Esimesed 200 rida.
মুভি প্রেমী হলে ঘুরে আসতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপ Worldwide Blockbuster Movie Freak
উৎসর্গ আমাদের প্রিয় বড়ভাই হাসান শুভ (mr. X) কে। বড়দার কাছে আমরা চির কৃতজ্ঞ থাকবো ।
আয়োজনে
আয়োজনে F
আয়োজনে MF
আয়োজনে BMF
আয়োজনে WBMF
আয়োজনে M WBMF
আয়োজনে AM WBMF
আয়োজনে EAM WBMF
আয়োজনে TEAM WBMF
অনুবাদে আছেন
অনুবাদে আছেন মুসাফির মেহদী
অনুবাদে আছেন মুসাফির মেহদী তানজীদ ইসলাম
অনুবাদে আছেন মুসাফির মেহদী তানজীদ ইসলাম নুরুল্লাহ মাশহুর
অনুবাদে আছেন ... তানজীদ ইসলাম নুরুল্লাহ মাশহুর কে এন হাসান
অনুবাদে আছেন ... নুরুল্লাহ মাশহুর কে এন হাসান শেখ রাসেল
অনুবাদে আছেন ... কে এন হাসান শেখ রাসেল সোহেল রানা
অনুবাদে আছেন ... শেখ রাসেল সোহেল রানা শাহিনুল ইসলাম পিয়াস
অনুবাদে আছেন ... সোহেল রানা শাহিনুল ইসলাম পিয়াস নিয়ামুল হক আবেগ
অনুবাদে আছেন ... শাহিনুল ইসলাম পিয়াস নিয়ামুল হক আবেগ
সম্পাদনায় নিয়ামুল হক আবেগ
সম্পাদনায় নিয়ামুল হক আবেগ নুরুল্লাহ মাশহুর
এখন উপভোগ করুন মালায়ালাম মুভি জুন আমাদের বাংলা সাবের সাথে।
রোসো! রোসো! রোসো! আমি দিচ্ছি তো!
ভাই, একটা...
একটা গ্রীন বিয়ার।
একটু সরে দাঁড়াবেন?
ভাই,
ভাইজান..
একটা গ্রীন বিয়ার!
মজা করতে আসছেন না? নাকি সাথে মারও খেতে চান?
আরে ভাই, কেয়ামত হয়ে যাচ্ছে না তো! শুধু এ বছরটাই শেষ হয়ে যাচ্ছে! -ভাইজান একটা গ্রিন বিয়ার।
হেই, চুলওয়ালা ভাইজান, একটা গ্রীন বিয়ার।
মদ খাবার আগেই মাতাল হয়ে গেছেন নাকি?
জ্বী ম্যা'ম... - এই গানটা চেঞ্জ করা যাবে?
গ্রীন বিয়ার
ভাইজান...
ভাইজান...
ভাইজান...
একটা গ্রীন বিয়ার।
একটা গ্রীন বিয়াআআআআআর।
ভাইজান, একটা গ্রীন বিয়ার।
ভাইজান, একটা গ্রীন বিয়ার।
কী?
গ্রীন বিয়ার।
আমার কাছে লাল সবুজ দুটোই আছে, তোমার কোনটা লাগবে, মামণি?
সবুজটা হলেই চলবে। ধন্যবাদ।
ব্যাপার কী, মামণি?
দেখো..
এটা চোখে পড়েনি? স্বাস্থ্যের জন্য হানিকারক!
নতুন বছরের এই সন্ধ্যাটাকে এভাবে নষ্ট করবে কেনো?
এই ভারকাল ক্লিফে মজা করার জন্য হাজারো জিনিস আছে।
নাচ-গান! সিঙ্গারিমেলাম আরো কত কী!
-ভাই, আমার সাথে একটা সেলফি তুলবে? -কী?
-একটা সেলফি তুলবে? -হ্যাঁ।
তোমার বন্ধুদের সাথে ডাকবে?
তারা আসবে না।
প্লিজ ডাকো তাদের।
ওরা আসবে না।
প্লিজ!
হেই!
হাতখানা তোমার, কাঁধে রাখো আমার।
সে আমাকে বলেছে।
একটু উপরে তুলতে পারবেন?
হ্যাঁ হয়েছে।
অনেক তোলা হয়েছে! এখন আমার ফোন দিয়ে হবে কেমন?
তোরা এখন যেতে পারিস।
যা.. যা...যা...
হেই! দেখো... সিঙ্গারিমেলাম!
স্যার, এরপর কী করতে হবে?
-ওদিকে সোজা একটা নালা গেছে না? -হ্যাঁ হ্যাঁ।
-ওটা কেটে নারিকেল গাছের দিকে যাবার ব্যবস্থা করে দাও। -আচ্ছা, যাচ্ছি।
আচ্ছা!
খোলা চুলে দেখি আমাকে পুরা প্রীতি জিনতা লাগে!
সাথে একটা ক্লিপ লাগিয়ে নিই।
আহ, কত সুন্দর পা!
স্কার্টটা এতো লম্বা কেন?
মায়ের অসহ্য সেলাই!
একটু উপরে তুলে নিলে কেমন হয়!
আহ! বীটরুট!!
উহ!আবার এই বিরক্তকর ব্রেস!
নামিয়ে মোজা, দেখাবো আমার...
সুন্দর পা...
বাই সুরেশ।
বাবা...
আমাকে দেখতে কেমন লাগছে?
দারুণ, তাইনা?
মা দেখেছে?
ভালোই তো লাগছে!
মা আসার আগেই, চলো না যাই।
আব্বু, চলো না যাই।
হায় ঈশ্বর! কিরে, তুই এমন বেশে কেন?
চলে এসেছে!
হায় ঈশ্বর! দেখো মেয়ের পা!
হুম, আমাদের মেয়ে তো দুটো পা নিয়েই জন্মেছে।
এটা ধর, ধর এটা।
ধর!
কী অদ্ভুত চেহারা!
স্কার্ট নিচে নামা।
মোজা ওপরে উঠা! -গরম লাগে তো!
চুলের কী বাহার দেখো!!
যাওয়া যাক?
হ্যাঁ, চলো!
মামণি,
দেখো, এই সময়টা তোমার জীবনের একটা টার্নিং পয়েন্ট।
আমার কথা শুনছো তো নাকি? -হ্যাঁ, শুনছি, তুমি বলতে থাকো!
এই দুই বছরের উপর তোমার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
এখন যদি কঠোর শ্রম দাও,
বাকি জীবনটা আরামে কাটিয়ে দিতে পারবে।
কলেজ জীবনটা এমনিতে খুব মজার!
আব্বু তুমি কি কলেজে গিয়েছো যে জানো...
তোমার এই পাল্টা জবাব দিতে থাকো।
যদি ভাল মার্কসের সাথে এ+ না আনতে পারো ...
এসএসসির বেলায়ও কি একই কথা বলোনি?
সেটাও (তোমার জীবনের) একটা টার্নিং পয়েন্ট ছিলো, আর এখন এটা আরেকটা টার্নিং পয়েন্ট!
বুঝেছিস?
বাবা, বাই...
ভাভে,
আয়
আমার মেয়েটা কত্ত সুন্দর!
মা যা বলেছে তাতে মনে কিছু নিস না।
মাস তিনেক পরেই ব্রেস সরিয়ে দিবো কেমন?
তখন আমার বাবুটাকে কেমন লাগবে!
আমার প্রেয়সী রাজকুমারী! -হুহ! যাও তো!
বিকেলে তোমার আসতে হবে না, আমি নিজে চলে আসতে পারবো। বাই...
কমার্সের ক্লাসটা কোথায়?
একাদশ নাকি দ্বাদশ? একাদশ!
আমিও একাদশ, আমার সাথে এসো।
আমি তোদেরকে বলেছিলাম আসার জন্য, এজন্যই তোরা এসেছিস আজকে।
এটার কৃতিত্ব নিজে নিতে যাসনা, বুঝেছিস?
জেটি পৌছে গেছে! জেটি পৌছে গেছে!
যাও, যাও। গাড়ি আগে বাড়াও!
গাড়ি ছেড়ে দাও!
দোস্ত, এই হ্যান্ডসাম ছেলেটা কে রে?
ভয় পাসনে দোস্ত, এই ছেলে তোর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আসবে না।
তুই কি সত্যি বলছিস নাকি আমার সাথে মজা নিচ্ছিস?
বাইরের দিকে সরে যা। যা, সরে বস!
তুই না বলেছিলি, স্কার্ট উপরে তুলে পরবি? পা বের করে রাখবি। তো করলি না যে?
আমি স্কার্ট হাঁটুর উপর তুলেই পরেছিলাম,
সেই রকম লাগছিলো,
মা এসে পুরো ঘেঁটে দিয়েছে।
একদম প্রীতি জিনতার মত করে চুল আঁচড়েছিলাম।
সেটাও মা নষ্ট করে দিয়েছে।
নতুন কাউকে আমি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছি না।
-হাই -হাই
আমি শ্রী লাক্সমি।
-আমি আভিরামি। -কোথা থেকে এসেছো এখানে?
-ব্যাঙ্গালোর। -ব্যাঙ্গালোর থেকে?
মুটকি আবার শুরু করেছে।
যাকে পায় তার সাথেই বকবক শুরু করে।
তোমার চুল এরকম কেন? বড় হয় না?
-না। আমার ছোট চুলই পছন্দ। -ও, আচ্ছা।
-যাইহোক, ভালোই! -ধন্যবাদ।
-কুচ কুচ হোতা হ্যায় সিনেমায় কাজলের মতো। -নতুন কোনো সুন্দরী কি আসবেনা?
সেই কুন্জি,
সেই জুন,
মুটকি শ্রীলক্ষ্মী। নতুন একটা আসছে, তাও আবার টাক্কু!
ঠিকই বলেছিস।
আমাদের সাইন্স নেওয়া উচিত ছিলো। সেখানে দু-একজন হলেও সুন্দরী জুটতো।
এমন যে নয়, আমরা চেষ্টা করিনি। কিন্তু চান্স পাই নি।
সরে বস!
কাজ নাই কোন ওদের!
হাই
অর্কুট সম্বন্ধে জানিস না?
-কি পোড়া কপাল আমাদের!! -কী পোড়া?
একটা নতুন হ্যান্ডসাম ছেলেও আসলনা, এ ক্লাসে!
সেই 'আসুরা' গ্যাং, বানরের দল!
একটা তো এসেছে!
-কে? -কোনটা রে?
জুনের সাথে আসলো যে ছেলেটা, ছেলেটা হ্যান্ডসাম না?
ওরে দিয়ে কাজ হবে না, ও খ্রিষ্টান।
তোর এতে খুশি হয়ে কাজ নেই।
-শোন না। -হুম।
আমি সবসময় ভাবি,
আমার জন্য হ্যারি পটারের মত একটা হ্যান্ডসাম ছেলে আসবে।
যে খুব কিউট আর সুন্দর হবে।
হালকা কোকড়া চুল এসে চশমার উপরে পড়বে!
ইস, যদি আসতো এমন একটা ছেলে!
আরে, আছে তো একটা।
ঠিক এরকম একজন আছেই তো।
-কোনটা রে? -কোনটা রে?
পেছন দিক থেকে দ্বিতীয় বেঞ্চের তৃতীয় ছেলেটা।
একজন একজন করে দেখ, একসাথে দু'জন দেখিসনা।
আরে! প্রথম দিনই এসে গাধার মত ঘুমাসনে।
কী, হ্যারি পটারের মত দেখতে না ছেলেটা?
সে বা** হ্যারি পটার।
কী পছন্দ তোর, ছ্যা!
-আসলেই বিরক্তিকর সব! -আমাদের শ্রেণি শিক্ষক কে হবে রে?
তাকা, তাকা! দেখেছিস একে আগে?
এই ব্রণওয়ালী? এই ব্রণওয়ালী না সেইন্ট তেরেসায় পড়তো?
তোর তো সিরিয়াস রিলেশনশিপে আগ্রহ নেই, তাইনা?
-হু, নেই তো। -টাইম পাস দরকার না তোর?
-হুম, দরকার। -এই মেয়ে কিন্তু টাইম পাসের জন্য সেইরকম উপযুক্ত।
-হাই, তোমার নাম কি? আমি অভিরামি। -আমি অ্যান মেরি।
কেন, সবারই তো ব্রণ ওঠে, তাই না?
আরে গাধা, এই বয়সে ব্রণ হয়..
...কিছু হরমোনের কারণে। এ মেয়ে নিশ্চিত তোর প্রেমে পড়বে।
তাই না রে, অর্জুন?
এই জুন, আরে..
No comments yet. Be the first to leave one.