نخستین 200 خط.
এই মেয়েটির পর্ন ভিডিও খোঁজ করছি।
মেয়েটিকে চিনো? তার ভিডিও এত সহজে পাবে না।
শুনেছিলাম সে আত্মহত্যা করেছিলো। ভিডিও দেখে সত্যিই আউট করবে নাকি?
মালীর কাজ করার সময় আমি তার একটি ছবি দেখেছিলাম।
"আমার কথা বিশ্বাস হচ্ছে না?? সে মৃত।"
সে মারা গেছে। আর মালীর ব্যাপারটা মিথ্যা।
A KILLER PARADOX অনুবাদ ও সম্পাদনায় লিপু দাশ
আবাসিক শনাক্তকরণ সনদ লি গ্যেওং-সু
সুপারম্যান আকাশে উড়ে বেড়ায়।
স্পাইডার-ম্যান মাকড়সার জাল ছুড়ে মারে।
আর লি তাং প্রতিশোধ নেয়।
মানুষের তৈরি আইনকে অমান্য করে,
যারা লি তাং এর কাছে ধরা পড়ে, তারা সবাই অপরাধী
- আর, মৃত্যুই তাদের একমাত্র শাস্তি। - শুয়োর।
- না, তারা মানুষরূপী জানোয়ার। - কি চায়?
প্রফেসর, প্লিজ।
গর্ভবতী হয়ে গেলে এবোশন করে ফেলো। যাও এখান থেকে!!
এই সন্তান আপনার নিজের।
মাগী কোথাকার! একথা বলার সাহস হয় কী করে?
খুন হওয়া অধ্যাপক নিজেই ছিলেন একজন খুনী।
প্রতিশোধ কখনো আইন বা নৈতিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি সর্বজনীন।
অপরাধী সবসময় তার অপরাধের প্রমাণ রেখে যায়,
প্রতিশোধ হলো এমন কিছু যা মানুষ চাইলেই প্রমাণ করতে পারে।
যে প্রতিশোধের জন্য খুন করে সে আবেগ দ্বারা পরিচালিত হয়,
আর যে প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে খুন করে সে শাস্তি ভোগ করে।
কিন্তু লি-তাং এর খুন আবেগ বা শাস্তি দেয়া দ্বারা প্রভাবিত নয়।
এই শাস্তি ভালোর জন্য,
প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য।
এইসব ক্রিমিনালদের শাস্তি দেওয়া কারো পক্ষে সম্ভব নয়,
কিন্তু কাউকে তো দায়িত্ব নিতে হবে,
যদিও এই সম্পর্কে কেউ কোনদিন জানবে না।
গ্যেওং-সু, এর আগে তুমি কী করতে? পড়াশুনা করতে?
না।
নিজেই দোকান দিতে চাও, নাকি অন্যকিছু??
না।
ওহ.... তাহলে, বুসানে কেন এসেছো?
তুমি তো জানো, এই যুগের ছেলে-মেয়েদের এসব প্রশ্ন করলে তারা বিরক্ত হয়।
- মিথ্যা কথা। তারা এটা উপভোগ করে। - এসব বাজে কথা।
গ্যেওং-আ, আমরা এখানে একসাথে কাজ করি। তুমি এমন করছো কেন?
অসুস্থতা জন্য সেওন-গ্যেওং কালকেও আসবে না।
তার হয়ে কাজগুলো করে নিলে হয় না।
তাহলে নতুন ক্যাশিয়ার নিয়োগ দিচ্ছেন না কেন?
- আহ ঈশ্বর। সে আবার শুরু করেছে। - তাই নাকি? সত্যি?
- আমাদের সাহায্যের প্রয়োজন! - আজকাল বাচ্চারা দিন দিন বেয়াদব হয়ে যাচ্ছে।
- সবসময় নিজের কথায় চিন্তা করে। - কাজে মনোযোগ দাও।
- সত্য বলতে! - হ্যা, কিন্তু...
বাজে একটা মেয়ে। সেই প্রথম দিন থেকেই কারো সাথে একটা কথাও বলেনি।
আর আমাদের সাথেও কোথাও যায়নি।
শুনো, ঐ মেয়ে নিশ্চয় তার বয়ফ্রেন্ডের সাথেই সময় কাটায়।
সে সুন্দর বলে হিংসে হচ্ছে?
ওই! সুন্দর মানে কী? সে সম্ভবত মুখে সার্জারি করিয়েছে।
সারাদিন তো এখানেই কাজ করে। প্লাস্টিক সার্জারি করে কী লাভ হবে??
ঠিক আছে, আমি পরে করে দিচ্ছি।
তোমার সবসময় ঐ একই কথা, “পরে করছি”। থাক আমি করছি।
ক্যাশে কেউ নেই। ঐ দিকটা দেখো।
আরে যাও, বুঝছো? ধন্যবাদ।
ওই, সেওং-হুন।
"ক্লাস প্রতিনিধি আর ইন-স্যেওনের মধ্যে ঝগড়া হয়েছে।"
"ক্লাস প্রতিনিধি তাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে
আর বলেছে তার নাকের উপর তিলটা ময়লার মতো লাগছে।"
ক্লাস প্রতিনিধিও তাকে পছন্দ করতো।
ত্রিভুজ প্রেমের গল্প?
আহ। মিষ্টি একটা গল্প।
আমরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছি।
অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
- ওপ্পা - হু-ম?
- কাজ শেষ হবে কখন? - ওহ, বাহ!
- এখনো বাকি আছে? - কেন?
- কতক্ষণ লাগবে? - উ-ম?
কখন শেষ হবে?
এইতো শেষ।
- শেষ। - আমি কী খুব ভারী?
না না। আমাকে কাজ করতে দিচ্ছো না কেন, উম?
- কিস মি। কিস মি। - এতো সময় লাগছে কেন, উম?
এই যে শুনো!
গতবারও এমন হয়েছিলো। এই সুপারমার্কেটের সার্ভিস একেবারে জঘণ্য।
বিক্রি করেই কাজ শেষ? উম?
রশিদ কী শুধু কাস্টমারকেই রাখতে হবে?
আপনি বলছেন জিনিসটি তিন দিন আগে কিনেছেন?
এসব বাদ দাও! আমার কাজ আছে। তাড়াতাড়ি কর।
এই, তুমি না জানলে উনাকে জিজ্ঞাসা কর!
রশিদটি খুঁজে দেখছি যাতে আপনাকে প্রিন্ট করে দিতে পারি।
কিন্তু এখানে তো পাচ্ছি না।
এতো লম্বা লম্বা লেকচার দিচ্ছো?
তুমি বলছো এই দোকান থেকে না নিয়ে অন্য দোকান থেকে নিয়েছি??
এভাবে তাকাচ্ছো কেন? ডাইনি কোথাকার। আমার দিকে এভাবে তাকাবে না!
মারবে নাকি আমাকে?
- আসো তাহলে! - ম্যাম।
আমরা দুঃখিত। নিশ্চয় তার কোন ভুল হচ্ছে।
- উনাকে রিফান্ড দিয়ে দাও। - এই মার্কেটে এসব হচ্ছেটা কী?
আমার টাকা রিফান্ড দিয়ে দাও।
ম্যাম, কথা দিচ্ছি আর কখনো এমন হবে না। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
আপনার সহযোগিতা জন্য ধন্যবাদ। এই নিন, এটা সাথে নিয়ে যান।
আমি আবারও দুঃখ প্রকাশ করছি।
সাবধানে যাবেন।
কী?
ওই। এই, এটা তুমি করেছো?
মাথার তার ছিড়ে গেছে নাকি? বাল?
পাগল নাকি তুমি?
এই বাল! আমি তোমায় জিজ্ঞেস করছি।
আমি করেছি বললে কী করবেন?
সরি বলতে হবে?
কী?
প্রমাণ ছাড়া কাউকে অভিযুক্ত করা উচিত না।
মনে তুমি বেশ বোকা আর তেমন কিছু জানো না,
তুমি কিন্তু ভুল মানুষের সাথে তর্কে জড়াচ্ছো।
আমার গাড়িতে ড্যাসক্যাম আছে। আমি এতো সহজে ছেড়ে দিচ্ছি না।
- পাগল নাকি? অবিশ্বাস্য! - আচ্ছা, রিপোর্ট করে দিন।
জিনিস চুরি করে আবার রিফান্ড চাইছেন তা নিশ্চয় ড্যাসক্যামে রেকর্ড আছে।
কী?
ফোন করুন।
আমি...
- আমি ফোন দিবো? - এই। কি করছো?
- এসব করার সময় নাই! - আচ্ছা তাই?
এটা...
ব্যাপারটা তেমন নয়।
কী তাহলে? হুম?
কাস্টমারের প্রশ্নের উত্তর পর্যন্ত দিতে পারছো না।
তুমি এমন কেন? এ্যা?
আমি তোমাকে আগেও বলেছিলাম।
সরি।
- ফিস সেকশনে, তাই না? - হ্যা।
এখানে কেন এসেছো?
শুনো।
আসলে, তুমি অনেকটা আমার মতো।
আমি?
তুমি জানো, আমি খেয়াল করেছি...
ওরা যখন তোমার অতীত জানতে চাচ্ছিলো তুমি উত্তর না দিয়ে প্রসঙ্গ পাল্টে দিলে,
আর তুমি সবসময় তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখো।
আর তোমার বয়স বিশের আশেপাশেই হবে,
কিন্তু এতো দূরের এই ছোট্ট সুপারমার্কেটে চাকরি নিয়েছো।
আহ!!
আর, হ্যা, তুমি ঐসব হারামী কাস্টমারের উপর কেমন চড়াও হও।
আমার মনে হয়...
এই জায়গায় আমাদের মিল আছে।
মিল আছে, উম?
আচ্ছা, বাদ দাও।
এখানে সবাই খোশগল্প আর তোমার ব্যাপারে নাক গলায়,
এসব কারণে তুমি কী ক্লান্ত?
যদিও, সত্যি বলতে, সবাই খারাপ নয়।
হুম... তারা জ্বালাতন করে আর বিরক্তিকর আচরণ করে।
প্রথম দুই এক মাস করে তারপর চুপ হয়ে যায়।
যদিও, আমার ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটনে।
বিরক্তিকর।
কী সেটি?
আচ্ছা, মনে হয়, সাধারণ।
মানে, সাধারণ জীবন-যাপন করা।
তুমি জানো, আমি আসলে...
জীবনকে নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখতে দেখতে ক্লান্ত।
সাধারণ জীবন-যাপন করাই আসল কাজ।
দয়া করে সবাই হলুদ লাইন থেকে সরে দাঁড়ান।
আবারও বলছি।
KTX ট্রেন সকাল ৯.৫০ মিনিটে বুসানে এসে পৌঁছাবে।...
এই মেয়েটির পর্ন ভিডিও খোঁজ করছি।
মেয়েটিকে চিনো?
এটা তার নাকি?
...হলুদ দাগ থেকে
মেয়েটির আপডেট ইউনিভার্সিটি অফ এডুকেশন এর শিক্ষার্থী
দ্য রিপাবলিক অফ প্লাস্টিক সার্জারী এই তথ্য তুমি কোথায় পেলে?
মা! মা।
এই, এদিকে এসে একটু হেল্প কর।
এগুলো এভাবে আনলে কেন? শিপিং এর মাধ্যমে পাঠাতে পারতে।
তোমারও তো ব্যস্ততা ছিলো।
আমিই যখন আনতে পারি তাহলে শিপিং এ আনতে হবে কেন??
দিনকাল কেমন যাচ্ছে? এখানো মানুষের দরজায় দরজায় সেবা দিচ্ছো?
না। তুই জানিস আমরা অনেক দূরে চলে গিয়েছি?
পাগল নাকি? তুমি একা এসব কিভাবে করলে?
প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আলাদা করে বাকিগুলো বাদ দিয়ে দিয়েছি।
নতুন বাসা ব্যবস্থা করা এতো সহজ?
আহ! তো, বাবা আগেই চলে গেছে নাকি?
ইন-জুনের কী খবর?
তারা দুজনে বাসা গুছাতে গেছে।
এটা তোর নাকি দেখ।
এগুলো কেন নিয়ে এসেছো?
এটা এখানে কেন?
কমিউনিটি সার্ভিস সেন্টার থেকে আমি তো এটা বাতিল করেছিলাম।
মনে নেই, হারিয়ে ফেলেছিলি বলে তুই নতুন একটা পেয়েছিলি?
আমি আলমারিতে পেয়েছি।
পরিচয়পত্র চুই ইন-স্যেওন, চুই গ্যেওং-আ
গ্যেওং-আ।
তুই মাঝে মাঝে আমাদের দেখতে আসবি, তাই না?
হুম?
তুই জানিস, বাড়ি আসার জন্য কোন কারণ লাগে না।
হঠাৎ এমন কথা বলছো কেন?
নতুন ঘরে তোর জন্য আলাদা রুম আছে। চাইলেই তুই এখন বাড়ি আসতে পারবি।
ছুটির দিনে কেমন মজা হবে ভাব একবার।
আসো।
নিজেকে দেখো একবার। ঈশ্বর, চেহারা কেমন চকচক করছে।
এখনো তো খুলেও দেখোনি। গতবছর নিয়েছিলে না এটি?
জায়গায়টা সুন্দর, কিন্তু এখানে একজন সুন্দর রমনী দরকার।
ব্যাচেলর প্যাডের মতো গন্ধ হচ্ছে।
আরে! কিরে...
এই, ঐ মেয়েটার মামলার কুকুরটা না??
ডং, আচ্ছা, এটাকে চাইলেই অন্য কোথাও রেখে আসতে পারবো না।
কুকুরটিকে মারতেও পারবো না।
একজন গোয়েন্দার কী কুকুর পালা উচিত?
তাকে এখানে নিয়ে এসেছি, হয়ত সে তদন্তে সাহায্য করে,
আমার ভাগ্য পরিবর্তন করবে।
মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কুকুরটিকে আমার কাছেই রাখবো।
তুমি বলেছিলে না, চলে যাওয়ার আগে হাতে কিছুটা সময় আছে? তুমি এখানে কেন?
No comments yet. Be the first to leave one.