نخستین 200 خط.
You Who Came From the Stars Bengali Sub: Rifat Kabir Sharna
দো মিন জুন! আ-আ!
আপনি...
কে?
কী?
আপনি কি, সম্ভবত,
১২ বছর আগে সং ঈ-র প্রাণ বাঁচানো...
সেই মানুষটি?
সেই মানুষ?
কী যা-তা বলছ ?
সেই দুর্ঘটনার সময় একটা ছবি তোলা হয়েছিল। আমি সেটা দেখেছি।
আমি নিশ্চিত,তোমাকেই দেখেছি।
এই জগতে, একই রকম চেহারার অনেকেই আছে।
তাছাড়া, ১২ বছর আগের ঘটনা হয়ে থাকলে,
এতটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য
অনেকটা সময় কি পার হয়ে যায় নি?
তাই তো।
কী করে তোমার চেহারা ১২ বছর আগের মতই আছে?
তোমার বয়স কত?
তুমি ভুল করছ।
আমি ভুল করতেই চেয়েছিলাম
যে কারো চেয়ে বেশি করে।
তুমি যেন এমন কথাই বল আমি কায়মনে সেটাই চাচ্ছিলাম।
কিন্তু...
শুধু ছবিতেই নয়, আমার স্মৃতিতেও তুমি আছ।
সেই মানুষটি তুমিই ছিলে।
তুমি কার কথা মনে রাখ আর কী ভেবে থাক
এসবই তোমার ব্যাপার।
যা ইচ্ছে হয় তাই বিশ্বাস করে থাক। তাতে আমার কিছুই যায় আসে না।
তোমার আর কিছু বলার আছে?
আমারও তাতে কিছুই যায় আসে না।
তুমি যেই হও না কেন, তোমার পরিচয় যাই হোক না কেন।
কিন্তু, তুমি যদি আমার সং ঈ-র ব্যাপারে নাক গলাতেই থাক,
গল্পটা পুরোপুরি বদলে যাবে।
সবদিক মিলিয়ে অদ্ভুত একটা মানুষ,
অজ্ঞাত পরিচয়ের একটা লোক,
আমার ভালোবাসার মেয়েটির সাথে এতটা জড়িয়ে পড়েছে,
শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে আমি তা দেখি করে?
আর নাক গলাতে এসো না
চেওন সং ঈ-র ব্যাপারে।
সেটা যে ভাবেই হোক।
হি কিউং, এখনই নেমে আসতে পারছি না।
আমাকে দো মিন জুনের ব্যাপারে কিছু জিনিস যাচাই করে দেখতে হবে।
কী হয়েছে?
আমাকে বোকা পেয়েছ?
কী যা-তা বলছে?
দুর্ঘটনার দিন, আমি যেখানে প্রায় মারাই পড়েছিলাম,
তুমি সেখানে আস নি, তাই তো বলেছিলে?
কিন্তু এটা কী জিনিস?
কী এটা?
আমার গাড়ির হেডলাইটের ভাঙা টুকরা বলে মনে হচ্ছে। এতে রক্তও লেগে আছে।
তোমার ময়লার ঝুড়িতে পেয়েছি।
তো?
সেই রাতে, তুমি ওখানে গিয়েছিলে
আমার গাড়ি থামিয়েছিলে।
সেটা করতে গিয়েই গাড়ির হেডলাইট ভেঙে যায় আর ভাঙা টুকরা তোমার হাতে ঢুকে পড়ে।
তারপর বাসায় ফিরে তুমি নিজের হাতের চিকিৎসা কর।
তার প্রমাণ হিসেবেই এটা রয়ে গেছে।
আমাকে বোঝাও... কী করে এসব হল।
আমি...
তোমাকে বোকা ভাবতাম না,
কিন্তু এখন দেখছি, তুমি বোকাই।
কী?
দুনিয়ার যত কাচের টুকরা তোমার ভাঙা হেডলাইটেরই হতে হবে এমন কোন কথা আছে?
মনে আছে,গতবার যে ফুলদানিটা ভেঙে গেল ?
সেখান থেকে ভাঙা কাচের টুকরা তোমার পায়ে বিঁধে গিয়েছিল।
কিন্তু সেগুলো অন্যরকম ছিল...
হাসপাতালে গিয়েছিলে না? সেখানকার ডাক্তার কী বলেছিল?
এমন ঘটনাকে তারা স্বাভাবিক বলেছে?
কোন...দৃষ্টিভ্রমের মত কিছু হয় নি তো?
বলেছিলে, সে দিন পুলিশ স্টেশনে গিয়েছিলে। সেখানকার কেউ তোমাকে দেখেছিল তো?
গ্যাংনাম পুলিশ স্টেশনে গিয়ে নিজেই সত্যতা যাচাই করতে পার।
বলেছিলে, গাড়ির সামান্য ধাক্কা খেয়ে হাতে ব্যথা পেয়েছ।
ভাঙা কাচের টুকরার কোন আঘাত পাও নি।
তো?
দেখতে দাও। যাচাই করে দেখি।
কাঁচের টুকরা বিঁধে ক্ষত হয়েছে নাকি গাড়ির সামান্য ধাক্কা খেয়ে নীল হয়ে গেছে?
আমাকে দেখাতে বললাম!
এ কী? পুরাপুরি সেরে গেছে।
এটা পরে ছিলে কেন? মিছেমিছি?
এখন সব যাচাই করা হল তো?
আমার হাত ছাড়।
কিন্তু সে দিন,
কেবল দু'একটা ব্যাপারই অদ্ভুত ছিল না।
আমি ঠিকঠাক ধরতে না পারলেও,
তুমি সত্যিই বড় অদ্ভুত।
মিস চেওন সং ঈ,
তোমার সাথে জড়িয়ে পড়ে, আমার শান্তিময় জীবন ছারখার হয়ে গেছে।
তাই তুমি এখন বিদায় হলেই খুশি হব।
আমি এমনিতেও বিদায় হতাম।
তাহলে তাড়াতাড়ি সেটাই হও।
আমি কোথায় যাচ্ছি জানার ইচ্ছে নেই?
কী কথা হল?
কী যাচাই করতে চেয়েছিলে?
তেমন বিশেষ কিছু না।
চল যাই।
হি কিউং।
একটু দাঁড়াও।
উম্মম! মিষ্টি কমলা!
না মানে, আমি অন্য কারো সাথে ঘুমাতে পারি না। বলা -কওয়া নেই, হুট করে চলে আসলি...
এই, তোর চুলগুলা বাঁধতে পারিস না?
তোর মনের মানুষকে খুঁজে পেয়েছিস?
নতুন কাউকে পছন্দ হলেই তো কাগজের জিনিস বানিয়ে উপহার দিস।
তোর কী খবর? তোর মনের মানুষের খোঁজ পেয়েছিস?
কী যে বলিস!
তুই আমার বাসায় আসার পর থেকে দেখছি, মোবাইল ফোনের দিকে তাকিয়েই আছিস।
তার ফোনের অপেক্ষায় আছিস মনে হচ্ছে।
আরে না!
আমি একজনের খোঁজ পেয়েছি।
যে কী না অন্য কোন জগত থেকে এসেছে...
যেন সে এসেছে সুন্দর কোন তারা থেকে...
ঠিক তেমন চেহারা-সুরতেরই একটা ছেলে...
আমি... প্রথম দেখায় তার প্রেমে পড়ে গেছি।
কিন্তু এরপর আর দেখা হল না?
না, আরেকবার তার সাথে দেখা হয়েছিল।
তার সাথে দেখা হতেই,
সে যেন আমার হৃদয় চুরি করে নিল।
আমাদের চোখাচোখি হতেই,
সে আমার হৃদয় জয় করে নিল।
তার সাথে আর দেখা হয় নি-
দু'জনার পথ দু'দিকে বেঁকে যাওয়ায়।
বহুদূরে থাকা আমার ভালোবাসার বসবাস আমার হৃদয়েই...
মনে হয়, আর একটিবারের জন্য হলেও তার সাথে দেখা হয়ে যাবে।
তেমন চেহারার মানুষের দেখা আমি আর পাই নি।
এই পথেই কি তার সাথে দেখা হয়ে যাবে?
এই যে।
আমাকে চিনতে পেরেছেন তো?
কে আপনি ?
আমি গতবার বলেছিলাম, আপনাকে দেখে ভালো মানুষই মনে হয়েছে।
আচ্ছা, সে জন্যই এগুলো...
কেনার ইচ্ছে নেই।
একটি পর্ব দেখতে মোটে একটি ঘণ্টা কাত- সাব করতে পার হয় দিন আর রাত! :)
প্রথম পর্বের বাংলা সাব করেই থামতে চেয়েছিলাম, আজ সেই ড্রামা সিরিজের দশম পর্বে চলে গেলাম!।। :)
যে ড্রামা সিরিজের বাংলা সাব করতে গিয়ে চারটি মাস আর কোন ড্রামা সিরিজ দেখা হয় না! :'( :P
কেবল আসক্ত মনের অধৈর্য তাড়না আর অহেতুক আগ্রহে হাজার হাজার লাইন সাব লেখার নিষ্ফলা অকর্ম করে চলা! :)
অনুবাদকের সেই জানের টুকরা, প্রিয় কুরিয়ান ড্রামা সিরিজ- "তারা থেকে এলে তুমি!" :P
My Love From The Star- এপিসোড ১০ ভাবানুবাদ-রিফাত কবীর স্বর্ণা
ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক সিস্টেম তো? অন্য কেউ আর খুলতে পারবে না তো?
এই কাজ শেষ করে যেভাবে বলেছিলাম সেভাবে অ্যালার্ম সিস্টেম আর সিসিটিভি লাগিয়ে দেবেন।
এখানে। ওখানে।
ও, ওখানেও।
কোন বদমাশ হারামজাদা তোর বাসায় ঢুকে সব তছনছ করেছিল?
পুলিশকে জানিয়েছিস?
সব লাগানো শেষ।
ভালো কথা, অম্মুনি
সবাই বাইরে খেতে গেলে কেমন হয়?
Of course (অবশ্যই)... ভালোই হয়।
বাদ দাও, আমার ক্লান্ত লাগছে।
আর তুমি এভাবে আম্মু আর ইওন জ্যাকে ডেকে আনলে কেন?
চোনপেওংয়েও যেতে চাও না। হোটেলে থাকাও অপছন্দ কর।
মায়ের বাসাও অপছন্দ কর।
মায়ের বাসা অপছন্দ করিস কেন?
সবাই যাও এখন, আমি বিশ্রাম নেব।
আমি যাচ্ছি না।
আমি যাচ্ছি না। কিছুদিনের জন্য এখানেই থাকব।
ঠিক আছে, সেটাই ভালো! ইওন জ্যা এখানে থাকলে আমি নিশ্চিন্ত হতে পারব।
আমিও বারবার এখানে আসব।
ঠিক আছে... আমিও তাহলে থেকে যাই।
আম্মু, চলে যাও। হি কিউং, যাওয়ার সময় আম্মুকে নিয়ে যেও।
তুই থাকতে বললেও আমি থাকতাম না!
আ। প্রেসিডেন্ট কাং জে গেব কোন কারণে তোকে ফোন করেছিল?
- না তো। -- ওই বদমাশ হারামজাদা...
কাং প্রেসিডেন্ট ফোন করলেও ধরবি না। কখনো কথাও বলতে যাবি না, বুঝলি?
বুঝলাম।
বিল্ডিং এর এলিভেটরটি মিনিটে ১২০ মিটার উঠতে পারে।
এক তলা থেকে ২৩ তলার দূরত্ব প্রায় ৬৯ মিটার।
যদি ধরে নেই, কোন তলায় না থেমেই এলিভেটরটি নিচে নেমে এসেছে,তাতে সাড়ে ৩৪ সেকেন্ড সময় লাগে।
একজন মানুষের পক্ষে ২৩ তলা থেকে এক তলায় একই গতিতে নেমে আসাটা অসম্ভব।
সেক্ষেত্রে প্রতিটি তলা তাকে মাত্র দেড় সেকেন্ডে অতিক্রম করতে হবে।
সেটা অসম্ভব...
তাছাড়া আর কী হতে পারে?
আপনারটার পাশে আরেকটা এলিভেটর ছিল, কিন্তু সেটা আবার সংস্কার কাজের জন্য বন্ধ ছিল।
আমি নিশ্চিত, ২৩ তলায় দেখা হওয়া ছোকরাটাকেই আবার ১ তলায় দেখেছিলাম।
তার মানে... আমি অসম্ভব কিছু দেখেছি?
সে কি অদ্ভুত কিছু একটা লক্ষ্য করে নি?
আবেগতাড়িত হয়ে এমন ভুল করলেন? আগে তো এমন ছিলেন না।
আমি ওর ওপর থেকে তার দৃষ্টি সরিয়ে নিতে চেয়েছি।
কিসের দৃষ্টি?
ওই লোকটা... চেওন সং ঈ-র পিছু নিয়েছে।
সত্যি কথাটা চেওন সং ঈ-কে বলে দিচ্ছেন না কেন?
এমন বিপজ্জনক লোকের ব্যাপারে তার সাবধান হওয়া প্রয়োজন। এই লোকের আশেপাশে ঘেঁষাও উচিত না।
যতদূর জেনেছি, চেষ্টা করেও উপেক্ষা করার মত সে নয়।
সেজন্য তার আসল পরিচয় না জানাটাই চেওন সং ঈ-র জন্য ভালো হবে।
তার গোপন কথা জেনে ফেললে, সে আরও বড় বিপদে পড়বে।
তাহলে আপনার কী হবে?
৪০০ বছর ধরে আপনি নিরিবিলিতে বসবাস করে এসেছেন আর একদিন নিরাপদে ফিরে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছেন।
গত কয়েক দশকে বেশ কয়েকবার আপনার মৃত্যু সনদ নিবন্ধন করেছি।
নিখোঁজ হওয়া, অগ্নিকাণ্ড, ডুবে যাওয়া, সড়ক দুর্ঘটনা
এ রকম আরও কত কারণ।
কিন্তু...
ওসবভাবে না হলেও, আপনি সত্যি সত্যিই মারা পড়তে পারেন।
যেখান থেকে এসেছেন সেখানে ফিরে যাওয়ার আগে এখানেই মারা যেতে পারেন।
আপনার কি সে কথা মাথায় খেলে না?
আপনাদের বললামই তো, আমার আর কিছুই জানানোর নেই।
আমার মা-বাবা জানতে পারলে তারা আবারো মূর্ছা যাবেন।
দয়া করে চলে যান।
আ,শুধু একটা প্রশ্নের জবাব দিন। আপনার বোনের কোন বয়ফ্রেন্ড ছিল?
বললামই তো, ওর তেমন কেউ ছিল না।
হান ইউ রা প্রেগন্যান্ট ছিলেন।
কী বললেন?
No comments yet. Be the first to leave one.