Our Planet

Our Planet

دانلود زیرنویس Bengali

هماهنگ با نسخه‌های زیر

Our Planet II 2023 S02 EP02 720p NF WEBRip DDP5 1 Atmos x264-EDITH
Our Planet II 2023 S02 EP02 720p NF WEBRip x264-GalaxyTV
ناشر kn_hasan
🛡 Runtime - 00:50:06💥 বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে উপভোগ করুন সিরিজটি, ভালো লাগলে রেটিং দিন, অনুভূতি জানান বাংলা সাবটাইটেল সম্পর্কিত গ্রুপ গুলোতে 💥

برچسب‌ها

webdl
web
WEBDL
webrip
x264
720p
720
BRip
تاریخ انتشار: 2023-09-22
تعداد دانلود: 40
مخصوص ناشنوایان: No

پیش‌نمایش زیرنویس Bengali

نخستین 193 خط.

উৎসর্গ রিয়াজ গাজী মৃণ্ময় বিশ্বাস

লেইসান।

প্রশান্ত মহাসাগরের একটা রিমোট দ্বীপ।

এই লেইসান অ্যালবাটোর্সের বাচ্চার বাড়ি।

মুক্ত সাগরে প্রথম উড়াল দেবার জন্য সে তৈরি।

কিন্তু কোন ভুল করার সুযোগ নেই

টাইগার শার্ক।

হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তারা এখানে এসেছে।

মৌসুমের পুরো স্বাদ নিতে সঠিক সময়ে পৌছেছে।

দ্বীপ ছেড়ে যাওয়াটা হবে তার জীবনের সব থেকে বিপদজনক ভ্রমণ।

তার প্রতিবেশি, কালো পা ওয়ালা অ্যালবাটোর্সের বাচ্চারা

প্রথমে যাবে।

পানি ছিটিয়ে অবতরণ।

হাঙরেরা ঠিক যেটার অপেক্ষায় ছিল।

এবার তাদের খেলা শুরু।

গ্রীষ্মের হাওয়া বাড়ছে।

হাওয়াতে পাখা মেলে উড়ার

এটাই সঠিক সময়।

জীবনে প্রথমবার শুন্যে ভেসে চলা।

কিন্তু বাতাস যখন হঠাৎ থেমে যায়

তখন বাচ্চাটাকেও থামতে হয়।

বাতাস ছাড়া,

সে অসহায়।

ভাগ্যের জোরে বেঁচে যাওয়া।

সে উড়েছে।

হয়ত আগামী পাঁচ বছরের ভেতরে আর মাটি ছোঁবে না।

লক্ষ কিলোমিটারের উপরে সাগর ভ্রমণ করবে,

খাবারের খোঁজ করতে।

:.:.: Our Planet II :.:.: :.:.: Episode 02:.:.:

অনুবাদ ও সম্পাদনায় কে এন হাসান

আমাদের গ্রহ সূর্যের শক্তিতে পরিচালিত হয়।

সূর্যের রশ্নি আমাদের কাছে পৌছাতে আট মিনিট সময় লাগে।

কিন্তু পৃথিবী সামান্য কাত হয়ে চলার কারণে, মাঝেমাঝে সেটা সরাসরি ভূপৃষ্ঠে পতিত হয় না।।

সূর্যশক্তি বিভিন্ন মাত্রায়,

বছরের বিভিন্ন সময়ে পতিত হয়। নির্ভর করে এটা কোথায় পড়বে, তার উপরে।

উত্তর গোলার্ধে,

গ্রীষ্মে প্রচুর পরিমানে সূর্য রশ্নি পতিত হয়ে,

প্রচুর ভ্রমণকে শুরু করে।

জুলাইয়ের শুরুতে,

ইউরোপের তৃণভূমিতে, ফুলেরা বছরের অন্য সময়ের তুলনায়

বেশি সূর্যালোক গ্রহণ করে।

আর সেটা মৌমাছিদের ব্যাস্ত করে দেয়।

বেড়ে যাওয়া গরমের সুযোগ নিতে, কিছু প্রাণীরা বেশি পরিশ্রম করে।

মাত্র আধাকিলো মধু উৎপন্ন করতে

মৌমাছির একটা কলোনিকে নব্বই হাজার কিলোমিটার উড়তে হয়।

ভ্রমণ করতে হয় লক্ষ লক্ষ ফুল।

আর আমরা হাজার বছর ধরে, তাদের এই পরিশ্রমের সুযোগ নিয়ে চলেছি।

জার্মানির এই মৌচাকটাতে,

ষাট হাজার মৌমাছি সংগঠিত হয়ে একত্রে কাজ করছে।

বৃহৎ রাণী মৌমাছি প্রতি ত্রিশ সেকেন্ডে একটা করে ডিম পাড়ে।

যার কারণে এই কলোনী অতিদ্রুত বড় হচ্ছে।

আরও চল্লিশ হাজার মৌমাছি কলোনিতে বড় হচ্ছে।

আর তাদের জন্য যথেষ্ট ঘর নেই।

সংগঠনটাকে ভাগ হতে হবে।

চাকটাকে যারা ছেড়ে যাবে, তারা প্রবেশ মুখে একত্রিত হয়েছে।

যখন সংকটপূর্ণ অবস্থায় পৌছায়, তখন ঝাঁক বাধা শুরু করে।

নতুন বাসা খুঁজতে হবে তাদের।

তবে প্রথম চাক, মূল চাক বাঁধার প্রাথমিক ধাপ হয়ে থাকে।

কিছু সময় পরে, ত্রিশ হাজার মৌমাছি রাণীকে ঘিরে একত্রিত হয়,

যে এখন ঝাঁক দ্বারা সুরক্ষিত রয়েছে।

খোলা জায়গায় থাকা, তাদের জন্য বিপদজনক হতে পারে।

তাই প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেছে, ঘর খুঁজে পাওয়ার।

অনুসন্ধানী মৌমাছি বেরিয়ে পড়েছে ঘর খুঁজতে।

সঠিক সাইজ, উচ্চতা আর সূর্যের দিকে মুখ করা একটা গাছের কোটর প্রয়োজন।

এটা হতে পারে।

কিন্তু.. বেশি ছায়াযুক্ত।

খুব ছোট।

কেউ নিয়ে নিয়েছে।

এটা হলে কেমন হয়?

দেখে দারুন মনে হচ্ছে।

হ্যাঁ, এটা ভাল হবে।

কলোনির সবাইকে জানাতে,

এটা এখন ফিরে যাচ্ছে।

আর সে এটা করবে নাচ করে।

নাচের ভঙ্গিমা, সূর্যের সাথে সম্পর্কিত।

কোন পথে গেলে গর্তটা খুঁজে পাওয়া যাবে সেটা বলছে।

আর নড়াচড়া দিয়ে বোঝায় কত দূরে সেটা।

তার পার্ফমেন্স যত ভাল হবে, জায়গাটা খুঁজে পাওয়া তত সহজ হবে।

অন্যরাও তাদের খোঁজ নিয়ে ফিরে এসেছে।

কিন্তু তাদের নড়াচড়া, এর তুলনায় কিছুই না।

সবার মনোযোগ তার দিকে চলে যায়।

আরও মৌমাছিরা নতুন গর্তকে পরীক্ষা করতে যায়।

কমিটির মাধ্যমে পর্যালোচনা।

মনে হচ্ছে তারা রাজী হয়েছে।

চাকে ফিরে গিয়ে পুরো ঝাকে তারা খবরটা ছড়িয়ে দেবে।

এটা করার জন্য, অনুসন্ধানী মৌমাছিকে চাকের প্রত্যেককে ছুতে হবে।

অবিশ্বাস্যভাবে, মাত্র আধা ঘন্টার ভেতরে,

পুরো ত্রিশ হাজারই যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে।

পৌছে যাবার পরে, প্রত্যেকটা মৌমাছি ডানার সাহায্য জঙ্গলে ফেরোমেন ছেটায়।

যাতে অন্যদের বাসা খুজে পেতে সহজ হয়।

লাগাতার সবাই নতুন জায়গায় পৌছাচ্ছে।

রাসায়নিক বার্তা ছড়িয়ে দিতে সবাই যোগ দিচ্ছে।

কয়েক ঘণ্টার ভেতরে, পুরো ঝাঁকটা চলে আসে।

একমাত্র তখনই মৌমাছি এভাবে জায়গা পরিবর্তন করে,

যখন সূর্যশক্তি তাদের খাবার সরবারহ করে থাকে

ও ক্ষতির হাত থেকে কলোনিকে বাঁচায়। to rebuild their colony from scratch.

আগামী কয়েক সপ্তাহ,

তাদের সবাইকে ব্যাস্ত থাকা প্রয়োজন,

যেমনটা একটা মৌমাছি থাকে।

জুলাইতে, যতই উত্তরে যাবেন,

ততবেশি সূর্যালোক দেখতে পাবেন।

আর এই সংক্ষিপ্ত সময়ে,

বেড়ে যাওয়া সূর্যালোক,

উত্তর মেরুর তুন্দ্রা অঞ্চলের ঘাসজমির বৃদ্ধি ঘটায়।

আকৃষ্ট করে লক্ষ লক্ষ তুষার হংসীদের।

তারা লম্বা উত্তর আমেরিকা ভ্রমণ করে এখানে এসেছে।

পাঁচ হাজার কিলোমিটারের দূরত্ব।

তারা এখানে এসেছে বংশবৃদ্ধি করতে।

মেরুতে গ্রীষ্মকাল ক্ষণস্থায়ী।

তাই হাঁসেরা দ্রুত ডিম পাড়া শুরু করেছে।

মেয়েরা বাসায় তা দিতে বসে।

তখন পুরুষেরা শত্রুদের উপরে চোখ রাখে।

আর তাকে বেশি সময় দেরি করতে হয় না।

মেরু শেয়ালরা এখানে পুরো বছর ধরে বাস করছে।

হাঁসেদের ফিরে আসার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল।

শেয়ালদের টিকে থাকা নির্ভর করে, ডিমের উৎপাদনের উপর।

কিন্তু তুষার হংসীরা বছরে মাত্র কয়েকটা ডিম পাড়ে।

আর সেগুলো জীবন দিয়ে রক্ষা করার চেষ্টা করে।

তারপরেও, একটা শেয়াল এক মৌসুমে এক হারাজের উপরে ডিম চুরি করতে পারে।

এতটা হারানোর পরেও...

অনেক ডিম ফোটে।

গ্রীষ্মের উচ্চ তাপমাত্রা থাকলেও এটা উত্তর মেরু।

তাই হাঁস শাবকটাকে উষ্ণ থাকতে মায়ের কাছে থাকে।

মায়ের ডানার নিচে এতটুকুই জায়গা।

তবুও, তুন্দ্রার বড় প্রতিবেশিরা পাশ দিয়ে যাবার সময়

ভাল হবে পথ থেকে সরে থাকলে।

যদিআও কারিবুদের থেকে তেমন কোন আশংকা নেই।

কিন্তু তারা সমস্যা নিয়ে আসে।

গ্রিজলি ভাল্লুকেরা তাদের অনুসরণ করে সহজে খাবার পাবার আশায়।

আর তাদের উপস্থিতির কারণে, কলোনীতে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

কোন বাচ্চা এটার পথে পড়লে প্রাণ হারায়।

বিপদ বেড়ে যাবার কারণে,

বাচ্চাদের জীবনের প্রথম ভ্রমণেরও সময় হয়ে গেছে।

এই পরিবার সুরক্ষার জন্য পানিতে যাচ্ছে।

মাত্র আট সপ্তাহে, যখন এখানে সূর্যের আলো পড়ে আসবে,

হাঁসের বাচ্চারা তখন প্রথম বারের মত উড়ে

সারা পথ অতিক্রম করে মেক্সিকোর গাল্ফে যাবে।

ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে সব প্রাণী মাইগ্রেট হয় না।

সিংহ, সারা বছর একই জায়গায় রাজত্ব করে।

পূর্ব আফিক্রার সেরেঙ্গিতে এই দলটা আসন্ন শিকারদের উপরে নজর রাখছে।

বর্তমানে, শুকনোর মৌসুম চলছে,।

লম্বা ঘাসের প্রান্তর, যেখানে সিংহরা বাস করে

সেটা পুরোপুরি খালি হয়ে পড়েছে।

কিন্তু সময় পরিবর্তন হতে চলেছে।

লক্ষ লক্ষ ওয়াইল্ডবিস্ট তাদের দিকে এগিয়ে আসছে।

তারা একত্রে, পৃথিবীর স্থলভাগের সর্ববৃহৎ মাইগ্রেশন ঘটাবে।

দলটা তার পথের আশেপাশের প্রায় পাঁচ হাজার টন ঘাস প্রতিদিন গলাধকরণ করবে।

যার মানে তাদেরকে এগোতে হবে।

সিংহেরা কিছু একটা গুনছে।

লম্মা শুকনো ঘাসে বেশি পুষ্টি থাকে না।

কিন্তু দলটাকে সেটা পার হতেই হবে।

আর সিংহরা সেটা জানে।

ছদ্মবেশ আর অদৃশ্য হতে, ঘাস বেশ কাজে দেয়।

গন্ধ টের পাবার হাত থেকে রক্ষা পেতে,

সিংহী, কম বাতাসের দিক থেকে এগিয়ে আসে।

পিছু নিচ্ছে।

থেমে যাচ্ছে।

প্রতিটা পদক্ষেপ

পর্যালোচনা করছে।

একটা অসাবধান পদক্ষেপ তার অবস্থান জানিয়ে দিতে পারে।

ঘাসের ভেতরে যেকোন নড়াচড়া

দলটার জন্য হুমকির কারণ হতে পারে।

একগা গিনি ফাওল।

ভুল সংকেত।

হয়ত না।

সে প্রায় সঠিক অবস্থান নিয়ে নিয়েছে।

লক্ষ্য থেকে মাত্র বিশ মিটার দূরত্বে।

সামান্য খেয়ে মাসখানিক পার করার পরে, এই বড় খাবার ভাগ্যে জুটলো।

ঝাঁকটা যাবার পথে, সিংহের দলটাকে যতটা সম্ভব

মাইগ্রেশন করতে হবে।

দ্রুতই ঝাঁকটা, সিংহদের এলাকা ছেড়ে চলে যাবে।

উত্তরে সরে যাবার পরেও তাদের ফ্রেশ ঘাস খোঁজা কখনও থামবে না।

আগষ্টে, উত্তর গোলার্ধ সব থেকে বেশি গরম থাকে।

কানাডার ভ্যানকুবার দ্বীপের

একটা প্রাণীর জীবনচক্র, এই উচ্চ তাপমাত্রার উপরে নির্ভর করে।

দিনের শেষের দিকে সিডার লেকের

গভীরে কিছু একটা নড়াচড়া করছে।

ট্যাডপোলেরা পুরো রাত লেকের গভীরে ঠান্ডা পানিতে লুকিয়ে কাটায়।

এখন সূর্য উঠেছে, তারাও লেকের উপরের দিকে যেতে শুরু করেছে।

প্রথমে একশ জন।

তারপরে হাজার।

সবাই যাচ্ছে সৌর শৈবালের জন্য।

লেকের গভীরতা থেকে এখানে পানি পাঁচ ডিগ্রি বেশি উষ্ণ।

আর এই উষ্ণতা তাদের টোডসে পরিণত হবার সময়ের গতিকে বাড়িয়ে দেবে।

কিন্তু যখন রাত নামে,

সুরক্ষার জন্য তারা আবার গভীরে ফিরে যায়।

পরের দিন সকাল পর্যন্ত থাকে।

প্রতিদিন এই যাত্রার পুনরাবৃত্তি ঘটে।

সূর্য।

সাঁতারা কাটা।

খাওয়া।

পুনরায় ফিরে আসা।

মনে হচ্ছে সব ঠিক আছে।

نظرات

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left