نخستین 200 خط.
হেই, রেকর্ডিং শুরু কর।
লাল দেবতার পা।
আমি তোকে হারিয়ে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করব।
এটা অসম্ভব।
ধুর বাল! সত্যি ব্যথা করছে।
মাদারচোদ!
- মজা করছি। - থামো বেটা। হারমাজাদা ব্যথা করছে।
- কি হচ্চে? - ওদের কি হয়েছে?
হেই, দৌড়া!
কি বলতেচ্ছ?
ধ্যাৎ!
এটা অসম্ভব!
শিক্ষার্থীদের ফোনগুলো নিয়ে নাও হয়েছে,
যাতে কেউ কল করতে না পারে।
হ্যাঁ।
হ্যাঁ, অবশ্যই। এখানে সবকিছু ঠিক আছে।
আপনার দিনটি শুভ হোক।
বলেছিলাম শিক্ষার্থীদের থেকে ফোনগুলো নিয়ে নিতে।
এমনকি সবাই নিরাপদে থাকার পর তারা কেন জম্বির প্রাদুর্ভাভের রিপোর্ট করেছে?
- তোমরা বসে বসে কি করছ? - আপনি কীভাবে বলতে পারেন সবকিছু ঠিক আছে?
বাহিরে পরিস্থিতি খুবই খারাপ।
শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নিতে আমাদের জরুরী সেবা প্রয়োজন।
তুমি কি এখানে একমাত্র শিক্ষক? তুমি কি শুধু মহৎ?
তোমাকে সমস্যাটাকে অভ্যন্তীণভাবে সমাধান করতে বলেছিলাম।
যাও। শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে আসতে বল।
কিন্তু, স্যার।
এমন পরিস্থিতিতে তারা আমাদের কথা শুনবে বলে মনে হয় না।
তুমি কি কানে শোন না? এখান থেকে যাও।
আপনি যদি নিজের চোখে বাহিরে পরিস্থিতিটা দেখেন,
যেটা বলেছি ওটা করুন।
তোমাকে এই কারণে ডিন বানিয়েছি।
কোথায় যাচ্ছ? এখানে থাকো এবং বোকার মতো কিছু করবে না।
আমাদের অন্তত জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা উচিত।
হেই, তুমি। তোমার পায়ে কি হয়েছে?
হেই! তুমি কি,
হেই! কি করছ?
থামো।
হেই!
কি হয়েছে?
কেউ সাহায্য কর!
ঠিক আছ?
ওন-জো, ঠিক আছ?
হেই!
উঠে পড়।
সরে যাও! রাস্তা থেকে সরে যাও!
তুমি ঠিক আছ?
- থামো! - চলো যাই!
জলদি কর। ওখানে উঠ।
ওখানে।
চলো যাই।
অনুবাদ ও সম্পাদনা মোঃ জমির উদ্দীন খাঁন
ওখানে উঠ।
তুমি আগে যাও।
ধ্যাৎ।
বের হও। মাদারচোদ।
চেওং-সান!
আসচ্ছ না কেন? বের হও।
ওন-জো!
জলদি কর, চেওং-সান।
পালাও!
এইদিকে।
আমার জন্যে দাঁড়া।
দূর হও, কাছে আসবি না, কুত্তার বাচ্চা।
তোকে দূরে থাকতে বলছি, কুত্তার বাচ্চা।
ধ্যাত্তেরি, কি হচ্ছে?
দরজা খুলবি না। খুলবি না।
- আমরা জানি না ওরা সুস্থ আছে কিন আ। - আমাকে যেতে দে।
তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ কর।
আমাকে খুলতে হবে।
হেই, দরজা খোল।
সরে যা।
ঠিক আচ্ছ?
ওন-জো!
ঠিক আচ্ছ?
বাহিরে কি অবস্থা? সবখানে কি একই রকম?
হেই।
- ওটা কি? তুমি কে? - মাদারচোদ!
- তোর দুলাভাই। - দ্যে-সু।
ধুর বাল!
ওরা সবাই খুব আক্রমণাত্মক।
তোর কি হয়েছে?
কিছু উম্মাদ আমার দিকে অগ্নি নির্বাপক ছুঁড়ে মারছে।
- অগ্নি নির্বাপক? - হ্যাঁ, মাদারচোদ।
কি হচ্ছে?
কে জানে?
বন্ধুরা।
- এটা ট্রেন টু বুসান। - কীসব বাজে বকতেচ্ছ, হারামজাদা?
ওরা জম্বি না? ঠিক সিনেমার মতো।
ওরা স্কুলে কেন? ওদের ছবি করা উচিত।
এসে দেখ। আমি সিরিয়াস।
আমাকে কি করতে হবে?
গেয়ং-সু, দরজা!
ঠিক আছে।
ধুর বাল।
ওটা কি?
- হেই, বিয়ার-সু! - ওকে ধাক্কা দাও!
- জলদি কর! - ও বিয়ার-সু!
- এখানে আস। - ঠিক আছ?
ক্লাস পরিদর্শক! তাড়াতাড়ি কর!
- তাড়াতাড়ি আস। - তোর পিছনে! জলদি কর।
লাফ দে!
- কেউ ঢুকার করার আগেই বন্ধ কর। - ঠিক আছ?
এগুলো কি?
জম্বি।
এক, দুই, তিন।
তার কি হয়েছে?
স্কুল থেকে এসেছে। আমরা যখন পৌঁছালাম ততক্ষণে সে অজ্ঞান হয়ে যায় এবং রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।
- সে কখন আহত হয়েছিল? - আধা ঘন্টা আগে আমাদের কল করেছিল।
সে অজ্ঞান কেন?
প্রথমে খিঁচুনি হচ্ছে বলে মনে হলেও সে এখন শান্ত আছে।
তুমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোষ জীববিজ্ঞানের উপর পিএইচডি করে ফিরে এসেছে।
ফিরে এসে একটা ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিতে গবেষক ছিলে,
কিন্তু সেটা ছেড়ে দিয়ে শিক্ষকতায় আস।
এই যোগ্যতায়,
হাই স্কুলের শিক্ষক না হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর হতে পারতে।
আমি তোমাকে হাসপাতালে গিয়ে হ্যেওন-জুকে কোয়ারেন্টাইন করতে বলেছিলাম।
তুমি কেন আপনার ছাত্রকে অপহরণ করেছ? বিশেষ করে নিজ স্কুলের।
আমি যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর,
প্রসিকিউটর বা সাংবাদিক হতাম, তাহলে কি তুমি আমাকে অবজ্ঞা করতে?
বুজেছি। এজন্যেই কি তাকে অপহরণ করেছেন?
কারণ কেউ তোমার কথা শোনছে না বা বুঝছে না তুমি কেমন অনুভব করছ?
তুমি নিঃসঙ্গ এবং বিষণ্ন ছিলে। তাই তো?
ঠিক আছে।
ঠিক আছে এটা এখানে শেষ করা যাক।
যদি সবাই মারা যায় তাহলে কার কি আসে যায়?
এই পৃথিবী এবং সেসব বেজন্মাগুলো,
আমি তোর মতো বেজন্মাদের আর সহ্য করতে পারছি না। তোমার লোকদের ঘৃণা করি।
তোর মতো বেজন্মাগুলো অপরাধ করে কিন্তু অন্যকে, সমাজ এবং বিশ্বকে দোষারোপ করে।
এমনকি যখন তুই তোর ছেলে নিঁখোজ হওয়ার রিপোর্ট করেছিলি।
'এই পৃথিবী আমার ছেলেকে গ্রাস করেছে।'
হ্যাঁ, ঠিক। পৃথিবীতে কোনো অ্যানাকোন্ডা সাপ দেখেচ্ছ?
শোন।
পৃথিবী ওকে গ্রাস করেনি।
সত্যিটা হলো,
তুই নিজের ছেলে হত্যা করে,
এখন সন্দেহ এড়াতে নিঁখোজ হওয়ার রিপোর্ট করচ্ছ। ঠিক তো?
তোর ছেলে নিখোঁজ হয়নি, ঠিক না?
কি হয়েছে ওর?
আমার ছেলে মারা গেছে।
আমি একটা বক্সে বিড়াল এবং ইঁদুর রেখেছিলাম।
বেশীরভাগ ইঁদুর একটা কোণে বসেছিল,
ইঁদুরগুলো হিমায়িত হয়ে গিয়েছিল এবং ভয়ে কাঁপছিল।
কিন্তু এর মধ্যে,
একটা ইঁদুর অপ্রতিরোধ্য ভয়ের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে,
বিড়ালকে আক্রমণ করে বসে।
যখন এটি ঘটে, তখন এর টেসটোসটের মাত্রা বেড়ে যায়।
আমি সেই হরমোনটি বের করে পরিমার্জিত করেছি।
এটি এই বিশ্বের সকল ভীত ইঁদুরদের জন্য।
ভেবেছিলাম সে যদি ভয়কে ক্রোধে পরিণত করে তবে সে যেকারো চেয়ে শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
সে তার মাকে কামড় দেয়।
সংক্রমণের ১৭তম দিনে।
আমি হ্যালোপেরিডোল বন্ধ করে দিয়ে তাকে আবার বেনজোডিয়াজেপাইন দিলাম।
দশ মিনিটের কম সময়ের মধ্যে সে জেগে উঠবে।
তুই তোর ছেলে মেরেছ, তাই তো?
- কি, - ওকে ধরো।
ওটা বন্ধ কর।
ওকে ধরে রাখ।
এটা কিসের শব্দ?
কি হচ্ছে?
ভিতরে কি কিছু হয়েছে?
আমাকে সাহায্য করুন।
পুলিশকে কল কর!
ধ্যাত্তেরি! ভয় পাইয়ে দিয়েছে। ওর সমস্যাটা কি?
ঠিক আছে। শুনতে চাও, এভাবে খেললে কি হবে?
জাং হা-রি, দাঁড়াও।
জ্বি, স্যার।
ভাল করে দেখ।
সে তোমাদের ভবিষ্যৎ।
সে একজন সিনিয়র,
কিন্তু এখনও কোনো স্বর্ণপদক জিতেনি।
ন্যাশানাল টিমের কথা ভুলে যাও। সে রিজার্ভ টিমেও জায়গা পাবে না।
এমনকি আজকে আঞ্চলিক বাছাইপর্বের জন্যেও যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।
বড় হয়ে কি হতে চাও?
কলেজে যেতে পারবে না। কর্পোরেট টিমের যোগ্যতাও নেই
পড়াশোনা করনি, সিভিল সার্ভিস পরীক্ষাও দিতে পারবে না।
শোন। তোমরা কি জান এই মাঠের প্রতিযোগিতা কতটা কঠিন?
যে সমস্ত শিক্ষার্থীরা শীর্ষ ১০০ জন্যের মধ্যে থাকবে তারা সিউল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবশে করতে পারবে।
এমনকি তোমরা শীর্ষ ১০০জনের মধ্যে থাকলেও,
অলিম্পিকের ধারে কাছেও যেতে পারবে না।
তোমরা শুধু আবর্জন না ছাড়া কিছুই না।
তোমাদের ক্যারিয়ার এখানে শেষ, বুঝলে?
উম্মাদটা।
ওরা কি করছে?
- দেখ এটা সেখানে আছে কিনা। - এখানেও নেই।
হেই, জুন-ইয়ং!
তোকে আশ্বাস দিচ্ছি। ওরা দরজা খুলতে পারবে না।
আপতত এটা ধরে থাক।
- কিছু খুঁজে পেয়েছ? - না, এখানেও নেই।
ধ্যাত্তেরি।
ঠিক আছ?
ওইদিকে দেখ।
- কিছুই দেখতে পারছি না। - এখানে!
আমি একটা পেয়েছি!
এটা কার?
এটা ইয়ং-জুর ডেস্ক।
ওহ, না। আমাদের পাসকোড লাগবে।
কিছু কর।
এইমাত্র বললাম তো আমাদের পাসকোড লাগবে।
হতে পারে এটা ওর জন্মদিন।
ওর জন্মদিন কবে?
No comments yet. Be the first to leave one.