نخستین 186 خط.
পরিবেশনায় Anime Freaks
ভাবানুবাদে
সৈয়দ মুস্তাকিম উল হাসান
আকতার হোসেন
অনিরুদ্ধ
সম্পাদনায় সৈয়দ মুস্তাকিম উল হাসান
ভালো-মন্দ জানাতে ভুলবেন না।
আমার মনে হয় বাবা চোর উপাধিটা মেনে নিতে পারে নি।
আর আমার মা ভেবেছিলো সে এটা আসলেই চুরি করেছে।
এর পর থেকেই আমি মানুষকে বিশ্বাস করতে চাই না।
ভেবেছিলাম মা অথবা বাবা
কাউকে ঘৃণা করলে ভালো লাগবে।
কিন্তু কিছু বছর পর মা আমাকে বলে,
"তখন আমি কেন বাবাকে বিশ্বাস করিনি?"
এ ঘটানার পরে আমার দুজনকেই ভালোবাসতে ইচ্ছা করে।
বুঝতে পারলাম মানুষকে বিশ্বাস করা আমার অন্যতম গুণ।
ERASED
এটা কি?!
আমি আইরিকে সেখানে যেতে দেখেছি!
সে হয়তো এখনও ভেতরেই আছে!
হেই!
আইরি!
আইরি,শুনতে পাচ্ছো?!
আইরি!
আইরি!
উঠো!
..
এই আইরি!
ধ্যাত!
আমি পারলাম না। আমি একা কিছুতেই পারবো না!
ম্যানেজার!
মাঙ্গা লেখকের উপরে ভরসা করে থাকা যায় না।
অন্যকেউ বারবিকিউ হওয়ার আগেই বের হই চলো!
সাতোরু,পিছনের দরজা দিয়ে চলে যাও।
এসবে আইরিকে আর জড়িয়ো না।
আমিই এসবের ক্রেডিট নিচ্ছি।
আশা করছি আইরি ভালো আছে।
আর এই আগুন...
খুনীটাই কি এসব করেছে...
হ্যাঁ!
Incoming Mail
Sachiko Fujinuma's Phone
তুমি যদি সাতোরু হও, যেখানে আছো সেখানেই থেকো।
আইরিকে মারার জন্যই আগুন লাগানো হয়েছে।
আর এতে মনে হবে আমি সব করেছি!
আইরি এজন্যেই ওর ফোন আমাকে দিয়েছিলো, যাতে পুলিশ এসব খুঁজে না পায়।
তার মানে সে আগে থেকেই জানতো আইরি কই থাকে।
সে তাকে অনুসরণ করেছে।
সে আমার ভাবনার থেকেও দ্রুত এগিয়েছে।
আমার তাকে খুঁজে বের করতে হবে।
পুলিশ আমাকে ধরার আগেই
আমার তাকে ধরতে হবে।
কইওয়া এসে পরেছে।
দয়া করে ট্রেনে কিছু রেখে যাবেন না...
COLUMBUS RECORDS
হ্যাঁ?
কে বলছেন?
সাতোরু ফুজিনুমা বলছি।
যদি তুমি সাতোরুই হও তবে, কথা বলে ভালো লাগলো।
আমি তোমার ফোনেরই অপেক্ষায় ছিলাম।
অবশ্যই।
কিন্তু এখানে না।
কোন পাবলিক প্লেসে।
তোমাকে এখনও আমার নাম বলিনি?
কাল দেখা হলে বলবো।
কারণ তুমি সাচিকো ফুজিনুমাকে খুন করতেও পারো।
KOHAKUTEI COFFEE SHOP
স্বাগতম।
ওই সাতোরু,এখানে।
দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
আমি সাওয়াদা, পূর্বে তোমার মায়ের সাথে রিপোর্টারের কাজ করতাম।
সস্তি পেলাম যে তুমিই সাতোরু।
তুমি তোমার মায়ের মতই দেখতে।
এটাই সে!
আমি জানি তুমি এখন ফেরারি, কিন্তু আমি কাউকে এই মিটিং নিয়ে বলবো না।
আপনার কি আমাকে খুনী মনে হয় না?
অবশ্যই না।
কেন?
কারণ সে এমন কোন বাচ্চাকে বড় করেনি, যে তাকে মেরে ফেলবে।
বুজলাম।
গতকাল মনে পরলো এটা আমার পকেটেই ছিলো।
এটা হেয়ালিপনা।
বিরোধ করবো না।
এটা আমারই দোষ, বারবার তালগোল পাকিয়ে ফেলছি।
কিছু হয়ে যাবার পর তা নিয়ে ভেবে সময় নষ্টের মানে নেই।
এটা সাচিকোই বলতো।
আমার কথা গুলো ভালোই লাগতো।
তুমি কি জানতে চাও, ফোনে আমাদের কি কথা হয়েছিলো?
অবশ্যই।
COIN LAUNDRY
সাওয়াদা,১৮ বছর আগের সিরিয়াল খুনের ব্যাপারে
তোমার কি কিছু মনে আছে...
অবশ্যই।
জুন শিরাতোরিকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়, কিন্তু সে এখনও নিজেকে নির্দোষ দাবী করে।
সাতোরুর ধারনাই ঠিক।
শিরাতোরি এমনটা করে নি।
এখন আমি জানি কে করেছে।
কাল আমার সাথে কইওয়া স্টেশনে দেখা করো।
আমার তার নাম জেনে রাখা উচিত ছিলো
পুরোনো এক ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছি?
কায়ো হিনাজুকির মৃত্যু নিয়ে...
১৯৮৮ সালের ২রা মার্চের রাতে,
কায়ো তার মা আর মায়ের বয়ফ্রেন্ডের দ্বারা নির্যাতিত হয়,
আর কাছারি ঘরে তালাবদ্ধ অবস্থায় ফেলে রাখে।
ঠান্ডায় তার মৃত্যু হয়।
মরদেহ লুকানোর জন্যে পুলিশ সন্দেহ করে কায়োর মা এবং তার বয়ফ্রেন্ডকে
কিন্তু ১০ টা থেকে ১১ টার মধ্যে কোনো একসময়
কায়ো ঐ ছোট ঘরটি থেকে হারিয়ে গিয়েছিল
কায়োর মা ১২:৩০ এর দিকে হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করলো
তখন সে তোমার মা এবং অন্যান্যদেরকে ফোন করা শুরু করলো
জুন শিরাতোরি তাকে নিয়ে যেতে পারে
কারন চামড়ার জুতার যে দাগ পাওয়া গিয়েছিল ঘটনাস্থলে
জুন শিরাতোরির জুতার সাথে তা হুবহু মিলে যায়
HOKKAIDO POLICE
পুলিশ তখন খোলামেলাভাবে সবকিছু তদন্ত শুরু করে
সম্ভবত প্রথমে শিরাতোরি শারিরিক আঘাত দ্বারা কায়োকে ধরাশায়ি করে
তারপর তার ছবি তোলে
সে তাকে তাদের পারিবারিক হিমাগারে রাখে
এবং তাপমাত্রা কমিয়ে হৃদপিন্ড অচল করে মৃত্যু নিশ্চিত করে
যখন তার শরিরের তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রীর নিচে নেমে এলো, মস্তিষ্ক কাজ করা বন্ধ করে দিলো
শিরাতোরি ৩০ মিনিটের মতো অপেক্ষা করেছিলো
যতক্ষনে বাঁচার আর কেনো আশা ছিলোনা
তারপর সে ঠান্ডায় জমে যাওয়া হিনাজুকির মরদেহ ভোরের আগেই ছোট ঘরটিতে রেখে আসে
ইউকি কখনো এটা করতে পারেনা!
কায়ো হিনাজুকি,হিরোমি সুগিতা, আয়া নাকানিশি...
এদের হারিয়ে যাওয়ার কিছুদিন আগে,
পাশের শহরে সিরিয়াল অপহরন আর খুনের ঘটনা ঘটে
দোষিকে খুবই তারাতারি গ্রেফতার করা হয়
কিন্তু জুন শিরাতোরির মতই, সেও সব অপরাধ অস্বীকার করে
এখন
সবকিছুর সাপেক্ষে,
এদের মধ্যেকি তুমি কোনো মিল খুজে পাচ্ছো?
আমি বহু বছর যাবত একজন স্বাধীন প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করছি
আমি এমন সব কেস তদন্ত করি যা ইতিমধ্যে সমাধান হয়ে গেছে
কিন্তু সত্যটা হলো যে, এদের একটিরও সমাধান হয়নি!
কায়ো হিনাজুকি এবং সাচিকো দুজনের খুনি একই
যে পুলিশের কাছে অন্য একজনকে ফাসিয়েছে!
এবং সে এখন শহরেই আছে
আর এই শুয়োরের বাচ্চা খুবই ধুর্ত
সে সময় নিয়ে এমন একজনকে টার্গেট করে যার পক্ষে কোনো সাক্ষী পাওয়া যাবেনা
তারপর আশপাশের পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাজ করে
এভাবেই সে নিজের নাম সন্দেহের বাইরে রাখে
পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে
এজন্য সে তাকে পুরোপুরি চুপ করানোর চেষ্টা করেছে
সাতোরু ফুজিনুমা...
সে এখন আর তার কাছে আসতে পারবেনা
হাইস্কুলের মেয়েটি কি করেছে?
সেও কি তার সহযোগী?
আমার মনেহয় সেও তাকে সহায়তা করেছে
আর এখন সবকিছু ফাস হওয়ার ভয়ে একেও চিরতরে চুপ করে দিতে চাচ্ছে
ব্যাপারটা ভয়ানক
মেয়েটিও তার পাগলামিতে ফেসে গেলো...
তুমি ভুল করছো
আইরি, কোনো কিছুর জন্যে দুশ্চিন্তা করে লাভ নেই
এটা সত্য যে একজন উত্যক্তকারি তোমার পিছু নিয়েছিল
তুমি নিশ্চই ভীত ছিলে
আন্টি, এরকমটা হয়নি
নিজেকে দোষ দিওনা। আমি দুঃখিত যে বিষয়টি লক্ষ্য করিনি
তোমরা যা ভাবছো এমনটা নয়
পুলিশরা দোষিকে খুজছে
এখন তোমার ভয় পাওয়ার কিছু নেই
তারাও ভুল করছে
পলাতক সন্দেহভাজন অগ্নিকাণ্ডের জন্য দায়ী?
সন্দেহভাজন চিহ্নিত সহকর্মীর বাসায় (চিবা)
আমি বিশ্বাসই করতে পাচ্ছিনা যে তারা খুন আর অগ্নিসংযোগের জন্য সাতোরুকে সন্দেহ করছে
এটা কখনোই হতে পারেনা...
কিন্তু কেউ আমাকে বিশ্বাস করবেনা...
সাচিকোর ফোন থেকে ঐ মেয়ের কাছে একটা মেসেজ গিয়েছিল?
জ্বি
খবর থেকে জনলাম যে তার আঘাত গুরুতর ছিলোনা,
কিন্তু আমি নিশ্চিত যে সে এখনো হাসপাতালে আছে
এইযে এটা
হুম
সে তদন্তের মোড়টা তোমার দিকে ঘুরিয়ে দিতেই অগ্নিকান্ডটা ঘটিয়েছে
আমারও মনে হয় এটাই হবে,
কিন্তু আমিতো ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজন
আমি বিশ্বাসই করতে পারছিনা যে সে আইরি কাতাগিরিকে টার্গেট করেছিলো শুধু এটার জন্যে,
অন্যভাবে বলতে গেলে, তুমিকি মনে করছো সে আগে থেকেই তার টার্গেটে ছিলো?
আমাকে আমার মায়ের খুনি হিসেবে ফাসানোর জন্য,
তাকে এটা জানতে হয়েছে যে কখন আমি কাজ শেষ করে বাসায় ফিরি
তারমানে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় ধরে সে মায়ের উপর নজর রাখছিলো
তার অপহরন আর খুনের কাজটির জন্য,
নিশ্চিতভাবে সে পিজ্জার দোকানেও গিয়েছিলো সময়টা নিশ্চিত করতে
আইরি সম্ভবত তার চেহারা দেখে থাকবে
সে আমার পরিচিতদের মধ্যেও হতে পারে
তাহলে সে এমন একজন
No comments yet. Be the first to leave one.