Esimesed 200 rida.
[ভুলত্রুটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং, সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে রেটিং ও ভালো-মন্দ ফিডব্যাক কাম্য]।
এখানে যা ঘটছে তা দেখে আমি সত্যিই ভয় পাচ্ছি।
আমি যা আশা করেছিলাম তা হয়নি।
তারা আমাকে শান্তিতে থাকতে দেবে না।
আমার কষ্ট কার সাথে শেয়ার করবো বুঝতে পারছি না।
হেই, ফাদারের ঘর থেকে পাঁচ হাজার টাকা হারিয়ে গেছে।
তদন্তের জন্য তারা ওয়াচ-ম্যানকে আটক করেছে।
তারা সন্দেহ করছে যে সে চুরি করেছে।
••TRANSLATED BY•• SAJIM RAJ SAKIB BHUIYAN
••EDITED BY•• SAJIM RAJ
- হেই। - হুম।
তুই কি দিপার বোনের বয়ফ্রেন্ডকে দেখেছিস?
সে বয়ফ্রেন্ড না বড় ভাই।
সে আমাদের থেকে সাত বছরের বড়।
আমি সত্যিই তাকে পছন্দ করি।
তার ফোন নম্বর পাওয়া কি সম্ভব?
তার কাছে ফোন নেই।
হাই, আমার নাম, আশোক।
আমি অবিনাশের সাথে দেখা করতে এসেছি সে আপনার অ্যাপার্টমেন্টের বিপরীতে থাকে,
মনে হচ্ছে সে বাড়িতে নেই।
সে ফিরে আসা পর্যন্ত আমি কি আপনার এখানে অপেক্ষা করতে পারি?
যদি কিছু মনে না করেন?
- হ্যাঁ, অবশ্যই, আসুন। - ধন্যবাদ।
২১শে ডিসেম্বর তাদের মধ্যে যে দূরত্ব হয়েছিল...
এটি প্রবনতা হিসাবে অপসৃত থাকবে।
আপনি যদি এটিকে সেই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন ...
যদি কিছু মনে না করেন।
আমি তৃষ্ণার্ত। একটু পানি পেতে পারি?
হেই, দেখো দরজায় কে আছে?
আমি বাথরুমে আছি।
সে আমার কোনো কথায় কান দিবে না।
কিন্তু তার কিছু একটা হলে আমাকে সাথে সাথেই করতে হবে।
হেই।
ঠিক আছে, আমিই দেখছি।
- দুঃখিত। - সমস্যা নেই।
- মি. কুমার। - আমি'ই।
আপনার জন্য একটা কুরিয়ার আছে।
- স্যার, এখানে সাক্ষর করুন। - হ্যাঁ।
ধন্যবাদ।
শুকাতে দাও।
আরে, ধ্যাত।
আমি এখানে কষ্ট করছি।
আর তুমি দাঁড়িয়ে মজা নিচ্ছো?
বাবা, এই নাও, তোমার বয়স্ক ফোন ধরো।
বয়স্ক ফোন, হ্যাঁ?
দুষ্টু।
হ্যালো।
কখন?
ঠিক আছে, আমি বিশ মিনিটের মধ্যে আসছি।
ভ্যানকাম, স্যার। এতো দেরি করলেন যে?
এখানে আমাদের কাজ শেষ। আমরা ল্যাবে নমুনা নিয়ে যাচ্ছি।
- সন্দেহজনক কিছু? - সাধারণ শ্বাসরোধ এবং মৃত্যু, কুমার।
বিবেক, ঘরের ভিতরে আছে।
আপনার যদি অন্য কিছুর প্রয়োজন হয় তাকে বলবেন, সে সাহায্য করবে।
ঠিক আছে।
- ঠিক আছে। - ঠিক আছে।
উনার সাথে মাত্রই কথা বললাম? আবার কেন ফোন দিল?
হ্যালো, স্যার।
স্যার, আমি ঘটনাস্থলে আছি।
পৌঁছে ভালো করেছ।
মিডিয়া এ বিষয়ে কিছু জানার আগেই তাড়াতাড়ি তদন্ত শুরু কর।
ঠিক আছে, স্যার।
যেহেতু ভিকটিম একজন মহিলা, তাই সাবধানে কদম ফেলবে।
তদন্তে তোমাকে সহায়তা করার জন্য, আমি মামলায় একজন মহিলা এসআই নিয়োগ করেছি।
- তাকে মামলায় থাকতে দিও এবং পর্যবেক্ষণ করো। - ঠিক আছে।
- সে সহায়ক হতে পারে। - ঠিক আছে, স্যার।
রামাসামী, তার বয়স ২৫ বা ২৬ বছর হবে, তাই না?
হ্যাঁ, স্যার।
- যদিও ওকে খুব কম বয়সী দেখায়। - স্যার, এটা ভিকটিমের ফোন।
স্যার ইনি জেনিফার। সাহায্যের জন্য ডিসিপি তাকে নিয়োগ দিয়েছেন।
হ্যালো, স্যার।
- প্রথম কেস? - না, স্যার, চার নম্বর।
কিন্তু আমার প্রথম কেস যেখানে ছিল সেখানেও মৃত্যু জড়িত ছিল।
- বিবেক, আমাদের সবকিছু বলতে পারবে? - অবশ্যই, স্যার।
স্যার, অনুপ্রবেশকারী অবশ্যই মূল দরজা দিয়ে প্রবেশ করেছে।
আমার মনে হয়, সে বাতাসেই তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে।
এবং, মনে হয় সে পরে তাকে মেঝেতে ফেলে দিয়েছে।
কোনো চুরি হয়নি।
ধর্ষণের কোনো প্রমাণ আছে?
না, স্যার, ধর্ষণের কিছুই নেই।
তাছাড়া সারা বাড়িতে প্রিন্ট আছে।
এইমাত্র আমার টিম সব প্রিন্ট বিশ্লেষণ করেছেন।
কোনো চুরি হয়নি।
ধর্ষণের মতও মনে হচ্ছে না।
স্যার, আমি মনে করি কেউ তাকে প্রতিশোধের নেওয়ার জন্য হত্যা করেছে।
না, আমার মনে হয় না।
এটা কীসের ভিত্তিতে বলছো?
তদন্ত করে জানতে পারলাম যে, তার কোন বন্ধু বা শত্রু নেই।
সে তেমন কারো সাথে যোগাযোগ করত না।
প্রকৃতপক্ষে, আমরা সহজেই তাকে চেনে এমন লোকেদের আলাদা করতে পারি।
তুমি কি ভিকটিমের সমস্ত প্রাথমিক বিবরণ সংগ্রহ করেছ?
প্রথমত, তার নাম কী?
- স্যার... - স্যার, ওর নাম ইয়াল।
ইয়াল?
- নতুন শোনাচ্ছে। - এটা তার লেখনী নাম।
এই নামেই সে উপন্যাস লিখত।
সে এতিম, স্যার।
সে জেভিয়ার এতিমখানায় বড় হয়েছে।
সেখানে তার নাম ছিল, কিরুবা।
সে স্কুল শেষ করে এতিমখানা ছেড়ে চলে যায়।
এবং তার নাম পরিবর্তন করে ফেলে।
হুম...আকর্ষণীয়!
- ভালো কাজ করেছ, উম... - জেনিফার, স্যার।
জেনিফার। ভাল কাজ করেছ, জেনিফার।
মনে হচ্ছে তুমি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করেছ।
- আমাকে বিল্ডিং ইনচার্জের কাছে নিয়ে চল। - ঠিক আছে, স্যার।
- আমার সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে হবে। - ঠিক আছে, স্যার।
আমি ইতিমধ্যেই চেক করেছি। তিনি বাইরে গেছেন।
- তারা বলেছে, সে ২০ মিনিটের মধ্যে চলে আসবে। - ওহ।
কলমটা দাও তো।
কে প্রথম লাশটা দেখেছে?
সে স্যার, মিঠুন।
আমিই প্রথম দেখেছি।
মেয়েটির সাথে তোমার সম্পর্ক কেমন?
আমরা রিলেশনশিপে ছিলাম।
এরকম যে, একসাথে থাকতাম।
লিভ-ইন?
কিন্তু আমি এই বাড়িতে তোমার কোন জিনিস দেখতে পাচ্ছি না।
আসলে সম্পূর্ণভাবে একসাথে থাকি না।
আমি কাছাকাছিই থাকি, কয়েক ব্লক দূরে।
তাই, আমি শুধু রাতে থাকি এবং সকালে চলে যাই।
তো, তুমি শুধু রাতেই থাকো, তাই না?
এটাকে একসাথে থাকা বলে না।
অন্যকিছু বলে।
আপনি কোন বাল, হাহ?
আপনি ইয়ালের সম্পর্কে কী জানেন?
আঙুল উঠাবে না, ভেঙ্গে দেব।
শান্ত হও, রামাসামি।
মিঠুন, তোমার কাছে লাইটার আছে?
আমি ধূমপান করি না।
- রামাসামি। - স্যার?
- লাইটার এনে দাও। - আনছি, স্যার।
তো মিঠুন, তুমি প্রতিদিন রাতে আসো।
আরে, ভুলভাবে নিও না।
গতরাতে যখন খুন হয় তখন আসোনি কেন?
কারণ, সে আমাকে আসতে কারণ করেছিল।
সে একজন লেখিকা।
সে তার নতুন বইয়ের চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল।
তাই সে কয়েকদিন একা থাকতে চেয়েছিল।
তাই, আমিও তাকে একান্ত কিছু সময় দেওয়ার কথা ভাবলাম।
তোমার বাবা-মা কী করে?
আমি পালাক্কাদে জন্মেছি এবং বড় হয়েছি।
আমি যখন ছোট ছিলাম, আমার মা এবং বাবার ডিভোর্স হয়ে যায়।
পরে, মা একটি বিজ্ঞাপন ব্যবসা শুরু করে।
এবং যখন আমি কলেজে ছিলাম, তিনি আমেরিকা চলে গেছে।
পরে তিনি আমেরিকায় স্থায়ী হয়ে যায়।
তার নতুন পরিবার নিয়ে।
আমি আমেরিকায় থাকতে আগ্রহী ছিলাম না।
চেন্নাইতে আমাদের একটি শাখা আছে। আমি এটা দেখাশোনা করছি।
তুমি কি এই কেসে কাউকে সন্দেহ করো?
না।
তুমি ইয়াল এবং তার চরিত্র সম্পর্কে আরও কিছু বলতে পারবে?
সে একটা সাইকো, আমি তাকে কখনো কারো সাথে কথা বলতে দেখিনি।
স্যার, সে নিজের মধ্যেই থাকে। কখনোই কোনো ধরনের সমস্যায় লিপ্ত হয় নি।
মেয়েটার সাথে আমার কথা হয়নি।
লিফটে আসা-যাওয়ার সময় আমি তাকে কয়েকবার দেখেছি।
স্যার, আমি এখানে নতুন।
গত সপ্তাহে ডিউটিতে জয়েন করেছি।
মেয়েটা খুব ভালো মানুষ ছিল।
আমি ১০ টাকা টিপ চেয়েছিলাম, কিন্তু সে আমাকে ১০০ টাকা দিয়েছিল।
সবচেয়ে ভালো দিক হল আমি এর আগে কখনো তার সাথে কথা বলিনি।
ঠিক আছে।
স্যার, আমার মনে হয় আমরা যত দ্রুত ভেবেছিলাম তারচেয়ে দ্রুত কেস সমাধান করতে পারব।
কেন বলছো এটা?
আমরা যা শুনলাম, মনে হচ্ছে মেয়েটি বন্ধুবান্ধব নিয়ে টাইট সার্কেল বজায় রেখেছে।
তাদের আরো চাপ দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, তারা সত্য স্বীকার করবে।
রামাসামী, যখন আমি স্কুলে ছিলাম...
আমি প্রথমে গণিতের প্রশ্নপত্র থেকে সহজ প্রশ্নগুলো আগে করব ভাবি,
ঠিক আছে, স্যার।
মনে হয় এটা সহজ একটা সমস্যা।
কিন্তু চূড়ান্ত উত্তর আমার উত্তরের সাথে মিলেই না।
- এটা থেকে কী বুঝলে? - গণিত আপনার জন্য কঠিন ছিল।
- সেটা না, রামাসামী, মাঝে মাঝে... - স্যার।
অনেকে'ই প্রায়ই তার অ্যাপার্টমেন্টে যেতেন।
এমনকি গতকালও দুইজন লোক এসেছিল।
আমি নিশ্চিত নই, হত্যার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক আছে কিনা।
ভাবলাম এটা সম্পর্কে আপনাকে জানানো উচিত।
- আপনি কি তাদের চিনতে পারবেন? - নিশ্চয়ই।
- রামাসামি, আমাকে মিঠুনের ছবি দাও। - সে মিঠুন ছিল না, স্যার।
আপনি রাতে তাদের দেখেছেন, তাই হয়তো চিনতে পারেননি।
হ্যালো।
জেনিফার, আমরা একটা ক্লু পেয়েছি।
তাড়াতাড়ি, রামাসামির ফোনে মিঠুনের ছবি পাঠাও।
- পরিষ্কার একটা ছবি... - আমরা তাকে পেয়ে গেছি।
- কী? - স্যার, আমরা খুনিকে ধরে ফেলেছি।
সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
- আমরা তাকে পেয়ে গেছি। - ওহ!
ঠিক আছে, আমি আসছি।
হাতকড়া খুলে দাও।
আমার আর কোন উপায় ছিল না।
আমি নিজে জানিও না মেয়েটা ভালো নাকি খারাপ।
আমি শুধু একটি জিনিস জানতাম।
আমার সন্তান।
স্যার, সে আপনাকে কীসের কাগজ দিয়েছে?
- রামাসামি। - স্যার।
জীপ বের কর। বাইরে যেতে হবে।
আমার নাম অশোক। আর আমার মেয়ের নাম উমায়া।
একদিন হঠাৎ ওর স্কুল থেকে ফোন পেলাম।
যে সে ক্লাসরুমের ভিতরে অজ্ঞান হয়ে গেছে।
আমি যখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই, তখনই জানতে পারি...
No comments yet. Be the first to leave one.