نخستین 200 خط.
মানুষ কেন জ্বিনদের সাথে যোগাযোগ করে?
কেন জ্বিনরা মানুষকে শিকার করে?
জ্বিনদেরও আদালত রয়েছে ঠিক মানুষের মতোই.
সেখানেও তাদেরকে বিচারের সম্মুখীন হতে হয়.
যদি কোনও জ্বিন রক্তের অধিকারের কারণে কোনও মানুষকে শিকার করে তবে তার জন্য একই শাস্তি প্রযোজ্য.
মৃত্যুর জন্য মৃত্যু, আঘাতের জন্য আঘাত…
যদি তারা কুফরি কালামের দ্বারা শিকার করে, তারা কখনই পিছু পা হয় না যতক্ষণ না তাদের লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে.
প্রত্যেক কুফরির মধ্যে একটা চুক্তির শর্ত ও মুক্তি রয়েছে.
বিজ্ঞানীদের লেখা কিছু বই রয়েছে যা আমাদের মাঝে আজও আছে…
…সেখানে অনেক জ্বিনদের বর্ণনা আর অনেক চুক্তি রেকর্ড করা রয়েছে.
হয়রত আদমের বংশধররা অনেক জ্বিন গৌত্র সম্পর্কে জেনেছে এবং…
কিভাবে তাদরকে বশ করতে হয় তা শিখেছে.
THE SEED OF THE JENNEE
অনুবাদে - " দ্বীপ বিন্দু সরকার "
মাংস কি রেডি?
হ্যাঁ, রেডি… অনেক ক্ষুধা লেগেছে? ২ মিনিট অপেক্ষা করতে পারবে না?
ক্ষুধায় মরে যাচ্ছি.
-জেহরা? -হ্যাঁ?
-শাকসবজি রান্না হয়েছে? -হ্যাঁ.
তাহলে এখানে আনো ঐগুলো… কিসের জন্য অপেক্ষা করছো?
তোমার জন্য কি সারা দিন অপেক্ষা করবো?
মারিয়াম কোথায়?
সে নিশ্চয়ই বনে গেছে ইয়াভুজ ভাই, তার এতক্ষণে ফিরে আসার কথা.
মারিয়াম!
কোথায় হারিয়ে গিয়েছিলে?
কিছু গুল্ম (শাক) তুলে নিয়ে আসলাম, দুপুরের খাবারে সাথে খাওয়ার জন্য.
আসো, আসো.
ঐখানে কি করছিলে?
আমি আর কি করতাম, আপু??
মারিয়াম তোমার যদি ঠান্ডা লাগে তাই তোমার জন্য কিছু নিয়ে আসি.
না, সমস্যা নেই, ধন্যবাদ.
কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করে না ... কেবল আমার কাজ করার আশা করে ...
জেহরা!
হ্যাঁ?
ট্রে টা এখানে নিয়ে এসো...
এই যে…
এটা দিয়ে আমি কি করবো? গাড়িতে বড় একটা আগে ঐটা নিয়ে এসো!
কাছে এসো.
ইয়াভুজ কি করছো? কেউ দেখে ফেলবে তো.
তাতে কি? এখানে শুধু আমরাই আছি.
জেহরা, তাড়াতাড়ি!
-কি করছো এখানে? ফোনে কি দেখছো? -কিছু না.
কিছু না… এটা বাজছিল…
তাই তুমি রিসিভ করছিলে?
আমি এটা দেখলে কি হবে, আলী?
কার নম্বর এটা?
ওকে, নেও এটা. কথা বলে দেখো কে ফোন দিছে. বোকার মতো কথা বলছো.
ঐ ট্রে টা দেও…মাথা গরম করে দিও না.
আরে… আলী.
আলী…
আলী…
আলী…
ঠিক আছে নেও এটা, আমি দুঃখিত.
আবার শুরু করো না.
আলী…
দেখছো তোমার জন্য কি হলো? নেও, এখন খাও…
তুমি আমার উপর রাগ দেখাচ্ছো কেন?
-জেহরা… -তোমার এটা করা উচিত ছিল.
পাগল করে দিও না.
-আলী… -আমি কি এমন করেছি?
-কি হয়েছে? -জেহরা!… দেখো!
-এসব দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত… -এদিকে আয়…
আমরা এখন ক্ষুদার্ত…
আমি কিছু একটা বানাছি.
তাদের আবার কি হলো? জেহরা কি কিছু বলেছে?
না কিছু না… জেহরা কোনো কারণ ছাড়াই সন্দেহ করে.
আমি দোকানে যেয়ে আলীর সাথে কথা বলবো . তার জেহরার সাথে কথা বলা উচিত, সে এমনটা করতে পারে না.
আগামীকাল সকালে কি কাজে যাবে?
না আলী সকালে যাবে.
ওকে তাহলে আমি জেহরাকে সামলাবো.
দেখো জেহরা, শেষবারের মতো তোমাকে বলছি.
তুমি আমার সাথে ভদ্রভাবে কথা বলবে যখন আমরা অন্য লোকেদের সাথে থাকবো.
তাহলে আমাকে আদেশ দেওয়া বন্ধ করো.
আমি কি তোমার দাসী আলী?
ইয়াভুজকে দেখো… সে সবসময় মারিয়ামকে জড়িয়ে ধরে.
আমি তোমার কি করেছি? তুমি আমার থেকে কি চাও?
তুমি কি আমাকে ঘৃণা করো? কি হচ্ছে এসব?
নামো… খারাপ কিছু করার আগে নেমে যাও. যাও!
না এটা এভাবে কাজ করবে না.
আরো একটু দিবো?
হ্যাঁ হ্যাঁ. খু্ব খিদা লাগছে.
শিমগুলো খেতে দারুন, ধন্যবাদ.
ফিইজি স্কুল শুরু করেছে.
তুমি কখন আমার মায়ের সাথে কথা বলেছিলে?
সে কল করেছিল… সে আজকে আমাদেরকে পাচ্ছিল না.
ফিইজি কি এত বড় হয়েছে?
অবশ্যই হয়েছে!
আমাদের কি আবারও ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত?
আমরা আগেই গিয়েছি.
তাহলে আমরা আবার যেতে পারি. আবার না হলে.
ইয়াভুজ… এতে আমি আরো মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি.
এর ফলাফল একই থাকবে যেখানেই যায় না কেনো. ডাক্তার সেই একই কথা বলবে. যখন হওয়ার সময়, এটা তখন হবে. সঠিক সময়ের অপেক্ষা করো.
আমাদের বাচ্চা যদি এদিক ওদিক ছুটে বেড়ায় তবে কি খারাপ লাগবে?
আমাদের বাড়ি আনন্দময় হয়ে ওঠবে.
ইয়াভুজ…
ওকেই, আমি যাচ্ছি.
কোথায়? একটু চা বানাই গিয়ে…
খেলা শুরু হয়ে যাবে… চা বানাতে হবে. তুমি খাবার খাও.
ঠিক আছে, তাহলে আমি জেহরা দিয়ে বুঝাবো.
থামো! সাবধানে!
হারিকেনটা এদিকে এসো.
নামাজ পড়ে নেও.
কেন এসেছো?
আমার স্বামী…
সে কি তোমার সাথে প্রতরণা করেছে?
জানি না.
জানতে পারবে.
ওখানে কি হচ্ছে?
তাকে যা করা উচিত তাই করছে.
যাও!
আল্লাহ তুমিই সবকিছুর স্রষ্টা. তুমিই সর্বশক্তিমান. আমাকে সাহায্য করো.
কি চাও তুমি?
সে আমাকে ভালবাসবে.
সে আমার দিকে ভালবাসার চোখে দেখবে.
এখন সে আমার গায়ে হাত তোলে. সে বাড়িতে আসে না.
তাই আমার সন্দেহ হয়… সে বাইরে কি করে?
সে এর আগে এমন ছিল না.
সে সবসময় আমাকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করে...অন্য লোকদের সামনে আমার উপর চিৎকার চেচাঁমেচি করে.
বাড়িতে সবসময় আমার সাথে ঝগড়া করে.
আমি ভাবছি অন্য কেউ আছে কিনা...
হ্যাঁ! হ্যাঁ… কেউ একজন আছে.
কে?
তুমি কি তাকে আবার ফিরে পেতে চাও?
হ্যাঁ.
কি এনেছো?
মাশাল্লাহ…মাশাল্লাহ…
এটা নেও.
আল্লাহ তোমার সহায় হবে.
যে তোমার স্বামীকে তোমার থেকে দূরে নিয়ে গেছে, তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে.
সে ঘুমাতে পারবে না.
কখনই না.
সে তোমার স্বামীকে তোমার থেকে নিয়ে গেছে, তাই সে প্রতি রাতে স্বপ্নে তোমাকে দেখতে পাবে.
সে তোমাকে আয়নায় দেখতে পাবে…
দেখবে তুমি তাকে নির্যাতন করছো…
দিন অথবা রাত কখনই সে ভাল থাকবে না.
কখনই না.
এই কবচগুলো রাতে মাটিতে পুঁতে রাখবে হবে.
প্রতারক যাতে প্রতারণা না করতে পারে, সেজন্য প্রথম কবচটা দুইটা কবরের মাঝখানে রাখবে হবে.
দ্বিতীয়টা তোমার তোশকের তোলে, যাতে সে তোমার সাথে প্রতরণা না করতে পারে.
তৃতীয়টা সবসময় তোমার কাছে রাখবে, এটা তোমাকে সুরক্ষা দিবে.
যদি তুমি ভালো অনুভব না করো আর যদি অনেক রেগে যাও, তাহলে এই কবচটা তোমার শরীরের মধ্যে রাখবে.
সাত প্রজন্ম ধরে এটা এইরকমই থাকবে.
গতরাতে কি হয়েছিল?
কিছু কি হয়েছে?
ঘুমাতে পারি নি…আমি স্বপ্নে আয়না দেয়ালে লাগাচ্ছিলাম.
আয়নায় কি দেখছিলে?
নিজেকে আয়নায় দেখছিলাম, জেহরা আপুও ছিল, আমিও ছিলাম.
কিছুই বুঝতে পারছিলাম না. অদ্ভুত ছিল ওটা.
আল্লাহ মাফ করুক.
-ওকে আমি যাচ্ছি. -কোথায়? খাবে না?
ওহ আলী ভাই… শুভ সকাল.
শুভ সকাল.
তুমি এখানে? অবাক হলাম.
ওহ আমি কাজের মানুষ. কোনও বিজ্ঞাপনদাতা নয়.
নিশ্চয়ই তুমি চা বানিয়েছো?
- অবশ্যই করেছি. আমাকে এক কাপ দিও. - আচ্ছা.
কতো টাকা?
-230 টাকা. -ঠিক আছে.
ধন্যবাদ.
জেহরার সাথে কথা বলেছো?
না.
আরে আলী… সে খুবই দুঃখ পেয়েছে. তুমি এমন করছো কেন? তার প্রতি এতো কঠোর হয়ো না…
তোমার কথা ঠিক আছে কিন্তু…
আরে আলী আমি তোমাকে আগেও বলেছি, তোমাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আমার যাওয়া ঠিক নয়…
…কিন্তু তুমি আমার ভাই. এমন করো না…
বুঝতে পেরেছো?
চা খাও.
কি হলো?
- আমি ঘুম জাগিয়ে দিলাম? - কি হয়েছে?
কিছু হয় নি… একটা গ্লাস ভেঙ্গে গিয়েছে.
- আমি দেখছি. - সমস্যা নেই জেহরা… সামান্য কেটে দিয়েছে.
তুমি কি নাস্তা বানিয়েছো.
জেহরা… আমি বুঝতে পারছি আমি তোমার সাথে সত্যিই অনেক বাজে ব্যবহার করছি. কিন্তু আমি সব ঠিক করে নিবো.
সব ঠিক হয়ে যাবে. আমরা আগের মতো হয়ে যাবো.
ওকে এখন যেয়ে হাত ধুয়ে ফেলো… আমি বিছানা গোছাছি.
ওকেই.
সকালে আমি একটা অদ্ভুত শব্দে ঘুম থেকে উঠেছি.
অন্য রুমে যেতে আমার খুব ভয় করছিল. আমি খুবই ভীত ছিলাম.
তারপর আমি আলীকে দেখি… সে অনেক কিছু নিয়ে এসেছিল… নাস্তা বানিয়েছিল…
আলী ভাইকে দেখ…
হ্যাঁ আমি নিজেও এটা আশা করিনি! সে আবার আঙ্গুল কেটে ফেলছে.
কিভাবে কাটলো?
এজন্যেই আমি ঘুম থেকে উঠে গেছিলাম. সে সব তাক নিচে নামিয়ে ফেলছিল.
তারপর… কি করলো?
সে ক্ষমা চাইলো… সে আমার কাছে প্রমিজ করলো আমার সাথে আর ঝগড়া করবে না. ওহ আল্লাহ ধন্যবাদ…
ভাল ভাল…
এগুলো সব কি করবো? সব কেটে ফেলবো…
তুমি বাড়ি নিয়ে যাবে… রাতে রান্না করো. চিন্তা করো না.
অনেক ধন্যবাদ.
যাইহোক নেরিমন ইস্তাম্বুল গেছে.
- কোথায়? - ইস্তাম্বুলে… ইস্তাম্বুল!
সে চাকরি খুঁজছে.
কি যেনো বলে? … যাইহোক.
তারা সেখানে কি করবে?
ওহ সেখানে কোনো চাকরি নেই… নেরিমন বললো…
তাদের নাকি অনেক ঋণ আছে… এজন্য হতে পারে.
সে তাহলে কি করবে?
তুমি কি ডেজার্ট বানিয়ে ফেলবে নাকব? কতো চিনি দিচ্ছো?
ওহ আমি বুঝতে পারিনি. কি যেনো বলছিলে?
কি হয়েছে? বলো আমাকে.
No comments yet. Be the first to leave one.