نخستین 200 خط.
অনুবাদঃ শুভ মোহাম্মদ শাওন
সাবটাইটেল সম্পর্কে আপনাদের মুল্যবান মতামত জানাতেঃ-
আমাদের ফেসবুক গ্রুপঃ- Bangla Subtitle
প্রথমেই একটু কষ্ট দেওয়ার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
হে ইশ্বর,
তুমি আমার পাপের প্রায়শ্চিত্ব চাও,
তাহলে তুমি আমার প্রাণ নিয়ে নাও।
কিন্তু এই বাচ্চাটার জীবন রক্ষা করো...
এর অপেক্ষায় থাকা মায়ের জন্য একে বাঁচতে হবে।
মাহেশ্মতি সিংহাসনের জন্য একে বেঁচে থাকতে হবে।
মাহেন্দ্র বাহুবালিকে বাঁচতেই হবে...
এটা কি?
দ্রুত গিয়ে উদ্ধার কর।
দেখে, সাবধানে...
কি হয়েছে? -কে জানে।
হাতের আংটি দেখে তো মনে হয় কোনো রাণী-মহারাণীই হবে।
ওই উপরের দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করছিলো...
উস্তাদ...
কিরে কি হয়েছে?
মনে হয় এরা সেই মা কে মারতে এসেছিলো,
আর মা জননী বুদ্ধি খাটিয়ে এদেরকেই মেরে ফেলেছে।
উস্তাদ...
আরে এটা তো দেখি গুহা, এটার সমন্ধে তো আমরা কিছু জানতাম ই না।
মনে হয় এই গুহা থেকে কোনো রাস্তা বের হয়।
সেই মা জননী উপরের দিকে ইশারা করেছিলো...
যাতে বাচ্চাটাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়।
পাগল হয়ে গেছো নাকি,
একটা দুধের শিশুকে মারার জন্য সৈন্য পাঠানো হয়েছে,
তাহলে ভাবো উপরে সেখানে কতো বড় বিপদ অপেক্ষা করতেছে। -তো কি করবো এখন...
ও এখন থেকে আমার সন্তান।
এই বাচ্চাটাকে আমার কোলে এই গঙ্গা মা পাঠিয়েছে...
আর যে আমার কথা শুনবে না...
তাকে আমি পা দিয়ে পিষেই মেরে ফেলবো।
সবাই চুপ হয়ে আছো কেনো, বন্ধ করে দাও এই গুহা টাকে।
তুই এখানে কি করছিস?
ওই উপরে কি আছে, মা?
উপরে শয়তান আছে,
বাচ্চাদের টুকরো টুকরো করে খেয়ে ফেলে।
আমি উপরে যাবো, মা।
আবার সেই একই কথা,
আয়...
জলপর্বতে উঠতে তোকে মানা করেছি না,
তবু বারবার কেনো যাস ওখানে?
আমার সোনা ছেলে, আরতো এখানে আসবি না, তাইনা?
মনে হছে এবার উঠেই যাবে,
উঠে যাবে মানে, তুই জল পর্বত দেখেছিস?
মেঘে স্পর্শ করে উপরে উঠে গেছে পর্বত...
ও ওই চল্লিশ গজ থেকে কতবার পরেছে?
মিনিমাম তো একশো বার হবেই...
তুই দেখিস, এইবার আবারো পরবে।
ছি... - দেখে যা তোর মা এখানে কি কাণ্ড ঘটাচ্ছে...
শিবা...শিবা...
শিবা...শিবা...
পনেরো বার...
একশো এক বার আরো করো...
তাহলে তোমার মনোকামনা অবশ্যই পূর্ন হবে।
বাবা, আমার পুজা করা শেষ হয়ে গেলে আমার ছেলে আমার কথা শুনবে ?
ও ওই জলপর্বতে যাওয়া ছেড়ে দিবে?
হুমম, শিবের শক্তি জানো তুমি?
মন থেকে মহাকালের অভিষেক করো...
তাহলে ওনি তোমার ছেলেকে সঠিক পথ দেখাবেন।
ঠিক আছে বাবা।
মা, তুমি নিজেকে ছোট বাচ্চা মনে করেছো নাকি?
এতো দৌড়াঝাপ করলে কি অবস্থা হবে তোমার?
সর সামনে থেকে, - মা...মা...মা... আমার কথা শুনো না একটূ...
সর তুই, কখনো তুই আমার কথা শুনেছিস?
বাবা, মাকে বুঝাও না একটু...
সাঙ্গা... - কি?
আরে অকুল তুই কি করছিস এখানে...
বাবা...বাবা... -ছাড়, ছাড় আমাকে।
তাহলে তোমার জায়গায় আমি করে দিবো?
মেনে নাও না একটূ...? - না......
শিব(হিন্দুদের ভগবান) মানবে না।
যে প্রার্থনা করেছে তাকেই করতে হবে।
বাবা
তুমি তোমার হাত পেচিয়ে থাকো চুপ করে।
মা...মা... - কি হয়েছে রে?
মা আমি তোমাকে এভাবে তুলে নিবো...
তারপর, শিবকে ইচ্ছেমতো গোসল করিয়ে নিও, রাজি হয়ে যাও না...
না, শিব মানবে না।
যে প্রার্থনা করেছে তাকেই সব করতে হবে...
আর পায়ে চলে পুরো করতে হবে।
বাবা...
আপনি আর আপনার শিবাজী আমার মায়ের জীবন নিবে নাকি?
জানিনা, শিবের মনে কি চলছে সেটা আমি কি করে জানবো?
সাঙ্গা...
দেখে যা তোর ছেলে কি করছে...
এখন আবার কি করতেছে?
শিবু...
থাম
কি করতেছিস এটা?
জাহান্নামে যাবি।
শিবু বন্ধ কর এইসব, থাম।
শিবা
_না_
মা, শিবকে এখন হাজার বার নয়,
এখন সবসময়ই গোসল করাও...
এখন তো খুশি হয়েছো?
বাবা,
আপনি যেটা বলেছেন সেটাই হয়েছে।
গত আমাবর্ষা থেকে আমার শিবা ওই জলপর্বতের দিকে,
ফিরেও তাকায়নি।
তো, কি ভেবেছিলে শিবকে?
কিন্তু...
যখন দেখি তখনি সেই মুখোশ,
যেটা শিবলিঙ্গ স্পর্শ করে নিচে পরেছিলো... সেটা নিয়ে সবসময় বসে থাকে।
ওটা জিনিসটা কি?
কে জানে...
শিব কাকে কি দিতেছে, সেটার আমি কি জানি!
সেটা শিবকেই জিজ্ঞাস করতে হবে...
বাবা, উনার(শিবের) অভিষেক তো
আমাদের ছেলে শিবা করেছে, তাইনা?
তাহলে উপরে যাওয়ার জন্য ওর আশা পূর্ন হবে নাকি সাঙ্গার আশা?
আগুন লাগুক তোমার মুখে,
আমার ছেলে যা করেছে তা আমার জন্য করেছে...
তাহলে উনি আমার আশাই পুরণ করবেন।
তাইনা, বাবা?
শিব যা ভাবে...
তাই করে
কি বললো!!
আরে শিবা...
আর কতোদিন এই মুখোশ ধরে বসে থাকবি?
উপরে কেউ তো একটা আছে...
আরে তো, তোর তাতে কি? ওখানে তোর মা কখন থেকে চিল্লাইতেছে...
তারাতারি বাড়ি চল,
তুই যা এখন, আমি পরে আসবো।
সবাই চল।
কে গো তুমি?
আমার কাছে কেনো এসেছো?
অনুবাদঃ শুভ মোহাম্মদ শাওন
আমাদের ফেসবুক গ্রুপঃ Bangla Subtitle
বৈশালী,
কোথায় যাচ্ছো? - এখনি আসছি...
আমাদের লক্ষে পৌছানোর জন্য আরো এক সোনালী সুযোগ আমাদের কাছে এসেছে,
আসছে সামনের চতুর্দশীতে...
ভল্লাল দেবের জন্মদিন অনেকই উৎসবের সাথে পালন করা হবে,
পুরো রাজ্য সেই উৎসবের কাজে ব্যস্ত থাকবে।
রাণী দেবসেনাকে ছাড়ানোর সৌভাগ্য...?
এবার অবন্তিকাকে দেয়া হবে...
অবন্তিকা এটা কি?
এটা কোথা থেকে এলো?
সেখান থেকেই, যেখানে তুমি সংঘর্ষ ভুলে
স্বাভাবিক জীবনের দিকে চলে গেছো।
যে নিজের শরীরকে ভালোবাসে সে নিজের প্রান বাজি রাখতে পারেনা।
তুই এই সৌভাগ্যের যোগ্য নও, যাও......
বেঈমানীর ভয়ে বেরিয়েছে আমার এই জল,
কিন্তু ব্যাথার জন্য তো কখনোই নয়।
এটা আমার রক্ত যা পানি হয়ে চোখ দিয়ে ঝরে পরছে ।
আর যদি এই চোখের তাপ আপনার পর্যন্ত পৌছায় তাহলে,
তাহলে আমাকে যেতে দিন।
দুই দিন পরে তোমাকে যেতে হবে, রেডি হয়ে নাও।
ভালোভাবে নিজের কাজ পুরো করে আসো, অবন্তিকা।
আর যদি তুমি অসাবধানতার জন্য ধরা পরে যাও
তাহলে ভল্লালদেব তোমাকে কষ্ট দিতে দিতে ধীরে ধীরে মারবে।
প্রভু, ও ষাঁড়টাকে জঙ্গল থেকে আনা হয়েছে দুদিন হয়ে গেছে।
এখন পর্যন্ত আমরা ওকে বসে আনতে পারিনি। ওটার সাথে টক্কর নিলে নিজের জীবন নিয়ে টানাটানি......
এই মহামন্ত্রী...
ভল্লালদেবের সাথে টক্কর দিতে হলে শুধু একটা না,
দশ দশটা ষাঁড় নিয়ে মাঠে নামতে হবে।
আপনি এসে পরূন।
মোচড় দাও ভল্লাল...
বাবা, আমার বাবা ওটাকে মেরে ফেলেছে।
কেউ দেখেছো এরকম বীর কেউ দেখেছো? -না যুবরাজ।
তোমার নিষ্ঠা দেখে সত্যিই আমি হয়রান হয়ে যাই, কাটাপ্পা।
তোমার মনে আমার জন্য কতোটা ঘৃনা আছে সেটা আমি জানি।
তবুও নিজের জীবন বিপন্ন করে আমাকে রক্ষা করে থাকো,
কিভাবে কাটাপ্পা?
কিভাবে করো তুমি এটা ?
ঠিক আছে,
চাও কি চাওয়ার আছে।
যেকোনো কিছুই চাইতে পারো।
মহারাজ,
আমার একটাই অনুরোধ আছে,
২৫ বছর ধরে দেবসেনা শাস্তি পাচ্ছে,
তাকে মুক্ত করে দিন
ঠিক আছে, কথা দিয়েছি তো দিয়েছি।
যাও
দেবসেনাকে মেরে ফেলে ওকে মুক্ত করে দাও।
মৃত্যু থেকে বড় মুক্তি আর কি হতে পারে কাটাপ্পা?
যাও
লাগবে না?
তাহলে শাস্তি ভোগ করতে দাও...
শুধু পঁচিশ বছরই না জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শাস্তি ভুগতে দাও।
এই বুড়ি উঠ...
কি খবর দেবসেনা? তোমার উপর হওয়া অত্যাচারের কোনো কমতি তো পড়ছে না?
তুমি আমাকে না বলেছো
আর ওকে চেয়েছো?
এখন বলো কোথায় ও?
একটা কথা জিজ্ঞাস করতেছি সত্যি বলো দেবসেনা।
এতো বছরে কেউ, কখনো, কোথাও ওর নাম পর্যন্ত বলেছে কি?
সেই অন্ধকার রাতগুলোতে,
জেলখানার নিঃস্তব্ধতায় ...
কখনো তুমার নিজের শিকলের শব্দেও কি কখনো ওর নাম শুনতে পেয়েছো?
না।
মাহিস্মতি ভুলে গেছে, দেবসেনা।
ওর নাম শুধু মুখ থেকেই নয়,
ভাবনা থেকেও মুছে গেছে।
এই রাজ্যে শুধু দুজন ওর নাম নিয়ে থাকে,
সেটা হলো তুমি আর আমি।
তুমার কারন হলো মৃত্যুর আগে ওকে শেষবারের মতো দেখা,
No comments yet. Be the first to leave one.