
অন্যের জন্য বেঁচে থাকাটা কষ্টের।
তাদের জন্য কিছুই করার থাকে না।
যারা মারা গিয়ে এতটা সন্মানিত হয়, তারা আসলেই…
স্বার্থপর।
তুমি চাইলেও মরতে পার না।
যদি বাঁচার সাহস হারাও, তবুও মরবে না।
চলো…
পরে একটু কথা বলা যাক।
আগামীকাল অথবা পরশু কিংবা পরের সপ্তাহে।
আমরা পরিস্কার হয়ে খাবার পর।
কথাটা তো এমনই ছিল।
এই পাশটা।
কী?
তোমার হয়তো মনে নেই।
No comments yet. Be the first to leave one.