نخستین 200 خط.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় সুশান্ত চক্রবর্ত্তী সৌমিক
- ভালো কাজ করেছিস। শীঘ্রই দেখা হবে, চোদনা। - হ্যাঁ, স্যার।
রাথড়!
দ্রুত কর, ভাই।
১০ দিন ধরে শান্তিতে পায়খানাও করতে পারিনি।
তোর শরীর থেকে বিষ্ঠার গন্ধ বের হচ্ছে।
তুই যেমন শাহজাহানের আতর লাগিয়েছিস?
ক্যাপ্টেন বীরেশ চাটওয়াল।
তোর সাথে রুমে দেখা হচ্ছে।
ক্যাপ্টেন অমৃত রাথড়।
শালা, আমাকে আগামীকাল সকাল পর্যন্ত ডাকবি না।
আরে চল না, বীরে।
দুইটা দুইটা ড্রিঙ্ক পান করি, তারপর এসে শুয়ে পরিস।
ভাই!
তুলিকা তোর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।
বিষয়টা জরুরী। কল করে নে।
তুমি নিখোঁজ হয়ে আছো। দয়া করে আমাকে কল দিও।
অমৃত, তুমি কোথায়?
কতদিন ধরে তোমার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছি।
বাবা অন্য কারো সাথে আমার বাগদান ঠিক করে ফেলেছেন।
আগামীকাল আমাদের বাগদান।
আগামীকাল!
আমি রাঁচি আসছি।
দিদি,
তুমি এই বাগদান কেন করছো?
আমার বাগদান যে কারোর সাথেই হোক।
বিয়ে তো শুধু অমৃতকেই করবো।
সাবধানে।
স্বাগতম! বেঁচে থাকো!
- ধন্যবাদ। - প্লিজ আসুন।
আমাদের বাসায় অবশ্যই আসবে।
নমষ্কার।
তুমি... সত্যিই উন্মাদ!
শুনো, সব ঠিক।
বাথরুমে পাঁচ মিনিটের মধ্যে দেখা করো।
দারুণ ভাবনা! কিন্তু, না।
তোমাকে বলেছিলাম না আমি রাঁচি থেকে পালাতে পারবো না।
- এটা খুব ঝুঁকিপূর্ণ। - কথা শুনে নাও।
দেখো, কেউ জানতে পারবে না। আমি নিয়ে যাবো এখান থেকে।
অসম্ভব।
এই যে আতশবাজির শব্দ শুনা যাচ্ছিলো না?
আতশবাজি ছিলো না। ফাঁকা গুলি হচ্ছিলো।
আর এরা সবাই আমাদের দিকে তাক করে আছে।
আমার বাবা...
খুবই ক্ষমতাশালী। তাই... না ভাই। তুমি এখন যাও।
তুমি আমার সাথে থাকাকালীন মরছো না?
তোমার সাথে থাকার জন্য মৃত্যু জরুরী নাকি?
আমি তোমার সাথে বাঁচতে চাই, ক্যাপ্টেন রাথড়।
বাতিল।
কী?
কিন্তু আমি তো জায়গায় আছি।
ঝুঁকি আছে টাইগার। মিশন বাতিল।
শালা, আজ নিজের বাবার ভয়ে পালিয়ে আসলো না।
আগামীকাল বাবার ভয়ে বিয়ে করলো না। তখন কী করবি?
বীরে,
আমাদের ভালোবাসা তার বাবার থেকেও অনেক শক্তিশালী।
বাহ্, ক্যাপ্টেন!
অনেক ভালো ছিলো।
আপনার সাথে শীঘ্রই দেখা হবে।
- আনন্দে থাকো। - এক সেকেন্ড।
আনন্দে থাকো।
ভিতরে জিনিসপত্র রাখো।
আমি নিয়ে যাচ্ছি ওনাকে।
আরে, ভাই।
ও ভাই, নিয়ে যাবে।
বাবার ফোন আসা শুরু হয়ে গেছে।
সত্যি বলছি ভাই, একবার ওনার কিছু মনে চেপে গেলে থামেই না আর।
দুঃখিত।
ধন্যবাদ।
ধ্যাৎ!
হ্যালো?
ফোন ব্যবহার যদি জানো না তাহলে সাথে কেন রেখেছো!
ইউটিউব দেখার জন্য।
ফনী!
ট্রেন ধরছিলাম। যদি ছুটে যেত তখন কী বলতাম?
শুনো।
আমরা ট্রেনের ক্রসিং এ পৌঁছে গেছি।
তোমার কাছে ৩০ মিনিট আছে।
বগি নাম্বার কত?
ফনী?
বগি নাম্বার বলো।
মাফ করবেন... বগি নাম্বার?
- ক১ - ক১। ধন্যবাদ।
ফনী, আমি তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করছি!
ফনী?
ক১।
ক১।
মনে রাখবে, ৩০ মিনিট...
আমার সময়ের আগে মৃত্যুর কারণ এই নিমখারামই হবে।
চাচা, প্লিজ...
তুমি?
আমি।
অমৃত, আমাদের দিল্লীতে দেখা করার কথা ছিলো।
বিপদে ফেলবে।
আমি যাই। বাবা চলে আসবেন খুঁজতে।
অমৃত!
অমৃত!
কী?
অমৃত, তুমি কী করছো?
তুলিকা সিং...
আমাকে দয়া করে বিয়ে করবে?
তুমি একদম পাগল।
একদম পাগল।
দ্রুত "হ্যাঁ" বলে দাও।
কমোড থেকে ভিন্ন ধরনের গন্ধ আসছে।
হ্যাঁ।
- হ্যাঁ? - হ্যাঁ!
এক সেকেন্ড।
কিছু লাগিয়ে এসেছিস?
আপনি আর্মি থেকে?
হ্যাঁ।
আসলে, আমরা দুজনই। আমরা ক্যাপ্টেন।
আমার ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন আর্মিতে যোগ দেওয়ার।
তাই? তাহলে যোগ দেওয়া উচিত।
ওই ভারত মাতা এবং আমার মাতার মধ্যে আবেগপূর্ণ নাটক চলছে।
- মা ঢুকতে দিচ্ছেন না। - চুপ কর।
যেকোনো জায়গায় শুরু করে দিস।
সত্যি তো সত্যিই।
পা'টা একটু উপরে তুলে নিন।
- দুঃখিত। - দুঃখিত।
ছাত্র নাকি?
হ্যাঁ, ভাই।
কোথা থেকে পড়েছেন?
আমি ভাই পড়েছি কানপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
আরে ভাই...
আমার ছেলেরও সেখানেই হয়েছে, কানপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- কিন্তু আমার তাকে পাঠাতে অনেক ভয় করছে। - কেন?
- মা, বাথরুমে যাচ্ছি। - ভিরাটকে সাথে নিয়ে যাও।
আপনি বসুন। আমি দেখে নিবো।
কোচিং, হোস্টেল, টিউশন... সব, সব ব্যবস্থা করে দিবো।
আরে ভাই, অনেক সাহায্য হবে তার।
আমার নাম্বার নিন।
২-২-২
বাবু, ভিতরে কেউ আছে।
- ওটাতেও? - হ্যাঁ।
হ্যাঁ, ৯-৮-২-২...
৯-৮-২-২...
- ৩-৩ - কিছুটা অদ্ভুত নাম্বার তো।
ভিআইপি নাম্বার।
আপনি বসুন। আমি ওদিকে যাচ্ছি।
নাম কী বললেন?
গঙ্গাধর মাহতো।
গঙ্গাধর মাহতো।
এরা এখনই কেন উঠে যাচ্ছে?
পরবর্তী স্টেশন তো এখনো ২ঘন্টা বাকি।
তাই?
শুনেছি, শুনেছি।
সন্ধ্যার গাড়ি নিলে সকাল পর্যন্ত পৌঁছে যাবো।
হ্যালো?
হুম মা, ৭.৩০ নাগাদ পৌঁছে যাবো।
না, সোনা...
আগামীকাল শুধু আমাদের দুজনেরই সন্ধ্যায় টিকিট হবে অমৃতসর এর।
আমার এখানেও আসার কথা ছিলো না। সে ভাই ভাই বলে নিয়ে এসেছে আমাকে।
হ্যালো?
হ্যালো?
- পিঙ্কি, তোমার নেটওয়ার্ক আসছে? - আমারও আসছে না।
ছাড়ো, সকালেই ফোন করে নিবো।
চুপ!
কেউ নড়বে না!
কোথায় পালাচ্ছিস? ধর ওকে।
টাকা বের কর!
অহনা কোথায়?
- বাথরুমে গিয়েছিলো। - হ্যাঁ, আমি দেখে আসছি।
- কোথায় যাচ্ছিস? - বাবা... অহনা।
- ওই! - কী হয়েছে?
আরে আমরা একে অপরকে চিনি।
আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, "মাফ করবেন, বগি নাম্বার?"
আপনি অনেক সুন্দর করে হাসি দিয়ে বললেন ক১।
আমি আপনাকে ধন্যবাদও বলেছিলাম।
হলাম না পরিচিত?
দে এটা?
বাঁচাও!
উনি কোন ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন?
ওনাকে সরাও তো সামনে থেকে।
আরে চেহারাটা তো দেখো।
- মাফ করবেন, আঙ্কেল... - পিছনে যা!
তোমাকে পুরো ঝাড়খন্ডের পুলিশ খুঁজে মারবে।
আমি কে জানো না।
বলদেও সিং ঠাকুর।
শান্তি ট্রান্সপোর্টের মালিক।
ওরে শালা!
জ্যাকপট।
সর।
ভিরাট!
চাচা, জ্যাকপট যেহেতু লেগেছে লুট এখানেই শেষ করে দিই?
এদের নিয়ে নেমে যাই।
- ঠিক করছো না কিন্তু। - তাই?
বলছি কিন্তু ঠিক করছো না...
বলদেও!
- কেউ নড়বে না। - পিছনে যা।
শোক কেন করছেন?
আমার ছেলে!
আপনার ছেলে জীবিত আছে। সে মরেনি।
মরেনি সে, মরেছে তো ও।
কী নাম...
হেই!
আমার বাচ্চা!
কী নাম ছিলো ওনার?
কী নাম ছিলো ওনার?
বিরাট।
No comments yet. Be the first to leave one.