Parasyte -the maxim-

Parasyte -the maxim- (寄生獣 セイの格率)

Laadige alla Bengali subtiiter

Väljalaske info

বাংলা সাবটাইটেল - Parasyte- [এপিসোড ২৩]
Kommenteerib Anime_Freaks
🔴অনুবাদকঃ জিতু বিশ্বাস, মোঃ জোবায়ের, আকাশ বসাক🔵

Sildid

other
Avaldatud: 2021-07-14
Allalaadimised: 49
Kuulmispuudega: No

Bengali subtiitrite eelvaade

Esimesed 163 rida.

এই ঘন আঁধারের মধ্যে,

কোনোভাবেই গোতোর নিশ্বাসের শব্দ শুনে খুঁজে বের করতে পারবো না।

আমার জেতার কোনো সুযোগই নেই।

অদ্ভুত বিষয় হলো, আমার সমস্ত আবেগ...

বেঁচে থাকার ইচ্ছাশক্তি, মৃত্যু ভয়, ক্রোধ আর বিষাদ...

সবকিছু অসাড় হয়ে পড়েছে।

তাও আমি সোজা সেদিকে অগ্রসর হচ্ছি,

যেন কিছু একটা আমাকে চালনা করছে।

এই মূহুর্তে, সাহস আমাকে প্রেরণা জোগাচ্ছে না,

আর না কর্তব্যবোধের কোনো অনুভূতি আমাকে মানবজাতির নায়করূপে লড়ার জন্য আদেশ দিচ্ছে।

বিষয় হলো কাল,

যে দানবকে নিজের সাথে এনেছিলাম

সে আরও প্রাণহানি ঘটাতে পারে।

এবার আমার পালা।

আমার দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারা মোটেও ঠিক ছিল না।

এটার ইতি টানা উচিত,

এর মানে যতই নিশ্চিত মৃত্যুও হোক না কেন।

আমার আর কিচ্ছু যায় আসে না।

আমি পরিশ্রান্ত।

মনে হয় আমি বাস্তবতাকে মানতে চাইছি না,

কিন্তু নিজেকে এত আশাবাদী কেন মনে হচ্ছে?

এটাও আমার জানা নেই।

শুধু মনে হচ্ছে যেন আমি গেলে সবকিছু ঠিক হয়ে যেতে পারে।

জানি এটা এভাবে কখনোই ঠিক হবে না, তবে...

কী অদ্ভুত এক অনুভূতি।

আমার ইন্দ্রিয়গুলো বেশ তীক্ষ্ণ।

আর তারপর, তাকে খুঁজে পেলাম।

পরিবেশনায়: ANIME FREAKS

ভাবানুবাদে: জিতু বিশ্বাস মোঃ জোবায়ের হাসান আকাশ বসাক

সম্পাদনায়: আকাশ বসাক

ও ঘুমাচ্ছে?

মনে হচ্ছে ওরাও ঘুমাতো।

মিগিও প্রায়শই ঘুমায়।

ঠিক।

নিদ্রাবস্থাতেই ওর ওপর আক্রমণ করা উচিত ছিল।

কারণ আমি পরজীবি নই...

কারণ মিগি চলে গেছে, তাই নজর এড়িয়ে ওর এত কাছে আসতে পারছি।

হয়তো সেজন্যই আমার মনে হচ্ছিল সবকিছু কোনোভাবে ঠিক হয়ে যাবে।

না, আরেকটা কারণ আছে।

মিগি...

ওর শরীরে তোমার জীবিত থাকার কোনো সম্ভবনা আছে?

তোমাকে ডাকলে, তুমি সাড়া দেবে?

মিগি!

অসম্ভব!

জানি এটাও বিশ্বাস করা কঠিন।

ধ্যাত!

এতে লাভ হলো না!

কোথায় তুই?!

সামনে আয়!

নিছক এক মানুষ হয়েও আমাকে চ্যালেঞ্জ করার দুঃসাহস দেখাচ্ছিস?

ঠিক ধরেছিস...

হ্যাঁ, আমি তোর সাথে লড়বো!

জানি আমি জিততে পারবো না,

তবে অন্তত কিছুটা ক্ষত হলেও দিতে পারবো।

ওর রক্তবন্যা বইয়ে দেবো!

শক্তি বা গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলে জিততে না পারলেও, আমার কাছে তীক্ষ্ণ ইন্দ্রিয় শক্তি আছে।

ওর সাথে লড়তে পারবো!

যতক্ষণ আমার কাছে প্ল্যান থাকবে, লড়াই চালিয়ে যেতে পারবো!

কী করি?

ওর ওপর কীভাবে আঘাত হানবো?

কোনো উপায় বলো, মিগি!

যতটা সম্ভব, বিভিন্ন জিনিস আর আইডিয়ার ব্যাপারে ভাবো।

যাই হয়ে যাক না কেন, হার মানবে না,

আর নমনীয় হও।

ঠিক।

হার মেনো না!

ভাবো!

ওর মাথার পেছনে...

হ্যাঁ! সারা শরীরকে নিয়ন্ত্রিত করার সময়,

ওটাই ওর দুর্বল জায়গা হবে।

যদি জিততেও না পারি, ওকে আঘাত দিতে পারবো।

যতটা সম্ভব গভীর ক্ষত দিতে হবে...

গভীর?

গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো ওর ধড়ে বন্দী রয়েছে।

যদি পাশ থেকে হামলা করি জানি না ওর বর্মের ফাটল কোথায় থাকবে,

তবে নিম্নমুখীভাবে আঘাত করলে,

ওর পরিপাক নালীটি গলা থেকে ধড় অব্ধি একটা ছিদ্র গঠন করবে।

আমার সমস্ত ভার এই হাতিয়ারের ওপর ন্যাস্ত করে আঘাত করলে...

আক্রমণের কোণ খুবই জরুরি।

এবার!

ক্লিভারটা এখনো সেখানে আটকে আছে!?

ওটা বাঁধার সৃষ্টি করছে!

পিচ্চি...

গতবার, তুই লেজ হারানো টিকটিকির মতো পালিয়ে গিয়েছিলিস।

আমাদের সেই অসমাপ্ত লড়াইয়ের সূচনা করতে চাইছিস?

নিছক একজন একলা মানুষ হয়ে কী'ই বা করতে পারবি বলে ভেবেছিস?

দানব...

মানুষের রূপের থেকে এই রূপটাই তোকে বেশি ভালো মানায়!

মানুষের রূপে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই আমার।

বাতাস পরিষ্কার আর জায়গাটা ভালো লাগার জন্য, এখানে কিছুক্ষণ থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম,

কিন্তু বড্ড বোর হচ্ছিলাম।

আমি লড়ার জন্য প্রস্তুত,

কিন্তু তুই'ই যেহেতু একমাত্র প্রতিপক্ষ...

মিগি!

ওই, মিগি!

শুনতে পাচ্ছো?!

তোর ডানহাতের কথা বলছিস?

বলতে খারাপ লাগছে, তবে কেবল আমিই রয়েছি।

শালা!

মিগি...

মিগিকে মারার সাহস কী করে হলো তোর?!

তোর লড়াইয়ের ধরণটা মোটেও বুঝতে পারছি না।

উদাহরণ হিসাবে, এই ছোট্ট খেলনাটা।

মানুষের লড়াই আমি দেখেছি, তবে...

সেটা...

এটা কোন জায়গা?!

সেদিনের সেই আবর্জনার স্তূপটা না?

এখানে আমি মরতে চলেছি?

খুবই হতাশাজনক।

এটাকে তো লড়াইও বলা যায় না।

আমার সৃষ্টিকর্তা, তামুরা রেইকোর সাথে লড়তে পারলে খুব মজা আসতো।

তবে মনে হচ্ছে সে মারা গেছে।

এই ব্যাপারে কিছু জানিস?

ত-তামুরা রেইকো?

পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বানানোর ফলে ও আমাদের মতো দুর্বল,

তবে অপরাজেয়।

দুর্বল?

অপরাজেয় হয়ে থাকলে ও দুর্বল কীভাবে হতে পারে?

বেশ, তাতে কোনো যায় আসে না।

মরে এই আবর্জনার সাথে মিলিয়ে যা।

যতটা পারো ভাবো...

ভাবার সময় নেই!

হার মেনো না...

মাত্র কয়েক সেকেন্ডই রয়েছে, যদি কোনো!

আমি মরতে চলেছি!

কোনো ব্যাপার নয়।

আমার অনেক আগেই মরা উচিত ছিল...

অনেক আগেই...

এটা পরে কখনো খতম করবো,

এখানে বড্ড ভিড়ভাট্টা রয়েছে।

আর আমি আজ বেশ ক্লান্ত।

আমরা হারতে পারি না।

ঐ রক্ত...

ওটা কী ছিল?

ওটা কি তার বর্মের ছেদ?

এটা দিয়ে ওখানে ঢোকানোর চেষ্টা করব?

না।

এরকম একটা লাঠি দিয়ে হবে না।

আমি কি কখনো গোতোর মত দ্রুত দৌড়াতে পারব?

আমি উঠে দাঁড়াতে গেলেই, গোতো আমাকে আক্রমণ করবে, টুকরো টুকরো করে ফেলবে।

আমার কাছে কোনো সুযোগই নেই!

কিন্তু চেষ্টা না করলে,

কোনো সুযোগই থাকবে না।

ঢুকেছে!

পেরেছি!

বজ্জাত মানুষ...

এর মূল্য তোকে দিতে হবে!

সে এসে গেছে!

কিন্তু আমি আর পারব না...

তার থেকে আর পালাতে পারব না।

তবে যেটুকু করেছি ভালোই করেছি।

হয়ত বেশি গুরুতর ক্ষত হয়নি,

কিন্তু একটা আঘাত তো অন্তত করতে পেরেছি।

আমার বর্মের ছেদের কথা কীভাবে জানলি?

আমি আগেও ওখানে রক্ত দেখেছি!

তো এটুকুই জানিস?

কিন্তু শুধু ওটার উপর সবকিছু বাজি রেখে...

ভালো। তোর চেষ্টার প্রশংসা করতে হবে।

কিন্তু এক সামান্য মানুষ আমাকে জখম করল এটা আমার মোটেই সহ্য হচ্ছে না!

মর!

মনে হচ্ছে এটাই শেষ।

কে? মিগি?

বাঁধা দিও না! আমরা এ নিয়ে পরে কথা বলব!

Kommentaarid

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left